📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 কর্জ (الْقَرْضُ)-এর আভিধানিক ও পারিভাষিক অর্থ

📄 কর্জ (الْقَرْضُ)-এর আভিধানিক ও পারিভাষিক অর্থ


শাব্দিকভাবে الْقَرْضُ (কর্জ) শব্দটি بَاب ضَرَبَ -এর মাসদার বা ক্রিয়ামূল। তখন এর অর্থ হয়, কর্তন করা। যেমন বলা হয় : قَرَضَ الشَّيْء يَقْرضُهُ "সে বস্তুটি কর্তন করল বা করবে।” আবার الْقَرْضُ (কর্জ) শব্দটি ইসমে মাসদার হিসেবে الإقراض অর্থে ব্যবহৃত হয়। তখন قَرْض-এর অর্থ হয়, কর্তন। যেমন: قَرَضَتُ الشَّيْء بِالْمِقْرَاض অর্থাৎ আমি জিনিসটি কাঁচি দিয়ে কর্তন করেছি।

আর ঋণ হচ্ছে, মানুষের প্রয়োজন পূরণের জন্য কারো সম্পদ থেকে অপর কাউকে কিছু দেওয়া। সে ঋণ প্রদান করে তার সম্পদ থেকে প্রদত্ত ওই অংশটুকু যেন কর্তন করে ফেলল। পরস্পরে প্রশংসা করা হলে তা বোঝাতে বলা হয়: إِنَّ فُلَانَا وَقُلَانَا يَتَقَارَضَانِ الثَّنَاءَ অর্থাৎ অমুক অমুক পরস্পর প্রশংসা বিনিময় করেছে। এর অর্থ: যেন তাদের প্রত্যেকে তার সঙ্গীকে প্রশংসা ধার দিয়েছে। যেমন সম্পদ ধার দেওয়া হয়।

পারিভাষায় কর্জ বা ঋণ হচ্ছে : دَفْعُ مَالَ إِرْفَاقًا لِمَنْ يَنْتَفِعُ بِهِ وَيَرُدُّ بَدَلَهُ “অনুগ্রহবশত এমন কাউকে সম্পদ প্রদান করা যে এর দ্বারা উপকৃত হবে এবং এর বিনিময় ফেরত দেবে।”

ফকীহগণ বলেছেন, এভাবে সম্পদ দিলে সে সম্পদ হচ্ছে কর্জ (الْقَرْض) বা ঋণ, সম্পদ প্রদানকারী মুকরিজ (الْمُقْرِضُ) , ঋণগ্রহীতাকে মুকতারিজ (الْمُقْتَرِض) আর ঋণ প্রার্থনাকারীকে মুস্তাকরিজ (الْمُسْتَقْرِضُ) বলা হয়। আর ঋণগ্রহীতা ঋণদাতাকে যে সম্পদ ফেরত দেয় তাহলো বাদলুল কর্জ (بَدَلَ الْقَرْضِ) বা ঋণের বদল বা বিনিময়। ধার হিসাবে সম্পদ গ্রহণ হচ্ছে ইকতিরাজ (إِقْتِرَاضٌ)।

টিকাঃ
১. কাফে যের ও যবর হতে পারে। ইবনুস সিককীত ও জাওহারী প্রমুখ কাসাইয়ের নিকট থেকে যের হওয়ার বিষয়টি বর্ণনা করেছেন, (আস-সিহাহ, কামুসুল মুহীত ও তাহরীরু আলফাজিত তামবীহ, পৃ. ১৯৩ দ্রষ্টব্য)।
২. মু'জামু মাকায়িসিল লুগাহ, জাওহারীর আস-সিহাহ, কামুসুল মুহীত, মুত্তারিযির মুগরিব, আল-আযহারীর আয-যাহের, পৃ. ২৪৭; নবভীর তাহরীরু আলফাজিত তাম্বীহ, দারুল কলম, পৃ. ১৯৩; বা'লীর মাতলা', পৃ. ২৪৬; আন-নাযমুল মুসতা'যাব ফী শারহি গারীবিল মুহাযযাব, খ. ১, পৃ. ৩০৯; বাছায়ের, খ. ৪, পৃ. ২৫৮; রাগেব আহবাহানীর মুফরাদাত।
৩. আদ দুররুল মুখতার, হাশিয়া ইবনে আবেদীন, খ. ৪, পৃ. ১৭১; মুরশিদুল হায়রান, ধারা : ৭৯৬; কিফায়াতুত তালিব আর-রাব্বানী, খ. ২, পৃ. ১৫০; তুহফাতুল মুহতাজ, খ. ৫, পৃ. ৩৬; কাশশাফুল কিনা', খ. ৩, পৃ. ২৯৮

📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 সংশ্লিষ্ট পরিভাষা

📄 সংশ্লিষ্ট পরিভাষা


ক. السلف (আস-সালাফ): অগ্রিম প্রদান, ঋণ
সালাফ-এর একাধিক অর্থের মধ্যে একটি হচ্ছে ঋণ। যেমন বলা হয় : تَسَلَّفَ وَاسْتَسْلَفَ অর্থাৎ সে সমপরিমাণ ফেরত দেওয়ার মর্মে ঋণ চেয়েছে। আরও বলা হয় : قَدْ أَসْلَفْتُهُ 'আমি তাকে অগ্রিম দিয়েছি' অর্থাৎ তাকে ঋণ দিয়েছি। সালাফ (السلف) শব্দটি সালাম (السَّلَمُ) (সমপর্ণ, হস্তান্তর) অর্থেও ব্যবহৃত হয়। যেমন বলা হয় : سَلْفَ وَأَسْلَفَ -এর অর্থ سَلْمَ وَأَسْلَمَ (সমর্পণ করা)। সালাফ শব্দটি কর্জ-এর চেয়ে ব্যাপক।

খ. الْقَرَاضَ (আল-কিরায)
এটি মুদারাবা। অর্থাৎ কোনো ব্যক্তি অন্য ব্যক্তিকে ব্যবসা করার জন্য এই মর্মে নগদ টাকা দেওয়া যে, চুক্তি অনুযায়ী তাদের দুজনের মধ্যে এর মুনাফা বণ্টন করা হবে। আল-আযহারী বলেন, কিরায (الْقَرَاض) মূলত কর্জ (الْقَرْضِ) থেকে উদগত। আর এর অর্থ হচ্ছে, কর্তন করা, টুকরো করা। একে কিরায বলা হয়, যেহেতু সম্পদের মালিক মুদারিবের জন্য নিজের সম্পদ থেকে একটা অংশ ও মুনাফার নির্দিষ্ট পরিমাণ কেটে দিয়ে দেয়। এভাবে মুদারাবার অংশীদারীকে কিরায (القراض) বলা হয়েছে। কারণ মুনাফায় দু'জনের প্রত্যেকেরই অপরের জন্যে লাভের নির্দিষ্ট অংশ কর্তিত হয়। এভাবে তাদের অংশ সুনির্ধারিত ও অকাট্য হয়।

কিরায ও কর্জ উভয়ের মধ্যে মিল হলো, এ দুটোর প্রতিটিতে অন্যকে সম্পদ দেওয়া হয়। তবে ঋণের ক্ষেত্রে তা দেওয়া হয় জামানত বা নিশ্চয়তার ভিত্তিতে এবং কিরায-এর ক্ষেত্রে আমানতের ভিত্তিতে সম্পদ প্রদান করা হয়।

টিকাঃ
৫. আয-যাহের, পৃ. ১৪৮ ও ২১৭
৬. আল-আযহারীর আয যাহের, পৃ. ২৪৭
৭. নিহায়াতুল মুহতাজ, শাবরামাল্লিসী-এর হাশিয়া, খ. ৪, পৃ. ২১৫; তুহফাতুল মুহতাজ, শিরওয়ানী-এর হাশিয়া, খ. ৫, পৃ. ৩৬

📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 ঋণের বৈধতা

📄 ঋণের বৈধতা


কুরআন, সুন্নাহ ও ইজমার মাধ্যমে ঋণের বৈধতা প্রমাণিত। কুরআনের অনেক আয়াতে ঋণ প্রদানে উৎসাহ দেওয়া হয়েছে। যেমন আল্লাহর বাণী:
مَنْ ذَا الَّذِي يُقْرِضُ اللَّهَ قَرْضًا حَسَنًا فَيُضَاعِفَهُ لَهُ أَضْعَافًا كَثِيرَةً
“কে আছে যে আল্লাহকে ঋণ প্রদান করবে? তিনি তার জন্য এটি বহুগুণে বৃদ্ধি করবেন।"

এখানে আয়াতের মাধ্যমে প্রমাণের তাৎপর্য হচ্ছে, মহান আল্লাহ সৎকাজ এবং আল্লাহর পথে ব্যয় করাকে ঋণের সম্পদের সাথে তুলনা করেছেন। এর প্রতিদানকে প্রদত্ত ঋণের বদল বলে ঘোষণা করেছেন এবং সৎকাজকে ঋণ হিসাবে অভিহিত করেছেন। কেননা সৎকর্মশীল ব্যক্তি প্রতিদান পাওয়ার জন্য তা করে। যেমন যে ঋণ দেয় সে তার বদল পাওয়ার জন্য তা করে।

রাসূলুল্লাহ সা.-এর হাদীসও একে সমর্থন করে। নবী স. নিজেই কর্জ নিয়েছেন। যেমন আবু রাফে রা. একটি হাদীস বর্ণনা করেন:
أَنْ رَسُولَ اللَّهِ صَلَّى اللهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ اسْتَسْلَفَ مِنْ رَجُلٍ بَكْرًا ، فَقَدِمَتْ عَلَيْهِ إِبِلٌ مِنْ إِبِلِ الصَّدَقَةِ ، فَأَمَرَ أَبَا رَافِعٍ أَنْ يَقْضِيَ الرَّجُل بَكْرَهُ ، فَرَجَعَ إِلَيْهِ أَبُو رَافِعٍ فَقَالَ : لَمْ أَجِدْ فِيهَا إِلَّا خيَارًا رُبَاعِيًا ، فَقَالَ : أَعْطِهِ إِيَّاهُ ، إِنْ خِيَارَ النَّاسِ أَحْسَنُهُمْ قَضَاءً
"একদা রাসূলুল্লাহ স. এক লোকের কাছ থেকে উটের একটি বাচ্চা ধার নিলেন। এরপর রাসূল স.-এর কাছে যাকাতের উট আসল। তখন রাসূল সা. লোকটিকে (ঋণের) উটের বাচ্চা ফেরত দেওয়ার জন্য আবু রাফেকে নির্দেশ দিলেন। আবু রাফে এসে রাসূলকে বললেন, এখানে শুধু উৎকৃষ্ট ও বড় উট আছে (আর সে তো পাবে উটের বাচ্চা)। তখন রাসূলুল্লাহ স. বললেন, তাকে এখান থেকেই দিয়ে দাও। নিশ্চয় সর্বোত্তম মানুষ হচ্ছেন যিনি উত্তমভাবে ঋণ পরিশোধ করেন।”

অপর এক হাদীসে ঋণের প্রতিদান সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ স. বলেন: مَا مِنْ مُسْلِمٍ يُقْرِضُ مُسْلِمًا قَرْضًا مَرَّتَيْنِ إِلَّا كَانَ كَصَدَقَتِهَا مَرَّةً "কোনো মুসলিম অন্য মুসলিমকে দুবার ঋণ প্রদান করা যেন তা তাকে একবার দান করে দেওয়া।”

আর ইজমার দিক হলো, সকল মুসলিম ঋণ জায়েয হওয়ার কথায় একমত।

টিকাঃ
৮. সূরা আল-বাকারা, আয়াত ২৪৫
৯. ইবনে আবদুস সালাম, আল-ইশারা ইলাল ইজায, পৃ. ১২০
১০. হাদীসটি আবু রাফে রা. কর্তৃক বর্ণিত। মুসলিম, খ. ৩, পৃ. ১২২৪
১১. ইবনে মাজাহ, খ. ২, পৃ. ৮১২, আব্দুল্লাহ ইবনে মাসউদ রা.-এর বর্ণনা। মিসবাহুয যুজাজায় বুসীরী হাদীসটির সনদ দুর্বল বলে অভিহিত করেছেন, খ. ২, পৃ. ২০৭৪
১২. ইবনে কুদামা-এর আল-মুগনী, খ. ৬, পৃ. ৪২৯; আল-মুবদি, খ. ৪, পৃ. ২০৪; কাশশাফুল কিনা', খ. ৩, পৃ. ২৯৮

📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 ঋণের শরয়ী বিধান

📄 ঋণের শরয়ী বিধান


এ কথায় সকল ফকীহ একমত, ঋণের ক্ষেত্রে ঋণদাতার ভূমিকা মহৎ, তার ঋণপ্রদান এক উত্তম কাজ হিসেবে বিবেচিত। কেননা এর দ্বারা ঋণগ্রহীতাকে তার প্রয়োজন পূরণ ও বিপদ থেকে উদ্ধারের মাধ্যমে উপকার করা হয়। আর মূলত ঋণের বিধান হচ্ছে তা বৈধ ও মুস্তাহাব।

আবু হুরায়রা রা. হতে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ স. বলেন: “যে ব্যক্তি কোনো মুমিনের দুনিয়ার একটি বিপদ দূর করবে, আল্লাহ কিয়ামত দিবসের বিপদরাশি থেকে একটি বিপদ দূর করে দেবেন। যে অভাবগ্রস্তকে সচ্ছল করবে, আল্লাহ তাকে দুনিয়া ও আখিরাতে সচ্ছলতা দান করবেন। আর যে ব্যক্তি কোনো মুসলিমের দোষ ঢেকে রাখবে আল্লাহ দুনিয়া ও আখেরাতে তার দোষত্রুটি ঢেকে রাখবেন। বান্দা যতক্ষণ তার ভাইয়ের সাহায্যে নিয়োজিত থাকে আল্লাহ ততক্ষণ তার সাহায্য করতে থাকেন।"

অবস্থা ও পরিবেশের প্রেক্ষিতে ঋণ প্রদানের বিধান ওয়াজিব, মাকরূহ ও হারাম অথবা মুবাহও হতে পারে, যেহেতু মূল বিষয়ের যে বিধান, তার মাধ্যমেরও সে বিধান হয়। যদি ঋণদাতা জানে অথবা তার প্রবল ধারণা হয় যে, ঋণগ্রহীতা ঋণের সম্পদ অন্যায় ও শরীয়তবিরোধী কাজে ব্যয় করবে, সেক্ষেত্রে ঋণপ্রদান অবস্থানুযায়ী হারাম অথবা মাকরূহ। যদি কেউ অভাবের কারণে নয়; বরং ব্যবসায়ে বিনিয়োগের জন্য ঋণ চায় তাহলে তাকে ঋণ প্রদান মুবাহ (বৈধ)।

ঋণগ্রহীতার ক্ষেত্রে নীতি হলো তার ঋণগ্রহণ বৈধ- যদি সে তার ভবিষ্যতে অর্জিত সম্পদ দ্বারা তা পরিশোধ করতে পারবে বলে দৃঢ় আশাবাদী এবং ঋণ পরিশোধের ব্যাপারে দৃঢ় ইচ্ছা পোষণ করে। অন্যথায় তার জন্যে ঋণ গ্রহণ করা নাজায়েয।

দলিল প্রমাণ দ্বারা ঋণ অকাট্যকরণ (تَوْثِيقُ الْقَرْضِ):
ফকীহগণের মতে, ঋণ লিখে রাখা এবং তাতে কাউকে সাক্ষী রাখা উভয়ই নফল, ওয়াজিব নয়। আর আয়াতে এ ব্যাপারে যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে তা সতর্কতার জন্য, তা দ্বারা ওয়াজিব উদ্দেশ্য নয়।

ইমাম শাফেয়ী রহ. বলেন, যখন লোকেরা দলিল লেখক না পাবে তাদেরকে বন্ধক রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। পরবর্তী সময়ে বন্ধক না রাখার অনুমতিও দেওয়া হয়েছে। মহান আল্লাহ বলেন: فَإِنْ أَمِنَ بَعْضُكُم بَعْضًا فَلْيُؤَدِّ الَّذِي اؤْتُمِنَ أَمَانَتَهُ “তোমাদের একে অপরকে বিশ্বাস করলে, যাকে বিশ্বাস করা হয় সে যেন আমানত প্রত্যার্পণ করে।”

টিকাঃ
১৩. শাবরামাল্লিসী বলেন, দৃশ্যত ঋণগ্রহীতা মুসলিম কিংবা অমুসলিম হওয়াতে কোন পার্থক্য নেই। -হাশিয়া শাবরামাল্লিসী আলা নিহায়াতিল মুহতাজ, খ. ৪, পৃ. ২১৫
১৪. ইমাম মুসলিম হাদীসটি উদ্ধৃত করেছেন, খ. ৪, পৃ. ২০৭৪
১৫. আল-মুগনী, খ. ৬, পৃ. ৪২৯; শারহু মুনতাহাল ইরাদাত, খ. ২, পৃ. ২২৫; কাশশাফুল কিনা', খ. ৩, পৃ. ২৯৯; আল-মুহাযযাব, খ. ১, পৃ. ৩০৯; আসনাল মাতালিব, খ. ২, পৃ. ১৪০; নিহায়াতুল মুহতাজ, খ. ৪, পৃ. ২১৫; তুহফাতুল মুহতাজ, খ. ৫, পৃ. ৩৬; মাওয়াহিবুল জালীল, খ. ৪, পৃ. ৫৪৫; আয-যুরকানী আলা খলীল, খ. ৫, পৃ. ২২৬; ইবনে হাজর আল-হাইতামীর আল-ইনাফা, পৃ. ১৫৫
১৬. তুহফাতুল মুহতাজ, হাশিয়া শিরওয়ানী, খ. ৫, পৃ. ৩৬; নিহায়াতুল মুহতাজ, হাশিয়া শাবরামাল্লিসী, খ. ৪, পৃ. ২১৬; কাশশাফুল কিনা', খ. ৩, পৃ. ২৯৯; আল-মুগনী, খ. ৬, পৃ. ৪২৯
১৭. ইবনে হাজর আল-হাইতামী বলেন, অভাবগ্রস্ত ব্যক্তি ঋণগ্রহণের সময় কৃত্রিম ধনাঢ্যতা প্রকাশ বৈধ নয়। -আল-ইনাফাতু ফিস সাদাকা ওয়াদ দিয়াফা, পৃ. ১৫৫
১৮. তুহফাতুল মুহতাজ, খ. ৫, পৃ. ৩৮
১৯. জাসসাস-এর আহকামুল কুরআন, খ. ১, পৃ. ৪৮১; ইমাম শাফেয়ীর আল-উম্ম, খ. ৩, পৃ. ৮৯; ইবনে কুদামার আল-মুগনী, খ. ৪, পৃ. ৩৬২
২০. সূরা বাকারা, আয়াত ২৮৩
২১. ইমাম শাফেয়ীর আহকামুল কুরআন, খ. ২, পৃ. ১২৭

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00