📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 ঋণের বদলের গুণ ও বৈশিষ্ট্য

📄 ঋণের বদলের গুণ ও বৈশিষ্ট্য


ঋণগ্রহীতার উপর ঋণের যে বদল পরিশোধ করা আবশ্যক এ প্রসঙ্গে ফকীহগণ তিন ধরনের মতামত দিয়েছেন:

প্রথম: মালেকীদের মত ও শাফেয়ী মাযহাবের বিশুদ্ধ মত হচ্ছে, ঋণ যদি মিছলী হয় অর্থাৎ সদৃশ বস্তু হয়, তাহলে ঋণগ্রহীতা তার অনুরূপ বস্তু পরিশোধ করতে পারবে। কেননা, এটা তার হকের অধিক কাছাকাছি। আর যদি ঋণ কীমী- মূল্যভিত্তিক হয় তাহলে ঋণগ্রহীতা সরাসরি তা-ই ফেরত দিবে- যদি তার অবস্থায় কোনো পরিবর্তন না হয় অথবা আকৃতিতে অনুরূপ কিছু দিয়ে পরিশোধ করতে হবে।

দ্বিতীয়: আবু হানিফা ও মুহাম্মদের মতে, ঋণগ্রহীতা কেবল ঋণের বস্তুর মালিক হওয়ার দরুনই তার ঋণের অনুরূপ বস্তু ফেরত দেওয়া আবশ্যক হবে। সরাসরি ঋণের বস্তু পরিশোধ করা লাগবে না- যদিও তা বহাল থাকে। যদি সে পরিমাপযোগ্য বা ওজনযোগ্য বস্তু অথবা স্বর্ণ কিংবা রৌপ্যের মুদ্রা ধার নেয়, এরপর সে বস্তু বা মুদ্রার মূল্য হ্রাস পেল বা বেড়ে গেল- উভয় ক্ষেত্রেই শুধু অনুরূপ বস্তু ফিরিয়ে দেওয়াই তার কর্তব্য।

তৃতীয়: হাম্বলীগণ ঋণ হিসেবে প্রদত্ত বস্তু তিনভাবে ভাগ করেছেন। এক. তা মিছলী হয়ে পরিমাপ কিংবা ওজন যে-কোনো ভাবে পরিমাপযোগ্য হবে অথবা দুই. এমন কীমী হবে যা বৈশিষ্ট্য বর্ণনার মাধ্যমে নির্দিষ্ট করা যায় না এবং তিন. এ দু অবস্থা ভিন্ন অন্য অবস্থার অধিকারী হবে।

ক. যদি ঋণের বস্তু পরিমাপ কিংবা ওজন যে-কোনো ভাবে পরিমাপযোগ্য হয় তাহলে ঋণগ্রহীতার মিছলী বস্তুর সদৃশ বস্তু ফিরিয়ে দেওয়া আবশ্যক।
খ. যদি ঋণের বস্তু পরিমাপযোগ্য বা ওজনযোগ্য না হয়, সেক্ষেত্রে হস্তগত হওয়ার দিনের মূল্য পরিশোধ করা আবশ্যক- যদি তা বৈশিষ্ট্য বর্ণনার মাধ্যমে নির্দিষ্ট করার উপযোগী না হয়।

টিকাঃ
৭৯. আল-খিরাশী ও হাশিয়া আদাভী, খ. ৫, পৃ. ২৩২; আল-কাওয়ানীন আল-ফিকহিয়‍্যা, পৃ. ২৯৩।
৮০. আসনাল মাতালিব, খ. ২, পৃ. ১৪৩; তুহফাতুল মুহতাজ, খ. ৫, পৃ. ৪৪; নিহায়াতুল মুহতাজ, খ. ৪, পৃ. ২২৩; এবং রওজাতুত তালেবীন, খ. ৪, পৃ. ৩৫, ৩৭
৮১. নিহায়াতুল মুহতাজ, খ. ৪, পৃ. ২২৪; রওজাতুত তালেবীন, খ. ৪, পৃ. ৩৭; তুহফাতুল মুহতাজ, খ. ৫, পৃ. ৪৫
৮২. আবু রাফে' রা.-এর বর্ণনা। মুসলিম, খ. ৩, পৃ. ১২২৪
৮৩. তুহফাতুল মুহতাজ, খ. ৫, পৃ. ৪৪; নিহায়াতুল মুহতাজ, খ. ৪, পৃ. ২২৩; আসনাল মাতালিব, খ. ২, পৃ. ১৪৪
৮৪. আল-ফাতাওয়া আল-হিন্দিয়‍্যা, খ. ৩, পৃ. ২০৭
৮৫. রদ্দুল মুহতার, খ. ৪, পৃ. ১৭২; আল-উকুদুদ দুররিয়‍্যা ফী তানকীহি আল-ফাতাওয়া আল-হামিদিয়‍্যা, খ. ১, পৃ. পৃ. ২৭৯; মুরশিদুল হায়রান, ধারা: ৭৯৭, ৮০৫ ও ৮০৬
৮৬. শারহু মুনতাহাল ইরাদাত, খ. ২. পৃ. ২২৬; কাশশাফুল কিনা', খ. ৩, পৃ. ৩০১; আল- মুবদি', খ. ৪, পৃ. ২০৭; আল-মুগনী, খ. ৬, পৃ. ৪৩১
৮৭. কাশশাফুল কিনা, খ. ৩, পৃ. ৩১৫; আল-ইনসাফ, খ. ৫, পৃ. ১২৯; আল-মুগনী, খ. ৪, পৃ. ৩৫২
৮৮. আল-মুগনী, খ. ৬, পৃ. ৪৩৮; রওজাতুত তালেবীন, খ. ৪, পৃ. ৩৪; আল-মুবদি, খ. ৪, পৃ. ২১০।
৮৯. প্রাগুক্ত, টীকা নং ৪

📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 ঋণ পরিশোধের স্থান

📄 ঋণ পরিশোধের স্থান


এ ক্ষেত্রে মূলনীতি হলো, যে দেশ বা এলাকায় ঋণ গ্রহণ করা হয়েছিল সেখানেই তা পরিশোধ করা ওয়াজিব। এ কথায় সকল ফকীহ একমত। এজন্য ঋণদাতা সংশ্লিষ্ট দেশে তা ফেরত চাইলে ঋণগ্রহীতা সেখানেই তা পরিশোধ করতে বাধ্য।

কিন্তু ঋণগ্রহীতা যদি অন্য স্থানে তা খরচ করে কিংবা ঋণদাতা অন্য কোনো দেশে ফেরত দেওয়ার দাবি করে; এ অবস্থায় ঋণের বস্তু বহন করে নিয়ে যেতে যদি কোনো ব্যয় ও খরচের দরকার না পড়ে, যেমন দীনার-দিরহাম; সেক্ষেত্রে ফকীহদের ঐকমত্য হলো, ঋণপ্রদানের স্থান না হলেও সেখানে ঋণদাতা তা গ্রহণ করতে বাধ্য। পক্ষান্তরে ঋণের বস্তু সেখানে নিয়ে যেতে যদি কোনো ব্যয় ও খরচের দরকার হয়, যেমন পরিমাপ ও ওজনযোগ্য জিনিস; সেক্ষেত্রে ফকীহগণ একমত যে, ঋণদাতা ভিন্নস্থানে তা গ্রহণ করতে বাধ্য নয়।

যদি ঋণদাতা ও গ্রহীতা যে দেশে ঋণ দিয়েছে নিয়েছে সে দেশ ভিন্ন অন্য কোনো দেশে একত্রিত হয় এবং এ দু দেশে ঋণের বস্তুর মূল্যে পার্থক্য থাকে, এ অবস্থায় ঋণদাতা তা ফেরত চাইলে শাফেয়ী ও হাম্বলী ফকীহদের মত এবং হানাফী মাযহাবের একটি বর্ণনা অনুযায়ী ঋণগ্রহীতা সেখানে ঋণ পরিশোধ করতে বাধ্য। তখন ঋণ গ্রহণকালীন স্থানের মূল্য ধর্তব্য হবে।

টিকাঃ
৯৫. আস-সাইলুল জাররার লিশ শাওকানী, খ. ৩, পৃ. ১৪৪
৯৬. রদ্দুল মুহতার, খ. ৪, পৃ. ১৭৪; আল-ফাতাওয়া আল-হিন্দিয়্যা, খ. ৩, পৃ. ২০৪; শারহুল খিরাশী, খ. ৫, পৃ. ২৩২; আল-বাহযা শারহুত তুহফা, খ. ২, পৃ. ২৮৮; রওজাতুত তালেবীন, খ. ৪, পৃ. ৩৬; আসনাল মাতালিব, খ. ২, পৃ. ১৪৩; নিহায়াতুল মুহতাজ, খ. ৪, পৃ. ২২৪; তুহফাতুল মুহতাজ, খ. ৫, পৃ. ৪৬; শারহু মুনতাহাল ইরাদাত, খ. ২, পৃ. ২২৮; কাশশাফুল কিনা', খ. ৩, পৃ. ৩০৬
৯৭. প্রাগুক্ত
৯৮. হাশিয়া ইবনে আবেদীন, খ. ৪, পৃ. ১৭২; আল-ফাতাওয়া আল-হিন্দিয়‍্যা, খ. ৩, পৃ. ২০৫; আল-কাফি লি ইবনে আব্দিল বার, পৃ. ৩৫৮; রওজাতুত তালেবীন, খ. ৪, পৃ. ৩৬; আসনাল মাতালিব, খ. ২, পৃ. ১৪৩; শারহু মুনতাহাল ইরাদাত, খ. ২, পৃ. ২৮৮; কাশশাফুল কিনা', খ. ৩, পৃ. ৩০৬

📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 ঋণ পরিশোধের সময়

📄 ঋণ পরিশোধের সময়


ফকীহগণ ঋণ পরিশোধের সময়ের ব্যাপারে দুধরনের অভিমত দিয়েছেন:

এক. হানাফী, শাফেয়ী ও হাম্বলী ফকীহগণ বলেন, ঋণগ্রহীতার ওপর ঋণের বিনিময় তাৎক্ষণিক পরিশোধ করা সাব্যস্ত হয়। তাই অন্য সকল তাৎক্ষণিক ঋণের মতোই ঋণদাতা তাৎক্ষণিক ভাবে তা পাওয়ার দাবি করতে পারে। তা ছাড়া ঋণ হচ্ছে এমন একটি নিমিত্ত যা মিছলী-এর ক্ষেত্রে অনুরূপ বস্তু ফিরিয়ে দেওয়া আবশ্যক করে। সুতরাং তা নগদ প্রদেয় হবে।

দুই. মালেকী ফকীহবৃন্দ ও ইবনুল কাইয়িম বলেন, ঋণ পরিশোধের ব্যাপারটি তাৎক্ষণিক ঋণগ্রহীতার উপর বর্তায় না। এর ভিত্তিতে তারা বলেন, কেউ যদি পরিশোধের কোনো সময় নির্ধারণ না করে স্বাভাবিকভাবে ঋণ গ্রহণ করে, এ অবস্থায় ঋণদাতা লেনদেনের পরেই তা ফেরত চাইলে গ্রহীতা তা পরিশোধে বাধ্য নয়। বরং দাতাকে প্রদত্ত ঋণ ততক্ষণ পর্যন্ত গ্রহীতার নিকট থাকতে দিতে হবে যতক্ষণ না স্বাভাবিক রীতি অনুযায়ী সে কিছুটা উপকৃত হয়েছে বলে সাব্যস্ত হবে।

টিকাঃ
৯৯. বাদায়েউস সানায়ে, খ. ৭, পৃ. ৩৯৬; আল-ফাতাওয়া আল-হিন্দিয়‍্যা, খ. ৩, পৃ. ২০২; ফাতহুল আযীয, খ. ৯, পৃ. ৩৫৭; রওজাতুত তালেবীন, খ. ৪, পৃ. ৩৪; আন-নুতাফ ফিল ফাতাওয়া লিস সুগদী, খ. ১, পৃ. ৪৯৩; কাশশাফুল কিনা', খ. ৩, পৃ. ৩০১; শারহু মুনতাহাল ইরাদাত, খ. ২, পৃ. ২২৫; আল-মুগনী, খ. ৬, পৃ. ৪৩১; আল-মুবদি, খ. ৪, পৃ. ২০৬
১০০. আল-বাহযা, খ. ২, পৃ. ২৮৮; আয-যুরকানী আলা খলীল, খ. ৫, পৃ. ২২৯; আল-খিরাশী, খ. ৫, পৃ. ২৩২; আত-তাজু ওয়াল ইকলীল, খ. ৪, পৃ. ৫৪৮; ইলামুল মুওয়াক্বিয়ীন, খ. ৩, পৃ. ৩৭৫

📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 ঋণের ক্ষেত্রে পরস্পর নির্ধারিত শর্তসমূহ

📄 ঋণের ক্ষেত্রে পরস্পর নির্ধারিত শর্তসমূহ


ঋণের মধ্যে দু'পক্ষ যে সকল শর্ত মেনে চলে সে শর্তসমূহ কয়েক প্রকার হতে পারে:

ক. ঋণের দাবি দৃঢ়করণের শর্তারোপ:
ফকীহদের মতে বন্ধক, জিম্মাদার, সাক্ষ্য এ সবই অথবা এর মধ্যে থেকে যে-কোনোটির শর্তে ঋণ লেনদেন বৈধ। কেননা এ সবই প্রত্যয়ন ও সত্যায়ন, এগুলোর দ্বারা ঋণদাতা অতিরিক্ত কিছু লাভ করে না।

খ. ভিন্ন কোনো দেশে ঋণ পরিশোধের শর্তারোপ:
এ শর্তটি সাধারণত হুন্ডির ক্ষেত্রে প্রাসঙ্গিক। শাফেয়ী ফকীহদের মতে এবং হাম্বলী মাযহাবের এক মতে এটি হারাম। মালেকীদের মতেও হারাম; তবে তীব্র প্রয়োজন হলে জায়েয। হানাফীদের মতে এরূপ শর্তারোপ মাকরূহ।

গ. কম পরিশোধের শর্তারোপ:
ঋণচুক্তি করার সময় শর্তারোপ করা হলো যে, ঋণগ্রহীতা ঋণ পরিশোধের সময় ঋণদাতাকে বৈশিষ্ট্যে কিংবা পরিমাণে কম দিবে। এক্ষেত্রে শাফেয়ী ও হাম্বলী ফকীহদের মত হলো, এ শর্ত অকার্যকর এবং তা কোনো কিছুকে আবশ্যক করবে না।

ঘ. নির্দিষ্ট মেয়াদের শর্তারোপ:
অধিকাংশ ফকীহ—হানাফী, শাফেয়ী ও হাম্বলী মাযহাবের ফকীহবৃন্দ—মতে, চুক্তিতে এই শর্ত উল্লেখ থাকলেও ঋণ পরিশোধে বিলম্বকরণ মোটে জরুরি নয়। পক্ষান্তরে মালেকীগণ ও ইবনুল কাইয়িম-এর মতে, শর্ত দিয়ে মেয়াদ নির্ধারণ করা বৈধ।

ঙ. হুবহু প্রদত্ত ঋণই ফিরিয়ে দেওয়ার শর্তারোপ:
হাম্বলীগণ বলেছেন, যদি ঋণদাতা ঋণগ্রহীতাকে ঋণ হিসাবে প্রদত্ত বস্তুটিই সরাসরি ফিরিয়ে দেওয়ার শর্ত করে, তাহলে তা সঠিক হবে না।

চ. ঋণদাতাকে অতিরিক্ত প্রদানের শর্তারোপ:
ফকীহদের সর্বসম্মত মতানুসারে ঋণ পরিশোধের সময় দাতাকে অতিরিক্ত প্রদানের শর্তারোপ মূল চুক্তিটিই বাতিল করে দেয়। এই সকল আধিক্য সুদ হিসেবেই গণ্য হবে।

ছ. ঋণের মধ্যে আরেকটি চুক্তির শর্তারোপ:
একটি ঋণচুক্তির মধ্যে ক্রয়-বিক্রয়, ইজারা, বর্গা চাষ, সেচ বা আরেকটি ঋণের শর্তারোপের বিধান সম্পর্কে ফকীহগণ আলোচনা করেছেন।

টিকাঃ
১০১. বুখারীতে হাদীসটি উদ্ধৃত হয়েছে। ফাতহুল বারী, খ. ৫, পৃ. ১৪৫, হাদীসটির বর্ণনাকারী আয়েশা রা.।
১০২. বাদায়েউস সানায়ে', খ. ৫, পৃ. ১৭১; হাশিয়া দুসূকী, খ. ৩, পৃ. ৬৫; রওজাতুত তালেবীন, খ. ৪, পৃ. ৩৪; ফাতহুল আযীয, খ. ৯, পৃ. ৩৮১; আল-মুহাযযাব, খ. ১, পৃ. ৩১০; নিহায়াতুল মুহতাজ, খ. ৪, পৃ. ২২৬; আসনাল মাতালিব, খ. ২, পৃ. ১৪৩; কাশশাফুল কিনা', খ. ৩, পৃ. ৩০৩; শারহু মুনতাহাল ইরাদাত, খ. ২, পৃ. ২২৭; আল-মুবদি, খ. ৪, পৃ. ২০৮
১০৩. বাদায়েউস সানায়ে', খ. ৭, পৃ. ৩৯৫; তাবঈনুল হাকায়েক ও হাশিয়া শালাবী, খ. ৪, পৃ. ১৭৫; রদ্দুল মুহতার, খ. ৪, পৃ. ১৭৪; মিনাহুল জালীল, খ. ৩, পৃ. ৫০; আয যুরকানী আলা খলীল, খ. ৫, পৃ. ২২৯; আল-বাহযা, খ. ২, পৃ. ২৮৮; আল-খিরাশী, খ. ৫, পৃ. ২৩১; আসনাল মাতালিব, খ. ২, পৃ. ১৪২; ফাতহুল আযীয, খ. ৯, পৃ. ৩৭৫-৩৮৫; নিহায়াতুল মুহতাজ, খ. ৪, পৃ. ২২৫; কাশশাফুল কিনা', খ. ৩, পৃ. ৩০৪; শারহু মুনতাহাল ইরাদাত, খ. ২, পৃ. ২২৭; আল মুগনী, খ. ৬, পৃ. ৪৩৬; আল-ইখতিয়ারাতুল ফিকহিয়‍্যা, পৃ. ১৩১
১০৪. ফাতহুল আযীয, খ. ৯, পৃ. ৩৭৮; নিহায়াতুল মুহতাজ, খ. ৪, পৃ. ২২৬; আল-মুহাযযাব, খ. ১, পৃ. ৩১১; শারহু মুনতাহাল ইরাদাত, খ. ২, পৃ. ২২৭; কাশশাফুল কিনা', খ. ৩, পৃ. ৩০৩
১০৫. আন-নুতাফু লিস সুগদী, খ. ১, পৃ. ৪৯৩; বাদায়েউস সানায়ে', খ. ৭, পৃ. ৩৯৬; রদ্দুল মুহতার, খ. ৪, পৃ. ১৭০; রওজাতুত তালেবীন, খ. ৪, পৃ. ৩৪; নিহায়াতুল মুহতাজ, খ. ৪, পৃ. ২২৬; আসনাল মাতালিব, খ. ২, পৃ. ১৪২; ফাতহুল আযীয, খ. ৯, পৃ. ৩৫৭-৩৭৯-৩৮০; কাশশাফুল কিনা', খ. ৩, পৃ. ৩০৩; আল-মুবদি, খ. ৪, পৃ. ২০৮; শারহু মুনতাহাল ইরাদাত, খ. ২, পৃ. ২২৭; আল-মুগনী, খ. ৬, পৃ. ৪৩১
১০৬. আল-মুবদি, খ. ৪, পৃ. ২০৮; কাশশাফুল কিনা', খ. ৩, পৃ. ৩০৩
১০৭. আদ-দুররুল মুখতার ও হাশিয়া ইবনে আবেদীন, খ. ৪, পৃ. ১৭০; বাদায়েউস সানায়ে', খ. ৭, পৃ. ৩৯৬
১০৮. শারহু মুনতাহাল ইরাদাত, খ. ২, পৃ. ২২৭; কাশশাফুল কিনা', খ. ৩, পৃ. ৩০৩
১০৯. রদ্দুল মুহতার, খ. ৪, পৃ. ১৭০; বাদায়েউস সানায়ে', খ. ৭, পৃ. ৩৯৬
১১০. আন-নুতাফু লিস সুগদী, খ. ১, পৃ. ৪৯৩; আল-ফাতাওয়া আল-হিন্দিয়্যা, খ. ৩, পৃ. ২০২; শারহু মুনতাহাল ইরাদাত, খ. ২, পৃ. ২২৭; কাশশাফুল কিনা', খ. ৩, পৃ. ৩০৩; রদ্দুল মুহতার, খ. ৪, পৃ. ১৭০
১১১. রওজাতুত তালেবীন, খ. ৪, পৃ. ৩৪; আসনাল মাতালিব, খ. ২, পৃ. ১৪২; নিহায়াতুল মুহতাজ, খ. ৪, পৃ. ২২৬
১১২. মিয়ারাতু আলাত তুহফা, খ. ২, পৃ. ১৯৬; আল-বাহযা, খ. ২, পৃ. ২৮৮; আল-মুগনী ইবনে কুদামা, খ. ৬, পৃ. ৪৩১; আল-ইখতিয়ারাতুল ফিক্হিয়্যা, পৃ. ১৩২; ই'লামুল মুওয়াক্বিয়ীন, খ. ৩, পৃ. ৩৭৫
১১৩ তিরমিযী, খ. ৩,পৃ. ৬২৬; হাদীসটির বর্ণনাকারী আমর বিন আউফ রা.
১১৪. আল-বাহজা, খ. ২, পৃ. ২৮৮; কিফায়াতুত তালিব আর রাব্বানী ও হাশিয়াতুল আদাবী, খ. ২, পৃ. ১৫৩; আল-খিরাশী ও হাশিয়া আদাবী, খ. ৫, পৃ. ২৩২; আত-তাজু ওয়াল ইকলীল, খ. ৪, পৃ. ৫৪৮; আয-যুরকানী আলা খলীল, খ. ৫, পৃ. ২২৯; আল-কাফি লি ইবনে আবদিল বার, পৃ. ৩৫৮
১১৫. শারহু মুনতাহাল ইরাদাত, খ. ২, পৃ. ২২৫-২২৭
১১৬. বাদায়েউস সানায়ে', খ. ৭, পৃ. ৩৯৫; আন-নুতাফু লিস সুগদী, খ. ১, পৃ. ৪৯৩; কিফায়াতুত তালিব আর রাব্বানী ও হাশিয়া আদাবী, খ. ২, পৃ. ১৪৯; আল-বাহজা, খ. ২, পৃ. ২৮৭; আল-কাওয়ানীন আল ফিকহিয়‍্যা, পৃ. ২৯৩; আল-খিরাশী, খ. ৫, পৃ. ২৩২; আয-যুরক্বানী আলা খলীল, খ. ৫, পৃ. ২২৮; মাওয়াহিবুল জালীল, খ. ৪, পৃ. ৫৪৬; আসনাল মাতালিব, খ. ২, পৃ. ১৪২; রওজাতুত তালেবীন, খ. ৪, পৃ. ৩৪; ফাতহুল আযীয, খ. ৯, পৃ. ৩৭৫ ও ৩৮৫; নিহায়াতুল মুহতাজ, খ. ৪, পৃ. ২২৫; শারহু মুনতাহাল ইরাদাত, খ. ২, পৃ. ২২৭; কাশশাফুল কিনা', খ. ৩, পৃ. ৩০৪
১১৭. আল-কাফি ফি আহলিল মদীনা, খ. ২, পৃ. ৩৫৯
১১৮. আল-মুগনী লি ইবনে কুদামা, খ. ৬, পৃ. ৪৩৬
১১৯. হাদীসটি ইবনে হাজার আত-তালখীসুল হাবীর গ্রন্থে হারেছ বিন আবি উসামা সূত্রে উল্লেখ করেছেন, খ. ৩, পৃ. ৩৪।
১২০. বাদায়েউস সানায়ে', খ. ৭, পৃ. ৩৯৫
১২১. শারহু মুনতাহাল ইরাদাত, খ. ২, পৃ. ২২৭; কাশশাফুল কিনা', খ. ৩, পৃ. ৩০৪; আল-মুবদি', খ. ৪, পৃ. ২০৯
১২২, রদ্দুল মুহতার, খ. ৪, পৃ. ১৭২; আন-নুতাফু লিস সুগদী, খ. ১, পৃ. ৪৯৩; আল-খিরাশী ও হাশিয়া আদাবী, খ. ৫, পৃ. ২৩০; আল-কাওয়ানীন আল-ফিকহিয়‍্যা, পৃ. ২৯৩

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00