📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 দুই. নির্দিষ্ট পরিমাণ লাভ প্রদানের শর্ত করা

📄 দুই. নির্দিষ্ট পরিমাণ লাভ প্রদানের শর্ত করা


(شَرْطُ قَدْرٍ مُعَيْنِ مِنَ الرِّبِّحِ)
সকল ফকীহ এ কথায় একমত, উভয়ের জন্যে অথবা দুজনের কোনো একজনের জন্যে লাভের নির্দিষ্ট পরিমাণ শর্ত করা হলে মুদারাবা বাতিল হয়ে যাবে। যেমন তারা শর্ত করল, তাদের দুজনের কোনো একজনকে, পুঁজিদাতাকে বা কর্মীকে, লাভ হিসাবে একশ দিরহাম দেওয়ার পর অবশিষ্ট লাভ অপরজনকে দেওয়া হবে, তাহলে তা জায়েয হবে না; তাই মুদারাবা বাতিল হয়ে যাবে। কেননা মুদারাবা হচ্ছে এক প্রকার অংশীদারি। এ অংশীদারি হচ্ছে অর্জিত লাভে। কিন্তু এখানে যে শর্ত আলোচিত হলো তা দ্বারা অংশীদারির অবলুপ্তি ঘটতে পারে। কেননা, এমন হতে পারে উল্লিখিত পরিমাণ লাভই অর্জিত হয়েছে, তাহলে সবটুকু লাভ একজনের হাতে চলে যাবে, তখন অপরজন কিছুই পাবে না। তখন অংশীদারিও বাস্তবায়িত হবে না। ফলে মুদারাবাও বাস্তবায়ন করা যাবে না। ১১১

টিকাঃ
১১১. বাদায়েউস সানায়ে', খ. ৬, পৃ. ৮৫-৮৬; আশ-শারহুস সাগীর, খ. ৩, পৃ. ৬৮২; রওযাতুত তালেবীন, খ. ৫, পৃ. ১২৩, মুগনিল মুহতাজ, খ. ২, পৃ. ৩১৩; আল-মুগনী, খ. ৫, পৃ. ৩৮

📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 তিন. পুঁজি ক্ষতিগ্রস্ত হলে কর্মী দায়ী থাকার শর্ত

📄 তিন. পুঁজি ক্ষতিগ্রস্ত হলে কর্মী দায়ী থাকার শর্ত


(اشْتَرَاطُ ضَمَانِ الْمُضَارِبِ عندَ اللف)
হানাফী ও মালেকী মাযহাবের আলেমগণ বলেছেন, যদি কোনোভাবে পুঁজি ক্ষতিগ্রস্ত বা ধ্বংস হয়, তাতে কর্মীর পক্ষ থেকে কোনো ত্রুটি বা অবহেলা প্রদর্শিত না হলেও কর্মীকে এ জন্যে দায়ী থাকতে হবে- এরূপ শর্ত করা হলে মুদারাবা বাতিল হয়ে যাবে। ১১২

শাফেয়ী ও হাম্বলী মাযহাবের আলেমদের লিখিত গ্রন্থাদি অধ্যয়নেও এ কথাই সুস্পষ্টভাবে বোঝা যায়। তারা সে সব গ্রন্থে বলেন, কর্মীর হাতে যে পুঁজি তুলে দেওয়া হয় তা আমানত। আমানতদারের কোনো শৈথিল্য বা অবহেলা প্রদর্শন ব্যতীত যদি আমানত বিনষ্ট বা বিলীন হয়, তাহলে তাকে সে জন্যে দায়ী করা হয় না। তাই পুঁজি বিনষ্ট বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে কর্মীকে সেজন্যে দায়ী করা যেমন আমানতের হিসাবের বিপরীত, তেমনি মুদারাবার চাহিদারও পরিপন্থী। ১১৩

টিকাঃ
১১২. আল-ফাতাওয়া আল-আনকারাভিয়্যা, খ. ২, পৃ. ২৩২; আশ-শারহুস সাগীর, খ. ৩, পৃ. ৬৮৭; ইবনে আব্দিল বার প্রণীত আল-কাফী, খ. ২, পৃ. ১১২; মুদ্রণ : মাতবাআ হাসসান।
১১৩. আল-মুহাযযাব, খ. ১, পৃ. ৩৯৫; কাশশাফুল কিনা', খ. ৩, পৃ. ৫২২

📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 মুদারাবার সময় বেধে দেওয়া বা শর্ত দ্বারা শর্তায়িত করা

📄 মুদারাবার সময় বেধে দেওয়া বা শর্ত দ্বারা শর্তায়িত করা


(توتيت الضاربه او تعليقها)
মুদারাবা সময় দ্বারা সীমিত করা বা কোনো শর্ত দ্বারা শর্তায়িত করা জায়েয কি-না, তা নিয়ে ফকীহগণ মতপার্থক্য করেছেন। নিম্নে তা বিস্তারিত আলোচনা করা হলো :

হানাফী মাযহাবের আলেমগণ এবং গৃহীত মত ব্যক্তকালে হাম্বলী মাযহাবের আলেমগণ বলেন, নির্দিষ্ট সময় পর্যন্ত মুদারাবা সীমিত রাখা সহীহ ও যথাযথ। যেমন, পুঁজির মালিক কর্মীকে বলল, এই পুঁজি দিয়ে আমি তোমার সাথে মুদারাবা করছি এক বছরের জন্যে। এভাবে সীমিত করা জায়েয। কারণ, মুদারাবায় এক প্রকার সম্পদ (নগদ অর্থ) নিয়ে নানা লেনদেন সম্পাদন করা হয়। অন্য সকল সম্পদ হস্তান্তর ও নিয়ন্ত্রণে মেয়াদ নির্ধারিত থাকে, তাই অর্থ সম্পদেও তেমন মেয়াদ নির্দিষ্ট হওয়া হবে যথাযথ ও স্বাভাবিক। তা ছাড়া মুদারাবা চুক্তিতে পুঁজির মালিক কর্মীকে তার পক্ষ থেকে প্রতিনিধি নির্ধারণ করে। প্রতিনিধিত্ব সময়ে সীমিত হতে পারে, তেমনি মুদারাবা সময়ে সীমিত হবে।

হাম্বলী মাযহাবের আলেমগণ আরো বলেন, পুঁজিদাতা যদি কর্মীকে বলে, তুমি মুদারাবা হিসাবে এই টাকা দিয়ে ব্যবসা করবে এক মাস, এর পরে তা হয়ে যাবে কর্জ, তাহলে তা সহীহ হবে। অতএব, নির্ধারিত সময়ের পর পুঁজির অর্থ বহাল থাকলে তা কর্জ বলে গণ্য হবে। যদি নির্ধারিত মেয়াদ (যেমন আলোচিত উদাহরণে তা এক মাস) অতিক্রান্ত হলে দেখা যায়, নগদ অর্থ হাতে নেই, বরং তার পরিবর্তে রয়েছে দ্রব্যসামগ্রী, তাহলে কর্মীর সে দ্রব্য নগদ অর্থে রূপান্তরিত করা কর্তব্য। তাই সে সেই দ্রব্য বিক্রি করবে। এভাবে যখন তার হাতে অর্থকড়ি আসবে তা কর্জ হয়ে যাবে। এটি এজন্যে, এভাবে সম্পদ বিক্রি করে তা কর্জে রূপান্তর করাতে কখনো পুঁজিদাতার কোনো উদ্দেশ্য থাকে। তাই তার উদ্দেশ্য যেন ব্যাহত না হয় সেদিকে লক্ষ রাখা হবে।

ফকীহগণ আরো বলেন, মুদারাবা চুক্তি কোনো শর্ত দ্বারা ঝুলন্ত করাও সহীহ, তা ভবিষ্যৎ কোনো বিষয়ও হতে পারে। যেমন বলা হলো, যখন মাসের সূচনা হবে এই সম্পদ দিয়ে মুদারাবা কারবার করবে। এভাবে কর্মীকে মুদারাবা পদ্ধতিতে কাজ করার অনুমতি দেওয়া হচ্ছে, তাই তাকে এভাবে ঝুলিয়ে দেওয়া সহীহ হবে, যেমন প্রতিনিধি নিয়োগে এ ধরনের শর্ত উল্লেখ করা সহীহ হয়। ১১৪

মালেকী ও শাফেয়ী আলেমদের মত হাম্বলীদের এক মত। তা হচ্ছে, মুদারাবা সময় দ্বারা সীমিত করাও জায়েয নয়, কোনো শর্ত দ্বারা ঝুলিয়ে দেওয়াও জায়েয নয়। যদি শুরু ও শেষ সময় বলে কাজের মোট সময় নির্ধারণ করে দেওয়া হয় অথবা শুধু শুরু সময় বা শেষ সময় বলা হয় তাহলে মুদারাবা বাতিল হয়ে যাবে। যেমন বলা হলো, এখন থেকে এক বছর মুদারাবা পদ্ধতিতে ব্যবসা করো, যখন অমুক সময় আসবে তখন তুমি মুদারাবা শুরু করবে ইত্যাদি। এভাবে বলা হলে মুদারাবা বাতিল হয়ে যাওয়ার কারণ হচ্ছে, তাতে কর্মীকে বাধা প্রদান করা হয় যা মুদারাবা পদ্ধতিতে স্বাধীনভাবে ব্যবসা করে যাওয়ার পরিপন্থী। তা ছাড়া মুদারাবা চুক্তিতে কোনো বিষয় অজানা থাকলে তা বাতিল হয়ে যায়। তাই ভবিষ্যতের কোনো কিছুর সাথে মুদারাবাকে ঝুলিয়ে দেওয়া জায়েয হবে না। যেহেতু তা ভবিষ্যতে ঘটবে কিনা জানা নেই, ফলে মুদারাবা হবে কিনা তাও অজানা রইল। সেই সাথে আরো লক্ষণীয়, সময় নির্ধারণ করার দরুন মুদারাবার মূল উদ্দেশ্য লাভ করায় বাধার সৃষ্টি হতে পারে। হতে পারে, এ সীমিত সময়ে লাভ হাতে আসবে না, তাহলে মুদারাবা করা হবে নিরর্থক। ১১৫

টিকাঃ
১১৪. বাদায়েউস সানায়ে', খ. ৬, পৃ. ৯৯; আল-ইখতিয়ার, খ. ৩, পৃ. ২১; কাশশাফুল-কিনা', খ. ৩, পৃ. ৫১২; আল-ইনসাফ, খ. ৫, পৃ. ৪৩০
১১৫. আশ-শারহুস সাগীর, খ. ৩, পৃ. ৬৮৭; আল-মুহায্যাব, খ. ১, পৃ. ৩৯৩; মুগনিল মুহতাজ, খ. ২, পৃ. ৩১২

📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 মুদারাবার সম্পদ ধ্বংসের ক্ষতিপূরণ

📄 মুদারাবার সম্পদ ধ্বংসের ক্ষতিপূরণ


হানাফী, শাফেয়ী ও হাম্বলী আলেমগণ বলেন, কর্মী পুঁজি নিয়ে কোনো কাজ করতে গিয়ে, তা দিয়ে নানা পণ্য কেনাকাটা করতে গিয়ে যদি সে লোকসানের শিকার হয় বা আংশিক পুঁজি বিনষ্ট হয়, তাহলে ইতোমধ্যে লাভ হলে তা দিয়ে ক্ষতিপূরণ করা হবে। ব্যবসায়ে লোকসান হওয়ায় বা বিনষ্ট হওয়ায় যে পরিমাণ পুঁজি হাতছাড়া হয়ে গেছে লাভ দ্বারা তা পূরণ করা হবে। যদি এখনো লাভ না হয়ে থাকে বা ক্ষতি লাভের চেয়ে অধিক হয়ে থাকে তবে তা পুঁজি থেকে কর্তন করা হবে। প্রতি মাযহাবের আলেমগণই বিষয়টি নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন।

মাওসিলী বলেন, মুদারাবার সম্পদে যা বিনষ্ট হবে তা অর্জিত লাভ দিয়ে পূরণ করা হবে, যেহেতু এটি হচ্ছে মূল পুঁজির অনুবর্তী; যেমন যাকাতের নেসাবে অতিরিক্ত সম্পদ। যদি ক্ষতির পরিমাণ লাভ থেকে অধিক হয়, তাহলে সে অধিক অংশটুকু পুঁজি থেকে বিয়োগ হবে। এর কারণ, কর্মী এ মূলধনের আমানতদার। তাই তার ত্রুটি ব্যতীত ক্ষতি হয়ে গেলে তাকে তার জরিমানা আদায় করতে হবে না। যদি মালিক ও কর্মী উভয়ে লাভ ভাগ করে নেয়, মুদারাবা বহাল থাকে, এরপর মূলধনের পুরোটা বা তার এক অংশ যদি ধ্বংস হয় তাহলে লাভ ফিরিয়ে নিয়ে মূলধন পূর্ণ করতে হবে। কেননা লাভ হচ্ছে পুঁজি থেকে অতিরিক্ত অংশ। তাই সম্পূর্ণ পুঁজি যথাযথভাবে সংরক্ষিত থাকার পর অতিরিক্ত অংশের খোঁজ নেওয়া হবে। তাই সে বণ্টনই সহীহ ও যথাযথ হবে না যার পর পুঁজি ধ্বংস হলে লাভ ফিরিয়ে নেওয়া হয়। যদি মুদারাবা বাতিল হয়ে যায়, এ অবস্থায় মালিক ও কর্মী লাভ বণ্টন করে নেয়, এরপর তারা আবার মুদারাবার চুক্তি করে- এ সময় যদি তাদের পুঁজি ধ্বংস হয়ে যায়, তাহলে হাতে আসা লাভ ফিরিয়ে দিতে হবে না। যেহেতু এটি নতুন মুদারাবা চুক্তি, আগের চুক্তি শেষ হয়ে গেছে, তার ফলাফলও শেষ হয়ে গেছে। কর্মী ব্যবসায়ে ক্ষতি হলে তার ভাগীদার হওয়ার শর্ত করাও বাতিল।

ইমাম নববী বলেন, মুদারাবার পণ্যে মূল্যহ্রাস করার দরুন পুঁজিতে যে ক্ষতি সাধিত হবে, তা হবে লোকসান। পরবর্তী সময়ে লাভ অর্জন করে সে ক্ষতি পূরণ করতে হবে। তেমনিভাবে পণ্যে কোনো ত্রুটি সৃষ্টি হওয়া অথবা পণ্য প্রাণী অসুস্থ হয়ে পড়া, এগুলোর কারণেও পুঁজিতে হ্রাস ও খেসারতের ঘটনা ঘটতে পারে। যদি পণ্যের এক অংশ (যেমন পশুপাল থেকে কতক পশু বা ব্যবসার বস্তু থেকে এক অংশ) ধ্বংস হয়ে যায় তাহলে তা হবে বস্তুগত ক্ষতি। এটি বেচাকেনার মাধ্যমে পণ্যে কর্মী তার নিয়ন্ত্রণ ও পরিচালনের পর হতে পারে। অধিকাংশ আলেম অকাট্যভাবে যা বলেন তা হচ্ছে, যদি আগুনে পুড়ে যাওয়া বা ডুবে যাওয়া ইত্যাদি প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ক্ষতিসাধিত হয় তবে তা হবে ব্যবসায়ে লোকসান; লাভ দ্বারা তার ক্ষতিপূরণ করতে হবে। যদি চুরি ডাকাতি বা লুণ্ঠনের দরুন ক্ষতি হয়, ক্ষতিসাধনকারীর নিকট থেকে এর ক্ষতিপূরণ আদায় করা অসাধ্য ও অসম্ভব হয় তাহলে সেখানে দুটো মত রয়েছে। একদল অবশ্য প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের ক্ষেত্রে উভয় মত বর্জন করেন। তবে সর্বাধিক সঠিক ও সহীহ ফয়সালা হচ্ছে, উপরিউক্ত সকল ক্ষেত্রেই লাভ দ্বারা ক্ষতিপূরণ করা হবে।

যদি কর্মী পুঁজি কজা করার আগেই পুঁজিতে ক্ষতি সাধিত হয়, তাহলে সেখানে দুটো মত রয়েছে। এক. এটি লোকসান ও খেসারত বলে গণ্য হবে। পরবর্তী সময়ে লাভ করে তা পূরণ করতে হবে। যেহেতু কর্মী তা তার নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর তা মুদারাবার সম্পদ হয়ে গেছে। তবে দ্বিতীয় মত যেটি অধিক সহীহ ও যথার্থ তা হচ্ছে, লাভ থেকে তার ক্ষতিপূরণ করা হবে না, পুঁজি থেকে কিছু বিনষ্ট হয়ে কমে যাওয়াই ধর্তব্য হবে। কেননা কর্মী তার কাজ করে চুক্তিটিকে এখনো কার্যকর ও শক্তিশালী করেনি। উপরিউক্ত আলোচনা, যদি আংশিক সম্পদ ধ্বংস হয়ে যায় সে ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। কিন্তু যদি পুরো মূলধন বা পণ্য প্রাকৃতিক বিপর্যয়ে ধ্বংস হয়ে যায়, তা কর্মী কজা করার আগে হোক বা পরে, তাহলে মুদারাবা-ই বাতিল হয়ে যাবে।

বাহুতী বলেন, যদি কর্মী তার নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার পর মূলধন সবটুকু বা আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয় অথবা পণ্যে খুঁত সৃষ্টি হয় অথবা অসুস্থ হয়ে (দাসদাসী বা পশু পাখি ইত্যাদির) দাম পড়ে যায় অথবা পণ্যের বৈশিষ্ট্যে পরিবর্তন এসে যায় অথবা বাজারে স্বাভাবিক ভাবেই পণ্যের দাম কমে যায়, এসবই হয় কর্মীর নিয়ন্ত্রণে ও পরিচালনায় ব্যবসা শুরু হওয়ার পর, তাহলে অবশিষ্ট সম্পদে লাভ হলে তা বণ্টন করার পূর্বে তা দ্বারা সে ক্ষতি পূরণ করতে হবে। আলেমগণ এ পর্যায়ে বলেন, যে পর্যন্ত পুঁজির ওপর ভিত্তি করে মুদারাবা বহাল থাকবে, অর্জিত লাভ দ্বারা তার ক্ষতিপূরণের ধারাও অব্যাহত থাকবে।

টিকাঃ
১৪৪. আল-ইখতিয়ার, খ. ৩, পৃ. ২০, ২৪-২৫
১৪৫. রওযাতুত তালেবীন, খ. ৫, পৃ. ১৩৮-১৩৯; মুগনিল মুহতাজ, খ. ২, পৃ. ৩১৮-৩১৯
১৪৬. কাশশাফুল কিনা', খ. ৩, পৃ. ৫১৭-৫২০

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00