📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 প্রথম : আর্থিক ও অ-আর্থিক চুক্তি

📄 প্রথম : আর্থিক ও অ-আর্থিক চুক্তি


কোনো সম্পদ বা টাকা পয়সার বিষয়ে চুক্তি সংঘটিত হলে সকল ফকীহের মতে ওই চুক্তিটি আর্থিক চুক্তি। ওই বস্তুর মালিকানা স্থানান্তর বিনিময়ের মাধ্যমে হতে পারে—যেমন বেচাকেনার সকল প্রকার; যথা—সরফ, সালাম, মুকায়াযা (পণ্যের বিনিময়ে পণ্য বিক্রি); কিংবা বিনিময় ছাড়া হতে পারে—যেমন হেবা, ঋণপ্রদান, কোনো বস্তু সম্পর্কে অসীয়ত করা ইত্যাদি। অথবা তা কোনো কাজের বিনিময়েও হতে পারে; যেমন মুযারাআ, মুসাকাত, মুদারাবা ইত্যাদি।

তবে চুক্তিটি যখন নির্দিষ্ট কোনো কাজের বিপরীতে হবে; যেমন ওকালত, কাফালত, অসী হওয়া অথবা নির্দিষ্ট কোনো কাজ হতে বিরত থাকা; যেমন মুসলমানদের ও কাফেরদের মাঝে যুদ্ধবিরতির চুক্তি, তাহলে তা উভয় পক্ষ থেকেই একটি অ-আর্থিক চুক্তি বলে গণ্য হবে।

আরো কিছু চুক্তি রয়েছে যা একদিক বিচারে আর্থিক চুক্তি হয়, আবার অন্য বিচারে আর্থিক চুক্তি হয় না। যেমন বিয়ে, খুলা, হত্যার বদলে অর্থদন্ডে সন্ধি, জিযিয়া-চুক্তি ইত্যাদি।

ফকীহবৃন্দ মুনাফা ও উপকারিতার চুক্তি—যেমন ইজারা, ধারপ্রদান ইত্যাদি বিষয়ে মতভেদ করেছেন। অধিকাংশ ফকীহ বলেন, এগুলো আর্থিক চুক্তির অন্তর্ভুক্ত। কারণ তাদের মতে বস্তুর উপকারিতাও সম্পদ কিংবা সম্পদের হুকুমে গণ্য। হানাফীগণ-এর বিরোধিতা করেন। কারণ, তাদের মতে উপকারিতা সম্পদ নয়।

আল্লামা যারকাশী বলেন: চুক্তি হয়তো উভয় পক্ষ থেকে প্রকৃতই আর্থিক হবে; যেমন বেচাকেনা ও সালাম। অথবা বিধানগত আর্থিক হবে; যেমন ইজারা। কারণ, বস্তুর উপকারিতা সম্পদের স্থলাভিষিক্ত। অনুরূপ হচ্ছে মুদারাবা ও মুসাকাত। অথবা চুক্তিটি দুদিকের কোনো দিক থেকে আর্থিক হবে না; যেমন যুদ্ধবিরতির চুক্তি। কারণ, এখানে চুক্তিবদ্ধ জিনিস কোনো সম্পদ নয়; বরং মুসলমান ও কাফের উভয় পক্ষ অপর পক্ষের ওপর আক্রমণ করা থেকে বিরত থাকা হচ্ছে চুক্তির মূল বিষয়। এমনিভাবে বিচারের চুক্তি। কিংবা চুক্তিটি একপক্ষ থেকে আর্থিক হবে; যেমন বিয়ে, খুলা, হত্যার বদলে আর্থিক সমঝোতা চুক্তি কিংবা জিযিয়ার চুক্তি।

উভয়পক্ষ থেকে অ-আর্থিক চুক্তিটি উভয়পক্ষে আর্থিক চুক্তির তুলনায় বেশি আবশ্যকীয়। এটি এভাবে প্রকাশিত হয়, আর্থিক লেনদেনে বিনিময়দ্রব্যে (পণ্য বা মুদ্রা) কোনো দোষ প্রকাশিত হলে চুক্তিটি রহিত করা জায়েয। যেমন খিয়ারুল আইবে হয়ে থাকে। কিন্তু অ-আর্থিক চুক্তিটি কোনোভাবেই রহিত করা যায় না; তবে কোনো প্রতিবন্ধকতা যদি চুক্তির ধারাবাহিকতার প্রতিবন্ধক হয় তাহলে ভিন্ন কথা।

আর্থিক চুক্তি দুই প্রকার: ১. শুধুই আর্থিক (مُعَاوَضَةٌ مَحْضَةً); ২. নিছক আর্থিক নয় (غَيْرُ مَحْضَة)। শুধু আর্থিক চুক্তি হলো, যেখানে উভয় পক্ষ থেকে অর্থ বা সম্পদই মূল উদ্দেশ্য হয়ে থাকে। যেমন বেচাকেনা। আর যে চুক্তি শুধু আর্থিক নয় তা শর্তযুক্ত হয় না, অর্থাৎ তাকে কোনো জিনিসের সাথে ঝুলিয়ে রাখা যায় না; তবে মহিলার পক্ষ থেকে খুলা-চুক্তি হলে ভিন্ন কথা। যেমন মহিলা স্বামীর অর্থপ্রাপ্তিকে শর্তযুক্ত করে বলল, 'তুমি আমাকে তালাক দিলে এক হাজার টাকা পাবে।

টিকাঃ
১৫০. মুরশিদুল হায়রান, ধারা: ২৬৩
১৫১. আয যারকাশী, আল মানছুর, খ. ২, পৃ. ৪০২
১৫২. আয যারকাশী, আল মানছুর, খ. ২, পৃ. ৪০৩

📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 দ্বিতীয় : আবশ্যকীয় ও অনাবশ্যকীয় চুক্তি

📄 দ্বিতীয় : আবশ্যকীয় ও অনাবশ্যকীয় চুক্তি


আবশ্যকীয় চুক্তি (الْعُقُودُ اللأزمة) হলো এমন চুক্তি যা দুপক্ষের একপক্ষ অন্যের সন্তুষ্টি ব্যতীত রহিত করতে পারে না। আর এর বিপরীত হচ্ছে অনাবশ্যকীয় বা সাধারণ বৈধ চুক্তি (الْعَقْدُ الْجَائِزُ অর্থাৎ الْعُقُودُ غَيْرُ اللأزمة)। এর সংজ্ঞা: তা এমন চুক্তি যা একপক্ষ অন্যপক্ষের সন্তুষ্টি ব্যতীত রহিত বা ভঙ্গ করতে পারে।

চুক্তি আবশ্যক হওয়া বা না হওয়ার দিক বিবেচনা করে ফকীহ সমাজ যাবতীয় চুক্তি কয়েক ভাগে বিভক্ত করেছেন। এ প্রসঙ্গে আল্লামা সুযুতী রহ. বলেন, দুজন বা দুপক্ষের মাঝে সংঘটিত চুক্তি কয়েক প্রকার:

প্রথমত: যা উভয় পক্ষ থেকে আবশ্যক। যেমন—বেচাকেনা, সরফ, সালাম, তাওলিয়া, তাশরীক, বিনিময়ের সন্ধি, হাওয়ালা, ইজারা, মুসাকাত, হেবার জিনিস গ্রহণের পর অপরিচিত কাউকে হেবা করে দেওয়া, মহর ও খুলার বিনিময়।

দ্বিতীয়ত: উভয় পক্ষ থেকে নিশ্চিত অনাবশ্যকীয়। যেমন—অংশীদারী ব্যবসা, ওকালত বা প্রতিনিধি নিযুক্তকরণ, মুদারাবা, অসীয়ত, আরিয়ত, ওদীয়ত, ঋণ দেওয়া, মজুরি-চুক্তি, বিচারকার্য, প্রশাসনিক সকল দায়িত্ব—শাসনক্ষমতা ব্যতীত।

তৃতীয়ত: মতানৈক্যপূর্ণ চুক্তি। তবে সঠিক কথা হচ্ছে তা আবশ্যকীয়। যেমন দৌড় প্রতিযোগিতা ও তীর প্রতিযোগিতা, এ হিসেবে যে এগুলো ইজারার মতো। এই মতের বিরুদ্ধচারীগণ বলেন, উভয়টাতে পুরস্কার রয়েছে। আর বিয়ে মহিলার পক্ষ থেকে নিশ্চিত আবশ্যকীয়; সঠিক মতানুসারে পুরুষের পক্ষ থেকেও।

চতুর্থত: অনাবশ্যকীয় চুক্তি, যা পরবর্তী সময়ে আবশ্যক হয়ে যায়। যেমন, গ্রহণ করার পূর্বে হেবা ও বন্ধক। মৃত্যুর পূর্বে অসীয়ত।

পঞ্চমত: একপক্ষ থেকে আবশ্যক হলেও অন্যপক্ষ হতে অনাবশ্যক। গ্রহণের পর বন্ধক, ক্ষতিপূরণ, কাফালত, নিরাপত্তার চুক্তি ও শাসনব্যবস্থা।

আল্লামা যারকাশী রহ. বলেন: মূলত চুক্তির প্রকার হচ্ছে তিনটি: ১. উভয় পক্ষ হতে আবশ্যক। ২. উভয় পক্ষ থেকে অনাবশ্যক। ৩. একপক্ষ থেকে আবশ্যক, অন্যপক্ষ হতে অনাবশ্যক। তিনি আরো বলেন, আবশ্যকীয় চুক্তির বিধান হলো চুক্তিবদ্ধ বিষয় নির্দিষ্ট, পরিজ্ঞাত ও তাৎক্ষণিক হস্তান্তরযোগ্য হতে হবে। কিন্তু অনাবশ্যকীয় চুক্তি এমন নাও হতে পারে।

উভয়পক্ষ হতে আবশ্যক—এমন চুক্তির আরো বিধান হচ্ছে, তাতে স্থায়ী খিয়ার থাকবে না। এবং চুক্তি সম্পাদনকারী একজন কিংবা উভয়ে মৃত্যুবরণ করলেও এই চুক্তি রহিত হবে না। তদ্রূপ পাগলামি ও বেহুঁশ হওয়ার কারণে রহিত হবে না। কিন্তু জায়েয চুক্তি, যা আবশ্যক নয় এর বিপরীত।

এই নীতিমালা হানাফীদের মত অনুসারে কার্যকর নয়। তারা তাদের মতের সপক্ষে বলেন, ইজারা-চুক্তি এমন একটি চুক্তি যা উভয় পক্ষ থেকেই আবশ্যক। তবে ইজারা বাতিল হয়ে যায় মৃত্যু দ্বারা। কারণ, ইজারা লাভের ওপর হয়ে থাকে। আর লাভ ও উপকার তো একটু একটু করে উৎপাদন হতে থাকে। সুতরাং উভয়পক্ষের যে কারোর ইন্তেকালের পর সৃষ্ট উপকারিতা চুক্তির সময় ছিল না।

টিকাঃ
১৫৩. আয যারকাশী, আল মানছুর, খ. ২, পৃ. ৪০০
১৫৪. সুয়ূতী, আল-আশবাহ ওয়ান নাযায়ের, পৃ. ২৭৫; ইবনে নুজাইম, আল-আশবাহ ওয়ান নাযায়ের, পৃ. ৩৩৬
১৫৫. আয যারকাশী, আদ দুররুল মানছুর, খ. ২, পৃ. ৩৯৮ ও ৪০০
১৫৬. আয যারকাশী, আদ দুররুল মানছুর, খ. ২, পৃ. ৪০১
১৫৭. বাদায়েউস সানায়ে, খ. ৪, পৃ. ২২২

📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 তৃতীয় : খিয়ারের সুযোগ থাকা বা না থাকা হিসাবে বিভক্তি

📄 তৃতীয় : খিয়ারের সুযোগ থাকা বা না থাকা হিসাবে বিভক্তি


আল্লামা ইবনে কুদামা চুক্তিতে খিয়ারের (গ্রহণ বা প্রত্যাখ্যানের স্বাধীনতা) সুযোগ থাকা বা না থাকা হিসাবে চুক্তিকে ছয়ভাগে ভাগ করেছেন। তা নিম্নরূপ:

ক. এমন আবশ্যকীয় চুক্তি যার উদ্দেশ্য কেবল বিনিময়। যেমন বেচাকেনা ও বেচাকেনার সদৃশ অন্যান্য চুক্তি। আর তা দু প্রকার:
প্রথম প্রকার: সেখানে দু ধরনের খিয়ার সাব্যস্ত হয়। খিয়ারুল মজলিস ও খিয়ারুশ শারত। যেমন এমন বেচাকেনা যেটিতে মজলিসে কব্জা করা শর্ত নয়। এমন সন্ধি করা যার মধ্যে বেচাকেনার অর্থ রয়েছে।
দ্বিতীয় প্রকার: যে চুক্তির মধ্যে মজলিসেই কব্জা করা শর্ত। যেমন সরফ, সালাম, সুদী পণ্যকে একই প্রকারের পণ্যের বিনিময়ে বিক্রি করা। এসব চুক্তিতে খিয়ারুশ শারত সাব্যস্ত হবে না।

খ. আবশ্যকীয় চুক্তি, তাতে বিনিময় গ্রহণ করা হলেও তা মূল উদ্দেশ্য থাকে না। যেমন বিবাহ ও খুলা। এ দুটোতে খিয়ার হবে না। কারণ, খিয়ার সাব্যস্ত হয় ব্যয়কৃত অর্থের বিনিময়ে নিজের প্রাপ্য অংশের যথাযথ পরিচয় লাভ করার জন্যে। তদ্রূপ ওয়াকফ, হেবা।

গ. একপক্ষ হতে আবশ্যকীয় চুক্তি, অন্য পক্ষ থেকে নয়। যেমন বন্ধক; তা বন্ধকদাতার পক্ষ হতে আবশ্যক, কিন্তু বন্ধকগ্রহীতার পক্ষ হতে অবশ্যক নয়। সুতরাং তাতে খিয়ার সাব্যস্ত হবে না।

ঘ. উভয় পক্ষ হতে অনাবশ্যক চুক্তি। যেমন: অংশীদারী কারবার, মুদারাবা, মজুরি-চুক্তি, ওকালাত, ওদীয়ত, অসীয়ত ইত্যাদি। এ সকল চুক্তিতে খিয়ার সাব্যস্ত হবে না। কারণ, এ চুক্তিগুলো সংঘটিত হতে খিয়ারের প্রয়োজন হয় না।

ঙ. আবশ্যক ও অনাবশ্যক দুটোর মাঝামাঝি চুক্তি। যেমন: মুসাকাত ও মুযারাআ। বাহ্যত এ দুটি চুক্তি বৈধ, আবশ্যক নয়। তাই এ দুটোতে খিয়ারের কোনো প্রয়োজন না থাকায় খিয়ার হবে না।

চ. এমন আবশ্যক চুক্তি যার মধ্যে সম্পাদনকারী উভয়ের একজনের স্বাধীনতা থাকে। যেমন হাওয়ালা এবং শুফআ। এগুলোতে খিয়ার হবে না। যেহেতু চুক্তিতে একজনের সন্তুষ্টি বিবেচনা করা হয় না, তাই তার কোনো খিয়ার থাকবে না।

টিকাঃ
১৫৮. ইবনে কুদামা, আল-মুগনী, খ. ৩, পৃ. ৫৯৪

📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 চতুর্থ : যেসব চুক্তিতে দখল বা কজা করা শর্ত আর যেগুলোতে শর্ত নয়

📄 চতুর্থ : যেসব চুক্তিতে দখল বা কজা করা শর্ত আর যেগুলোতে শর্ত নয়


দখল বা কব্জা করা শর্ত কিংবা শর্ত নয়—এ হিসেবে ফকীহগণ সকল চুক্তি দুই ভাগে ভাগ করেছেন:

প্রথম প্রকার: এমন সব চুক্তি যেগুলোতে মোটামুটিভাবে চুক্তির সময় চুক্তিবদ্ধ বস্তু কজা করা শর্ত নয়। এ প্রকারের উদাহরণ হচ্ছে সাধারণ বেচাকেনা, ইজারা, বিয়ে, অসীয়ত, ওকালাত, হাওয়ালা ইত্যাদি। বেচাকেনা তো ঈজাব ও কবুল দ্বারা সংঘটিত হয়ে যায়। এরপর এই চুক্তির ফলাফল ও প্রভাব প্রকাশিত হয়। পণ্যের মালিকানা বিক্রেতার নিকট হতে ক্রেতার কাছে চলে যায়, মূল্যের মালিকানা ক্রেতার নিকট থেকে সরে এসে বিক্রেতার হয়ে যায়। এই বিধান ফকীহদের ঐকমত্য অনুযায়ী। তবে হানাফী ও শাফেয়ী ফকীহগণ স্পষ্ট বলেছেন, বেচাকেনার ক্ষেত্রে যদিও শুধু চুক্তির দ্বারাই মালিকানা স্থানান্তর হয়ে যায়, কিন্তু পণ্য ও মূল্য কজা করা ব্যতীত তা স্থায়িত্ব লাভ করে না।

ইজারা শুধু ঈজাব ও কবুল দ্বারাই সংঘটিত হয়। আর ইজারার ফলাফল বা প্রভাব প্রকাশিত হয় চুক্তি সংঘটিত হওয়ার দ্বারাই; তা উসুল করার চাহিদা প্রকাশ করা ছাড়াই। এটি অধিকাংশ আলেমের অভিমত। তবে হানাফীগণ এর বিপরীত মত ব্যক্ত করেন। তাঁরা বলেন: ভাড়াদাতা কেবল চুক্তির দ্বারাই ভাড়ার টাকার মালিক হয়ে যাবে না; বরং সে ভাড়ার টাকার উসুল করা কিংবা ভাড়ার টাকা উসুল করার সুযোগ লাভ করার দ্বারা হতে পারে। তেমনিভাবে বিয়েতে কেবল চুক্তির মাধ্যমেই এর ফলাফল ও প্রতিক্রিয়া প্রকাশিত হয়। মহর গ্রহণ করা ছাড়াই। তদ্রূপ অসীয়ত, ওকালাত, হাওয়ালা।

টিকাঃ
১৫৯. ইবনে নুজাইম, আল-আশবাহ ওয়ান নাযায়ের, পৃ. ৩৪৭; সুয়ূতী, আল-আশবাহ ওয়ান নাযায়ের, পৃ. ২৮২; ইবনে রাজাব, আল-কাওয়ায়িদ, পৃ. ৭৪-৭৬
১৬০. বিদায়াতুল মুজতাহিদ, খ. ২, পৃ. ২১৮; নিহায়াতুল মুহতাজ, খ. ৫, পৃ. ১৬৪; ইবনে কুদামা, আল-মুগনী, খ. ৫, পৃ. ৪৪৩
১৬১. ইবনে নুজাইম, আল-আশবাহ ওয়ান নাযায়ের, পৃ. ৩৪৮

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00