📄 পরিচিতি
এই অধ্যায়ে কোনো কন্টেন্ট এখনো যোগ করা হয়নি।
📄 সি’র (السِّعْرُ)-এর আভিধানিক ও পারিভাষিক অর্থ
সি’র (السِّعْرُ) শব্দের অর্থ হলো: মূল্য, দাম, দর, হার। এর বহুবচন أسعار এ শব্দ থেকে ক্রিয়ারূপে ব্যবহৃত হয়: قَدْ أَسْعَرُوا وَسَعَّرُوا “তারা সকলে একটি মূল্যে একমত হলো।” মূল্য বৃদ্ধি পেলে বলা হয় : شَيْءٌ لَهُ سعر “উচ্চমূল্য ও দামি বস্তু।” আবার মূল্য অনেক কমে গেলে বলা হয়: لَيْسَ لَهُ سعرٌ “এটির তেমন মূল্যই নেই, একেবারে মূল্যহীন বস্তু।” سعر السوق “বাজার মূল্য, যে মূল্যে পণ্যের যে কোনো একটি যে কোনো সময়ে কেনা যায়।” التسعير “মূল্য নির্ধারণ” অর্থাৎ শাসক বা তার পক্ষ থেকে প্রশাসক কর্তৃক কোনো এক বা একাধিক পণ্যের মূল্য নির্ধারণ করে দেওয়া, যে নির্ধারিত মূল্যে জনগণ বেচাকেনা করতে বাধ্য থাকবে। দ্রষ্টব্য: পরিভাষা التسعير
সি’র (السِّعْرُ) শব্দের পারিভাষিক অর্থ শব্দটির শাব্দিক ও আভিধানিক অর্থের অনুরূপ; তাতে কোনো পার্থক্য নেই।
টিকাঃ
১. লিসানুল আরব, আল-মিসবাহুল মুনীর
📄 সংশ্লিষ্ট পরিভাষা
ক. الثَّمَنُ (আছ-ছামান)
এই শব্দটির আভিধানিক অর্থ, যা দ্বারা কোনো বস্তুর দাবিদার হওয়া যায়। পরিভাষায় ছামান (الثمن) হচ্ছে পণ্যের বিনিময় ও মূল্য—যা পণ্যক্রয়ের মাধ্যমে ক্রেতার দায়িত্বে আসে। দ্রষ্টব্য: পরিভাষা: ثمن
হামান (الثمن)-এর পরিভাষাকেন্দ্রিক আলোচনায় উক্ত হয়েছে: ছামান (الثمن) ও সি’র (السعر) এ দুটোতে সামান্য পার্থক্য রয়েছে। তা হচ্ছে, বিক্রেতা যে মূল্য হাঁকে তা হচ্ছে সি’র (السعر) আর ছামান (الثمن) হচ্ছে পণ্যের যে মূল্যে ক্রেতা ও বিক্রেতা উভয়ে একমত হয়।
খ. القيمة (আল-কীমাহ্):
শব্দটির আভিধানিক অর্থ, যার মাধ্যমে পণ্যের মূল্য ও মান নির্ধারণ করা হয়, যা পণ্যের স্থলাভিষিক্ত হয়। এর বহুবচন القيام পরিভাষায়: কোনো বস্তুর প্রকৃত মূল্য ও সঠিক মাননির্দেশক দাম।
কীমাহ্ (القيمة) ও সি’র (السِّعْرُ) এ দুটোর মাঝে পার্থক্য হলো: সি’র হচ্ছে বিক্রেতা পণ্যের যে মূল্য হাঁকে, তা বস্তুটির প্রকৃত মূল্যের বরাবর হতে পারে, আবার তা থেকে অধিকও হতে পারে, কমও হতে পারে।
টিকাঃ
২. আমীমুল ইহসান কৃত কাওয়ায়িদুল ফিকহ, পৃ. ৩২১; মাওসূআহ, খ. ১৫, পৃ. ২৫
৩. মাতালিবু উলিন নুহা, খ. ৩, পৃ. ৬২; আসনাল মাতালিব, খ. ২, পৃ. ৩৮; মাওসূআহ, খ. ১১, পৃ. ৩১
৪. আল-মিসবাহুল মুনীর, قوم-ماده; আমীমুল ইহসান কৃত কাওয়ায়িদুল ফিকহ, পৃ. ৪৩৮ তাতে তিনি লিখেছেন, কীমাহ হচ্ছে ঐ মূল্য যা পণ্যের স্থলবর্তী হয় এবং সমতুল্য হয়।
৫. আল-মাজাল্লা, ধারা: ১৫২
📄 সি’র (السِّعْرُ)-এর সাথে সম্পর্কিত শরয়ী বিধান
মূল্য নির্ধারণ করা ব্যতীত বিক্রয়
আল্লামা মারদাভীর ভাষ্যমতে অধিকাংশ ফকীহের মত হলো—এবং এটি হাম্বলী মাযহাব: মূল্য নির্ধারণ না করে বা বাজারদর হিসাবে বিক্রি করা জায়েয নয়, যেহেতু তাতে মূল্য অনির্দিষ্ট ও অজানা থাকে। যেমন: বলা হলো আজ বাজারে যে দর রয়েছে সে দরে বিক্রি করলাম। এভাবে বিক্রি করা জায়েয নয়।
মারদাভী বলেছেন: ইমাম আহমদ রহ.-এর পক্ষ থেকে সঠিকভাবে বর্ণিত হয়েছে, ইবনে তাইমিয়া ও ইবনুল কাইয়িম তা পছন্দ করেছেন—তা হলো, কোনো কিছুর মূল্য নির্ধারণ না করে বেচাকেনা করা জায়েয হবে কি-না, তা নিয়ে ফকীহদের মাঝে মতপার্থক্য রয়েছে। এভাবে বেচাকেনার রূপ হচ্ছে এমন: কোনো লোক কোনো দোকানদার থেকে নির্দিষ্ট কোনো পণ্য নেয়। যেমন: ঘিওয়ালার নিকট থেকে ঘি নেয়, বেকারী থেকে পাউরুটি বা বিস্কুট নেয়, কসাইয়ের নিকট থেকে গোশত নেয়—সে সময় মূল্য পরিশোধ না করে কেবল হিসাবটুকু লেখা থাকে। মাস শেষে বা বছর শেষে হিসাব করা হয়—কতটুকু জিনিস বেচাকেনা হয়েছে, তখন মূল্য হিসাব করা হয়, ক্রেতা সে মূল্য পরিশোধ করে।
অধিকাংশ ফকীহ এটাকে নাজায়েয ও অবৈধ বলেছেন। তারা বলেন: এখানে মূল্য নির্ধারণ না করায় বিক্রয় সম্পন্ন হয়নি। তাই ক্রেতার বিক্রীত পণ্য গ্রহণ সঠিক হয়নি। এভাবে ক্রেতার জন্যে জিনিসটি নেওয়া ছিনিয়ে নেওয়ার সমতুল্য। এভাবে সে বস্তুতে ক্রেতার মালিকানা সাব্যস্ত হয়নি এবং বিক্রেতার মালিকানা বিলুপ্তও হয়নি। অতএব, মূল্য নির্ধারণ করে লেনদেন সঠিক করে নিতে হবে।
এ সম্পর্কে দ্বিতীয় মতটি হচ্ছে, এভাবে বেচাকেনা করা জায়েয। ইমাম আহমদ রহ. সুস্পষ্টভাবে তা জায়েয হওয়ার মত ব্যক্ত করেছেন এবং এটিই তার পছন্দ। তিনি বলেন, দামাদামি করার চাইতে এভাবে বেচাকেনা করা ক্রেতার মনে অধিক ভালো লাগবে। সে বলবে, অন্য লোককে আমি অনুসরণ করব, তারা যে দামে নেবে আমিও সে দামে নেব।
মারদাভী এ সম্পর্কে আরো বলেছেন, সকল আলেম ও ফকীহ এ কথায় একমত, মহরে মিসাল-এর মাধ্যমে বিয়ে করা সহীহ। অথচ মহরে মিসাল সাব্যস্ত হয় বিবাহের পর, বিয়েতে মহর সাব্যস্ত না করার দরুন। এমনিভাবে যদি কোনো ভাড়াটিয়া ভাড়া সাব্যস্ত না করে ভাড়াবাসায় উঠে, তাহলে অধিকাংশ আলেমের মতে, বাজারে যে ভাড়ার হার প্রচলিত রয়েছে তা প্রযোজ্য হবে। ভাড়া দেওয়া ও ভাড়া নেওয়া বাতিল হবে না। কোনো মজদুরকে যদি কাজে লাগানো হয় পারিশ্রমিক স্থির না করেই—সেক্ষেত্রে বাজারে যে পারিশ্রমিক প্রচলিত রয়েছে তা কার্যকর হবে। যেমন: রাজমিস্ত্রী, কাঠমিস্ত্রী, বাবুর্চি, ড্রাইভার ইত্যাদি পদে যদি নিয়োগ দেওয়া হয় বেতন সাব্যস্ত না করেই, তাহলে এ ধরনের পরিশ্রমে যে পরিমাণ বেতন প্রচলিত রয়েছে তা দিতে হবে।
আলোচনার পরিসমাপ্তি যে কথায় তা হলো, মূল্য নির্ধারণ না করে বাজারদরের ভিত্তিতে বেচাকেনা করা জায়েয। প্রত্যেক যুগে প্রত্যেক বাজারে এভাবে বেচাকেনা হচ্ছে, তাতে কোনো বিঘ্ন বা সমস্যা হচ্ছে না, তাই জায়েয হওয়ার মতটিই অকাট্য ও গ্রহণযোগ্য। বিস্তারিত দ্রষ্টব্য : بيع الاستخرار
আগত ব্যবসায়ীদল সঠিক বাজারদর জানার পর মূল্যবৃদ্ধি
যদি কোনো ব্যবসায়ীদল কোনো শহরে ও বাজারে আসার পূর্বে, এ শহরে ও এ বাজারে তাদের পণ্যের বর্তমানে কী মূল্য তা জানার পূর্বে, শহরের কোনো লোক শহর থেকে বের হয়ে ব্যবসায়ীদলের নিকটে এসে তাদের পণ্য কিনে—শহরে ও বাজারে যে মূল্য রয়েছে তা থেকে কমদামে—তাহলে এ ব্যবসায়ীদল যখন শহরে এসে সঠিক বাজারদর জানতে পারবে এবং তাদের ঠকানোর বিষয়টি অনুধাবন করতে পারবে তখন তাদের এখতিয়ার থাকবে, তারা বিক্রি বহাল রাখতে পারে, বহাল নাও রাখতে পারে। এ সম্পর্কে দলিল হচ্ছে নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের হাদীস:
لَا تَلَقَّوُا الْجَلَبَ ، فَمَنْ تَلَقَّاهُ فَاشْتَرَى مِنْهُ ، فَإِذَا أَتَى سَيِّدُهُ - أَيْ صَاحِبُهُ - السُّوقَ فَهُوَ بِالْخِيَارِ
“আমদানিকারক ব্যবসায়ী কাফেলার সাথে আগে বেড়ে সাক্ষাৎ করে তাদের আমদানি করা বস্তু সংগ্রহ করবে না। যদি কেউ (নিষেধ অমান্য করে) তাদের কারো নিকট থেকে কোনো বস্তু কিনে নেয়, এরপর যখন সে কাফেলার দলপতি বাজারে এসে (সঠিক মূল্য সম্পর্কে অবহিত হবে), তার এখতিয়ার থাকবে—পূর্বে সম্পাদিত যে বেচাকেনা তা সে বহাল রাখতে পারে, বাতিলও করে দিতে পারে।” বিস্তারিত দ্রষ্টব্য: بيع منهي عَنْهُ “নিষিদ্ধ বিক্রয়াদি ও অন্যান্য।”
সঠিক বাজারদর সম্পর্কে অপরকে জানানো
মাতালিবু উলিন নুহা-এর গ্রন্থকার বলেন যে লোকের সঠিক বাজারদর সম্পর্কে বিশদভাবে জানা আছে তার কর্তব্য হচ্ছে, যে লোক এ সম্পর্কে কিছু জানে না—কিন্তু জানতে চায়, তাকে জানানো। কেননা, উপদেশ কামনকারীকে নসীহত বা উপদেশ দেওয়া আবশ্যক। যেহেতু হাদীসে বর্ণিত হয়েছে : الدِّينُ النَّصِيحَةُ অর্থাৎ “দীনদারী হচ্ছে অপরের মঙ্গল কামনা।”
লুণ্ঠিত সম্পদের মূল্য হ্রাস
অধিকাংশ ফকীহের মত, লুট করার পর সে সম্পদের মূল্য যে কোনো কারণে হ্রাস হলে লুণ্ঠনকারী-ছিনতাইকারীর জরিমানা আদায়ের দায়-দায়িত্ব নেই। অর্থাৎ কমে যাওয়ার পরও তাকে পূর্বমূল্য ফেরত দিতে হবে, এমন নয়। কিন্তু আবু ছাওর সম্পর্কে বর্ণিত হয়েছে, তিনি মূল্যহ্রাসের ক্ষেত্রে জরিমানা আদায়ের ব্যবস্থা নিতেন। লুণ্ঠিতদ্রব্য ধ্বংস হলে লুণ্ঠনকারী জরিমানা দিবে, তাহলে লুণ্ঠনের পর বস্তুর মূল্য হ্রাস পেলে তার জরিমানা সে দিবে না কেন? এই ছিল আবু ছাওর-এর যুক্তি।
স্ত্রীর খোরপোশে মূল্যবৃদ্ধির প্রভাব
হানাফী মাযহাবের আলেমগণ সুস্পষ্টভাবে আলোচনা করেছেন: যদি স্বামী ও স্ত্রীর আর্থিক অবস্থা বিবেচনা করে স্ত্রীর খোরপোশের ফয়সালা করা হয়, এরপর জিনিসপত্রের দাম বেড়ে যাওয়ার প্রেক্ষিতে স্ত্রী তার খোরপোশ বাবৎ আরো অধিক দাবি করতে পারবে। তেমনি জিনিসপত্রের দাম ফয়সালা করার পর কমে গেলে স্বামী সে ফয়সালা থেকে কম টাকা প্রদান করতে পারবে। মূলত এখানে কত টাকা প্রদান করা হচ্ছে তা বিচার্য বিষয় নয়, বরং স্বাচ্ছন্দ্যের সাথে স্ত্রীর চলা সম্ভব কি-না তা লক্ষ রাখাই মূল বিবেচ্য বিষয়।
চোরাই মালের মূল্যহ্রাস
অধিকাংশ ফকীহ, মালেকী, শাফেয়ী ও হাম্বলী মাযহাবের সকল আলেম ও ফকীহ-এর মত হচ্ছে, চোর যখন মালিকের হেফাজত থেকে চোরাই মাল সরিয়ে নেয় তখন তার মূল্য নেসাব পরিমাণ কি-না তা দেখা হবে। যদি সেই পরিমাণ মূল্যের বস্তু হয় তবে তার হাত টাকা হবে। চুরি করার পর বাজারদর কমে যাওয়ার দরুন এখন সে চোরাই দ্রব্যের মূল্য নেসাব থেকে কমে গেলেও হাত কাটার বিধান বাতিল হবে না। এখানে নেসাব পরিমাণ দ্বারা দশ দিরহাম বা তার সমমূল্য উদ্দেশ্য। ইমাম তাহাভী রহ. বলেছেন, ইমাম আবু হানিফা রহ.-এরও একটি মত এরূপই ছিল।
তবে হানাফী মাযহাবের মূল ফতোয়া ও পছন্দসই মত যেটি তা হলো, হাসকাফী বলেছেন, চোর চুরি করার সময় এবং চোরের হাত কাটার সময়, এ উভয় সময়ে চোরাই মালের মূল্য কত তা লক্ষ রাখা হবে। মূল্য সম্পর্কে পারদর্শী দুজন ব্যক্তিকে মূল্য নির্ধারণের আহ্বান জানানো হবে। যদি মূল্য নির্ধারণে এ দুজন একমত না হয় তাহলে চোরের হাত কাটা হবে না। যদি তারা একমত হয় কিন্তু চুরি করার সময় এবং হাত টাকার সময় উভয় সময়ে চোরাই বস্তুটি নেসাব পরিমাণ না হয় তাহলেও হাত কাটা হবে না।
আল্লামা কাসানী বলেন: হাত কাটার সময় চোরাই বস্তুটির মূল্যহ্রাস হওয়া তা চুরি করার সময়েই মূল্যহ্রাস হওয়ার সন্দেহ সৃষ্টি করে। আর নিয়ম হচ্ছে, সন্দেহ দেখা দিলে শরীয়তের শাস্তি কার্যকর হয় না। চোরাই বস্তুটিতে মূল্যহ্রাস হওয়ার দরুন সন্দেহ সৃষ্টি হয়েছে, এর কারণ হচ্ছে চুরি করার পরও বস্তুটি আগের অবস্থাতেই রয়েছে, তাতে কোনো পরিবর্তন আসেনি। অন্যদিকে মূল্যহ্রাস হওয়ায় চোরকে কোনো জরিমানাও আদায় করতে হচ্ছে না। ফলে চোরাই বস্তুটিতে যে মূল্যহ্রাস ঘটল তা ধরে নেওয়া হবে যেন চুরি করার সময়ই ঘটেছে। এভাবে তাতে সন্দেহের ক্ষীণ একটি দিক প্রকাশিত হয়।
পণ্যের গায়ে লেখা দামে বিক্রয় করা
পণ্যের গায়ে লেখা দাম সম্পর্কে ক্রেতা বিক্রেতা উভয়ে অথবা কোনো একপক্ষ অনবহিত থাকা অবস্থায় সে লিখিত দামের ওপর ভিত্তি করে বেচাকেনা করা অধিকাংশ ফকীহ অনুমোদন দেননি, যেহেতু তা নিয়ে মতান্তরের সম্ভাবনা রয়েছে। বিপরীতে অন্য ফকীহগণ তা জায়েয বলে অভিহিত করেছেন। এ বিষয়ে দ্রষ্টব্য : رقم
টিকাঃ
৬. ইবনে আবিদীন, খ. ৪, পৃ. ২১; দুসুকী, খ. ৩, পৃ. ১৫; মুগনিল মুহতাজ, খ. ২, পৃ. ১৬; মাতালিবু উলিন নুহা, খ. ৩, পৃ. ৪০; ইলামুল মুওয়াক্বিয়ীন, খ. ৪, পৃ. ৫-৬
৯. মুসলিম, খ. ৩, পৃ. ১১৫৭, হাদীসটির বর্ণনাকারী আবু হুরায়রা রা.। মাতালিবু উলিন নুহা, খ. ৩, পৃ. ৫৭ মুসলিম, খ. ১, পৃ. ৭৪ হাদীসটির বর্ণনাকারী তামীম দারী রা.।
১০. বাদায়েউস সানায়ে, খ. ৭, পৃ. ১৫৫; দুসূকী, খ. ৩, পৃ. ৪৫২; আল-কাওয়ানীন আল-ফিকহিয়্যা, পৃ. ৩২৪; মুগনিল মুহতাজ, খ. ২, পৃ. ২৮৭; আল-মুগনী, খ. ৫, পৃ. ২৬০
১১. ফাতহুল কাদীর, খ. ৩, পৃ. ৩৩১
১২. বাদায়েউস সানায়ে, খ. ৭, পৃ. ৭৯; হাশিয়া ইবনে আবিদীন দুররে মুখতার সহ, খ. ৩, পৃ. ১৯৩; আল-মুনতাকা শরহে মুওয়াত্তা, খ. ৭, পৃ. ১৫৮; আল-কাওয়ানীন আল-ফিকহিয়্যা, পৃ. ৩৫২; মুগনিল মুহতাজ, খ. ৪, পৃ. ১৫৮; কাশশাফুল কিনা’, খ. ৬, পৃ. ১৩২