📄 দ্বিতীয় : মালিকানা ব্যবহারে প্রযোজ্য শর্তাবলি
শরীয়ত ব্যবহারের দিক দিয়ে মালিকানার কিছু শর্ত প্রণয়ন করে, তা মালিকের ওপর আরোপ করেছে:
ক. সে অপচয়কারী ও অপব্যয়ী হবে না এবং অতি কৃপণও হবে না। মহান আল্লাহ বলেন:
وَآتِ ذَا الْقُرْبَى حَقَّهُ وَالْمِسْكِينَ وَابْنَ السَّبِيلِ وَلَا تُبَذِّرْ تَبْذِيرًا إِنَّ الْمُبَذِّرِينَ كَانُوا إِخْوَانَ الشَّيَاطِينِ وَكَانَ الشَّيْطَانُ لِرَبِّهِ كَفُورًا
“তুমি আত্মীয়স্বজনকে তার অধিকার দাও, গরীব ও মুসাফিরকে তাদের অধিকার প্রদান করো, অপব্যয় করো না। অপব্যয়কারীগণ শয়তানের ভাই। আর শয়তান হলো স্বীয় প্রভুর অকৃতজ্ঞতাকারী।”
মহান আল্লাহ আরো বলেন:
وَلَا تَجْعَل يَدَكَ مَغْلُولَةً إِلَى عُنُقِكَ وَلَا تَبْسُطُهَا كُلِّ الْبَسْطِ فَتَقْعُدَ مَلُومًا مَحْسُورًا
“তুমি একেবারে ব্যয়কুণ্ঠ হয়ো না এবং একেবারে মুক্তহস্তও হয়ো না। তাহলে তুমি তিরস্কৃত ও নিঃস্ব হয়ে যাবে।”
এ বিষয়ে অনেক আয়াত ও হাদীস রয়েছে যেগুলো অপচয়-অপব্যয় এবং অনর্থক অর্থ নষ্ট করা হারাম হওয়ার প্রমাণ বহন করে—এমনকি খাবারের ক্ষেত্রেও। মুহাম্মদ ইবনে হাসান শায়বানী বলেন: মোটকথা হলো মানুষের হালাল উপার্জনে অপচয় ও কৃপণতা হারাম। অতঃপর খাবারের অপচয় বিভিন্ন ধরনের। তন্মধ্যে একটি হলো নানা ধরনের বৈধ খাবারে আতিশয্য করা।
খ. শরীয়ত যা অবৈধ করেছে মালিক তা ব্যবহার না করা। যেমন পুরুষের জন্য রেশমী পোশাক ও স্বর্ণ ব্যবহার, নারী-পুরুষের জন্য স্বর্ণ ও রৌপ্যের পাত্র ব্যবহার করা হারাম ও অবৈধ।
গ. যথাযথভাবে সম্পদ বৃদ্ধির ব্যবস্থা করা এবং সম্পদ নষ্ট না করা, যেন তা লেনদেন এবং জীবিকায় অবদান রাখতে পারে। এ বিষয়ে এমন সব আয়াত ও হাদীস প্রমাণ বহন করে যেগুলো নির্দেশসূচক শব্দের মাধ্যমে কাজ, ব্যবসা, শিল্প ও কৃষি কাজের প্রতি আহ্বান করে। যেমন মহান আল্লাহর বাণী:
هُوَ الَّذِي جَعَلَ لَكُمُ الْأَرْضَ ذَلُولاً فَامْشُوا فِي مَنَاكِبِهَا وَكُلُوا مِنْ رِزْقِهِ
“তিনি ঐ সত্তা যিনি তোমাদের জন্য পৃথিবীকে বশীভূত করেছেন। সুতরাং তোমরা এর বিভিন্ন অঙ্গনে বিচরণ করো এবং তাঁর রিজিক ভক্ষণ করো।”
মহান আল্লাহ আরো বলেন:
فَإِذَا قُضِيَتِ الصَّلَاةُ فَانْتَشِرُوا فِي الْأَرْضِ وَابْتَغُوا مِنْ فَضْلِ اللَّهِ
“যখন নামায সমাপ্ত হয় তখন তোমরা পৃথিবীতে ছড়িয়ে পড়ে আল্লাহর অনুগ্রহ অন্বেষণ করো।”
হাদীসে রাসুলুল্লাহ স. বলেন:
مَنْ وَلِيَ يَتِيمًا لَهُ مَالٌ فَلْيَتَّحِرْ فِيهِ وَلَا يَتْرُكُهُ حَتَّى تَأْكُلَهُ الصَّدَقَةُ
“যে ব্যক্তি এমন এতিমের দায়িত্ব গ্রহণ করে যার সম্পদ আছে, সে যেন উক্ত সম্পদকে বাণিজ্যিক কাজে লাগায়। তা এভাবে না রাখে যে, যাকাত দিতে দিতে তা ফুরিয়ে যায়”।
এমনিভাবে ফিক্হবিদগণ বলেছেন, যা ছাড়া উম্মাহর কল্যাণ ও স্বার্থ পূর্ণতা লাভ করে না, তা চর্চা করা ফরযে কেফায়া। তারা বলেছেন: যে কোনো পেশা, শিল্প, প্রয়োজনীয় ব্যবসা ফরযে কেফায়া। কারণ পৃথিবী এর মাধ্যমে টিকে থাকে। আর পৃথিবী টিকে থাকার ওপর ধর্ম টিকে থাকা নির্ভরশীল। তাই মানবজাতি যদি তা থেকে বিরত থাকে তাহলে তারা গুনাহগার হবে এবং ধ্বংসের পথে ধাবমান হবে। কারণ, মানুষ এমন কাজ করতে প্রকৃতগতভাবে অভ্যস্ত। সুতরাং এ কাজে উৎসাহ ও অনুপ্রেরণা দেওয়ার প্রয়োজন নেই।
ইমাম মুহাম্মদ ইবনে হাসান শায়বানী রহ. বলেছেন: সকল ফিক্হবিদের সিদ্ধান্ত হলো, প্রয়োজন পরিমাণ উপার্জন ফরজ। এ পর্যায়ে كسب পরিভাষাটি দ্রষ্টব্য।
ঘ. ব্যক্তি ও সমাজের ক্ষতি না করা। ফিকহবিদগণ একমত পোষণ করেছেন যে, কোনো ব্যক্তি স্বীয় মালিকানাধীন বস্তু ব্যবহারের ক্ষেত্রে অন্যের ক্ষতিসাধনের ইচ্ছা পোষণ করা বৈধ নয়। যেহেতু রাসূলুল্লাহ স. বলেছেন:
لا ضَرَرَ وَلَا صَرَارَ
“ক্ষতি সাধন ও ক্ষতির দ্বারা প্রতিশোধ বৈধ নয়।”
এ হাদীস মানুষের সম্পদ, জীবন ও সম্মানের ক্ষতিসাধন করা অবৈধ হওয়া প্রমাণ করে। এমনিভাবে ক্ষতির দ্বারা ক্ষতির মোকাবেলা, ধ্বংসের দ্বারা ধ্বংসের মোকাবেলা করা জায়েয হবে না। সুতরাং এমন সব কাজ—যদিও তা মালিকের মালিকানাধীন হয়ে থাকে—নিষিদ্ধ, যা অন্যের ক্ষতির কারণ হয়। এজন্য ফিকহবিদগণ মালিককে ঝড়ের দিন আগুন প্রজ্জ্বলিত করতে নিষেধ করেছে—যদিও তা তার মালিকানাধীন। যদি সে আগুন জ্বালায় আর তার আগুন দ্বারা প্রতিবেশীর সম্পদ বিনষ্ট হয়, তাহলে সে সীমালঙ্ঘনকারী বিবেচিত হবে। তাই তার ওপর ক্ষতিপূরণ বর্তাবে।
তবে স্বাভাবিক কর্মকাণ্ড যেগুলোর দ্বারা প্রতিবেশীর ক্ষতি করা হয় তা থেকে প্রতিবেশীকে বারণ করার বিষয়ে ফকীহবৃন্দের তিনটি মত রয়েছে:
কতক ফিকহবিদ এমনটি করা থেকে বারণ করেননি। তারা হলেন হানাফী মাযহাবের পূর্ববর্তী ফকীহগণ, প্রাধান্যপ্রাপ্ত মতানুসারে শাফেয়ী ফিক্হবিদগণ এবং এক বর্ণনা মতে ইমাম আহমদ বিন হাম্বল রহ.।
আর কতক ফিক্হবিদ ক্ষতি করার ইচ্ছা থাকলে অথবা প্রচুর ক্ষতি হওয়ার ক্ষেত্রে বারণ করেছেন। তারা হলেন মালেকী ফিক্হবিদগণ, প্রসিদ্ধ মতানুসারে ইমাম আহমদ এবং কিছু শাফেয়ী ফিক্হবিদ।
আর কতক ফিক্হবিদ অধিক ক্ষতি ও অল্প ক্ষতির মধ্যে পার্থক্য করেন। তারা প্রথমটিতে বারণ করেন, আর দ্বিতীয়টিতে (অর্থাৎ অল্প ক্ষতির) ক্ষেত্রে বারণ করেন না। তারা হলেন এক বর্ণনা মতে ইমাম আবু ইউসুফ, হানাফীদের পরবর্তী ফিকহবিদগণ এবং কিছু শাফেয়ী ফিবিদ।
শরীয়ত যেমনিভাবে ব্যক্তির ক্ষতিসাধন থেকে বারণ করেছে তদ্রূপ সমাজের ক্ষতিসাধন থেকেও বারণ করেছে। এজন্য কুক্ষিগতকরণ, মজুদদারি, সুদ এবং এমন সব ব্যবসা অবৈধ করেছে যা ক্ষতির কারণ হয়।
টিকাঃ
৩৭. সূরা ইসরা, আয়াত ২৬-২৭
৩৮. সূরা ইসরা, আয়াত ২৯
৩৯. শায়বানী রচিত আল-কাসব, পৃ. ৭৯-৮২; তাহকীক ড. সুহাইল যাকার দামেস্ক
৪০. সূরা মুলক, আয়াত ১৫
৪১. সূরা জুমুআ, আয়াত ১০
৪২. হাদীস: তিরমিযী, (খ. ৩, পৃ. ২৪) যা আব্দুল্লাহ ইবনে আমর রা.-এর হাদীসের একাংশ
৪৩. মুগনিল মুহতাজ, খ. ৪, পৃ. ২১৩; ইহয়াউ উলুমিদ্দীন, খ. ১, পৃ. ১৭; তাইসীরুত তাহরীর, খ. ২, পৃ. ২১৩
৪৪. আল-কাসব, পৃ. ৪৪-৬৩
৪৫. হাদীস: মুওয়াত্তা, (খ. ২, পৃ. ৭৪৫) যা ইয়াহইয়া আল-মুযানীর হাদীসের একাংশ; ইবনে রাজাব কৃত জামেউল উলূম ওয়াল হিকাম, খ. ২, পৃ. ২০৮-২১১; ইবনে সালাহ এ সম্পর্কে মন্তব্য করেছেন, হাদীসটি সকল সনদে উত্তম
৪৬. সারাখসি রচিত আল-মাবসূত, খ. ১৫, পৃ. ১২; ফাতহুল কাদীর, খ. ৫, পৃ. ৫০৬; ইবনে আবেদীন রচিত টীকা, খ. ৫, পৃ. ৪৪৩; নিহায়াতুল মুহতাজ, খ. ৫, পৃ. ৩২৭; আল-কাওয়ানিনুল ফিকহিয়্যা, পৃ. ৩৭০; ইবনে কুদামা রচিত আল-মুগনী, খ. ৪, পৃ. ৩৮৮
৪৭. প্রাগুক্ত
📄 তৃতীয় : মালিকানা স্থানান্তরের সময় প্রযোজ্য শর্তাবলি
ফিক্হবিদগণের মতামত হলো, মালিকানা হস্তান্তরের ক্ষেত্রে কিছু শর্ত ও নিয়মনীতি রয়েছে। শরীয়ত হস্তান্তরের উপকরণসমূহকে—জীবদ্দশায় সাধারণ নিয়মের মতো—সন্তুষ্টি ও ইচ্ছার সাথে শর্তযুক্ত করেছে। এই সন্তুষ্টি ও সম্মতি প্রতারণা, আত্মসাৎ, জবর দখল, মিথ্যা ও ভুল বুঝাবুঝি ইত্যাদি দোষ হতে মুক্ত হতে হবে। কারণ, মহান আল্লাহর বাণী:
لا تَأْكُلُوا أَمْوَالَكُمْ بَيْنَكُمْ بِالْبَاطِل إلا أَنْ تَكُونَ تِجَارَةً عَنْ تَرَاضٍ مِنْكُمْ
“তোমরা তোমাদের সম্পদ অন্যায়ভাবে ভোগ করো না। তবে পারস্পরিক সন্তুষ্টিতে বাণিজ্যিকভাবে তা ভোগ করা যেতে পারে”।
এ সম্পর্কে রাসূলুল্লাহ স.-এর বাণী:
انما البيع عن تراض
“পরস্পর সম্মত থাকলেই তা হবে বিক্রি”।
অন্য হাদীসে রাসূলুল্লাহ স. বলেন,
لا يحل مَال امْرِئٍ مُسلِم إِلَّا مَا أَعْطَاهُ عَنْ طِيبٍ نَفْسِهِ
“মুসলমানের সম্পর্দের কেবল ঐ অংশ বৈধ যা সে সন্তুষ্টচিত্তে প্রদান করে।” বিস্তারিত দ্রষ্টব্য পরিভাষা رضا
এমনিভাবে ফিক্হবিদগণ মৃত্যুশয্যায় শায়িত মালিকের ইচ্ছাকে এক-তৃতীয়াংশ সম্পদের সাথে নির্ধারিত করে দিয়েছেন—যদি তার কাজটি হয় দান, অনুদান পুরস্কার, উপহার, আনুকূল্যপূর্ণ দান, অথবা অসিয়ত। দ্রষ্টব্য : পরিভাষা مَرَضُ الْمَوْتِ
এমন ব্যক্তি যাকে শরীয়ত স্বাধীনভাবে ক্রয়বিক্রয় করতে অনুমতি দেয়নি, তার এমন চুক্তি ও লেনদেনে যাতে তার ক্ষতি হতে পারে বা যাতে ক্ষতি হওয়াই স্বাভাবিক তাতে তার সম্মতি প্রকাশে শর্ত আরোপ করেছে। বিস্তারিত জানতে দ্রষ্টব্য حجر , سفه
মৃত্যু হলে মৃত ব্যক্তির যাবতীয় সম্পদ ফারায়েজের সূত্র অনুযায়ী উত্তরাধিকারীদের নিকট হস্তান্তরিত হয়। যেমনিভাবে এক-তৃতীয়াংশ সম্পত্তি থেকে তার অসিয়ত পূরণ করা হয়। এবং যাদের জন্য ওসিয়ত করা হয়েছে সম্পদসমূহ তাদের মালিকানায় হস্তান্তর করা হয়। বিস্তারিত দ্রষ্টব্য: পরিভাষা إِرْثُ وَوَصِيَّةٌ
টিকাঃ
৪৮. সূরা নিসা, আয়াত ২৯
৪৯. হাদীস: ইবনে মাজা, (খ. ২, পৃ. ৭৩৭), আবু সাঈদ খুদরী রা.-এর হাদীসের একাংশ
৫০. হাদীস: বায়হাকী (খ. ৬, পৃ. ৯৭), ইবনে আব্বাস রা. এ হাদীসের বর্ণনাকারী
৫১. ইনায়াসহ ফাতহুল কাদীর, খ. ৩, পৃ. ১৫৫; জামিউল ফুসুলাইন, খ. ২, পৃ. ১৮৩; শরহুত তালবীহ আলাত তাওযীহ, খ. ২, পৃ. ৩৫০; তাইসিরুত তাহরীর, খ. ২, পৃ. ২৭৭; আল-বাহরুর রায়েক, খ. ৪, পৃ. ৫০; হাশিয়া ইবনে আবেদীন, খ. ৩, পৃ. ৩৮৩; বাদায়েউস সানায়ে, খ. ৪, পৃ. ২০৭০, হাশিয়া দুসূকীসহ আশ-শারহুল কাবীর, খ. ৩, পৃ. ৩০৬; বুলগাতুস সালেক লিআকরাবিল মাসালিক, খ. ২, পৃ. ৬৪২; ইবনে জুযাই রচিত আল-কাওয়ানিনুল ফিকহিয়্যা, পৃ. ২৭৬; শরহুল খিরাশী, খ. ৫, পৃ. ৩০৪; ইমাম শাফেয়ী রচিত আল-উম্ম, খ. ৪, পৃ. ৩৫; আল-মুখতাসার, খ. ৩, পৃ. ২১৭; রওজাতুত তালিবীন, খ. ৭, পৃ. ৩৮৭ এবং খ. ৮, পৃ. ৭২; ইবনে কুদামা রচিত আল-মুগনী, খ. ৬, পৃ. ৮৪
📄 চতুর্থ : দায়িত্বশীল ব্যক্তির জন্য প্রদত্ত শর্তাবলি
শরীয়ত দায়িত্বশীল ব্যক্তিকে মালিকানার ওপর কতক শর্ত আরোপের অধিকার প্রদান করেছে। তন্মধ্যে একটি হলো:
📄 প্রথম : জনকল্যাণার্থে বিশেষ মালিকানাকে সীমাবদ্ধকরণ
শরীয়ত ব্যক্তিমালিকানার স্বীকৃতি দেয়, তাকে রক্ষা ও সংরক্ষণ করে। তাতে শরীয়তের সীমাবদ্ধ করণের মানদণ্ড জনকল্যাণের ওপর নির্ভরশীল—যা ব্যক্তিবিশেষের বা জাতিবিশেষের সাথে নির্ধারিত নয়। এটি পুরো সমাজব্যাপী। ইমাম শাতেবী রহ. বলেন, জনস্বার্থ ব্যক্তিস্বার্থের তুলনায় অগ্রাধিকার পাওয়ার উপযোগী।
সুতরাং স্বত্ব যদিও মালিকের জন্য নির্ধারিত এবং তার যথা ইচ্ছা নিয়ন্ত্রণ করার অধিকার আছে, তথাপি শরীয়ত কর্তৃক অন্যের অধিকারও সংরক্ষিত। তাই নিজের যাবতীয় অধিকার চর্চার ক্ষেত্রে অন্যের যাবতীয় স্বার্থ রক্ষা করা শর্ত। তন্মধ্যে একটি হলো মালিকানা। ইমাম শাতেবী রহ. বলেন, অনুমোদিত স্থানে মানুষ তার রিজিক অন্বেষণের ক্ষেত্রে আল্লাহর অধিকার এবং অন্য মানুষের অধিকারের প্রতি যত্নশীল হওয়া একান্ত কর্তব্য। আর আল্লাহর অধিকার হলো যা জনস্বার্থের সাথে সংশ্লিষ্ট।
টিকাঃ
৫২. আল-মুওয়াফাকাত, খ. ১, পৃ. ৩০
৫৩. আল-মুওয়াফাকাত, খ. ৩, পৃ. ২৪৭