📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 তৃতীয় প্রতিক্রিয়া : বদল ও বিনিময় প্রদান আবশ্যক হওয়া

📄 তৃতীয় প্রতিক্রিয়া : বদল ও বিনিময় প্রদান আবশ্যক হওয়া


যাবতীয় লেনদেনে দুই বিনিময়ের একটি গ্রহণ করার বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ প্রতিক্রিয়া হচ্ছে, তার বিপরীত বিনিময়টি প্রদান অত্যাবশ্যক হওয়া। যে প্রথম বিনিময়টা গ্রহণ করবে যথাসম্ভব শীঘ্র সে তার বিপরীতে বস্তুটি তাকে প্রদান করবে।

প্রথমত : ক্রয়বিক্রয়ে (فِي الْبَيع):
সকল ফকীহ একমত, বিক্রিচুক্তির উভয়পক্ষ যখন নিজ নিজ বদল ও বিনিময় গ্রহণ করবে, অপর পক্ষকে যথাশীঘ্র সম্ভব বদল ও বিনিময় প্রদান করবে, এক্ষেত্রে দেরি না করে তাড়াতাড়ি প্রদান করা ওয়াজিব। ব্যতিক্রম হচ্ছে সরফ বিক্রি এবং সুদী সামগ্রীর একটিকে অপরটির বিপরীতে বিক্রি করা। তাতে এক দিকের বিনিময় গ্রহণকারী তার পক্ষ থেকে বিনিময় দিতে দেরি করার অনুমতি ও সুযোগ নেই।

দ্বিতীয়ত: ইজারা ও ভাড়াতে:
যখন একপক্ষ ইজারার বস্তুটি কব্জা করবে, তার বিনিময় প্রদান করা তার দায়িত্বে আবশ্যক হয়ে যাবে। যদি না তারা উভয়পক্ষ একপক্ষের বদল প্রদানে বিলম্ব হওয়ায় সম্মত থাকে।

তৃতীয়ত: মহরের ক্ষেত্রে:
ফকীহবৃন্দ সকলে একমত, যদি স্বামী তার স্ত্রীকে মহরের শীঘ্রপ্রদেয় অংশ প্রদান করে, তাহলে তার স্ত্রীর কর্তব্য, মিলিত হওয়ার ও সহবাস করার প্রস্তাব রক্ষা করা। স্বামীকে মিলনের সুযোগ প্রদান তখন ওয়াজিব হয়ে যায়।

টিকাঃ
১৯৯. বাদায়েউস সানায়ে', খ. ৫, পৃ. ২১৫; রদ্দুল মুহতার, খ. ৫, পৃ. ২৫৮; আহকামুল কুরআন, খ. ১, পৃ. ৫৫৪; রওজাতুত তালেবীন, খ. ৩, পৃ. ৩৭৯; আল-উম, খ. ৩, পৃ. ২৬; ফাতহুল আলী আল-মালিক, খ. ২, পৃ. ১১০; কাশশাফুল কিনা', খ. ৩, পৃ. ২১৭; আল-মুগনী, খ. ৪, পৃ. ৫১; মুনতাহাল ইরাদাত, খ. ১, পৃ. ৩৮০
২০০. বাদায়েউস সানায়ে, খ. ৪, পৃ. ২০৪; আল-মুগনী, খ. ৫, পৃ. ৪০৬

📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 দোনদারের হস্তক্ষেপ

📄 দোনদারের হস্তক্ষেপ


নিজ দায়ে আবশ্যক দেনায় দেনাদারের হস্তক্ষেপের ক্ষেত্র দুটি বিষয়ে সীমিত- হাওয়ালা ও সাফতাজা (হুন্ডি)।

প্রথম ক্ষেত্র: হাওয়ালা। দ্রষ্টব্য: حَوَالَةُ
দ্বিতীয় ক্ষেত্র: হুন্ডি। দ্রষ্টব্য: سَفْتَجَة

📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 মুদ্রার বিভিন্ন পরিবর্তনে ঋণের অবস্থা

📄 মুদ্রার বিভিন্ন পরিবর্তনে ঋণের অবস্থা


ফকীহগণ মুদ্রায় পরিবর্তন হলে ঋণে থাকা মুদ্রার বিধান কী হবে তা বর্ণনা করেছেন। যদি দায়িত্বে আবশ্যক ঋণ হয় সত্তাগতভাবে মুদ্রা, (যেমন সোনা-রুপা) অথবা সৃষ্টিগত মুদ্রা না হলেও পারিভাষিকভাবে তা মুদ্রা হিসেবে সাব্যস্ত হয়, অর্থাৎ সোনা রুপা না হয়ে অন্য কিছুর মুদ্রা হলেও সেটার ব্যবহার সৃষ্টিগত মুদ্রার ন্যায় হয়। যেমন বর্তমান প্রচলিত বিভিন্ন পয়সা ও নোট। তাহলে পরিবর্তনকালে মুদ্রার বিধানে পার্থক্য হবে।

মুদ্রার পরিবর্তন, যদি ঋণ সৃষ্টিগত মুদ্রা হয়:
দায়ে সাব্যস্ত ঋণ যদি হয় সোনা বা রুপার তৈরি নির্ধারিত ছাঁচের নির্দিষ্ট মুদ্রা, এরপর পরিশোধের সময় তার মূল্য বেড়ে যায় বা কমে যায়, তাহলেও ঋণগ্রহীতার সে মুদ্রা ছাড়া অন্য কিছু পরিশোধ করা আবশ্যক নয়। মূল্যের এই পরিবর্তনের কোনো প্রভাব ঋণে পড়বে না।

এমনকি যদি এই মুদ্রার উৎপাদক সংস্থা এর মূল্য বৃদ্ধি বা হ্রাস করে, তবুও দেনাদারের জন্যে চুক্তিকৃত বস্তুর বাইরে অন্য কিছু দেওয়া আবশ্যক হবে না।

যদি এই পয়সা একেবারেই নাই হয়ে যায়, বাজারশূন্য হয় বা অনুপস্থিত হয়, দেনাদারের অঞ্চলে, সে ক্ষেত্রে এর বাজারমূল্য আবশ্যক হবে, নতুন ও বহুল প্রচলিত মুদ্রা দ্বারা। আর যদি লোকদের কাছে এ মুদ্রা কম পাওয়া যায় বা পাওয়া কষ্টকর হয়, তাহলে এ ছাড়া অন্য কিছু প্রদান আবশ্যক হবে না।

টিকাঃ
১৪৭. তাম্বীর রুকুদ, আলা মাসাইলিল উকূদ, ইবনে আবিদীন কৃত, খ. ২, পৃ. ১৪
১৪৮. মিনাহুল জালীল, উলাইশ কৃত, খ. ২, পৃ. ৫৩৪; ক্বাত'উল মুজাদালা ইনদা তাগয়ীরিল মুআমালা, সুয়ূতী কৃত, খ. ১, পৃ. ৯৭
১৪৯. তাম্বীহুর রুকুদ, খ. ২, পৃ. ৬৬
১৫০. হাশিয়াতুর রাহুনী, খ. ৫, পৃ. ১১৮; মিনাহুল জালীল, খ. ২, পৃ. ৫৩৪; হাশিয়াতুল মাদানী, খ. ৫, পৃ. ১১৮
১৫১. আল-উম, খ. ৩, পৃ. ৩৩
১৫২. হাশিয়াতুর রাহুনী, খ. ২, পৃ. ১১৯
১৫৩. মিনাহুল জালীল, খ. ২, পৃ. ৫৩৫
১৫৪. নিহায়াতুল মুহতাজ, খ. ৩, পৃ. ৩৯৭
১৫৫. তুহফাতুল মুহতাজ, খ. ৪, পৃ. ২৫৫
১৫৬. কাশশাফুল কিনা', খ. ৩, পৃ. ৩০১; আশ-শারহুল কাবীর, খ. ৪, পৃ. ৩৫৮; শরহু মুনতাহাল ইরাদাত, খ. ২, পৃ. ২২৬; আল-মুগনী, খ. ৪, পৃ. ৩৬৫; আল-মুবদি', খ. ৪, পৃ. ২০৭; আল মুহাররার, খ. ১, পৃ. ৩৩৫

📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 ঋণ হিসেবে গৃহীত মুদ্রার মূল্যমান পরিবর্তন

📄 ঋণ হিসেবে গৃহীত মুদ্রার মূল্যমান পরিবর্তন


দায়িত্বে আবশ্যক ঋণ যদি হয় লোকদের প্রচলনের মুদ্রা; সৃষ্টিগত মুদ্রা নয়, যেমন সোনা-রুপা ছাড়া অন্য পদার্থের তৈরি মুদ্রা, এরপর ঋণ পরিশোধের সময় এতে কোনো পরিবর্তন হলে, সে ক্ষেত্রে ফকীহদের মতে পাঁচটি অবস্থা রয়েছে:

প্রথম অবস্থা: মুদ্রা অচল হওয়া (الْكَسَادُ الْعَامُ لِلنَّقْد):
এর ব্যাখ্যা হলো, মুদ্রা উৎপাদক প্রতিষ্ঠান এই মুদ্রার ব্যবহার স্থগিত ঘোষণা করল, ফলে পুরো দেশে এ মুদ্রা ব্যবহার পরিত্যক্ত হলো। ফকীহদের মতে এ অবস্থার নাম মুদ্রা অচল হওয়া বা মন্দাভাব।

এ ক্ষেত্রে ফকীহদের চারটি মত রয়েছে:
১. আবু হানীফা রহ.-এর মতে, যে মুদ্রা অচল হয়ে গেছে যদি তা কোনো পণ্যের মূল্য হয়ে থাকে, তাহলে চুক্তি ফাসিদ হয়ে যাবে।
২. আবু ইউসুফ রহ.-এর মতে, দেনাদারের জন্যে যে মুদ্রার ভিত্তিতে চুক্তি হয়েছে সে মুদ্রার বাজারমূল্য ফেরত দেওয়া আবশ্যক হবে, অন্য মুদ্রা দ্বারা।
৩. মুহাম্মদ রহ. ও কতক হাম্বলী ফকীহের মতে, দেনাদারের দায়ে আবশ্যক হবে যে মুদ্রায় লেনদেন হয়েছে সে মুদ্রা অচল হওয়ার সময় অর্থাৎ শেষ যে দিন লেনদেন হয়েছে সেদিনের হিসাবে তার বাজারমূল্য অন্য মুদ্রা দ্বারা ফেরত দেওয়া।
৪. মালেকী ও শাফেয়ী ফকীহদের মতে, দায়ে আবশ্যক হওয়ার পর পরিশোধ করার পূর্বে মুদ্রা অচল হয়ে গেলে এ ছাড়া অন্য কিছু নেওয়ার অধিকার পাওনাদারের থাকবে না।

দ্বিতীয় অবস্থা: অঞ্চলভেদে মুদ্রা অচল হওয়া:
এর রূপ হলো, কোনো কোনো অঞ্চলে একটি মুদ্রা অচল হয়ে গেছে; পুরো দেশে নয়। এ অবস্থায় প্রচলিত মুদ্রা দ্বারা যদি কেউ কোনো কিছু কিনে, এরপর মূল্য পরিশোধ করার পূর্বে যে দেশে বিক্রি হয়েছিল সে দেশে ঐ মুদ্রা অচল হয়ে যায়, তাহলে বিক্রি ফাসিদ হবে না।

তৃতীয় অবস্থা: মুদ্রার বিলুপ্তি:
এর রূপ হলো, লোকদের হাত থেকে মুদ্রা হারিয়ে গেছে, বাজারে প্রয়োজন হলেও সে মুদ্রা পাওয়া যাচ্ছে না।

চতুর্থ অবস্থা: মুদ্রার মূল্যমান হ্রাস-বৃদ্ধি:
এর সুরত হলো, সোনা-রুপার হিসেবে মুদ্রার মূল্যমান কমা বা বাড়া। এমতাবস্থায়, দেনাদারের ওপর কর্জ-এর বিনিময়, মহর, পণ্যের মূল্য বা অন্য কোনো বাবদে আবশ্যক হওয়ার পর পরিশোধ করার পূর্বে মুদ্রার বাজারমূল্য কমলে বা বাড়লে, দেনাদারের জন্যে কী পরিশোধ করা আবশ্যক হবে- তা নিয়ে ফকীহদের তিনটি মত রয়েছে।

টিকাঃ
১৫৭. আরবী শিরোনামে যে কাসাদ শব্দ এসেছে-এর আভিধানিক অর্থ: অনাগ্রহের কারণে অচলাবস্থা।
১৫৮. আল-ফাতাওয়া আল-হিন্দিয়‍্যা, খ. ৩, পৃ. ২২৫; বাদায়েউস সানায়ে, খ. ৭, পৃ. ৩২৪৪; তাবয়ীনুল হাকায়েক, খ. ৪, পৃ. ১৪২; দুরারুল হুক্কাম, খ. ৩, পৃ. ৯৪
১৫৯. তাবয়ীনুল হাকায়েক, খ. ৪, পৃ. ১৪৪
১৬০. আল-ফাতাওয়া আল-হিন্দিয়‍্যা, খ. ৩, পৃ. ২২৫; তাবয়ীনুল হাকায়েক, খ. ৪, পৃ. ১৪২; দুরারুল হুক্কাম, খ. ৩, পৃ. ৯৪; কাশশাফুল কিনা', খ. ৩, পৃ. ৩০১; শরহু মুনতাহাল ইরাদাত, খ. ২, পৃ. ২২৬; আশ-শারহুল কাবীর, খ. ৪, পৃ. ৩৫৮; হাশিয়াতুর রাহুনী, খ. ৫, পৃ. ১২০
১৬১. অধিক খাদমিশ্রিত মুদ্রা দ্বারা উদ্দেশ্য এমন মুদ্রা, যার মাঝে সোনা-রুপার তুলনায় অন্য পদার্থ বেশি থাকে।
১৬২. আশ-শারহুল কাবীর, খ. ৪, পৃ. ৩৫৮; আল-ফাতাওয়া আল-হিন্দিয়‍্যা, খ. ৩, পৃ. ২২৫; আয-যায়লায়ী, খ. ৪, পৃ. ১৪৩; হাশিয়া শালবী 'আলা তাবয়ীনুল হাকায়েক, খ. ৪, পৃ. ১৪২; তাম্বীহুর রুকূদ, খ. ২, পৃ. ৫৯; দুরারুল হুক্কাম, খ. ৩, পৃ. ৯৪
১৬৩. তুহফাতুল মুহতাজ, খ. ৪, পৃ. ২৫৮, খ. ৫, পৃ. ৪৪; আসনাল মাতালিব, খ. ২, পৃ. ১৪৩; কাতউল মুজাদালা ইনদা তাগয়ীরিল মু'আমালা, খ. ১, পৃ. ৯৭; আল-মাজমূ' খ. ৯, পৃ. ২৮২; আল-উম্ম, খ. ৩, পৃ. ৩৩; নিহায়াতুল মুহতাজ, খ. ৩, পৃ. ৩৯৯, খ. ৪, পৃ. ২২৩; শরহুল খিরাশী, খ. ৫, পৃ. ৫৫; আয-যুরকানী, খ. ৫, পৃ. ৬০; হাশিয়াতুর রাহুনী, খ. ২, পৃ. ১২০; মিনাহুল জালীল, খ. ২, পৃ. ৫৩৪
১৬৪. তাবয়ীনুল হাকায়েক, খ. ৪, পৃ. ১৪৩; তাম্বীহুর রুকূদ, খ. ২, পৃ. ৫৯
১৬৫. তাবয়ীনুল হাকায়েক, খ. ৪, পৃ. ১৪৩
১৬৬. বাজারশূন্য হওয়ার অর্থ হলো: বাজারে না পাওয়া যাওয়া, যদিও তা মুদ্রাকারকের কাছে ও ঘরবাড়িতে পাওয়া যায়।
১৬৭ আশ-শারহুল কাবীর, খ. ৪, পৃ. ৩৫৮; তাবয়ীনুল হাকায়েক, খ. ৪, পৃ. ১৪২; তাম্বীহুর রুকূদ, খ. ২, পৃ. ৫৯, ৬০
১৬৮. আল-ফাতাওয়া আল-হিন্দিয়্যা, খ. ৩, পৃ. ২২৫; তাবয়ীনুল হাকায়েক, খ. ৪, পৃ. ১৪২।
১৬৯. তাম্বীহুর রুকূদ, খ. ২, পৃ. ৫৯; তাবয়ীনুল হাকায়েক, খ. ৪, পৃ. ১৪২; আল-ফাতাওয়া আল-হিন্দিয়্যা, খ. ৩, পৃ. ২২৫
১৭০. তুহফাতুল মুহতাজ, খ. ৪, পৃ. ২৫৮; নিহায়াতুল মুহতাজ, খ. ৩, পৃ. ৩৯৯; কাতউল মুজাদালা, খ. ১, পৃ. ৯৭
১৭১. মিনাহুল জালীল, খ. ২, পৃ. ৫৩৫; আল-খিরাশী, খ. ৫, পৃ. ৫৫; আয-যুরকানী, খ. ৫, পৃ. ৬০
১৭২. এ ক্ষেত্রে দেনাদার টালবাহানা করুক বা না করুক- বিধান অভিন্ন।
১৭৩. মিনাহুল জালীল, খ. ২, পৃ. ৫৩৫; আয-যুরকানী আলা খলীল, খ. ৫, পৃ. ৬০
১৭৪. তাম্বীহুর রুকুদ, খ. ২, পৃ. ৬০; বাদায়েউস সানায়ে, খ. ৭, পৃ. ৩২৪৫; আশ-শারহুল কাবীর, খ. ৪, পৃ. ৫৮; শরহু মুনতাহাল ইরাদাত, খ. ২, পৃ. ২২৬; কাশশাফুল কিনা', খ. ৩, পৃ. ৩০১; আল মুগনী, খ. ৪, পৃ. ৩৬৫; আয-যুরকানী, খ. ৫, পৃ. ৬০; হাশিয়াতুর রাহুনী, খ. ৫, পৃ. ১২১; মিনাহুল জালীল, খ. ২, পৃ. ৫৩৪
১৭৫. তাম্বীহুর রুকুদ, খ. ২, পৃ. ৬০, ৬১, ৬২
১৬. হাশিয়াতুল মাদানী, খ. ৫, পৃ. ১১৮
১৭৭. পাওনাদার উপকারযোগ্য বস্তু প্রদান করেছে, অনুরূপ উপকারযোগ্য বস্তু গ্রহণ করার জন্যে।
১৭৮. হাশিয়াতুর রাহুনী, খ. ৫, পৃ. ১২১

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00