📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 ঋণের বিধান

📄 ঋণের বিধান


ক. ঋণের মালিকানায় প্রভাব
ঋণ সাব্যস্ত হয়ে যাওয়ার পর তার মালিকানা পরিবর্তন নিয়ে ফকীহগণ মতবিরোধ করেছেন। এ মালিকানা পরিবর্তন, ঋণচুক্তি সংঘটিত হওয়ার সাথে সাথেই হবে না হস্তগত হওয়া পর্যন্ত স্থগিত থাকবে অথবা ঋণগ্রহীতার তাতে কর্তৃত্ব প্রকাশিত হওয়া বা তা ব্যবহার করা পর্যন্ত তা সাব্যস্ত হবে না। এ ভাবে ফকীহদের এ বিষয়ে চারটি মত হয়েছে।

এক. এটি হাম্বলী ফকীহদের মত, হানাফী মাযহাবের প্রচলিত মত এবং শাফেয়ী মাযহাবের বিশুদ্ধতর মত: কব্জা করার সাথে সাথে ঋণগ্রহীতা ঋণের সম্পদের মালিকানা লাভ করবে। শাফেয়ীগণ বলেন, তবে এই মালিকানা অপরিপূর্ণ। কারণ দুজনের যে-কোনো জন তা এককভাবে বাতিল করে দিতে পারে। এ ব্যাপারে তাদের দলিল হচ্ছে:
ক. স্বয়ং নামের মধ্যে উপরিউক্ত বক্তব্যের প্রমাণ রয়েছে। কারণ কর্জ (القرض)-এর (ঋণ)-এর আভিধানিক অর্থ কর্তন করা। সুতরাং বোঝা যায়, মাল হস্তান্তরের মাধ্যমে ঋণদাতার মালিকানা বা কর্তৃত্ব কর্তিত হয়ে যায়।
খ. ঋণগ্রহীতার নিকট মাল হস্তান্তরের পর সে ঋণদাতার অনুমতি ছাড়াই তা ক্রয়-বিক্রয়, হিবা (দান), সদকাসহ যাবতীয় খরচের অধিকার লাভ করে।
গ. ঋণ এমন একটি চুক্তি যেখানে বিনিময় ও অনুদান দু'টি দিকই বিদ্যমান। তবে অনুদানের দিকটিই ঋণচুক্তিিতে প্রাধান্য পেয়েছে।

দুই. মালেকী মাযহাবের মত হচ্ছে, ঋণগ্রহীতা ঋণচুক্তিির মাধ্যমেই সম্পদের পূর্ণ মালিকানা লাভ করবে, যদিও সে তা কব্জা না করে।
তিন. শাফেয়ীদের এ মতটি তাদের বিশুদ্ধতর মতের বিপরীত। তা হচ্ছে, ঋণগ্রহীতা ঋণের সম্পদে তাসাররুফ (التصرف) করার দ্বারাই তার মালিক হয়ে যাবে।
চার. ইমাম আবু ইউসুফের অভিমত হলো, ঋণের সম্পদ ব্যবহারের মাধ্যমে ফুরিয়ে না যাওয়া পর্যন্ত কেবল হস্তগত হওয়ার মাধ্যমে মালিকানা অর্জিত হয় না।

খ. ঋণের বাধ্যবাধকতা
ফকীহগণের মতে, ঋণের সম্পদের মালিকানা লাভ করা মাত্রই ঋণদাতার নিকট তার বিনিময় ফেরত দেওয়া ঋণগ্রহীতার দায়িত্ব। সেই সাথে সে ঋণের বিনিময় ফেরত দিতে অঙ্গীকারাবদ্ধ।

টিকাঃ
৭১. রদ্দুল মুহতার, খ. ৪, পৃ. ১৭৩; বাদায়েউস সানায়ে', খ. ৭, পৃ. ৩৯৬; ইবনে নুজাইম-এর আল-আশবাহ ওয়ান নাযায়ের, খ. ২, পৃ. ২০৪; মুরশিদুল হায়রান, ধারা: ৭৯৭; আসনাল মাতালিব, খ. ২, পৃ. ১৪৩; রওজাতুত তালেবীন, খ. ৪, পৃ. ৩৫; আল-মুহাযযাব, খ. ১, পৃ. ৩১০; নিহায়াতুল মুহতাজ, খ. ৪, পৃ. ২২৬; তুহফাতুল মুহতাজ, খ. ৫, পৃ. ৪৮; ফাতহুল আযীয, খ. ৯, পৃ. ৩৯১; কাশশাফুল কিনা', খ. ৩, পৃ. ৩০১; শরহু মুনতাহাল ইরাদাত, খ. ২, পৃ. ২২৫, আল-মুবদি', খ. ৪, পৃ. ২০৬
৭২. শীরাযীর আল-মুহাযযাব, খ. ১, পৃ. ৩১০
৭৩. আল-খিরাশী, খ. ৫, পৃ. ২৩২; আল-বাহজা শারহুত তুহফা, খ. ২, পৃ. ২৮৮; কিফায়াতুত তালিব আর-রাব্বানী এবং হাশিয়া আদাভী, খ. ২, পৃ. ১৫০; দারদীর কৃত আশ-শারহুল কাবীর ও হাশিয়া দুসূকী, খ. ৩, পৃ. ২২৬
৭৪. শাওকানীর হাদায়েকুল আযহার-এর ব্যাখ্যাগ্রন্থ আস-সাইলুল জাররার, খ. ৩, পৃ. ১৪৪
৭৫. নিহায়াতুল মুহতাজ, খ. ৪, পৃ. ২২৬; রওজাতুত তালেবীন, খ. ৪, পৃ. ৩৫; তুহফাতুল মুহতাজ, খ. ৫, পৃ. ৪৮; মুগনিল মুহতাজ, খ. ২, পৃ. ১২০; আল-মুহাযযাব, খ. ১, পৃ. ৩১০; সুয়ূতীর আল-আশবাহ ওয়ান নাযায়ের, পৃ. ৩২০
৭৬. রাফেয়ী কৃত ফাতহুল আযীয, খ. ৯, পৃ. ৩৯২
৭৭. নির্দিষ্ট পরিমাণ অর্থ পরিশোধের ভিত্তিতে মুক্তিলাভের চুক্তিতে আবদ্ধ দাসকে মুকাতাব বলে।
৭৮. রদ্দুল মুহতার, খ. ৪, পৃ. ১৭৩; বাদায়েউস সানায়ে', খ. ৭, পৃ. ৩৯৬

📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 ঋণের বদলের গুণ ও বৈশিষ্ট্য

📄 ঋণের বদলের গুণ ও বৈশিষ্ট্য


ঋণগ্রহীতার উপর ঋণের যে বদল পরিশোধ করা আবশ্যক এ প্রসঙ্গে ফকীহগণ তিন ধরনের মতামত দিয়েছেন:

প্রথম: মালেকীদের মত ও শাফেয়ী মাযহাবের বিশুদ্ধ মত হচ্ছে, ঋণ যদি মিছলী হয় অর্থাৎ সদৃশ বস্তু হয়, তাহলে ঋণগ্রহীতা তার অনুরূপ বস্তু পরিশোধ করতে পারবে। কেননা, এটা তার হকের অধিক কাছাকাছি। আর যদি ঋণ কীমী- মূল্যভিত্তিক হয় তাহলে ঋণগ্রহীতা সরাসরি তা-ই ফেরত দিবে- যদি তার অবস্থায় কোনো পরিবর্তন না হয় অথবা আকৃতিতে অনুরূপ কিছু দিয়ে পরিশোধ করতে হবে।

দ্বিতীয়: আবু হানিফা ও মুহাম্মদের মতে, ঋণগ্রহীতা কেবল ঋণের বস্তুর মালিক হওয়ার দরুনই তার ঋণের অনুরূপ বস্তু ফেরত দেওয়া আবশ্যক হবে। সরাসরি ঋণের বস্তু পরিশোধ করা লাগবে না- যদিও তা বহাল থাকে। যদি সে পরিমাপযোগ্য বা ওজনযোগ্য বস্তু অথবা স্বর্ণ কিংবা রৌপ্যের মুদ্রা ধার নেয়, এরপর সে বস্তু বা মুদ্রার মূল্য হ্রাস পেল বা বেড়ে গেল- উভয় ক্ষেত্রেই শুধু অনুরূপ বস্তু ফিরিয়ে দেওয়াই তার কর্তব্য।

তৃতীয়: হাম্বলীগণ ঋণ হিসেবে প্রদত্ত বস্তু তিনভাবে ভাগ করেছেন। এক. তা মিছলী হয়ে পরিমাপ কিংবা ওজন যে-কোনো ভাবে পরিমাপযোগ্য হবে অথবা দুই. এমন কীমী হবে যা বৈশিষ্ট্য বর্ণনার মাধ্যমে নির্দিষ্ট করা যায় না এবং তিন. এ দু অবস্থা ভিন্ন অন্য অবস্থার অধিকারী হবে।

ক. যদি ঋণের বস্তু পরিমাপ কিংবা ওজন যে-কোনো ভাবে পরিমাপযোগ্য হয় তাহলে ঋণগ্রহীতার মিছলী বস্তুর সদৃশ বস্তু ফিরিয়ে দেওয়া আবশ্যক।
খ. যদি ঋণের বস্তু পরিমাপযোগ্য বা ওজনযোগ্য না হয়, সেক্ষেত্রে হস্তগত হওয়ার দিনের মূল্য পরিশোধ করা আবশ্যক- যদি তা বৈশিষ্ট্য বর্ণনার মাধ্যমে নির্দিষ্ট করার উপযোগী না হয়।

টিকাঃ
৭৯. আল-খিরাশী ও হাশিয়া আদাভী, খ. ৫, পৃ. ২৩২; আল-কাওয়ানীন আল-ফিকহিয়‍্যা, পৃ. ২৯৩।
৮০. আসনাল মাতালিব, খ. ২, পৃ. ১৪৩; তুহফাতুল মুহতাজ, খ. ৫, পৃ. ৪৪; নিহায়াতুল মুহতাজ, খ. ৪, পৃ. ২২৩; এবং রওজাতুত তালেবীন, খ. ৪, পৃ. ৩৫, ৩৭
৮১. নিহায়াতুল মুহতাজ, খ. ৪, পৃ. ২২৪; রওজাতুত তালেবীন, খ. ৪, পৃ. ৩৭; তুহফাতুল মুহতাজ, খ. ৫, পৃ. ৪৫
৮২. আবু রাফে' রা.-এর বর্ণনা। মুসলিম, খ. ৩, পৃ. ১২২৪
৮৩. তুহফাতুল মুহতাজ, খ. ৫, পৃ. ৪৪; নিহায়াতুল মুহতাজ, খ. ৪, পৃ. ২২৩; আসনাল মাতালিব, খ. ২, পৃ. ১৪৪
৮৪. আল-ফাতাওয়া আল-হিন্দিয়‍্যা, খ. ৩, পৃ. ২০৭
৮৫. রদ্দুল মুহতার, খ. ৪, পৃ. ১৭২; আল-উকুদুদ দুররিয়‍্যা ফী তানকীহি আল-ফাতাওয়া আল-হামিদিয়‍্যা, খ. ১, পৃ. পৃ. ২৭৯; মুরশিদুল হায়রান, ধারা: ৭৯৭, ৮০৫ ও ৮০৬
৮৬. শারহু মুনতাহাল ইরাদাত, খ. ২. পৃ. ২২৬; কাশশাফুল কিনা', খ. ৩, পৃ. ৩০১; আল- মুবদি', খ. ৪, পৃ. ২০৭; আল-মুগনী, খ. ৬, পৃ. ৪৩১
৮৭. কাশশাফুল কিনা, খ. ৩, পৃ. ৩১৫; আল-ইনসাফ, খ. ৫, পৃ. ১২৯; আল-মুগনী, খ. ৪, পৃ. ৩৫২
৮৮. আল-মুগনী, খ. ৬, পৃ. ৪৩৮; রওজাতুত তালেবীন, খ. ৪, পৃ. ৩৪; আল-মুবদি, খ. ৪, পৃ. ২১০।
৮৯. প্রাগুক্ত, টীকা নং ৪

📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 ঋণ পরিশোধের স্থান

📄 ঋণ পরিশোধের স্থান


এ ক্ষেত্রে মূলনীতি হলো, যে দেশ বা এলাকায় ঋণ গ্রহণ করা হয়েছিল সেখানেই তা পরিশোধ করা ওয়াজিব। এ কথায় সকল ফকীহ একমত। এজন্য ঋণদাতা সংশ্লিষ্ট দেশে তা ফেরত চাইলে ঋণগ্রহীতা সেখানেই তা পরিশোধ করতে বাধ্য।

কিন্তু ঋণগ্রহীতা যদি অন্য স্থানে তা খরচ করে কিংবা ঋণদাতা অন্য কোনো দেশে ফেরত দেওয়ার দাবি করে; এ অবস্থায় ঋণের বস্তু বহন করে নিয়ে যেতে যদি কোনো ব্যয় ও খরচের দরকার না পড়ে, যেমন দীনার-দিরহাম; সেক্ষেত্রে ফকীহদের ঐকমত্য হলো, ঋণপ্রদানের স্থান না হলেও সেখানে ঋণদাতা তা গ্রহণ করতে বাধ্য। পক্ষান্তরে ঋণের বস্তু সেখানে নিয়ে যেতে যদি কোনো ব্যয় ও খরচের দরকার হয়, যেমন পরিমাপ ও ওজনযোগ্য জিনিস; সেক্ষেত্রে ফকীহগণ একমত যে, ঋণদাতা ভিন্নস্থানে তা গ্রহণ করতে বাধ্য নয়।

যদি ঋণদাতা ও গ্রহীতা যে দেশে ঋণ দিয়েছে নিয়েছে সে দেশ ভিন্ন অন্য কোনো দেশে একত্রিত হয় এবং এ দু দেশে ঋণের বস্তুর মূল্যে পার্থক্য থাকে, এ অবস্থায় ঋণদাতা তা ফেরত চাইলে শাফেয়ী ও হাম্বলী ফকীহদের মত এবং হানাফী মাযহাবের একটি বর্ণনা অনুযায়ী ঋণগ্রহীতা সেখানে ঋণ পরিশোধ করতে বাধ্য। তখন ঋণ গ্রহণকালীন স্থানের মূল্য ধর্তব্য হবে।

টিকাঃ
৯৫. আস-সাইলুল জাররার লিশ শাওকানী, খ. ৩, পৃ. ১৪৪
৯৬. রদ্দুল মুহতার, খ. ৪, পৃ. ১৭৪; আল-ফাতাওয়া আল-হিন্দিয়্যা, খ. ৩, পৃ. ২০৪; শারহুল খিরাশী, খ. ৫, পৃ. ২৩২; আল-বাহযা শারহুত তুহফা, খ. ২, পৃ. ২৮৮; রওজাতুত তালেবীন, খ. ৪, পৃ. ৩৬; আসনাল মাতালিব, খ. ২, পৃ. ১৪৩; নিহায়াতুল মুহতাজ, খ. ৪, পৃ. ২২৪; তুহফাতুল মুহতাজ, খ. ৫, পৃ. ৪৬; শারহু মুনতাহাল ইরাদাত, খ. ২, পৃ. ২২৮; কাশশাফুল কিনা', খ. ৩, পৃ. ৩০৬
৯৭. প্রাগুক্ত
৯৮. হাশিয়া ইবনে আবেদীন, খ. ৪, পৃ. ১৭২; আল-ফাতাওয়া আল-হিন্দিয়‍্যা, খ. ৩, পৃ. ২০৫; আল-কাফি লি ইবনে আব্দিল বার, পৃ. ৩৫৮; রওজাতুত তালেবীন, খ. ৪, পৃ. ৩৬; আসনাল মাতালিব, খ. ২, পৃ. ১৪৩; শারহু মুনতাহাল ইরাদাত, খ. ২, পৃ. ২৮৮; কাশশাফুল কিনা', খ. ৩, পৃ. ৩০৬

📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 ঋণ পরিশোধের সময়

📄 ঋণ পরিশোধের সময়


ফকীহগণ ঋণ পরিশোধের সময়ের ব্যাপারে দুধরনের অভিমত দিয়েছেন:

এক. হানাফী, শাফেয়ী ও হাম্বলী ফকীহগণ বলেন, ঋণগ্রহীতার ওপর ঋণের বিনিময় তাৎক্ষণিক পরিশোধ করা সাব্যস্ত হয়। তাই অন্য সকল তাৎক্ষণিক ঋণের মতোই ঋণদাতা তাৎক্ষণিক ভাবে তা পাওয়ার দাবি করতে পারে। তা ছাড়া ঋণ হচ্ছে এমন একটি নিমিত্ত যা মিছলী-এর ক্ষেত্রে অনুরূপ বস্তু ফিরিয়ে দেওয়া আবশ্যক করে। সুতরাং তা নগদ প্রদেয় হবে।

দুই. মালেকী ফকীহবৃন্দ ও ইবনুল কাইয়িম বলেন, ঋণ পরিশোধের ব্যাপারটি তাৎক্ষণিক ঋণগ্রহীতার উপর বর্তায় না। এর ভিত্তিতে তারা বলেন, কেউ যদি পরিশোধের কোনো সময় নির্ধারণ না করে স্বাভাবিকভাবে ঋণ গ্রহণ করে, এ অবস্থায় ঋণদাতা লেনদেনের পরেই তা ফেরত চাইলে গ্রহীতা তা পরিশোধে বাধ্য নয়। বরং দাতাকে প্রদত্ত ঋণ ততক্ষণ পর্যন্ত গ্রহীতার নিকট থাকতে দিতে হবে যতক্ষণ না স্বাভাবিক রীতি অনুযায়ী সে কিছুটা উপকৃত হয়েছে বলে সাব্যস্ত হবে।

টিকাঃ
৯৯. বাদায়েউস সানায়ে, খ. ৭, পৃ. ৩৯৬; আল-ফাতাওয়া আল-হিন্দিয়‍্যা, খ. ৩, পৃ. ২০২; ফাতহুল আযীয, খ. ৯, পৃ. ৩৫৭; রওজাতুত তালেবীন, খ. ৪, পৃ. ৩৪; আন-নুতাফ ফিল ফাতাওয়া লিস সুগদী, খ. ১, পৃ. ৪৯৩; কাশশাফুল কিনা', খ. ৩, পৃ. ৩০১; শারহু মুনতাহাল ইরাদাত, খ. ২, পৃ. ২২৫; আল-মুগনী, খ. ৬, পৃ. ৪৩১; আল-মুবদি, খ. ৪, পৃ. ২০৬
১০০. আল-বাহযা, খ. ২, পৃ. ২৮৮; আয-যুরকানী আলা খলীল, খ. ৫, পৃ. ২২৯; আল-খিরাশী, খ. ৫, পৃ. ২৩২; আত-তাজু ওয়াল ইকলীল, খ. ৪, পৃ. ৫৪৮; ইলামুল মুওয়াক্বিয়ীন, খ. ৩, পৃ. ৩৭৫

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00