📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 দেনা পরিশোধের বিধান

📄 দেনা পরিশোধের বিধান


দেনা যেভাবে আবশ্যক হয়েছে ঐ গুণ ও বৈশিষ্ট্য অক্ষুণ্ণ রেখে তা পরিশোধ করা সর্বসম্মতিক্রমে ফরজ। আল্লাহ তাআলা বলেন : فَإِلَيْهِ اؤْتُمِنَ أَمَانَتَهُ “যাকে বিশ্বাস করা হয় সে যেন আমানত অর্পণ করে।” কতক ফকীহের মতে এটি মৌলিক প্রয়োজনের অন্তর্ভুক্ত। যদি দেনা নগদে পরিশোধযোগ্য হয় তাহলে তাগাদা দেওয়া হলে তৎক্ষণাৎ তা আদায় করা আবশ্যক। এমন দেনাকে আদ-দায়নুল মুআজজাল (الدِّينُ الْمُسَجَّল) বলা হয়। তৎক্ষণাৎ আদায়ের অর্থ হলো যখন সক্ষম হবে তখনই আদায় করবে। এর কারণ, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : "مطل الغني ظلم "দেনা পরিশোধে সামর্থ্যবানের বিলম্ব করা জুলুম।"

আর দেনা যদি মেয়াডে পরিশোধযোগ্য হয় তাহলে মেয়াডের আগে তা পরিশোধ করা আবশ্যক নয়। তবে পরিশোধ করলে তা পরিশোধ বলে গণ্য হবে এবং দেনাদার দেনার দায় থেকে মুক্ত হয়ে যাবে।

টিকাঃ
২. সূরা বাকারা, আয়াত ২৮৩
৩. সহীহ বুখারী, খ. ৩, পৃ. ১১৭, প্রকাশক: মুহাম্মদ আলী ছাবীহ; সহীহ মুসলিম, খ. ৩, পৃ. ১১৯৭, তাহকীক: মুহাম্মদ আবদুল বাকী

📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 দেনা পরিশোধের পদ্ধতি

📄 দেনা পরিশোধের পদ্ধতি


আদায় বা পরিশোধ হলো পাওনাদার বা হকদার ব্যক্তির কাছে হক/পাওনা অর্পণ করা। কারো পাওনা পরিশোধের ক্ষেত্রে তার অনুরূপ বস্তু দ্বারা পরিশোধ করতে হয়। কেননা অনুরূপ বস্তু প্রদান ছাড়া দেনা পরিশোধের অন্য কোন পন্থা নেই। এ কারণেই সরফ ও সালাম চুক্তিতে কজাকৃত বস্তু মূল বস্তু বলে গণ্য হয়। যদি এই কজাকৃত বস্তু মূল বস্তুর বিধান গ্রহণ না করত, তাহলে কব্জা করার পূর্বে সরফের বিনিময়, সালাম চুক্তির মূলপুঁজি এবং সালামকৃত বস্তুর বিনিময় গ্রহণ করা হতো, যা হারাম। অনুরূপভাবে সরফ ও সালাম চুক্তিতে এই বস্তু মূল অধিকারকৃত বস্তুর বিধান গ্রহণ করে। এর প্রমাণ হলো, পাওনাদারকে তা কজা করতে বাধ্য করা হয়। যদি এ বস্তু তার যথাযথ প্রাপ্য না হতো তাহলে এই বস্তু কজা করার জন্য তাকে বাধ্য করা যেত না।

দায়িত্বে আবশ্যক হওয়া যে বস্তুগুলোর সদৃশ বর্তমানে অনুপস্থিত সেগুলোর ক্ষেত্রে বস্তুর বাজারমূল্য আবশ্যক হবে, যেমন গসব (জবরদখল/ছিনতাই) ও নষ্টকৃত বস্তুসমূহের বিধান। একটি মত হলো, ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে যদি অনুরূপ বস্তু প্রদান অসম্ভব হয় তাহলে গঠনগত ও দৃশ্যত সদৃশ বস্তু দ্বারা ঋণ পরিশোধ করা আবশ্যক হবে। এর দলিল আবু রাফে রা.-এর বর্ণিত হাদীস। নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে পুরুষ উটের পরিবর্তে পুরুষ উট দিতে বলেছেন। তা ছাড়া সালাম-চুক্তি দ্বারা যা দায়বদ্ধ হওয়া সাব্যস্ত হয়েছে, কর্জ দ্বারাও তা সাব্যস্ত হবে, উভয়ের মধ্যে যে সামঞ্জস্য রয়েছে তার উপর ভিত্তি করে।

ঋণ পরিশোধ করার ক্ষেত্রে শর্তহীনভাবে গৃহীত ঋণ-এর তুলনায় উত্তম ও উৎকৃষ্ট বস্তু দ্বারা শোধ করা বৈধ। কেননা নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক ব্যক্তির নিকট থেকে কম বয়সী উট ঋণ নিয়েছিলেন। এরপর নবী স.-এর দরবারে যাকাতের উটের পাল এলে তিনি আবু রাফে রা.-কে আদেশ করলেন লোকটিকে অল্পবয়সী একটি উট দিয়ে দিতে। আবু রাফে রা. ফিরে এসে বললেন, পালে উত্তম ও সপ্তবর্ষী উট ছাড়া আর উট পাইনি। নবী স. বললেন : أَعْطِهِ إِيَّاهُ ، إِنَّ خِيَارَ النَّاسِ أَحْسَنُهُمْ قَضَاءً "তুমি তাকে তা-ই দাও। মানুষের মধ্যে সর্বোত্তম ব্যক্তি হলো সে যে উত্তমরূপে তার প্রাপ্য/দেনা শোধ করে।”

ঋণ প্রদানের জায়গা বাদে অন্য দেশে, যেখানে বহন করতে ভাড়ার প্রয়োজন নেই, সেখানে যদি কাউকে পরিশোধের তাগাদা দেওয়া হয় তাহলে পরিশোধ করা আবশ্যক।

টিকাঃ
৪. কুরতুবী, খ. ৩, পৃ. ৪১৫; আল-কাওয়াইদ ওয়াল ফাওয়াইদ আল-উসুলিয়্যা, পৃ. ১৮২; ইবনে আবিদীন, খ. ২, পৃ. ৬; আল-মুহাযযাব, খ. ১, পৃ. ৩১১; মিনাহুল জালীল, খ. ৩, পৃ. ১১২; আল-হাত্তাব, খ. ৫, পৃ. ৩৯; কিফায়াতুত তালিব, খ. ২, পৃ. ২৯০; আল-মুগনী, খ. ৪, পৃ. ৪৮১
৫. কাশফুল আসরার, খ. ১, পৃ. ১৬০; আত-তালভীহ, খ. ১, পৃ. ১৬৮; বাদায়েউস সানায়ে, খ. ৭, পৃ. ১৫০ ও ৩৯৫; আল-মুগনী, খ. ৪, পৃ. ৩৫২; হাশিয়া দুসূকী, খ. ৩, পৃ. ২২৬; আল-মুহাযযাব, খ. ১, পৃ. ৩১১
৬. সহীহ মুসলিম, খ. ৩, পৃ. ১২২৪; তাহকীক : ফুয়াদ আবদুল বাকী, উল্লিখিত শব্দ সহীহ মুসলিমের। সহীহাইনে এ অর্থবোধক হাদীস রয়েছে আবু হুরায়রা রা.-এর সূত্রে। (আত-তালখীসুল হাবীর, খ. ৩, পৃ. ৩৪।)
৭. বাদায়েউস সানায়ে, খ. ৭, পৃ. ৩৯৫; আল-মুগনী, খ. ৪, পৃ. ৩৫৬; হাশিয়া দুসূকী, খ. ৩, পৃ. ২২৭; আল-মুহাযযাব, খ. ১, পৃ. ৩১১

📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 দেনা পরিশোধের স্থলবর্তী পদ্ধতি

📄 দেনা পরিশোধের স্থলবর্তী পদ্ধতি


কোনো দেনাদার যদি নিজ দায়িত্বে থাকা দেনা আবশ্যকীয় গুণসম্পন্ন বস্তু দ্বারা পরিশোধ করে তবে তার দেনা রহিত হয়ে যায় এবং সে দায়মুক্ত হয়। এ ছাড়া পাওনাদার দেনাদারের দেনা রহিত করে দিলে বা হেবা বা দান করে দিলেও তা পরিশোধ হয়ে যায় এবং সে দায়মুক্ত হয়। অনুরূপভাবে সামগ্রিক বিচারে দেনা পরিশোধের স্থলবর্তী হয়- কাউকে তা হাওয়ালা করা, ঋণের বিপরীতে ঋণ কাটাকাটি করা, চুক্তির বা সন্ধির মেয়াদ শেষ হওয়া অথবা কিতাবাত চুক্তির বদলা আদায়ে গোলাম নিজেকে অক্ষম সাব্যস্ত করা ইত্যাদি। এ সবকিছু হয় পাওনাদারের তা কবুল করা জরুরি হওয়া বা না হওয়ার বিভিন্ন অবস্থা এবং কোন্ কোন্ অবস্থায় ঋণ বৈধ বা অবৈধ ইত্যাদি বিষয়ে ফকীহদের বাতলানো শর্তানুসারে।

টিকাঃ
৮. ইবনে আবিদীন, খ. ৪, পৃ. ৫২১, ১৪, ২৫১, ২৬৩; বাদায়েউস সানায়ে, খ. ৬, পৃ. ১১, ১৫ ও খ. ৭, পৃ. ২৯৫; আশ-শারহুস সাগীর, খ. ৪, পৃ. ২৯০; আল-মুহাযযাৰ, খ. ১, পৃ. ৪৫৫ ও খ. ২, পৃ. ১৫; আল-মুগনী, খ. ৪, পৃ. ৫৭৭-৬০৬

📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 দেনা পরিশোধ করা থেকে বিরত থাকা

📄 দেনা পরিশোধ করা থেকে বিরত থাকা


ঋণগ্রহীতা যদি সচ্ছল হয় তাহলে তার ঋণ পরিশোধ করা আবশ্যক। পক্ষান্তরে সে ঋণ পরিশোধ না করে যদি টালবাহানা করে, তাহলে পাওনাদারদের দাবির প্রেক্ষিতে বিচারক তাকে ঋণ পরিশোধে বাধ্য করবেন। যদি সে পরিশোধ না করে, তবে বিনা প্রয়োজনে অন্যের প্রাপ্য পরিশোধে বিলম্ব করে জুলুম করার কারণে শাসক তাকে বন্দী করবেন। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন: “সচ্ছলের টালবাহানার কারণে তাকে শাস্তি দেওয়া ও মর্যাদায় আঘাত করা বৈধ।" আর বন্দী করা একটি শাস্তি। যদি সে ঋণ পরিশোধ না করে, অথচ তার প্রকাশ্য সম্পদও রয়েছে, তাহলে বিচারক তার পক্ষ থেকে তার সে সম্পদ বিক্রি করে ঋণদাতাকে দেবেন। বর্ণিত আছে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম মুয়াজ রা.-এর পক্ষ থেকে তার সম্পদ বিক্রয় করে তার ঋণ আদায় করেছেন। অনুরূপভাবে উমর রা. উসাইফি রহ.-এর পক্ষ হতে তার সম্পদ বিক্রি করে পাওনাদারদের মাঝে তা বণ্টন করেছেন।

ঋণগ্রহীতার সম্পদ যদি ঋণ পরিশোধ পরিমাণ না হয়, আর পাওনাদারগণ তার লেনদেন নিষিদ্ধ ঘোষণার দাবি জানায়, তাহলে বিচারক তাদের ডাকে অবশ্যই সাড়া দেবেন। যেন পাওনাদারদের কোনো ক্ষতি সে না করতে পারে, তাই ঋণগ্রহীতাকে যে কোনো কার্যক্রম থেকে বাধাদানের অধিকার বিচারকের রয়েছে। বিচারক তার সম্পদ বিক্রি করবেন, যদি সে নিজে সম্পদ বিক্রিতে অসম্মত হয়। এবং বিচারক ওই সম্পদের মূল্য পাওনাদারদের মাঝে অংশ অনুপাতে বণ্টন করবেন। এটি শাফেয়ী, হাম্বলী ও মালেকী ফকীহগণ এবং ইমাম আবু ইউসুফ ও মুহাম্মদ রহ.-এর মত। আবু হানীফা রহ. ভিন্ন মত পোষণ করে বলেন: ঋণগ্রহীতাকে লেনদেন করা থেকে নিষেধ করা যাবে না। কারণ এর দ্বারা তার মানবসম্মানের অপমান হয়, মানবাধিকারের লঙ্ঘন হয়। তাই সম্পদ বিক্রি করে ঋণ পরিশোধ করা পর্যন্ত বিচারক তাকে বন্দী করে রাখবেন- যদি তার সম্পদ থাকে। তবে যদি তার সম্পদ হয় দিরহাম বা দীনার (কিংবা নগদ মুদ্রা), আর ঋণও অনুরূপ বস্তু হয়, তাহলে বিচারক তার অনুমতি ছাড়া তার পক্ষ থেকে ঋণ শোধ করবেন।

ঋণগ্রহীতা অসচ্ছল হলে এবং তার অসচ্ছলতা প্রমাণিত হলে তাকে তাগাদা দেওয়া যাবে না। বরং তাকে অবকাশ দেওয়া আবশ্যক, যেহেতু আল্লাহ তাআলা বলেন : وَإِنْ كَانَ ذُو عُسْرَة فَنَظَرَةٌ إِلَى مَيْسَرَة “আর যদি খাতক অসচ্ছল হয় তাহলে তাকে সচ্ছলতার সময় পর্যন্ত অবকাশ দেওয়া....।”

অসচ্ছল দেনাদারের জন্য দেনা পরিশোধ পরিমাণ সম্পদ উপার্জন করা আবশ্যক। তবে তাকে উপার্জন করা এবং হাদিয়া ও যাকাত-সদকা কবুল করার জন্য বাধ্য করা যাবে না। তবে তার যে সম্পদ উপার্জিত হবে তাতেই পাওনাদারদের অধিকার যুক্ত হবে। ঋণগ্রহীতা যদি গোনাহ ও পাপ কাজ ছাড়া নিজ প্রয়োজনে ঋণ করে, তাহলে তাকে যাকাত দিয়ে তার ঋণ শোধ করা যাবে। কারণ, ঋণ শোধ করাও যাকাতের একটি খাত।

উল্লিখিত বিধান জীবিত ব্যক্তির জন্য। যদি কেউ ঋণ রেখে মারা যায়, তার ঋণ পরিত্যক্ত সম্পদের সাথে যুক্ত হবে। অসিয়ত বাস্তবায়ন এবং ওয়ারিসদের মাঝে বণ্টনের পূর্বে মীরাছ থেকে তার ঋণ শোধ করা হবে। কেননা ঋণ অন্যের অধিকারভুক্ত বিষয়। তাছাড়া কেউ দায়মুক্ত হওয়া তার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রয়োজন। নবীজী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন : “ব্যক্তি ও জান্নাতের মাঝে অন্তরায় হচ্ছে ঋণ।”

তাছাড়া দান-খয়রাত, অনুদান-স্বেচ্ছাদানের তুলনায় ঋণ শোধ করা অধিক গুরুত্বপূর্ণ। আল্লাহ তাআলা মৃত ব্যক্তির মীরাছ বণ্টনের পূর্বে তার ঋণ পরিশোধ করতে বলেছেন। ইরশাদ হচ্ছে : مِّنْ بَعْدِ وَصِيَّةٍ يُوصِي بِهَا أَوْ دَيْنٍ (এ সবকিছু হবে) তার অসিয়ত ও ঋণ পরিশোধ করার পর। তাই কল্যাণে অগ্রগামী হওয়ার জন্য ঋণ দ্রুত আদায় করা আবশ্যক। হাদীসে বর্ণিত হয়েছে : “মুমিনের প্রাণ ঋণের সাথে ঝুলে থাকে, (অর্থাৎ জান্নাতের ফয়সালা হয় না) যতক্ষণ না তার পক্ষ থেকে ঋণ আদায় করা হয়।"

টিকাঃ
৯. সুনানে আবু দাউদ, খ. ৩, পৃ. ৪২৬; সুনানে ইবনে মাজা, খ. ২, পৃ. ৮১১; মুসনাদে আহমদ, খ. ৪, পৃ. ২২২
১০. হাদীসটি উল্লেখ করেছেন দারাকুতনী ও হাকেম।
১১. ইমাম মালেক রহ. মুয়াত্তায় হাদীসটি বিচ্ছিন্ন সনদে উল্লেখ করেছেন। দারাকুতনী তার ইলাল গ্রন্থে যুক্ত সনদসহ উল্লেখ করেছেন। (আত-তালখীসুল হাবীর, খ. ৩, পৃ. ৪০।)
১২. সূরা বাকারা, আয়াত ২৮০
১৩. বাদায়েউস সানায়ে, খ. ৭, পৃ. ১৭৩; আল-ইখতিয়ার, খ. ২, পৃ. ৯৬-৯৮; আল-হাত্তাব, খ. ৫, পৃ. ৪৪-৪৮; হাশিয়া দুসূকী, খ. ৩, পৃ. ২৮০; মুগনিল মুহতাজ, খ. ২, পৃ. ১৪৬; কালয়ূবী, খ. ৪, পৃ. ৩২৪ ও খ. ৩, পৃ. ১৯৭; আল-মুগনী, খ. ৪, পৃ. ৪৮৪-৪৯৫
১৪. কালয়ূবী, খ. ৩, পৃ. ১৯৭; আল-মুগনী, খ. ২, পৃ. ৬৬৭; আল-ইখতিয়ার, খ. ১, পৃ. ১১৯
১৫. আল-ইখতিয়ার লি তালীলিল মুখতার-এর গ্রন্থকার এটি উল্লেখ করেছেন, খ. ৫, পৃ. ৮৬।
১৬. সূরা নিসা, আয়াত ১১
১৭. কালয়ূবী, খ. ১, পৃ. ৩৪৪; আশ-শারহুস সাগীর, খ. ৪, পৃ. ৬১৮; আল-ইখতিয়ার, খ. ৫, পৃ. ৮৫; আল-মুগনী, খ. ৪, পৃ. ৫০২; ইবনে মাজাহ, খ. ২, পৃ. ৮০৬; মুসনাদে আহমদ, খ. ২, পৃ. ৪৪০

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00