📄 ঋণ
সকল ফকীহ এ কথায় একমত, মিছলী বস্তুতে কর্জ প্রদান ও গ্রহণ বৈধ। যেহেতু ঋণগ্রহণের দাবি ও চাহিদা হচ্ছে, যা নেওয়া হবে তার সদৃশ ফেরত দিতে হবে। এটি মিছলী বস্তুতে সহজেই সম্ভব; তা পরিমাপ যোগ্য বস্তু হোক বা ওজন করার বস্তু হোক। এমনিভাবে তা গুণে গুণে বেচাকেনা করার দ্রব্য হোক বা মেপে লেনদেন করার বস্তু হোক। যদি সবগুলো প্রায় এক ধরনের হয় তাহলেই তা কর্জ দেওয়া জায়েয হবে।
মিছলী বস্তু ভিন্ন অন্য বস্তু ধার দেওয়া যাবে কি-না তা নিয়ে ফকীহগণ মতপার্থক্য প্রকাশ করেছেন। মালেকী ও হাম্বলী মাযহাবের আলেমগণ এ সম্পর্কে বলেন, যা সালাম পদ্ধতিতে বেচাকেনা করা জায়েয তা ঋণ দেওয়াও জায়েয, তা প্রাণীই হোক বা অন্য কোনো সামগ্রী অথবা মিছলী বস্তু। এটি শাফেয়ী মাযহাবের অধিক প্রকাশিত মত। তারা বলেন, হাদীসে বর্ণিত হয়েছে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এক লোকের এক কমবয়সী উট ধার নিয়েছিলেন। এখানে ধার নেওয়া বস্তু কোনো মিছলী বস্তু-পরিমাপযোগ্য বা ওজনের বস্তু ছিল না। কিন্তু নবী তা ধার নেওয়ায় বোঝা গেল, এক্ষেত্রে মূল বিবেচ্য বিষয় হচ্ছে, দায়িত্বে যথাযথ রূপে ন্যস্ত থাকা এবং ঋণ পরিশোধের অনুভূতি জাগ্রত থাকা।
যদিও এ তিন মাযহাবের আলেমগণ ঋণ প্রদানের মাসআলায় যথেষ্ট উদার; যে সব বস্তুতে সালাম জায়েয সে সবই ধার দেওয়া জায়েয বলে মত প্রকাশ করেছেন, কিন্তু একটি ক্ষেত্রে তারা বিপরীত রায় প্রদান করেন। যদি কেউ কারো নিকট বাঁদী ধার হিসাবে চায়, সে বাঁদীর সাথে ঋণগ্রহীতার মিলন ও সহবাস বৈধ থাকে, তাহলে এক্ষেত্রে বাঁদীকে ধার দেওয়া জায়েয নয়। যেহেতু এ পরিস্থিতিতে ধার দেওয়া হবে সহবাসের জন্যে, অথচ সহবাসের জন্য ধার দেওয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ।
তারা বলেন, যে বস্তুতে সালাম জায়েয নয়, সে বস্তু কর্জ হিসাবে প্রদান করাও জায়েয নয়। যেহেতু যা খুবই দুর্লভ অথবা যার বৈশিষ্ট্যাদি লক্ষ রেখে তার সদৃশ বস্তু সংগ্রহ করা কষ্টকর, তার তুল্য বস্তু ফেরত দেওয়া হয়তো অসম্ভব অথবা খুব কষ্টকর। তাই এ ধরনের বস্তু কর্জ প্রদানই যথাযথ হবে না।
হানাফী মাযহাবের ফকীহদের এ সম্পর্কে মত হচ্ছে, মিছলী বস্তু ছাড়া অন্য কোনো বস্তু কর্জ দেওয়া জায়েয নয়। তা পশু হোক, কাঠ বা জমিন হোক। এমনিভাবে যে সকল বস্তুর সকল একক বরাবর নয়, বরং সেগুলোতে তারতম্য অনেক, সেগুলো কর্জ হিসাবে দেওয়া জায়েয হবে না; যেহেতু তার সদৃশ বস্তু ফেরত দেওয়া সম্ভব হবে না। অথচ ঋণ পরিশোধের ক্ষেত্রে সদৃশ বস্তু ফিরিয়ে দেওয়াই বিধান।
ইবনে আবেদীন বলেন, যে বস্তু কর্জ নেওয়া হবে তা থেকে উপকৃত হওয়া সম্ভব তা ব্যবহার করে নিঃশেষ করা হলেই। তাই তার সদৃশ বস্তু পরে ফিরিয়ে দেওয়া কর্তব্য হবে। তা মিছলী বস্তু ছাড়া কোনো কিছুতে সম্ভব নয়, আর তাই মিছলী বস্তুই কেবল ধার নেওয়া যথার্থ ও জায়েয।
আল-বাহরুর রায়েক গ্রন্থে বলা হয়েছে, যে বস্তু মিছলী না হওয়ায় ধার হিসাবে নেওয়া জায়েয নয়, তা যদি ঋণ নেওয়া হয়, তাহলে তা আরিয়ত বলে গণ্য হবে। আরিয়তে নেওয়া মূল বস্তুই ফেরত দেওয়া বিধান। তাই এখানেও যা ধার হিসাবে নেওয়া হবে তা-ই ফেরত দিতে হবে। বিস্তারিত জানতে দ্রষ্টব্য : قَرْضٌ
টিকাঃ
১০. মুসলিম, খ. ৩, পৃ. ১২২৪; মুহাম্মদ ফুয়াদ আব্দুল বাকী-এর তাহকীকসহ।
১১. হাশিয়া দুসূকী ও আশ-শারহুল কাবীর, খ. ৩, পৃ. ২২২; মুগনিল মুহতাজ, খ. ২, পৃ. ১১৮; ইবনে কুদামা, আল-মুগনী, খ. ৪, পৃ. ৩৫০
১২. রদ্দুল মুহতার, খ. ৪, পৃ. ১৭১
১৩. প্রাগুক্ত
📄 অংশীদারী
অধিকাংশ ফকীহ ও আলেমের মতে, অংশীদারী কারবারে পুঁজি হবে মিছলী বস্তুর মিশ্রণ, সকল অংশীদার মিছলী বস্তু পুঁজি হিসাবে বিনিয়োগ করবে। তারা বিষয়টিতে আরো সংকোচন এনে বলেন, যে কোনো মিছলী বস্তু নয়, বরং পুঁজি হবে স্বর্ণমুদ্রা ও রৌপ্যমুদ্রা।
আদ-দুররুল মুখতার-এর গ্রন্থকার লিখেছেন: স্বর্ণমুদ্রা ও রৌপ্যমুদ্রা- যেগুলো প্রচলিত কেবল সেগুলো দ্বারা অংশীদারী ব্যবসা করা যথাযথ ও জায়েয হবে; অন্য কিছু দ্বারা নয়। স্বর্ণ ও রৌপ্যের পিণ্ড বা খণ্ড দিয়েও অংশীদারী ব্যবসা করা যেতে পারে- যদি এগুলোর প্রচলন থাকে।
এ আলোচনায় প্রমাণিত হলো, স্বর্ণ ও রৌপ্য ব্যতীত অন্য কোনো জিনিস পুঁজি হবে না- তা মিছলী হোক, পরিমাপযোগ্য বস্তু বা ওজনের বস্তু হোক, অথবা গুণে গুণে বেচাকেনার বস্তু হোক। এ সকল মিছলী বস্তু সমজাতীয় বস্তুর সাথে মিলানোর পূর্বেও তা পুঁজি বলে গণ্য হবে না, মিলানোর পরও নয়। এটিই হানাফী মাযহাবের আলেমদের মত, তাদের প্রকাশ্য অভিমত যা তাদের ফতোয়া, যা প্রথমত ইমাম আবু ইউসুফ রহ.-এর একক মত ছিল।
হাম্বলী মাযহাবের আলেমগণ এর কাছাকাছি মত ব্যক্ত করেছেন। শাফেয়ীদেরও এটি একটি মত। তা হচ্ছে, অংশীদারী কারবারে পুঁজি হবে কেবল ছাপ আঁকা মুদ্রা। শাফেয়ীদের যে মতটি তাদের ফতোয়া তা হানাফী মাযহাবের ইমাম মুহাম্মদ রহ.-এর অভিমত। তা হচ্ছে, স্বর্ণ ও রৌপ্যের মুদ্রা ব্যতীত অন্য মিছলী বস্তুও অংশীদারী কারবারে পুঁজি হতে পারে। যেমন ধান, গম ইত্যাদি। এক্ষেত্রে একটি শর্ত রয়েছে। তা হলো, এক জাতীয় বস্তুই একত্র করা হবে। শারবীনী তার কারণ বর্ণনা করে বলেন, যখন সকলে একজাতীয় জিনিস পুঁজি হিসাবে একত্র করবে তাতে কোনো তারতম্যও আর থাকবে না। ফলে এটি স্বর্ণমুদ্রা ও রৌপ্যমুদ্রার সদৃশ বলে পরিগণিত হবে। মালেকী আলেমদের এক্ষেত্রে বিস্তারিত বক্তব্য রয়েছে, যার জন্যে দ্রষ্টব্য : شركة
টিকাঃ
১৪. হাশিয়া রুদ্দুল মুহতার ও আদ-দুররুল মুখতার, খ. ৩, পৃ. ৩৪০; হাশিয়া দুসূকী, খ. ৩, পৃ. ৩৪৮
১৫. মুগনিল মুহতাজ, খ. ২, পৃ. ২১৩; ইবনে কুদামা, আল-মুগনী, খ. ৫, পৃ. ১৬
১৬. রদ্দুল মুহতার, খ. ৩, পৃ. ৩৪০; মুগনিল মুহতাজ, খ. ২, পৃ. ২১৩
📄 সম্পদ বণ্টন
হানাফী মাযহাবের আলেমগণ বলেন: সম্পদ ও সম্পত্তি উত্তরাধিকারীদের মাঝে বণ্টনের দুটি দিক রয়েছে: এক. ইফরায (إفراز) : সকল উত্তরাধিকারীর সম্পদ পৃথককরণ এবং দুই. মুবাদালাহ (مُبَادَلَ): একের অংশের সাথে অপরের অংশের বদলাবদলি। তবে মিছলী বস্তু যখন উত্তরাধিকারীদের মধ্যে যার যা অংশ তা বণ্টন করা হয়, তাতে বিনিময়ের চাইতে সম্পদ পৃথককরণই থাকে অধিক প্রকাশ্য। তাই কোনো মিছলী বস্তুতে দুজন অংশীদার থাকা অবস্থায় একজন অপরজনের অবর্তমানে তার অংশটুকু নিয়ে নিতে পারে। অপরজন শুধু অবর্তমান নয়, তার অনুমতিরও তখন প্রয়োজন হয় না, যদি সে মিছলী বস্তুটি তাদের দুই শরীকের হাতেই ন্যস্ত থাকে।
একজনের অবর্তমানে এমনকি তার অনুমতিরও অপেক্ষা না করে অপরজন মিছলী বস্তুতে থাকা তার অংশ নিয়ে নেওয়ার বৈধতার পক্ষে হানাফী মাযহাবের আলেমগণ যে কারণ দর্শান তা হলো, এটি হচ্ছে যার অংশ তার তা নিয়ে যাওয়া। যেহেতু সে তার নিজের অংশ নিয়ে যাচ্ছে, তাই এখানে অপর অংশীদারের উপস্থিতি বা অনুমতির কোনো প্রয়োজন নেই।
কীমী বস্তুতে অবস্থা সম্পূর্ণ বিপরীত; তাতে বদলাবদলির দিকটিই অধিক প্রকাশ্য। তাই কে কোন্টি নিবে তা সকলের সম্মতি অথবা বিচারকের নির্দেশ মোতাবেক হতে হবে। তাই কোনো কীমী বস্তুতে দুজন অংশীদার থাকলে একজনের অনুপস্থিতিতে অপরজন তার অংশ নিয়ে যেতে পারবে না। সেক্ষেত্রে একজনের বিনা অনুমতিতে অপরজন তা ভাগ বণ্টনই করতে পারবে না। অন্য সকল মাযহাবের আলেম ও ফকীহ এ বিষয়টিতে বিস্তারিত আলোচনা করেছেন। বিস্তারিত জানতে দ্রষ্টব্য : قسمة
টিকাঃ
১৭. মাজাল্লাতুল আহকামিল আদলিয়্যা, ধারা : ১১১৬-১১১৭; আলী হায়দার, শারহুল মাজাল্লা, খ. ৩, পৃ. ১০৪-১০৬
📄 দ্বিতীয়ত : সম্পদ বিনষ্ট ও ধ্বংসকরণ
ফকীহগণ এ কথায় একমত, যদি কেউ কারো সম্পদ অন্যায়ভাবে নষ্ট করে তাহলে অবশ্যই তাকে তার ক্ষতিপূরণ দিতে হবে। যা বিনষ্ট করা হয়েছে তা যদি মিছলী বস্তু হয় তাহলে সে পরিমাণ মিছলী বস্তু প্রদান করে তার ক্ষতিপূরণ আদায় করা হবে। যদি ধ্বংসপ্রাপ্ত বস্তুটি কীমী হয় তাহলে তার মূল্য প্রদান করতে হবে। সেক্ষেত্রে যে জায়গায় তা ধ্বংস করা হয়েছে সে স্থানে বস্তুটির যে মূল্য রয়েছে তা ধর্তব্য হবে।
যদি ওই মিছলী বস্তুটি এখন আর বাজারে পাওয়া না যায়, তাহলে এক্ষেত্রেও সকলেই একমত যে, সে বস্তুর মূল্য আদায় করতে হবে। কিন্তু মূল্য নির্ধারণের আলোচনায় ফকীহগণ নানা মত বর্ণনা করেছেন। জিনিসটি ধ্বংস করার সময় তার মূল্য যা ছিল তা ধর্তব্য হবে? যেদিন বাজারে সর্বশেষ পাওয়া গিয়েছিল সেদিনের দাম ধরা হবে? যেদিন ক্ষতিপূরণ চাওয়া হচ্ছে সেদিনের মূল্য সাব্যস্ত হবে? যেদিন ক্ষতিপূরণ আদায় করা হচ্ছে সেদিন জিনিসটির মূল্য যা তা ধর্তব্য হবে? ফকীহগণ এমনি নানা দৃষ্টিভঙ্গিতে ভিন্ন ভিন্ন মত প্রদান করেছেন। বিস্তারিত জানতে দ্রষ্টব্য : إتلاف
যদিও নিয়ম হচ্ছে, মিছলী বস্তুর বিনিময়ে মিছলী বস্তু প্রদান, কিন্তু কতক মিছলী বস্তুর বিনিময় প্রদান করতে হয় মূল্য দ্বারা। তাজুদ্দীন সুবকী ও জালালুদ্দীন সুয়ূতী এমনই কতগুলো অবস্থা আলোচনা করেছেন। সে অবস্থাগুলোতে অপহরণ করা ব্যতীত সম্পদ ধ্বংস করা হয়, তার বিনিময় আদায় করতে হয় মূল্য দ্বারা। যথা:
এক. মরুপ্রান্তরে থাকা পানি ধ্বংস করা। এখানে যার পানি ধ্বংস করা হয়েছে সে এবং যে তা ধ্বংস করেছে উভয়ে যদি পরে কোনো শহর এলাকায় এসে উপস্থিত হয়, এমনকি কোনো নদীর পাড়ে এলেও এ ক্ষতির পূরণ করতে হবে সে তেপান্তরে থাকাকালে সে পানিটুকুর যা মূল্য ছিল তার দ্বারা।
দুই. গ্রীষ্মকালে কারো মালিকানায় থাকা বরফ নষ্ট ও ধ্বংস করার পর ধ্বংসকারী তার বদলা দিতে চাচ্ছে শীতকালে, তাহলে তাকে সে বরফের মূল্য আদায় করতে হবে যখন ধ্বংস করেছে তখনকার মূল্য হিসাব করে।
তিন. কারো অলঙ্কার ধ্বংস করা হলে তার মূল্য পরিশোধ করতে হবে। এ সময় তৈরির খরচও তাতে হিসাব করতে হবে।
ইবনে নুজাইম তাঁর আল-বাহরুর রায়েক গ্রন্থে এমন কতক অবস্থা উল্লেখ করেছেন, যেগুলোতে মূল বস্তু মিছলী হওয়া সত্ত্বেও তার ক্ষতিপূরণ আদায় করতে হয় মূল্য পরিশোধ করার মাধ্যমে। তন্মধ্যে একটি হচ্ছে: যদি ক্রেতা ও বিক্রেতার কথার মাঝে মতান্তর হয়, উভয়ে শপথ করে এবং লেনদেন ভেঙ্গে দেয়; এদিকে পণ্যটি ধ্বংস হয়ে যায়, তাহলে তার মূল্য দ্বারা বিনিময় আদায় করতে হবে, বস্তুটি মিছলী হলেও সেদিকে লক্ষ করা হবে না। এটি ইমাম মুহাম্মদ রহ.-এর অভিমত।
অপর একটি অবস্থা: যদি কোনো ত্রুটিপূর্ণ লেনদেনের মাধ্যমে কেউ কোনো বস্তু কজা করে, তা ধ্বংস হয়ে গেলে এখন তাকে তার মূল্য পরিশোধ করতে হবে। যেহেতু এটি যে কজা করেছে তা তার দায়িত্বে এসে পড়েছে। কিন্তু লেনদেনটি ত্রুটিপূর্ণ হওয়ার দরুন তা তাকে ফিরিয়ে দিতে হবে। এক্ষেত্রে ইমাম মুহাম্মদ রহ. বলেন, যেদিন ধ্বংস করা হয়েছে সেদিনের মূল্য আদায় করতে হবে, অন্য সকলের মতে যেদিন কজা করা হয়েছে সেদিনের মূল্য।
অপর একটি অবস্থা: কোনো মিছলী বস্তু ছিনিয়ে নেওয়ার পর তা আর এখন বাজারে না পাওয়া গেলে তার মূল্য প্রদান করতে হবে। ইমাম আবু হানিফা ও তাঁর ছাত্রদের এ অভিমত হলেও মূল্য নির্ধারণ করা হবে কোন্ দিনের মূল্য বিবেচনা করে, তা নিয়ে তাদের প্রত্যেকে ভিন্ন ভিন্ন মত ব্যক্ত করেছেন। এ কথায় সকল আলেম ও ফকীহ একমত যে, কোনো কারণে মিছলী বস্তুর অনুরূপ বস্তু ফেরত দেওয়া সম্ভব না হলেই তার মূল্য ফেরত দেওয়া কর্তব্য ও আবশ্যক হবে।
টিকাঃ
১৮. মাজাল্লাতুল আহকামিল আদলিয়্যা, ধারা: ৪১৫
১৯. সুয়ূতী, আল-আশবাহ ওয়ান নাযায়ের, পৃ. ৩৮৫; ইবনে সুবকী, আল-কাওয়ায়েদ, পৃ. ৮০
২০. ইবনে নুজাইম, আল-আশবাহ ওয়ান নাযায়ের, পৃ. ৩৬৩
২১. প্রাগুক্ত