📄 প্রকাশ্য-অপ্রকাশ্য সম্পদের যাকাত
যাকাতের হকদারদের মাঝে যাকাত বিতরণের উদ্দেশ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে যাকাত প্রদান করা ফরয, এ দিক থেকে সম্পদ দুই প্রকার: ১. অপ্রকাশ্য (باطنة); ২. প্রকাশ্য (ظاهرة)।
সকল ফিক্হবিদের মত হলো, অপ্রকাশ্য সম্পদের যাকাত প্রদানের বিষয়টি মালিকের ওপর ন্যস্ত। অপর দিকে প্রকাশ্য সম্পদে রয়েছে বিস্তারিত বিবরণ যা ; যাকাত অধ্যায়ে দ্রষ্টব্য।
যাকাতের হকদারদের মাঝে যাকাত বিতরণের উদ্দেশ্যে সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিকে যাকাত প্রদান করা ফরয, এ দিক থেকে সম্পদ দুই প্রকার: ১. অপ্রকাশ্য (باطنة); ২. প্রকাশ্য (ظاهرة)।
সকল ফিক্হবিদের মত হলো, অপ্রকাশ্য সম্পদের যাকাত প্রদানের বিষয়টি মালিকের ওপর ন্যস্ত। অপর দিকে প্রকাশ্য সম্পদে রয়েছে বিস্তারিত বিবরণ যা ; যাকাত অধ্যায়ে দ্রষ্টব্য।
📄 অবৈধ সম্পদ থেকে নিষ্কৃতি
মুসলিমের হাতে থাকা সম্পদ যদি অবৈধ হয়ে থাকে তাহলে তা রেখে দেওয়া বৈধ হবে না। উক্ত সম্পদ পরিহার করতে হবে। উক্ত সম্পদ হয়তো অবিমিশ্র অবৈধ সম্পদ হবে যার বিধান এবং তা থেকে মুক্তি লাভের পদ্ধতি كَسْبٌ (কাস্ব) বা উপার্জন পরিভাষাতে আলোচিত হয়েছে। অথবা উক্ত সম্পদ মিশ্র হবে অর্থাৎ কিছু বৈধ আর কিছু অবৈধ হবে। এবং একটি আরেকটি থেকে পৃথক করা সম্ভব হবে না। সকল ফিক্হবিদের মত হলো, যার হাতে এই (মিশ্র) সম্পদ আছে তার অন্য সম্পদ থেকে এ অবৈধ পরিমাণ সম্পদ আলাদা করা এবং তা প্রাপ্য ব্যক্তিকে প্রদান করা আবশ্যক। আর তাহলেই অবশিষ্টাংশ তার হাতে বৈধরূপে থাকবে।
বৈধ-অবৈধ সম্পদের ক্ষেত্রে ইমাম আহমদ রহ. বলেন: সম্পদ যদি অধিক পরিমাণ হয় তাহলে অবৈধটুকু পৃথক করে অবশিষ্টাংশ ব্যবহার করবে। আর যদি সম্পদ সামান্য পরিমাণ হয় তাহলে পুরোটা পরিহার করবে। কারণ, সামান্য সম্পদ থেকে যদি কিছু গ্রহণ করে তাহলে অবৈধ থেকে নিরাপদ থাকা কঠিন। পক্ষান্তরে অধিক পরিমাণ সম্পদের কথা ভিন্ন।
কতিপয় কট্টরপন্থী সুফীর মাযহাব হলো- যেমনটি ইবনুল আরাবি বলেন: বৈধ সম্পদের সাথে যদি অবৈধ সম্পদ এমনভাবে মিশে যায় যে, তা পৃথক করা যায় না। অতঃপর (অনুমানভিত্তিক কিছু) অবৈধ সম্পদকে পৃথক করা হয় তাহলে উক্ত সম্পদ বৈধ হবে না। কারণ, সম্ভাবনা আছে যে অংশ পৃথক করা হয়েছে সেই অংশটাই বৈধ আর যে অংশ রয়ে গেছে সেই অংশটাই অবৈধ।
টিকাঃ
৪০. ইবনে আরাবী, আহকামুল কুরআন, খ. ১, পৃ. ২৪৫; বাদায়েউল ফাওয়াইদ, খ. ৩, পৃ. ২৫৭; জামিউল উলুম ওয়াল হিকাম, খ. ১, পৃ. ২০০
মুসলিমের হাতে থাকা সম্পদ যদি অবৈধ হয়ে থাকে তাহলে তা রেখে দেওয়া বৈধ হবে না। উক্ত সম্পদ পরিহার করতে হবে। উক্ত সম্পদ হয়তো অবিমিশ্র অবৈধ সম্পদ হবে যার বিধান এবং তা থেকে মুক্তি লাভের পদ্ধতি كَسْبٌ (কাস্ব) বা উপার্জন পরিভাষাতে আলোচিত হয়েছে। অথবা উক্ত সম্পদ মিশ্র হবে অর্থাৎ কিছু বৈধ আর কিছু অবৈধ হবে। এবং একটি আরেকটি থেকে পৃথক করা সম্ভব হবে না। সকল ফিক্হবিদের মত হলো, যার হাতে এই (মিশ্র) সম্পদ আছে তার অন্য সম্পদ থেকে এ অবৈধ পরিমাণ সম্পদ আলাদা করা এবং তা প্রাপ্য ব্যক্তিকে প্রদান করা আবশ্যক। আর তাহলেই অবশিষ্টাংশ তার হাতে বৈধরূপে থাকবে।
বৈধ-অবৈধ সম্পদের ক্ষেত্রে ইমাম আহমদ রহ. বলেন: সম্পদ যদি অধিক পরিমাণ হয় তাহলে অবৈধটুকু পৃথক করে অবশিষ্টাংশ ব্যবহার করবে। আর যদি সম্পদ সামান্য পরিমাণ হয় তাহলে পুরোটা পরিহার করবে। কারণ, সামান্য সম্পদ থেকে যদি কিছু গ্রহণ করে তাহলে অবৈধ থেকে নিরাপদ থাকা কঠিন। পক্ষান্তরে অধিক পরিমাণ সম্পদের কথা ভিন্ন।
কতিপয় কট্টরপন্থী সুফীর মাযহাব হলো- যেমনটি ইবনুল আরাবি বলেন: বৈধ সম্পদের সাথে যদি অবৈধ সম্পদ এমনভাবে মিশে যায় যে, তা পৃথক করা যায় না। অতঃপর (অনুমানভিত্তিক কিছু) অবৈধ সম্পদকে পৃথক করা হয় তাহলে উক্ত সম্পদ বৈধ হবে না। কারণ, সম্ভাবনা আছে যে অংশ পৃথক করা হয়েছে সেই অংশটাই বৈধ আর যে অংশ রয়ে গেছে সেই অংশটাই অবৈধ।
টিকাঃ
৪০. ইবনে আরাবী, আহকামুল কুরআন, খ. ১, পৃ. ২৪৫; বাদায়েউল ফাওয়াইদ, খ. ৩, পৃ. ২৫৭; জামিউল উলুম ওয়াল হিকাম, খ. ১, পৃ. ২০০
📄 মুসলিম এবং কর প্রদানকারী অমুসলিম নাগরিকের সম্পদের মর্যাদা
মুসলিম এবং কর প্রদানকারী অমুসলিম নাগরিকের সম্পদের মর্যাদার ব্যাপারে ফিকহবিদগণ একমত পোষণ করেছেন। তা ছিনতাই করা, জোরপূর্বক দখল করা, কোনোভাবে সামান্য পরিমাণও আত্মসাৎ করা নিম্নের আয়াত ও হাদীসের আলোকে অবৈধ হবে:
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَأْكُلُوا أَمْوَالَكُمْ بَيْنَكُمْ بِالْبَاطِلِ إِلا أَن تَكُونَ تِجَارَةً عَن تَرَاضٍ مِّنكُمْ "হে মুসলিমগণ! তোমরা অন্যায়ভাবে পরস্পরের সম্পদ আত্মসাৎ করো না, তবে যদি নিজেদের সন্তুষ্টির ভিত্তিতে ব্যবসা হয়ে থাকে (তাহলে তার অনুমতি রয়েছে)।"
রাসুলে কারীম সা. বলেছেন: إِنْ دِمَاءَكُمْ وَأَمْوَالَكُمْ وَأَعْرَاضَكُمْ حَرَامٌ عَلَيْكُمْ كَحُرْمَةِ يَوْمِكُمْ هَذَا فِي بَلَدِكُمْ هَذَا فِي شَهْرِكُمْ هَذَا "নিশ্চয় তোমাদের জীবন, তোমাদের সম্পদ, তোমাদের মর্যাদা এই মাসের এই নগরীর এবং এই দিনের সম্মানের ন্যায় সম্মানপূর্ণ।
রাসূলুল্লাহ্ স. আরো বলেন: أَلَا مَنْ ظَلَمَ مُعَاهَدًا أَوِ انْتَقَصَهُ حَقَّهُ أَوْ كَلْفَهُ فَوْقَ طَاقَتِهِ أَوْ أَخَذَ مِنْهُ شَيْئًا بِغَيْرِ طِيبِ نَفْسٍ مِنْهُ ، فَأَنَا حَجِيجُهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ "জেনে রাখো, যে লোক চুক্তিবদ্ধ ব্যক্তির ওপর নির্যাতন করে অথবা তার অধিকারে ত্রুটি করে অথবা সামর্থ্যের বেশি দায়িত্ব চাপিয়ে দেয় অথবা তার সন্তুষ্টি ব্যতীত তার সম্পদ থেকে কিছু নেয়, কিয়ামতের দিন আমি তার প্রতিপক্ষ হবো।" বিস্তারিত বিবরণের জন্য غَصْبٌ ও أهل الذمه দেখুন।
টিকাঃ
৪১. সূরা নিসা, আয়াত ২৯
৪২. বুখারী (ফাতহুল বারী, খ. ১, পৃ. ১৫৮); মুসলিম, খ. ৩, পৃ. ১৩০৫) যা আবু বাকরা রা. কর্তৃক বর্ণিত, হাদীসটি সহীহ মুসলিম থেকে নেওয়া হয়েছে।
৪৩. আবু দাউদ, খ. ৩, পৃ. ৪৩৭, ইরাকী বলেন: اسناده جيد (তানযিহুশ শরীয়াহ, খ. ২, পৃ. ১৮২, মাকতাবাতুল কাহেরা কর্তৃক প্রকাশিত)
মুসলিম এবং কর প্রদানকারী অমুসলিম নাগরিকের সম্পদের মর্যাদার ব্যাপারে ফিকহবিদগণ একমত পোষণ করেছেন। তা ছিনতাই করা, জোরপূর্বক দখল করা, কোনোভাবে সামান্য পরিমাণও আত্মসাৎ করা নিম্নের আয়াত ও হাদীসের আলোকে অবৈধ হবে:
يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا لَا تَأْكُلُوا أَمْوَالَكُمْ بَيْنَكُمْ بِالْبَاطِلِ إِلا أَن تَكُونَ تِجَارَةً عَن تَرَاضٍ مِّنكُمْ "হে মুসলিমগণ! তোমরা অন্যায়ভাবে পরস্পরের সম্পদ আত্মসাৎ করো না, তবে যদি নিজেদের সন্তুষ্টির ভিত্তিতে ব্যবসা হয়ে থাকে (তাহলে তার অনুমতি রয়েছে)।"
রাসুলে কারীম সা. বলেছেন: إِنْ دِمَاءَكُمْ وَأَمْوَالَكُمْ وَأَعْرَاضَكُمْ حَرَامٌ عَلَيْكُمْ كَحُرْمَةِ يَوْمِكُمْ هَذَا فِي بَلَدِكُمْ هَذَا فِي شَهْرِكُمْ هَذَا "নিশ্চয় তোমাদের জীবন, তোমাদের সম্পদ, তোমাদের মর্যাদা এই মাসের এই নগরীর এবং এই দিনের সম্মানের ন্যায় সম্মানপূর্ণ।
রাসূলুল্লাহ্ স. আরো বলেন: أَلَا مَنْ ظَلَمَ مُعَاهَدًا أَوِ انْتَقَصَهُ حَقَّهُ أَوْ كَلْفَهُ فَوْقَ طَاقَتِهِ أَوْ أَخَذَ مِنْهُ شَيْئًا بِغَيْرِ طِيبِ نَفْسٍ مِنْهُ ، فَأَنَا حَجِيجُهُ يَوْمَ الْقِيَامَةِ "জেনে রাখো, যে লোক চুক্তিবদ্ধ ব্যক্তির ওপর নির্যাতন করে অথবা তার অধিকারে ত্রুটি করে অথবা সামর্থ্যের বেশি দায়িত্ব চাপিয়ে দেয় অথবা তার সন্তুষ্টি ব্যতীত তার সম্পদ থেকে কিছু নেয়, কিয়ামতের দিন আমি তার প্রতিপক্ষ হবো।" বিস্তারিত বিবরণের জন্য غَصْبٌ ও أهل الذمه দেখুন।
টিকাঃ
৪১. সূরা নিসা, আয়াত ২৯
৪২. বুখারী (ফাতহুল বারী, খ. ১, পৃ. ১৫৮); মুসলিম, খ. ৩, পৃ. ১৩০৫) যা আবু বাকরা রা. কর্তৃক বর্ণিত, হাদীসটি সহীহ মুসলিম থেকে নেওয়া হয়েছে।
৪৩. আবু দাউদ, খ. ৩, পৃ. ৪৩৭, ইরাকী বলেন: اسناده جيد (তানযিহুশ শরীয়াহ, খ. ২, পৃ. ১৮২, মাকতাবাতুল কাহেরা কর্তৃক প্রকাশিত)
📄 শরীয়তে বারণকৃতদের নিকট সম্পদ সোপর্দকরণ
সকল ফিকহবিদের মাযহাব হলো ছোট শিশু বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন সাবালক না হওয়া পর্যন্ত তার কাছে সম্পদ সোপর্দ করা যাবে না। এ সম্পর্কে দলিল ও প্রমাণ হচ্ছে আল্লাহ তা'আলার নির্দেশ:
وَابْتَلُوا الْيَتَامَى حَتَّى إِذَا بَلَغُوا النِّكَاحَ فَإِنْ آنَسْتُم مِّنْهُمْ رُشْدًا فَادْفَعُوا إِلَيْهِمْ أَمْوَالَهُمْ "তোমরা ইয়াতিমদেরকে পরীক্ষা করো- যে পর্যন্ত তারা বিবাহের বয়সে উপনীত না হয়। যদি তোমরা তাদের মধ্যে বুদ্ধিমত্তা দেখতে পাও তবে তাদের নিকট তাদের সম্পদ সোপর্দ করো।"
ইমাম আবু হানীফা রহ. বলেন: শিশু যদি সাবালক হওয়ার সাথে সাথে বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন হয় আর তার সম্পদ অসিয়তকৃত ব্যক্তি বা অভিভাবকের নিকট থাকে তাহলে তার সম্পদ তার নিকট সোপর্দ করা হবে। কিন্তু যদি শিশুটি বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন না হয়ে সাবালক হয়, তাহলে পঁচিশ বছর বয়সে উপনীত না হওয়া পর্যন্ত তার নিকট সম্পদ সোপর্দ করা হবে না। যখন পঁচিশ বছরে উপনীত হবে ইমাম আবু হানিফা রহ.-এর মতে তার নিকট সম্পদ সোপর্দ করা হবে এবং সে নিজ ইচ্ছামতো তা ব্যবহার করতে পারবে। বিস্তারিত বিবরণের জন্য رُشْدُ ও صَفْحَة অধ্যায় দেখুন।
সকল ফিকহবিদ-যারা নির্বোধ লোকের নিকট সম্পদ সোপর্দ করার পক্ষপাতী নন- তদের মাযহাব হলো, নির্বোধের মাঝে বুদ্ধিমত্তা পরিলক্ষিত হওয়ার পর তার নিকট সম্পদ সোপর্দ করা যাবে। বিস্তারিত বিবরণের জন্য حَجْرٌ অধ্যায় দেখুন।
টিকাঃ
৪৪. সূরা নিসা, আয়াত ৬
৪৫. আল-ফাতাওয়া আল-হিন্দিয়্যা, খ. ৫, পৃ. ৫৬
সকল ফিকহবিদের মাযহাব হলো ছোট শিশু বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন সাবালক না হওয়া পর্যন্ত তার কাছে সম্পদ সোপর্দ করা যাবে না। এ সম্পর্কে দলিল ও প্রমাণ হচ্ছে আল্লাহ তা'আলার নির্দেশ:
وَابْتَلُوا الْيَتَامَى حَتَّى إِذَا بَلَغُوا النِّكَاحَ فَإِنْ آنَسْتُم مِّنْهُمْ رُشْدًا فَادْفَعُوا إِلَيْهِمْ أَمْوَالَهُمْ "তোমরা ইয়াতিমদেরকে পরীক্ষা করো- যে পর্যন্ত তারা বিবাহের বয়সে উপনীত না হয়। যদি তোমরা তাদের মধ্যে বুদ্ধিমত্তা দেখতে পাও তবে তাদের নিকট তাদের সম্পদ সোপর্দ করো।"
ইমাম আবু হানীফা রহ. বলেন: শিশু যদি সাবালক হওয়ার সাথে সাথে বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন হয় আর তার সম্পদ অসিয়তকৃত ব্যক্তি বা অভিভাবকের নিকট থাকে তাহলে তার সম্পদ তার নিকট সোপর্দ করা হবে। কিন্তু যদি শিশুটি বুদ্ধিমত্তাসম্পন্ন না হয়ে সাবালক হয়, তাহলে পঁচিশ বছর বয়সে উপনীত না হওয়া পর্যন্ত তার নিকট সম্পদ সোপর্দ করা হবে না। যখন পঁচিশ বছরে উপনীত হবে ইমাম আবু হানিফা রহ.-এর মতে তার নিকট সম্পদ সোপর্দ করা হবে এবং সে নিজ ইচ্ছামতো তা ব্যবহার করতে পারবে। বিস্তারিত বিবরণের জন্য رُشْدُ ও صَفْحَة অধ্যায় দেখুন।
সকল ফিকহবিদ-যারা নির্বোধ লোকের নিকট সম্পদ সোপর্দ করার পক্ষপাতী নন- তদের মাযহাব হলো, নির্বোধের মাঝে বুদ্ধিমত্তা পরিলক্ষিত হওয়ার পর তার নিকট সম্পদ সোপর্দ করা যাবে। বিস্তারিত বিবরণের জন্য حَجْرٌ অধ্যায় দেখুন।
টিকাঃ
৪৪. সূরা নিসা, আয়াত ৬
৪৫. আল-ফাতাওয়া আল-হিন্দিয়্যা, খ. ৫, পৃ. ৫৬