📄 তথা ঈজাব ও কবুল একত্রিত হওয়া
চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য ঈজাব তথা প্রস্তাবের সাথে কবুল একত্র হওয়া শর্ত। এ একত্র হওয়াটা চুক্তির মজলিসেই হতে হবে। এটার অর্থ এই নয় যে, ঈজাব তথা প্রস্তাব প্রকাশের পর কবুল ও গ্রহণটি তাড়াতাড়ি সম্পাদন হতে হবে। সংখ্যাগরিষ্ঠ ফকীহগণ কবুল বিষয়টি ফাওরিয়্যাহ তথা তাড়াতাড়ির শর্তে শর্তযুক্ত করেননি। বিস্তারিত আলোচনা হলো নিম্নরূপ :
চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য ঈজাব তথা প্রস্তাবের সাথে কবুল একত্র হওয়া শর্ত। এ একত্র হওয়াটা চুক্তির মজলিসেই হতে হবে। এটার অর্থ এই নয় যে, ঈজাব তথা প্রস্তাব প্রকাশের পর কবুল ও গ্রহণটি তাড়াতাড়ি সম্পাদন হতে হবে। সংখ্যাগরিষ্ঠ ফকীহগণ কবুল বিষয়টি ফাওরিয়্যাহ তথা তাড়াতাড়ির শর্তে শর্তযুক্ত করেননি। বিস্তারিত আলোচনা হলো নিম্নরূপ :
📄 প্রস্তাবকারীর প্রস্তাব হতে সরে আসা
অধিকাংশ ফকীহ-হানাফী, শাফেয়ী এবং হাম্বলী মাযহাবের আলেমদের মতে, ঈজাব টি অপরিহার্য নয়, তাই ব্যক্তি তার প্রস্তাব তথা ঈজাব থেকে অপর পক্ষের কবুল করার পূর্ব পর্যন্ত ফিরে আসতে পারবে। আল-ফাতাওয়া আল-হিন্দিয়্যা গ্রন্থে এসেছে, প্রস্তাবকারী অপর পক্ষের কবুল করার পূর্বে যে কোনো সময় তার প্রস্তাব থেকে ফিরে আসতে পারবে। বাদায়ে গ্রন্থে বলা হয়েছে, যদি কেউ প্রস্তাব করার পর অপর পক্ষের কবুল করার পূর্বেই উক্ত প্রস্তাব থেকে ফিরে আসে, তবে তার ফিরে আসা সহীহ হবে। এ প্রত্যাবর্তনের বিশুদ্ধতার পক্ষে দলিল হিসেবে তারা বলেন : প্রস্তাবকারী যেহেতু তার প্রস্তাবের মাধ্যমে কবুলকারীকে কবুলের অধিকার প্রদান করে তাই তার সে প্রস্তাব থেকে ফিরে আসার অধিকার আছে। এ কথার ওপর ভিত্তি করে এটাও বলা যায়, প্রস্তাবকারী যদি কবুলকারীর কবুল করার পূর্বে তার প্রস্তাব থেকে ফিরে আসে, অতঃপর কবুলকারী কবুল করে তবে উক্ত চুক্তি সম্পাদিত হবে না। এ প্রসঙ্গে আল্লামা শারবীনী রহ. বলেন, ঈজাব থেকে কবুল পর্যন্ত সকল কিছুই স্পষ্টভাবে সম্পন্ন হওয়া চুক্তির শর্ত। মালিকী মাযহাবের ইমাম আল-হাত্তাব রহ. বলেন, প্রস্তাব দেওয়ার পর অপর ব্যক্তির কবুল করার পূর্বে যদি সে তার প্রস্তাব থেকে সরে যেতে চায় তবে ক্রেতা কবুল বললেও বিক্রেতার উক্ত প্রত্যাবর্তন ঠিক হবে না। ইবনে রুশদ-এর মতটি প্রযোজ্য হবে তখন যখন প্রস্তাবকারীর সীগা অতীতকালীন সীগার মত চুক্তি আবশ্যক করবে।
অধিকাংশ ফকীহ-হানাফী, শাফেয়ী এবং হাম্বলী মাযহাবের আলেমদের মতে, ঈজাব টি অপরিহার্য নয়, তাই ব্যক্তি তার প্রস্তাব তথা ঈজাব থেকে অপর পক্ষের কবুল করার পূর্ব পর্যন্ত ফিরে আসতে পারবে। আল-ফাতাওয়া আল-হিন্দিয়্যা গ্রন্থে এসেছে, প্রস্তাবকারী অপর পক্ষের কবুল করার পূর্বে যে কোনো সময় তার প্রস্তাব থেকে ফিরে আসতে পারবে। বাদায়ে গ্রন্থে বলা হয়েছে, যদি কেউ প্রস্তাব করার পর অপর পক্ষের কবুল করার পূর্বেই উক্ত প্রস্তাব থেকে ফিরে আসে, তবে তার ফিরে আসা সহীহ হবে। এ প্রত্যাবর্তনের বিশুদ্ধতার পক্ষে দলিল হিসেবে তারা বলেন : প্রস্তাবকারী যেহেতু তার প্রস্তাবের মাধ্যমে কবুলকারীকে কবুলের অধিকার প্রদান করে তাই তার সে প্রস্তাব থেকে ফিরে আসার অধিকার আছে। এ কথার ওপর ভিত্তি করে এটাও বলা যায়, প্রস্তাবকারী যদি কবুলকারীর কবুল করার পূর্বে তার প্রস্তাব থেকে ফিরে আসে, অতঃপর কবুলকারী কবুল করে তবে উক্ত চুক্তি সম্পাদিত হবে না। এ প্রসঙ্গে আল্লামা শারবীনী রহ. বলেন, ঈজাব থেকে কবুল পর্যন্ত সকল কিছুই স্পষ্টভাবে সম্পন্ন হওয়া চুক্তির শর্ত। মালিকী মাযহাবের ইমাম আল-হাত্তাব রহ. বলেন, প্রস্তাব দেওয়ার পর অপর ব্যক্তির কবুল করার পূর্বে যদি সে তার প্রস্তাব থেকে সরে যেতে চায় তবে ক্রেতা কবুল বললেও বিক্রেতার উক্ত প্রত্যাবর্তন ঠিক হবে না। ইবনে রুশদ-এর মতটি প্রযোজ্য হবে তখন যখন প্রস্তাবকারীর সীগা অতীতকালীন সীগার মত চুক্তি আবশ্যক করবে।
📄 চুক্তি সম্পাদনকারী উভয়ে কিংবা তাদের একজনের
চুক্তি সম্পাদনকারী উভয়ে কিংবা তাদের একজনের চুক্তি থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া:
চুক্তি সম্পাদনকারী উভয়ে কিংবা তাদের একজনের চুক্তি থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া:
📄 চুক্তি থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া
চুক্তি থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া: ঈজাব ও কবুলের সংযোগ বাস্তবায়নের শর্ত হচ্ছে, ঈজাবকারী অথবা অপরপক্ষ (কবুলকারী) অথবা তাদের উভয়ের পক্ষ থেকে চুক্তি সংঘটিত হওয়ায় উপেক্ষা বা অনাগ্রহ প্রকাশ না পায়। আল বাহরুর রায়েক নামক গ্রন্থ থেকে ইবনে আবিদীন রহ. বলেন: ঈজাব যে কোনো ধরনের অনাগ্রহ প্রকাশের মাধ্যমে বাতিল হবে। আর ইমাম হাত্তাব রহ. বলেন: যদি কোনো প্রতিবন্ধক বা বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টিকারী কথা বলা কাজ তাদের কথাবার্তার মাঝে পরিলক্ষিত হয়, যার দরুন কারো পরবর্তী কথা পূর্বের কথার জবাব বলে সমাজে ধর্তব্য হয় না, তবে ক্রয় বিক্রয় সংঘটিত হবে না। শাফেয়ী আলেমগণ কঠোরতা অবলম্বন করে বলেন: চুক্তি বাস্তবায়নের শর্ত হলো, ঈজাব ও কবুলের মাঝে এমন কোনো শব্দ থাকতে পারবে না যা উক্ত চুক্তি সম্পর্কিত নয়। হাম্বলী মাযহাবের আলেমগণ বলেন: সামাজিক প্রচলনে চুক্তি কর্তন করে এমন কোনো কাজে তারা রত হবে না। হলে কোনো চুক্তি সম্পাদন হবে না। যেহেতু এর দ্বারা অনাগ্রহ প্রকাশিত হয়, তাই তা হবে সুস্পষ্ট প্রত্যাখ্যানতুল্য।
চুক্তি থেকে মুখ ফিরিয়ে নেওয়া: ঈজাব ও কবুলের সংযোগ বাস্তবায়নের শর্ত হচ্ছে, ঈজাবকারী অথবা অপরপক্ষ (কবুলকারী) অথবা তাদের উভয়ের পক্ষ থেকে চুক্তি সংঘটিত হওয়ায় উপেক্ষা বা অনাগ্রহ প্রকাশ না পায়। আল বাহরুর রায়েক নামক গ্রন্থ থেকে ইবনে আবিদীন রহ. বলেন: ঈজাব যে কোনো ধরনের অনাগ্রহ প্রকাশের মাধ্যমে বাতিল হবে। আর ইমাম হাত্তাব রহ. বলেন: যদি কোনো প্রতিবন্ধক বা বিচ্ছিন্নতা সৃষ্টিকারী কথা বলা কাজ তাদের কথাবার্তার মাঝে পরিলক্ষিত হয়, যার দরুন কারো পরবর্তী কথা পূর্বের কথার জবাব বলে সমাজে ধর্তব্য হয় না, তবে ক্রয় বিক্রয় সংঘটিত হবে না। শাফেয়ী আলেমগণ কঠোরতা অবলম্বন করে বলেন: চুক্তি বাস্তবায়নের শর্ত হলো, ঈজাব ও কবুলের মাঝে এমন কোনো শব্দ থাকতে পারবে না যা উক্ত চুক্তি সম্পর্কিত নয়। হাম্বলী মাযহাবের আলেমগণ বলেন: সামাজিক প্রচলনে চুক্তি কর্তন করে এমন কোনো কাজে তারা রত হবে না। হলে কোনো চুক্তি সম্পাদন হবে না। যেহেতু এর দ্বারা অনাগ্রহ প্রকাশিত হয়, তাই তা হবে সুস্পষ্ট প্রত্যাখ্যানতুল্য।