📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 বিভিন্ন চুক্তিতে কজা করার প্রভাব প্রতিক্রিয়া

📄 বিভিন্ন চুক্তিতে কজা করার প্রভাব প্রতিক্রিয়া


চুক্তিতে কব্জা করার সর্বাধিক গুরুত্বপূর্ণ প্রতিক্রিয়া হচ্ছে, কজাকৃত বিষয়টির দায়দায়িত্ব অন্যের নিকট থেকে কব্জাকারীর দায়িত্বে এসে পড়ে। ফলে সে এখন তাতে হস্তক্ষেপ করতে পারে, তা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে। সে যা কজা করে তার বদল ও বিনিময় প্রদান তার জন্যে আবশ্যক হয়ে যায়। বিস্তারিত বিবরণ নিম্নে প্রদত্ত হলো:

প্রথম প্রতিক্রিয়া: দায়দায়িত্ব কব্জাকারীর দায়িত্বে চলে আসা
যে কজা করবে কজাকৃত বস্তুর দায়দায়িত্ব তার কাঁধে চলে আসবে, এ কথায় দায়দায়িত্ব বলে বোঝানো হয়েছে, বস্তুটি ধ্বংস হয়ে গেলে বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে বা তাতে কোনো খুঁত সৃষ্টি হলে তার ক্ষতিপূরণ বা অন্য সম্ভাব্য পরিণতি বহন করা। যে সকল চুক্তিতে এ ধরনের দায়ভার গ্রহণের বিষয় রয়েছে সেগুলো হচ্ছে: ক্রয়-বিক্রয়, ইজারা বা ভাড়া, জিনিস ধার নেওয়া, বন্ধক রাখা, যে বিবাহে মহর নির্দিষ্ট বস্তু।

📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 প্রথম প্রতিক্রিয়া : দায়দায়িত্ব কজাকারীর দায়িত্বে চলে আসা

📄 প্রথম প্রতিক্রিয়া : দায়দায়িত্ব কজাকারীর দায়িত্বে চলে আসা


যে কজা করবে কজাকৃত বস্তুর দায়দায়িত্ব তার কাঁধে চলে আসবে, এ কথায় দায়দায়িত্ব বলে বোঝানো হয়েছে, বস্তুটি ধ্বংস হয়ে গেলে বা ক্ষতিগ্রস্ত হলে বা তাতে কোনো খুঁত সৃষ্টি হলে তার ক্ষতিপূরণ বা অন্য সম্ভাব্য পরিণতি বহন করা।

প্রথম: যথাযথ ও আবশ্যক বিক্রিচুক্তি পণ্যে ক্ষতিপূরণ ও দায়দায়িত্ব
ফকীহগণ মতবিরোধ করেছেন, পণ্যের দায়ভার কার উপর, ক্রেতা কজা করার পূর্বে বা কজা করার পর। বিক্রয়ের পর ক্রেতা পণ্যটি কজা করার পূর্বে পণ্যের দায়দায়িত্ব কি বিক্রেতার কাছে থাকবে? কব্জা করা ব্যতীত তা ক্রেতার নিকট যাবে না, না চুক্তি সম্পন্ন হলেই দায়ভার ক্রেতার কাঁধে চলে আসবে, ক্রেতা কজা করুক বা না করুক? এ বিষয়গুলো নিয়ে সৃষ্ট মতপার্থক্য বিস্তারিতভাবে নিম্নে আলোচনা করা হলো:

হানাফী ও শাফেয়ী ফকীহদের সম্মিলিত অভিমত পণ্য বিক্রেতার দায়িত্বে থাকবে, ক্রেতা তা কজা করে নেওয়ার পূর্ব পর্যন্ত। যখনই কব্জা করবে দায়ভার তার কাঁধে চলে আসবে। মালেকী ফকীহদের মত অনুযায়ী, যেগুলোতে পরিমাপ ও ওজন ইত্যাদি করা হয় সেগুলোতে তারা হানাফী ও শাফেয়ী ফকীহদের সাথে ঐকমত্য প্রকাশ করে বলেন, কজা করার পূর্ব পর্যন্ত এগুলো বিক্রেতার দায়িত্বে থাকবে। যখন ক্রেতা তা কজা করবে তা ক্রেতার দায়িত্বে চলে আসবে যদি তা পুরোপুরি ভাবে বুঝিয়ে দেওয়ার বস্তু হয়ে থাকে।

দ্বিতীয়: ইজারাকৃত বস্তু বা কাজে জামানত
ক. ইজারাকৃত বস্তুতে ক্ষতিপূরণ ও দায়দায়িত্ব
নির্দিষ্ট বস্তু বা ব্যক্তিকে ইজারা নেওয়ার ক্ষেত্রে দায়দায়িত্ব: ফকীহদের মধ্যে এ কথায় কোনো বিরোধ নেই, কোনো বস্তু বা ব্যক্তিকে ভাড়া নিলে সে ব্যক্তি বা বস্তু এবং তার উপকার যা চুক্তির মূল উদ্দেশ্য সবই, দ্বিতীয় পক্ষ কজা না করা পর্যন্ত যে ইজারা দিবে তার দায়িত্বে থাকবে। এ কথাতেও তারা একমত, কজা করার পরও যে বস্তু বা ব্যক্তিকে ইজারা নেওয়া হবে তার দায়দায়িত্ব যে ইজারা নিবে তার কাঁধে ন্যস্ত হবে না, বরং এটি তার হাতে আমানত হিসাবে থাকবে।

খ. ইজারাকৃত কাজে ক্ষতিপূরণ ও দায়দায়িত্ব
ব্যক্তিগত কর্মচারী বা মজুরের দায় হানাফী, শাফেয়ী, মালেকী ও হাম্বলী সকল মাযহাবের সকল ফকীহ এ কথায় একমত, এ ধরনের লোকের হাতে কাজে নিয়োগদাতা ব্যক্তির যে সম্পদ থাকে, কর্মচারী তার কোনো দায় বহন করে না।

সাধারণ শ্রমিকের দায় নিয়ে ফকীহদের মাঝে মতভেদ রয়েছে। হানাফী ফকীহদের মতে, তার কোনো কাজের দরুন ক্ষতি হলে সে ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য হবে। মালেকী ফকীহগণের মতে, মানুষ যেহেতু অনেক বিগড়ে গেছে, তাই কারিগর এবং সাধারণের স্বার্থ সংশ্লিষ্ট কাজে নিয়োজিত সকল সাধারণ শ্রমিক ও মজুরকে ক্ষতি করলে ক্ষতিপূরণ দিতে বাধ্য করা হবে।

তৃতীয়: ধার নেওয়া বস্তুর দায়
ফকীহদের মাঝে এ কথায় কোনো বিরোধ নেই, ধার নেওয়া বস্তু যে পর্যন্ত মালিকের হাতে থাকবে সে-ই তার দায় বহন করবে।

চতুর্থ: বন্ধক রাখা বস্তুর দায়
সকল ফকীহ এ কথায় একমত, বন্ধক রাখা বস্তু বন্ধকদাতার দায়িত্বেই থাকবে যে পর্যন্ত তার হাত থেকে বন্ধকগ্রহীতা তা কজা না করবে।

পঞ্চম: নির্ধারিত মহরের দায়
ফকীহগণ এ বিষয়টি নিয়ে মতপার্থক্য করেছেন। হানাফী ও শাফেয়ী ফকীহদের মতে, মহর নির্ধারিত হোক, তা স্ত্রীকে বুঝিয়ে দেওয়ার পূর্বপর্যন্ত তা স্বামীর দায়িত্বে থাকবে। যখন স্ত্রীকে বুঝিয়ে দেবে তা স্ত্রীর দায়িত্বে চলে যাবে।

টিকাঃ
১৭৭. বাদায়েউস সানায়ে, খ. ৪, পৃ. ২১০; মাজমাউয যামানাত, পৃ. ১৩; রওজাতুত তালেবীন, খ. ৫, পৃ. ২২৬; আল মুহাযযাব, খ. ১, পৃ. ৪১৫; আশ-শারহুল কাবীর, খ. ৪, পৃ. ২৪; আল-মুবদি, খ. ৫, পৃ. ১১৩; আল মুগনী, খ. ৫, পৃ. ৪৮৮; কাশশাফুল কিনা', খ. ৪, পৃ. ৩৯ ও ৪৯
১৭৮. বাদায়েউস সানায়ে, খ. ৪, পৃ. ২১১; আল-ফাতাওয়া আল-হিন্দিয়‍্যা, খ. ৪, পৃ. ৫০০; রওজাতুত তালেবীন, খ. ৫, পৃ. ২২৮; নিহায়াতুল মুহতাজ, খ. ৫, পৃ. ৩১১; আশ-শারহুল কাবীর, খ. ৪, পৃ. ২৮; জাওয়াহিরুল ইকলীল, খ. ২, পৃ. ১৯১; আল-মুগনী, খ. ৫, পৃ. ৪৭১; শারহু মুনতাহাল ইরাদাত, খ. ২, পৃ. ৩৭৬
১৭৯. তাবয়ীনুল হাকায়েক, খ. ৫, পৃ. ১৩৪; মাজমাউল আনহুর ওয়াদ দুররিল মুসাফফা, খ. ২, পৃ. ৩৯১; কাশশাফুল কিনা', খ. ৪, পৃ. ২৬; আল-ইনসাফ, খ. ৬, পৃ. ৭২
১৮০. বাদায়েউস সানায়ে', খ. ৪, পৃ. ২১০; মাজমাউয যামানাত, পৃ. ২৭
১৮১. আল-বাহজা শারহুত তুহফা, খ. ২, পৃ. ২৮৩
১৮২. রওজাতুত তালেবীন, খ. ৫, পৃ. ২২৮; নিহায়াতুল মুহতাজ, খ. ৫, পৃ. ৩১০
১৮৩. রওজাতুত তালেবীন, খ. ৫, পৃ. ২২৮; আল-মুহাযযাব, খ. ১, পৃ. ৪১৫

📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 দ্বিতীয় প্রতিক্রিয়া : হস্তক্ষেপ ও নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা লাভ

📄 দ্বিতীয় প্রতিক্রিয়া : হস্তক্ষেপ ও নিয়ন্ত্রণ করার ক্ষমতা লাভ


সকল ফকীহ এ কথায় একমত, চুক্তিবদ্ধ নির্দিষ্ট বস্তু দ্বিতীয় পক্ষ কজা করার পর তা নিয়ন্ত্রণ করা এবং তাতে হস্তক্ষেপ করার পূর্ণ অধিকার লাভ করবে। কিন্তু কজা করার পূর্বেই তা নিয়ন্ত্রণ করতে পারবে কি-না? তা নিয়ে তাদের মাঝে মতপার্থক্য রয়েছে।

প্রথম মাসআলা : কেনা জিনিস কব্জা করার পূর্বেই বিক্রি করা :
কেনা জিনিস কব্জা করার পূর্বেই বিক্রি করার মাসআলায় ফকীহগণ মতপার্থক্য করে ছয়টি মত ব্যক্ত করেছেন :
১. কেনার পর কব্জা করার পূর্বে ক্রেতা তা বিক্রি করা জায়েয হবে না। এটি শাফেয়ী মাযহাবের অধিকাংশ ফকীহ, কতক হাম্বলী ফকীহ এবং ইমাম মুহাম্মদের মত।
২. হানাফী মাযহাবের মতে স্থাবর সম্পদ বা জমি কজা না করলেও বিক্রি করা জায়েয। তবে অস্থাবর সম্পদ কজা করা ছাড়া বিক্রি করা যাবে না।
৩. মালেকী মাযহাবের মতে খাদ্যদ্রব্য ব্যতীত অন্য যে কোনো বস্তু কজা করার পূর্বেই বিক্রি করা জায়েয।

দ্বিতীয় মাসআলা : কেনা ছাড়া অন্য কোনো পন্থায় মালিকানায় আসা পণ্য কজা করার আগে বিক্রি করা:
হানাফী ফকীহদের মতে, যে সকল বদল ও বিনিময় মানুষ মালিক হয় এমন চুক্তির মাধ্যমে যা কজা করার আগে সে বদল ধ্বংস হয়ে গেলে ভেঙ্গে যায়, সে সকল বদল কজা করার আগে বিক্রি করা জায়েয নয়। মালেকী ফকীহদের মতে, যদি সম্পদের মালিকানা অর্জিত হয় এমন চুক্তির মাধ্যমে যা বদল ও বিনিময়যুক্ত, তাতে যদি ধোঁকা ও প্রতারণার শিকার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে, তাহলে সেখানে কজা করার আগে তা বেচা জায়েয হবে না।

তৃতীয় মাসআলা: কেনা পণ্যে কব্জা করার আগে বিক্রি বাদে অন্য হস্তক্ষেপ করা:
হানাফী ফকীহদের মতে, কব্জা করার আগেই পণ্যে ক্রেতার নিজের ক্ষমতা প্রয়োগ করা জায়েয। যেমন হিবা করা, সাদকা করা, ঋণ প্রদান করা ইত্যাদি। তবে ইজারা বা ভাড়া দেওয়া জায়েয হবে না। শাফেয়ী ফকীহদের মতে, কব্জা করার পূর্বে পণ্যে কোনো ধরনের হস্তক্ষেপ এবং কোনো ধরনের কাজ করা জায়েয নয়।

টিকাঃ
১৮৪. মুগনিল মুহতাজ, খ. ২, পৃ. ৬৮; আল-মাজমুউ শারহুল মুহাযযাব, খ. ৯, পৃ. ২৬৪; তরহুত তাছরীব, খ. ৬, পৃ. ১১৪; ইহকামুল আহকাম, খ. ৪, পৃ. ৮০; মাআলিমুস সুনান, খ. ৩, পৃ. ১৩৫; আল-মুগনী, খ. ৪, পৃ. ১১৩; বাদায়েউল ফাওয়ায়েদ, খ. ৩, পৃ. ২৫০; রদ্দুল মুহতার, খ. ৫, পৃ. ১৪৭; আতাসী প্রণীত শারহুল মাজাল্লা, খ. ২, পৃ. ১৭৩
১৮৫. বাদায়েউস সানায়ে, খ. ৫, পৃ. ১৮০; আদ-দুররুল মুখতার, খ. ৫, পৃ. ১৪৭
১৮৬. আশ-শারহুল কাবীর, খ. ৩, পৃ. ১৫১; আল-বাজী প্রণীত আল-মুনতাকা, খ. ৪, পৃ. ২৭৯-২৮০ ও ২৮৩; কিফায়াতুত তালিব আর রাব্বানী, খ. ২, পৃ. ১১৮
১৮৭. হাশিয়া আদাভী, খ. ২, পৃ. ১১৮
১৮৮. কাশশাফুল কিনা', খ. ৩, পৃ. ১৯৭; আল-মুগনী, খ. ৪, পৃ. ১০৭; আল-মুহাররার, খ. ১, পৃ. ৩২২
১৮৯. ইহকামুল আহকাম, খ. ৪, পৃ. ৮১; শারহু নবাভী আলা সহীহ মুসলিম, খ. ১০, পৃ. ১৭০; আল-মুগনী, খ. ৪, পৃ. ১১৩
১৮০. আল-মুগনী, খ. ৪, পৃ. ১১৩; তরহুত তাছরীব, খ. ৬, পৃ. ১১৪
১৯১. আল-বাজী প্রণীত আল-মুনতাকা, খ. ৪, পৃ. ২৮০; বিদায়াতুল মুজতাহিদ, খ. ২, পৃ. ১২১
১৯২. আল-মাজমুউ, খ. ৯, পৃ. ২৬৫; রওজাতুত তালিবীন, খ. ৩, পৃ. ৫০৮; তরহুত তাহরীব, খ. ৬, পৃ. ১১৬
১৯৩. শারহু মুনতাহাল ইরাদাত, খ. ২, পৃ. ১৮৯; আল-মুগনী, খ. ৪, পৃ. ১১৪; কাশশাফুল কিনা', খ. ৩, পৃ. ২৩৩

📘 ইসলামের ব্যবসা ও বাণিজ্য আইন > 📄 তৃতীয় প্রতিক্রিয়া : বদল ও বিনিময় প্রদান আবশ্যক হওয়া

📄 তৃতীয় প্রতিক্রিয়া : বদল ও বিনিময় প্রদান আবশ্যক হওয়া


যাবতীয় লেনদেনে দুই বিনিময়ের একটি গ্রহণ করার বিশেষ গুরুত্বপূর্ণ প্রতিক্রিয়া হচ্ছে, তার বিপরীত বিনিময়টি প্রদান অত্যাবশ্যক হওয়া। যে প্রথম বিনিময়টা গ্রহণ করবে যথাসম্ভব শীঘ্র সে তার বিপরীতে বস্তুটি তাকে প্রদান করবে।

প্রথমত : ক্রয়বিক্রয়ে (فِي الْبَيع):
সকল ফকীহ একমত, বিক্রিচুক্তির উভয়পক্ষ যখন নিজ নিজ বদল ও বিনিময় গ্রহণ করবে, অপর পক্ষকে যথাশীঘ্র সম্ভব বদল ও বিনিময় প্রদান করবে, এক্ষেত্রে দেরি না করে তাড়াতাড়ি প্রদান করা ওয়াজিব। ব্যতিক্রম হচ্ছে সরফ বিক্রি এবং সুদী সামগ্রীর একটিকে অপরটির বিপরীতে বিক্রি করা। তাতে এক দিকের বিনিময় গ্রহণকারী তার পক্ষ থেকে বিনিময় দিতে দেরি করার অনুমতি ও সুযোগ নেই।

দ্বিতীয়ত: ইজারা ও ভাড়াতে:
যখন একপক্ষ ইজারার বস্তুটি কব্জা করবে, তার বিনিময় প্রদান করা তার দায়িত্বে আবশ্যক হয়ে যাবে। যদি না তারা উভয়পক্ষ একপক্ষের বদল প্রদানে বিলম্ব হওয়ায় সম্মত থাকে।

তৃতীয়ত: মহরের ক্ষেত্রে:
ফকীহবৃন্দ সকলে একমত, যদি স্বামী তার স্ত্রীকে মহরের শীঘ্রপ্রদেয় অংশ প্রদান করে, তাহলে তার স্ত্রীর কর্তব্য, মিলিত হওয়ার ও সহবাস করার প্রস্তাব রক্ষা করা। স্বামীকে মিলনের সুযোগ প্রদান তখন ওয়াজিব হয়ে যায়।

টিকাঃ
১৯৯. বাদায়েউস সানায়ে', খ. ৫, পৃ. ২১৫; রদ্দুল মুহতার, খ. ৫, পৃ. ২৫৮; আহকামুল কুরআন, খ. ১, পৃ. ৫৫৪; রওজাতুত তালেবীন, খ. ৩, পৃ. ৩৭৯; আল-উম, খ. ৩, পৃ. ২৬; ফাতহুল আলী আল-মালিক, খ. ২, পৃ. ১১০; কাশশাফুল কিনা', খ. ৩, পৃ. ২১৭; আল-মুগনী, খ. ৪, পৃ. ৫১; মুনতাহাল ইরাদাত, খ. ১, পৃ. ৩৮০
২০০. বাদায়েউস সানায়ে, খ. ৪, পৃ. ২০৪; আল-মুগনী, খ. ৫, পৃ. ৪০৬

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00