📄 সম্পদের সাথে সংশ্লিষ্ট অধিকার
সম্পদের সাথে সংশ্লিষ্ট অধিকার হয়তো আল্লাহর অধিকার হবে অথবা মানুষের অধিকার হবে।
মহান আল্লাহর অধিকার হলো যা জনকল্যাণের সাথে সম্পর্কযুক্ত; কোনো ব্যক্তিবিশেষের জন্য নির্ধারিত নয়। বরং তা সকলের ওপর বর্তায়। এ ধরনের অধিকারের গুরুত্ব তুলে ধরতে আল্লাহর সাথে সম্বন্ধযুক্ত করা হয়। এই প্রকার অধিকারের অন্তর্ভুক্ত: সম্পদের যাকাত, ঈদুল ফিতরের সদকা, কাফফারা, কৃষি ভূমির খারাজ ইত্যাদি।
মানুষের অধিকার হলো কতিপয় লোকের অন্যের ওপর আর্থিক অধিকার, যেমন : পণ্যের মূল্য, ঋণ, ভরণপোষণ ইত্যাদি। বিস্তারিত বিবরণের জন্য حَقٌّ পরিভাষা দেখুন।
সম্পদের সাথে সংশ্লিষ্ট অধিকার হয়তো আল্লাহর অধিকার হবে অথবা মানুষের অধিকার হবে।
মহান আল্লাহর অধিকার হলো যা জনকল্যাণের সাথে সম্পর্কযুক্ত; কোনো ব্যক্তিবিশেষের জন্য নির্ধারিত নয়। বরং তা সকলের ওপর বর্তায়। এ ধরনের অধিকারের গুরুত্ব তুলে ধরতে আল্লাহর সাথে সম্বন্ধযুক্ত করা হয়। এই প্রকার অধিকারের অন্তর্ভুক্ত: সম্পদের যাকাত, ঈদুল ফিতরের সদকা, কাফফারা, কৃষি ভূমির খারাজ ইত্যাদি।
মানুষের অধিকার হলো কতিপয় লোকের অন্যের ওপর আর্থিক অধিকার, যেমন : পণ্যের মূল্য, ঋণ, ভরণপোষণ ইত্যাদি। বিস্তারিত বিবরণের জন্য حَقٌّ পরিভাষা দেখুন।
📄 বিভিন্ন সম্পদ : সুদী এবং অন্যান্য
সম্পদ দুই প্রকারে বিভক্ত:
ক. সুদী সম্পদ: ফিক্হবিদগণ ঐ ছয় প্রকার সম্পদ সুদী হওয়ার কথায় ঐকমত্য পোষণ করেছেন, আবু সাঈদ খুদরী রা. কর্তৃক বর্ণিত রাসূল স.- এর হাদীসে যে ছয় প্রকারের উল্লেখ করা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ্ স. বলেন:
الذَّهَبُ بِالذَّهَبِ وَالْفِضَّةُ بِالْفِضَّةِ وَالْبَرُّ بِالْبُرِّ وَالشَّعِيرُ بِالشَّعِيرِ وَالتَّمْرُ بِالتَّمْرِ وَالْمِلْحُ بِالْمِلْحِ ، مثلاً بمثْلٍ ، يَدًا يَدٍ ، فَمَنْ زَادَ أَوِ اسْتَرَادَ فَقَدْ أَرْبَى ، الْأَخِذُ وَالْمُعْطِي فِيهِ سَوَاءً
"স্বর্ণ স্বর্ণের বিনিময়ে, রৌপ্য রৌপ্যের বিনিময়ে, গম গমের বিনিময়ে, খেজুর খেজুরের বিনিময়ে এবং লবণ লবণের বিনিময়ে সমান সমান করে বিক্রি হবে এবং নগদ বিক্রি হবে। সুতরাং যে লোক বাড়িয়ে দেয় অথবা বাড়িয়ে চায় সে সুদ লেনদেন করে। গ্রহীতা এবং দাতা এ ক্ষেত্রে সমান (পাপী)।"
ফিকহবিদগণ এই ছয় প্রকার ছাড়া অন্য বস্তুর ক্ষেত্রে মতবিরোধ করেছেন। বিস্তারিত বিবরণের জন্য ↳ পরিভাষা দেখুন।
খ. সুদবিহীন সম্পদ: হাদীসে বর্ণিত ছয় প্রকার এবং হারামের কারণ থাকার ভিত্তিতে ফিক্হবিদগণ এই ছয় প্রকারের সাথে আরো যা যোগ করেন সেগুলো ছাড়া অন্য সম্পদ। বিস্তারিত বিবরণের জন্য ↳ পরিভাষা দেখুন।
টিকাঃ
৪৯. মুসলিম, খ. ৩, পৃ. ২১১, প্রকাশক: হালাবী
সম্পদ দুই প্রকারে বিভক্ত:
ক. সুদী সম্পদ: ফিক্হবিদগণ ঐ ছয় প্রকার সম্পদ সুদী হওয়ার কথায় ঐকমত্য পোষণ করেছেন, আবু সাঈদ খুদরী রা. কর্তৃক বর্ণিত রাসূল স.- এর হাদীসে যে ছয় প্রকারের উল্লেখ করা হয়েছে। রাসূলুল্লাহ্ স. বলেন:
الذَّهَبُ بِالذَّهَبِ وَالْفِضَّةُ بِالْفِضَّةِ وَالْبَرُّ بِالْبُرِّ وَالشَّعِيرُ بِالشَّعِيرِ وَالتَّمْرُ بِالتَّمْرِ وَالْمِلْحُ بِالْمِلْحِ ، مثلاً بمثْلٍ ، يَدًا يَدٍ ، فَمَنْ زَادَ أَوِ اسْتَرَادَ فَقَدْ أَرْبَى ، الْأَخِذُ وَالْمُعْطِي فِيهِ سَوَاءً
"স্বর্ণ স্বর্ণের বিনিময়ে, রৌপ্য রৌপ্যের বিনিময়ে, গম গমের বিনিময়ে, খেজুর খেজুরের বিনিময়ে এবং লবণ লবণের বিনিময়ে সমান সমান করে বিক্রি হবে এবং নগদ বিক্রি হবে। সুতরাং যে লোক বাড়িয়ে দেয় অথবা বাড়িয়ে চায় সে সুদ লেনদেন করে। গ্রহীতা এবং দাতা এ ক্ষেত্রে সমান (পাপী)।"
ফিকহবিদগণ এই ছয় প্রকার ছাড়া অন্য বস্তুর ক্ষেত্রে মতবিরোধ করেছেন। বিস্তারিত বিবরণের জন্য ↳ পরিভাষা দেখুন।
খ. সুদবিহীন সম্পদ: হাদীসে বর্ণিত ছয় প্রকার এবং হারামের কারণ থাকার ভিত্তিতে ফিক্হবিদগণ এই ছয় প্রকারের সাথে আরো যা যোগ করেন সেগুলো ছাড়া অন্য সম্পদ। বিস্তারিত বিবরণের জন্য ↳ পরিভাষা দেখুন।
টিকাঃ
৪৯. মুসলিম, খ. ৩, পৃ. ২১১, প্রকাশক: হালাবী