📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 আদান-প্রদানের চুক্তি

📄 আদান-প্রদানের চুক্তি


আত-তাআতী শব্দটি তাআতা শব্দটির মাসদার, যা আল-আতু থেকে নির্গত হয়েছে। যার অর্থ নাগাল পাওয়া বা গ্রহণ করা। ব্যবসায়র ক্ষেত্রে এর ধরন হলো: ক্রেতা বিক্রীত বস্তু গ্রহণ করার বিপরীতে বিক্রেতাকে উক্ত বস্তুর দাম পরিশোধ করবে। অথবা বিক্রেতা পণ্য প্রদান করলে ক্রেতা মূল্য প্রদান করবে, কোনো কথা বার্তা ব্যতীত কিংবা কোনো ইশারা-ইঙ্গিত ছাড়া উক্ত কার্যটি সংঘটিত হবে। আত-তাআতী যেমনিভাবে ক্রয়-বিক্রয়ের মধ্যে হয় তেমনি লেনদেন ও বিনিময় জাতীয় অন্যান্য ক্ষেত্রেও হতে পারে। তবে বিবাহ বন্ধন এ পদ্ধতিতে সংঘটিত হবে না। সকল চুক্তিরই মূল হচ্ছে, তা কথার দ্বারা সংঘটিত হবে। কিন্তু আত-তাআতী তথা আদান-প্রদান প্রচলন ও অভ্যাস অনুযায়ী হলে তা শাব্দিক নির্দেশনার সমতুল্য বলে বিবেচিত হয়। আর এ জন্য অধিকাংশ ফকীহ এ মত প্রকাশ করেছেন যে, আত-তাআতী দ্বারা চুক্তি সংঘটিত হয়, যখন তাতে এমন চিহ্ন ও নিদর্শন পাওয়া যাবে যা উভয়ের খুশি ও সন্তুষ্টি প্রকাশ করবে। এটি হানাফী, মালেকী ও হাম্বলী মাযহাবের মত। আর শাফেয়ীদের মতে আত-তাআতী দ্বারা চুক্তি সংঘটিত হওয়া বৈধ নয়। তবে কতক শাফেয়ী ফকীহ আত-তাআতী কেবল গুরুত্বহীন বস্তুতে বৈধ বলেছেন। ইমাম নববী রহ. বলেন: তুচ্ছ বস্তুতে আত-তাআতী বৈধ, মানুষ যেগুলোকে ক্রয়-বিক্রয় হিসেবে গণনা করে।

আত-তাআতী শব্দটি তাআতা শব্দটির মাসদার, যা আল-আতু থেকে নির্গত হয়েছে। যার অর্থ নাগাল পাওয়া বা গ্রহণ করা। ব্যবসায়র ক্ষেত্রে এর ধরন হলো: ক্রেতা বিক্রীত বস্তু গ্রহণ করার বিপরীতে বিক্রেতাকে উক্ত বস্তুর দাম পরিশোধ করবে। অথবা বিক্রেতা পণ্য প্রদান করলে ক্রেতা মূল্য প্রদান করবে, কোনো কথা বার্তা ব্যতীত কিংবা কোনো ইশারা-ইঙ্গিত ছাড়া উক্ত কার্যটি সংঘটিত হবে। আত-তাআতী যেমনিভাবে ক্রয়-বিক্রয়ের মধ্যে হয় তেমনি লেনদেন ও বিনিময় জাতীয় অন্যান্য ক্ষেত্রেও হতে পারে। তবে বিবাহ বন্ধন এ পদ্ধতিতে সংঘটিত হবে না। সকল চুক্তিরই মূল হচ্ছে, তা কথার দ্বারা সংঘটিত হবে। কিন্তু আত-তাআতী তথা আদান-প্রদান প্রচলন ও অভ্যাস অনুযায়ী হলে তা শাব্দিক নির্দেশনার সমতুল্য বলে বিবেচিত হয়। আর এ জন্য অধিকাংশ ফকীহ এ মত প্রকাশ করেছেন যে, আত-তাআতী দ্বারা চুক্তি সংঘটিত হয়, যখন তাতে এমন চিহ্ন ও নিদর্শন পাওয়া যাবে যা উভয়ের খুশি ও সন্তুষ্টি প্রকাশ করবে। এটি হানাফী, মালেকী ও হাম্বলী মাযহাবের মত। আর শাফেয়ীদের মতে আত-তাআতী দ্বারা চুক্তি সংঘটিত হওয়া বৈধ নয়। তবে কতক শাফেয়ী ফকীহ আত-তাআতী কেবল গুরুত্বহীন বস্তুতে বৈধ বলেছেন। ইমাম নববী রহ. বলেন: তুচ্ছ বস্তুতে আত-তাআতী বৈধ, মানুষ যেগুলোকে ক্রয়-বিক্রয় হিসেবে গণনা করে।

📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 ঈজাব ও প্রস্তাবের সাথে ‘কবুল’-এর সামঞ্জস্য

📄 ঈজাব ও প্রস্তাবের সাথে ‘কবুল’-এর সামঞ্জস্য


সকল ফকীহ এ কথায় একমত যে, ঈজাব ও কবুল সামঞ্জস্যপূর্ণ বা একটি অপরটির অনুরূপ হলেই কেবল মাত্র চুক্তি সংঘটিত হবে। ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে এর উদাহরণ হলো, বিক্রেতা যে সমস্ত কথা বলবে ক্রেতা সেগুলো কবুল করবে। কিন্তু যদি এর বিপরীত হয়, অর্থাৎ ক্রেতা ঐ সকল শর্ত বা তার কতক শর্তের বাইরে অন্য কিছু গ্রহণ করল, অথবা কিছু প্রস্তাব মানল কিছু মানল না। তবে উক্ত চুক্তি সংঘটিত হবে না। এ প্রসঙ্গে আল্লামা বুহূতী রহ. বলেন: ক্রয়-বিক্রয় সংঘটিত হতে হলে কবুলটি ঈজাব-এর সাথে পরিমাণে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। যদি এর বিপরীত হয়, যেমন: বিক্রেতা বলল: আমি তোমার কাছে (এ বস্তুটি) দশ দিরহামে বিক্রয় করলাম, এরপর যদি ক্রেতা বলে আমি তা আট দিরহামে কবুল করলাম। (তবে উক্ত ক্রয়-বিক্রয়) সংঘটিত হবে না। এক্ষেত্রে আরো একটি শর্ত হলো, সেটা হতে হবে নগদ বা মুদ্রা এবং তার বৈশিষ্ট্য নগদ বাকি ইত্যাদিতে সামঞ্জস্যপূর্ণ। সুতরাং যদি বিক্রেতা বলে, আমি তোমার নিকটে এক হাজার দিরহামে বিক্রয় করলাম। এটি শুনে ক্রেতা বলল আমি একশত দিনারে ক্রয় করলাম অথবা যদি বলে যে, আমি তোমার নিকটে এক হাজার নিখুঁত দিরহামে বিক্রয় করলাম। ক্রেতা বলল: আমি এক হাজার খুঁতপূর্ণ দিরহামে ক্রয় করলাম, এ জাতীয় ঈজাব ও কবুল দ্বারা কোনো ধরনের ক্রয় বিক্রয় সংঘটিত হবে না। ফকীহগণ চুক্তি সংঘটিত হওয়ার শর্ত হিসেবে ঈজাব ও কবুলে অর্থগত সামঞ্জস্য থাকার কথা বর্ণনা করেছেন। এ জন্য তারা উল্লেখ করেছেন, যদি বিক্রেতা বলে: আমি এ বস্তুটি তোমার নিকটে এক হাজার দিরহামের বিনিময়ে বিক্রি করলাম। তখন ক্রেতা বলল: আমি তা দুই হাজার দিরহামে ক্রয় করলাম। তবে তা বৈধ হবে। কেননা যে অধিক বস্তু কবুল করে সে কম বস্তুও কবুল করে। এ অবস্থায় যদি বিক্রেতা মূল্যের অতিরিক্ত হওয়াটা গ্রহণ করে সে পরিমাণে পণ্য বাড়িয়ে দেয়, তবে উক্ত চুক্তি দুই হাজারের বিনিময়েই সংঘটিত হবে। আর যদি না গ্রহণ করে তবে এক হাজারেই উক্ত ক্রয় বিক্রয় শুদ্ধ হবে। কেননা বিক্রেতার মালিকানায় অধিক পরিমাণ প্রবেশ করানোর কর্তৃত্ব ক্রেতার নেই, বিক্রেতার সন্তুষ্টি ব্যতীত।

সকল ফকীহ এ কথায় একমত যে, ঈজাব ও কবুল সামঞ্জস্যপূর্ণ বা একটি অপরটির অনুরূপ হলেই কেবল মাত্র চুক্তি সংঘটিত হবে। ব্যবসায়ের ক্ষেত্রে এর উদাহরণ হলো, বিক্রেতা যে সমস্ত কথা বলবে ক্রেতা সেগুলো কবুল করবে। কিন্তু যদি এর বিপরীত হয়, অর্থাৎ ক্রেতা ঐ সকল শর্ত বা তার কতক শর্তের বাইরে অন্য কিছু গ্রহণ করল, অথবা কিছু প্রস্তাব মানল কিছু মানল না। তবে উক্ত চুক্তি সংঘটিত হবে না। এ প্রসঙ্গে আল্লামা বুহূতী রহ. বলেন: ক্রয়-বিক্রয় সংঘটিত হতে হলে কবুলটি ঈজাব-এর সাথে পরিমাণে সামঞ্জস্যপূর্ণ হতে হবে। যদি এর বিপরীত হয়, যেমন: বিক্রেতা বলল: আমি তোমার কাছে (এ বস্তুটি) দশ দিরহামে বিক্রয় করলাম, এরপর যদি ক্রেতা বলে আমি তা আট দিরহামে কবুল করলাম। (তবে উক্ত ক্রয়-বিক্রয়) সংঘটিত হবে না। এক্ষেত্রে আরো একটি শর্ত হলো, সেটা হতে হবে নগদ বা মুদ্রা এবং তার বৈশিষ্ট্য নগদ বাকি ইত্যাদিতে সামঞ্জস্যপূর্ণ। সুতরাং যদি বিক্রেতা বলে, আমি তোমার নিকটে এক হাজার দিরহামে বিক্রয় করলাম। এটি শুনে ক্রেতা বলল আমি একশত দিনারে ক্রয় করলাম অথবা যদি বলে যে, আমি তোমার নিকটে এক হাজার নিখুঁত দিরহামে বিক্রয় করলাম। ক্রেতা বলল: আমি এক হাজার খুঁতপূর্ণ দিরহামে ক্রয় করলাম, এ জাতীয় ঈজাব ও কবুল দ্বারা কোনো ধরনের ক্রয় বিক্রয় সংঘটিত হবে না। ফকীহগণ চুক্তি সংঘটিত হওয়ার শর্ত হিসেবে ঈজাব ও কবুলে অর্থগত সামঞ্জস্য থাকার কথা বর্ণনা করেছেন। এ জন্য তারা উল্লেখ করেছেন, যদি বিক্রেতা বলে: আমি এ বস্তুটি তোমার নিকটে এক হাজার দিরহামের বিনিময়ে বিক্রি করলাম। তখন ক্রেতা বলল: আমি তা দুই হাজার দিরহামে ক্রয় করলাম। তবে তা বৈধ হবে। কেননা যে অধিক বস্তু কবুল করে সে কম বস্তুও কবুল করে। এ অবস্থায় যদি বিক্রেতা মূল্যের অতিরিক্ত হওয়াটা গ্রহণ করে সে পরিমাণে পণ্য বাড়িয়ে দেয়, তবে উক্ত চুক্তি দুই হাজারের বিনিময়েই সংঘটিত হবে। আর যদি না গ্রহণ করে তবে এক হাজারেই উক্ত ক্রয় বিক্রয় শুদ্ধ হবে। কেননা বিক্রেতার মালিকানায় অধিক পরিমাণ প্রবেশ করানোর কর্তৃত্ব ক্রেতার নেই, বিক্রেতার সন্তুষ্টি ব্যতীত।

📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 তথা ঈজাব ও কবুল একত্রিত হওয়া

📄 তথা ঈজাব ও কবুল একত্রিত হওয়া


চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য ঈজাব তথা প্রস্তাবের সাথে কবুল একত্র হওয়া শর্ত। এ একত্র হওয়াটা চুক্তির মজলিসেই হতে হবে। এটার অর্থ এই নয় যে, ঈজাব তথা প্রস্তাব প্রকাশের পর কবুল ও গ্রহণটি তাড়াতাড়ি সম্পাদন হতে হবে। সংখ্যাগরিষ্ঠ ফকীহগণ কবুল বিষয়টি ফাওরিয়্যাহ তথা তাড়াতাড়ির শর্তে শর্তযুক্ত করেননি। বিস্তারিত আলোচনা হলো নিম্নরূপ :

চুক্তি বাস্তবায়নের জন্য ঈজাব তথা প্রস্তাবের সাথে কবুল একত্র হওয়া শর্ত। এ একত্র হওয়াটা চুক্তির মজলিসেই হতে হবে। এটার অর্থ এই নয় যে, ঈজাব তথা প্রস্তাব প্রকাশের পর কবুল ও গ্রহণটি তাড়াতাড়ি সম্পাদন হতে হবে। সংখ্যাগরিষ্ঠ ফকীহগণ কবুল বিষয়টি ফাওরিয়্যাহ তথা তাড়াতাড়ির শর্তে শর্তযুক্ত করেননি। বিস্তারিত আলোচনা হলো নিম্নরূপ :

📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 প্রস্তাবকারীর প্রস্তাব হতে সরে আসা

📄 প্রস্তাবকারীর প্রস্তাব হতে সরে আসা


অধিকাংশ ফকীহ-হানাফী, শাফেয়ী এবং হাম্বলী মাযহাবের আলেমদের মতে, ঈজাব টি অপরিহার্য নয়, তাই ব্যক্তি তার প্রস্তাব তথা ঈজাব থেকে অপর পক্ষের কবুল করার পূর্ব পর্যন্ত ফিরে আসতে পারবে। আল-ফাতাওয়া আল-হিন্দিয়্যা গ্রন্থে এসেছে, প্রস্তাবকারী অপর পক্ষের কবুল করার পূর্বে যে কোনো সময় তার প্রস্তাব থেকে ফিরে আসতে পারবে। বাদায়ে গ্রন্থে বলা হয়েছে, যদি কেউ প্রস্তাব করার পর অপর পক্ষের কবুল করার পূর্বেই উক্ত প্রস্তাব থেকে ফিরে আসে, তবে তার ফিরে আসা সহীহ হবে। এ প্রত্যাবর্তনের বিশুদ্ধতার পক্ষে দলিল হিসেবে তারা বলেন : প্রস্তাবকারী যেহেতু তার প্রস্তাবের মাধ্যমে কবুলকারীকে কবুলের অধিকার প্রদান করে তাই তার সে প্রস্তাব থেকে ফিরে আসার অধিকার আছে। এ কথার ওপর ভিত্তি করে এটাও বলা যায়, প্রস্তাবকারী যদি কবুলকারীর কবুল করার পূর্বে তার প্রস্তাব থেকে ফিরে আসে, অতঃপর কবুলকারী কবুল করে তবে উক্ত চুক্তি সম্পাদিত হবে না। এ প্রসঙ্গে আল্লামা শারবীনী রহ. বলেন, ঈজাব থেকে কবুল পর্যন্ত সকল কিছুই স্পষ্টভাবে সম্পন্ন হওয়া চুক্তির শর্ত। মালিকী মাযহাবের ইমাম আল-হাত্তাব রহ. বলেন, প্রস্তাব দেওয়ার পর অপর ব্যক্তির কবুল করার পূর্বে যদি সে তার প্রস্তাব থেকে সরে যেতে চায় তবে ক্রেতা কবুল বললেও বিক্রেতার উক্ত প্রত্যাবর্তন ঠিক হবে না। ইবনে রুশদ-এর মতটি প্রযোজ্য হবে তখন যখন প্রস্তাবকারীর সীগা অতীতকালীন সীগার মত চুক্তি আবশ্যক করবে।

অধিকাংশ ফকীহ-হানাফী, শাফেয়ী এবং হাম্বলী মাযহাবের আলেমদের মতে, ঈজাব টি অপরিহার্য নয়, তাই ব্যক্তি তার প্রস্তাব তথা ঈজাব থেকে অপর পক্ষের কবুল করার পূর্ব পর্যন্ত ফিরে আসতে পারবে। আল-ফাতাওয়া আল-হিন্দিয়্যা গ্রন্থে এসেছে, প্রস্তাবকারী অপর পক্ষের কবুল করার পূর্বে যে কোনো সময় তার প্রস্তাব থেকে ফিরে আসতে পারবে। বাদায়ে গ্রন্থে বলা হয়েছে, যদি কেউ প্রস্তাব করার পর অপর পক্ষের কবুল করার পূর্বেই উক্ত প্রস্তাব থেকে ফিরে আসে, তবে তার ফিরে আসা সহীহ হবে। এ প্রত্যাবর্তনের বিশুদ্ধতার পক্ষে দলিল হিসেবে তারা বলেন : প্রস্তাবকারী যেহেতু তার প্রস্তাবের মাধ্যমে কবুলকারীকে কবুলের অধিকার প্রদান করে তাই তার সে প্রস্তাব থেকে ফিরে আসার অধিকার আছে। এ কথার ওপর ভিত্তি করে এটাও বলা যায়, প্রস্তাবকারী যদি কবুলকারীর কবুল করার পূর্বে তার প্রস্তাব থেকে ফিরে আসে, অতঃপর কবুলকারী কবুল করে তবে উক্ত চুক্তি সম্পাদিত হবে না। এ প্রসঙ্গে আল্লামা শারবীনী রহ. বলেন, ঈজাব থেকে কবুল পর্যন্ত সকল কিছুই স্পষ্টভাবে সম্পন্ন হওয়া চুক্তির শর্ত। মালিকী মাযহাবের ইমাম আল-হাত্তাব রহ. বলেন, প্রস্তাব দেওয়ার পর অপর ব্যক্তির কবুল করার পূর্বে যদি সে তার প্রস্তাব থেকে সরে যেতে চায় তবে ক্রেতা কবুল বললেও বিক্রেতার উক্ত প্রত্যাবর্তন ঠিক হবে না। ইবনে রুশদ-এর মতটি প্রযোজ্য হবে তখন যখন প্রস্তাবকারীর সীগা অতীতকালীন সীগার মত চুক্তি আবশ্যক করবে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00