📄 ক. মুনাফা সম্পদ হওয়া
الْمَنَافِع (মানাফি') শব্দটি مَنْفَعَةٌ (মানফা'আহ)-এর বহুবচন। ফিক্হবিদদের নিকট এর উদাহরণ হলো: বাড়িতে বসবাস করা, কাপড় পরিধান করা, বাহনে চড়া ইত্যাদি।
'মুনাফা' বা উপকার সম্পদ হওয়ার আলোচনায় ফিক্হবিদদের দুটি মত রয়েছে।
প্রথম: হানাফী ফকীহদের মত: মুনাফা স্বীয় প্রকৃতি হিসেবে মূল্যায়নযোগ্য সম্পদ নয়। যেহেতু, কোনো বস্তুকে সম্পদরূপে গ্রহণ করা হলে তা সম্পদ হওয়া সাব্যস্ত হয়। আর সম্পদরূপে গ্রহণের অর্থ বস্তুকে সংরক্ষণ করা এবং প্রয়োজন ও অভাবের মুহূর্তের জন্য সংগ্রহে রাখা। আর মুনাফা বিমূর্ত বা দেহহীন বস্তু হওয়ার কারণে দুই সময়ে বহাল থাকতে পারে না। যখনই তা অস্তিত্বহীনতার গণ্ডি থেকে বের হয়ে অস্তিত্বের গণ্ডিতে প্রবেশ করে তখনই তা ধ্বংস হয়ে যায়। সুতরাং তা সম্পদ হওয়ার কল্পনা করা যায় না। তবে হানাফী ফিক্বহবিদগণ মুনাফাকে সম্পদ বিবেচনা করেন যদি তাতে বিনিময়চুক্তি হয়। যেমনটি হয়ে থাকে ভাড়া দেওয়ার ক্ষেত্রে। মূলত এটি যুক্তি পরিপন্থী। আর যা যুক্তি পরিপন্থী তার সাথে অন্য বস্তুর তুলনা চলে না।
দ্বিতীয়: শাফেয়ী, মালেকী ও হাম্বলী সকল ফিক্হবিদের যুক্তি: সত্তাগত বিচারে মুনাফা সম্পদ। কেননা, কোন বস্তু তার সত্তার কারণে উদ্দিষ্ট হয় না। বরং তা মুনাফার কারণে উদ্দিষ্ট হয়ে থাকে। আর এ হিসেবেই বিবেচনা করা হয় মানুষের প্রথা-প্রচলন ও লেনদেন, কায়কারবারের। যেহেতু শরীয়ত ভাড়া প্রদান চুক্তিতে মুনাফাকে সম্পদের বিনিময় ধার্য করেছে, সেহেতু মুনাফাকে তা সম্পদ সাব্যস্ত করেছে। ভাড়া প্রদান চুক্তি হলো আর্থিক বিনিময় চুক্তি। এমনিভাবে শরীয়ত যখন বিবাহচুক্তি অনুমোদন করে তখন যদি মুনাফাকে সম্পদ বিবেচনা না করা হয় তাহলে মানুষের অধিকার নষ্ট করা হবে। এবং অন্যের মালিকানাধীন বস্তুর মুনাফায় সীমালঙ্ঘন করতে প্ররোচিত করা হবে। আর এতে রয়েছে এমন দুর্নীতি ও অবিচার যা শরীয়তের উদ্দেশ্য ও ন্যায়বিচারের সাথে সাংঘর্ষিক। খতীব শারবিনী বলেন: প্রকৃত পক্ষে মুনাফা সম্পদ নয়। বরং এটি এক ধরনের অবকাশ এবং সুযোগ। তার প্রমাণ হলো মুনাফা অস্তিত্বহীন, এটি হস্তগত করা যায় না।
টিকাঃ
৯ মুগনিল মুহতাজ, খ. ২, পৃ. ৩৭৭
১০. আল-মাবসূত, খ. ১১, পৃ. ৭৮; তাবয়ীনুল হাকায়েক, খ. ৫, পৃ. ২৩৪; কাশফুল আসরার আন উসুলিল বাযদাবী, খ. ১, পৃ. ১৭২; ইবনে নুজাইম, ফাতহুল গিফার শারহুল মানার, খ. ১, পৃ. ৫২
১১. রওজাতুত তালেবীন, খ. ৫, পৃ. ১২; মুগনিল মুহতাজ, খ. ২, পৃ. ২; হাশিয়াতুদ দুসুকী আলাশ শারহিল কাবীর, খ. ৩, পৃ. ৪৪২; যারকাশী, আল-মানসূর ফিল কাওয়াইদ, খ. ৩, পৃ. ১৯৭; যানজানী, তাখরিজুল ফুরু আলাল উসূল, পৃ. ২২৫; আশ-শারহুল কাবীরসহ আল-মুগনী, খ. ৬, পৃ. ৩
📄 খ. ঋণ সম্পদ হওয়া
ফিকের পরিভাষায় ঋণ (الديون) হলো নিজ দায়িত্বে যে কোনো অধিকার আবশ্যক হওয়া। ঋণের ক্ষেত্রটি কখনও সম্পদ হয়, যেমনিভাবে তা আমল বা ইবাদতও হতে পারে। যথা: রোযা, নামায, হজ ইত্যাদি। বিস্তারিত দেখুন: دَيْنٌ، دَيْنُ الله
ফিক্হবিদদের এ কথায় কোনো মতভেদ নেই যে, দায়িত্বে ওয়াজিব অধিকার যদি প্রকৃত সম্পদ না হয় তাহলে তাকে সম্পদ বিবেচনা করা হয় না। এবং তাতে সম্পদের কোনো বিধানও আরোপিত হয় না। কিন্তু যদি দায়িত্বে ওয়াজিব ঋণ সম্পদ হয় তাহলে ফিক্হবিদগণ এটিকে প্রকৃত সম্পদ বিবেচনার ক্ষেত্রে দুটি মত ব্যক্ত করেছেন।
একটি হলো হানাফী ফিক্হবিদদের মত: নিজ দায়িত্বে ওয়াজিব ঋণ প্রকৃত সম্পদ নয়। কারণ তা হলো এমন এক গুণ যা নিজ দায়িত্বে ওয়াজিব হয়। প্রকৃত অর্থে তা হস্তগত করার কল্পনাও করা যায় না। তবে ভবিষ্যতে সম্পদে পরিণত হওয়ার দৃষ্টিকোণ থেকে রূপক অর্থে সম্পদ বলা হয়।
দ্বিতীয় মত হলো শাফেয়ী ফিক্হবিদ ইমাম যারকাশী রহ.-এর। তিনি বলেন: ঋণ কি প্রকৃত অর্থে সম্পদ, না-কি দাবিযোগ্য অধিকার যা ভবিষ্যতে সম্পদ হবে? এখানে দু'টি পদ্ধতি রয়েছে, যা আল্লামা মুতাওয়াল্লী রহ. বর্ণনা করেছেন। প্রথমটি হলো: এর দ্বারা ঋণী ব্যক্তির ওপর সম্পদশালীর বিধান সাব্যস্ত হয়। সুতরাং অন্য সম্পদশালীদের ন্যায় খরচ তার দায়িত্বে আবশ্যক হবে। এবং তাদের ন্যায় কাফফারা প্রদান করতে হবে। এবং তার জন্য সদকা গ্রহণ জায়েয হবে না।
দ্বিতীয়টি হলো: সম্পদ হওয়া অস্তিত্বশীল বস্তুর গুণ। আর এখানে অস্তিত্বশীল কোনো বস্তু নেই। তিনি বলেন: এটি ইমাম শাফেয়ী রহ.-এর কথা দ্বারা উদ্ভাবন করা যায়। তিনি বলেন, যে লোক মানুষের কাছে ঋণ হিসেবে কিছু পাবে তার ওপর কি যাকাত ফরয হবে? মাযহাব হলো, ঋণ ওয়াজিব হবে। তাদের প্রাচীন মতানুসারে যাকাত ফরয হবে না।
ঋণ সম্পদ-এ কথার ওপর ভিত্তি করে অনেক শাখা মাসয়ালা উদ্ভাবিত হয়।
এক. ঋণগ্রহীতা ছাড়া অন্য লোকের নিকট ঋণ বিক্রি করা যাবে কি? যদি বলি এটি সম্পদ, তাহলে তা বিক্রি করা বৈধ; আর যদি বলি সম্পদ না, তাহলে বিক্রি বৈধ হবে না। কারণ অধিকার অন্যত্র স্থানান্তর হয় না।
দুই. ঋণ মাফ করার অর্থ কি ঋণের বোঝা দূর করা, না-কি মালিক বানিয়ে দেওয়া?
তিন. কেউ শপথ করে বললো, তার সম্পদ নেই, অথচ সম্পদশালী ব্যক্তির নিকট তার ঋণ দেওয়া আছে। তাহলে শাফেয়ী মাযহাব অনুযায়ী এ লোক শপথ ভঙ্গকারী হবে। নির্ধারিত মেয়াদের ঋণের ক্ষেত্রেও অনুরূপ বিধান কার্যকর হবে। এবং বিশুদ্ধতম মতানুসারে অসচ্ছল ব্যক্তির ক্ষেত্রেও উক্ত বিধান কার্যকর হবে।
টিকাঃ
১২. ইবনে নুজাইমম ফাতহুল গিফার, খ. ৩, পৃ. ২০
১৩. ইবনে নুজাইম, আল-আশবাহ ওয়ান নাযায়ের, পৃ. ৩৪৫, বাদায়েউস সানায়ে, খ. ৫, পৃ. ২৩৪
১৪. যারকাশী, আল-মানসূর ফিল কাওয়াইদ, খ. ২, পৃ. ১৬০-১৬১
📄 সম্পদের প্রকারভেদ
ফিক্হবিদগণ সম্পদকে ফিক্হী দৃষ্টিভঙ্গি অনুপাতে বিভিন্ন প্রকারে বিভক্ত করেছেন। তা নিম্নরূপ:
📄 ক. মূল্যের অধিকারী হওয়ার বিবেচনায়
হানাফীগণ সম্পদের কোনো প্রকারকে শরীয়তের দিক থেকে ব্যবহারের বৈধতা প্রদান করেন নাই। তারা কেবল শর্ত করেছেন যে, তা বস্তু হতে হবে, তা দ্বারা স্বাভাবিক উপকার লাভ হতে হবে, মানুষ এটিকে সম্পদ বিবেচনা করে তা সম্পদরূপে ব্যবহার করতে পারবে। সম্পদের এই অর্থ গ্রহণের ফলে হানাফী ফকীহদের দৃষ্টিতে সম্পদে নিম্নের দুটি প্রকার হয়েছে: ১. মূল্যধারী এবং ২. মূল্যধারী নয়।
হানাফী ফকীহগণের মতে মূল্যধারী সম্পদ হলো: যা সচ্ছল অবস্থায় এবং সামর্থ্য থাকাকালে শরীয়তসম্মতভাবে ব্যবহার করা যায়।
মূল্যধারী নয় এমন সম্পদ হলো: যা সামর্থ্য থাকলেও ব্যবহার করা যায় না। যেমন মুসলমানের জন্য মদ এবং শূকর। পক্ষান্তরে জিম্মি (তথা মুসলিম দেশে কর প্রদান করে বসবাসকারী অমুসলিম নাগরিক) ব্যক্তির জন্য এটি সম্পদ। কারণ তারা এটিকে হারামরূপে বিশ্বাস করে না, তাই সম্পদরূপে ব্যবহার করে। অপরদিকে আমাদেরকে তাদের ধর্মীয় কার্যকলাপ বর্জন করতে আদেশ করা হয়েছে।
এই বিভক্তির ওপর ভিত্তি করে তারা বলেছেন, যে লোক মূল্যধারী সম্পদের ক্ষতি করবে সে তার ভর্তুকি দিবে। পক্ষান্তরে মূল্যধারী নয় এমন সম্পদের ক্ষতি করা হলে তার কোন ভর্তুকি আসবে না। যেমনিভাবে শরীয়তসম্মতভাবে সম্পদকে ব্যবহার করার অনুমোদন তার মূল্যধারী হওয়ার ওপর নির্ভর করে। এ ধরনের সম্পদে ক্রয়, বিক্রয়, দান, অসিয়ত, বন্ধক ইত্যাদি লেনদেন শুদ্ধ হবে। পক্ষান্তরে যেগুলো মূল্যধারী নয় সে সব সম্পদে শরীয়তসম্মতভাবে এ সকল লেনদেন এবং এই জাতীয় লেনদেন শুদ্ধ হবে না।
যেহেতু এই অর্থে হানাফী ফিক্হবিদগণের দৃষ্টিতে মূল্যধারী হলেই তা সম্পদ হওয়া অপরিহার্য নয়, সেহেতু বস্তু মূল্যধারী এবং তা দ্বারা উপকৃত হওয়া বৈধ হলেও হানাফীদের মতে সম্পদ হওয়ার উপাদানসমূহের কোনো একটি অনুপস্থিত থাকলে তা সম্পদ হতে পারবে না। যেমন: গমের একটি দানা, রুটির একটি ছোট টুকরা এবং সামান্য মাটি ইত্যাদি।
আল-কাশফুল কাবীর নামক গ্রন্থের বরাত দিয়ে ইবনে নুজাইম রহ. বর্ণনা করেন, সকল মানুষ অথবা কিছুসংখ্যক মানুষ কোনো বস্তুকে সম্পদরূপে গ্রহণ করলে তা সম্পদরূপে পরিগণিত হয়। আর সম্পদ হওয়া এবং শরীয়ত কর্তৃক ব্যবহারের বৈধতা এ উভয় দ্বারা তা মূল্যধারী হয়। সুতরাং সম্পদ হওয়ার বৈশিষ্ট্য ছাড়া যা বৈধ হয় তা সম্পদ হতে পারে না। যেমন: গমের দানা। আর যা ব্যবহারের বৈধতা ছাড়া সম্পদ হওয়ার গুণ লাভ করে তা মূল্য ধারণ করতে পারে না। যেমন মদ। আর যখন উভয় বিষয় অনুপস্থিত থাকে (মানুষ তা সম্পদরূপেও গ্রহণ করেনি এবং শরীয়ত কর্তৃক ব্যবহারের বৈধতাও পায়নি) তখন দুইটার একটাও সাব্যস্ত হবে না; যেমন রক্ত।
ইবনে আবেদীনের মোদ্দাকথা হলো, মূল্যধারী বস্তুর তুলনায় সম্পদ শব্দটি ব্যাপক অর্থজ্ঞাপক। কারণ সম্পদ বলা হয় যা বৈধ না হলেও সংগ্রহে রাখা যায়। যেমন, মদ। আর মূল্যধারী বস্তু বলা হয় যা ব্যবহার বৈধ বলে সংগ্রহে রাখা যায়। সুতরাং মদ সম্পদ হতে পারবে, কিন্তু মূল্যধারী হবে না। অপর দিকে হানাফী ফিক্হবিদগণ মনে করেন: মূল্যধারী না হওয়া মালিকানা লাভের পরিপন্থী নয়। সুতরাং মূল্যধারী নয় এমন সম্পদে মুসলিমের মালিকানা সাব্যস্ত হতে পারে। যেমন কোনো মুসলিমের নিকট থাকা আঙ্গুরের রস মদ হয়ে যায় অথবা কারও মালিকানায় মদ এবং শূকর থাকা অবস্থায় সে ইসলাম গ্রহণ করে আর মদ-শূকর মালিকানা থেকে ছাড়ানোর পূর্বে মুসলিম উত্তরাধিকারী রেখে মারা যায় তাহলে উত্তরাধিকার সূত্রে তার উত্তরাধিকারী তা লাভ করবে। এবং শূকর হত্যা করবে। কারণ, মালিকানা সাব্যস্ত হয় সম্পদে আর মূল্যধারী নয় এমন বস্তুও সম্পদ হতে পারে। তবে মূল্যধারী না হওয়া মুসলিম কর্তৃক মূল্যধারী নয় এমন সম্পদে চুক্তি সম্পন্ন হওয়ার ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে।
হানাফী ফিক্হবিদগণের ভাষায় কখনও মূল্যধারী বলতে সংরক্ষিত সম্পদ বোঝানো হয়। তারা সংরক্ষণের পূর্ব পর্যন্ত বৈধ সম্পদের ক্ষেত্রেও মূল্যধারী না হওয়ার পরিভাষাটি ব্যবহার করে থাকেন। যেমন সমুদ্রের মাছ, মুক্ত বিচরণশীল প্রাণী, বনের গাছপালা, আকাশে উড়ন্ত পাখি। কিন্তু যখন শিকার করা হয় বা সংগ্রহ করা হয় তখন তা সংরক্ষণের কারণে মূল্যধারী হয়।
পক্ষান্তরে শাফেয়ী, মালেকী এবং হাম্বলী সকল ফিক্হবিদ ব্যবহারের বৈধতাকে সম্পদ হওয়ার উপাদানরূপে গণ্য করেন। সুতরাং বস্তু যদি শরীয়ত কর্তৃক ব্যবহারের বৈধতা না পায় তাহলে তা মোটেও সম্পদরূপে গণ্য হবে না। এবং মদ ও শূকর বিনষ্টকারীর ওপর কোনো প্রকার ক্ষতিপূরণ ধার্য করেননি। পক্ষান্তরে হানাফী ফিক্হবিদগণ কর প্রদানকারী অমুসলিমদের ক্ষেত্রে মদ ও শূকরকে মূল্যায়নযোগ্য সম্পদরূপে গণ্য করেছেন। আর তা বিনষ্টকারী মুসলিম হোক কিংবা কর প্রদানকারী অমুসলিম নাগরিক- তার ওপর ক্ষতিপূরণ আবশ্যকীয়রূপে ধার্য করেছেন।
কর প্রদানকারী অমুসলিম নাগরিকের মদ বিনষ্টকারী ব্যক্তির ওপর ক্ষতিপূরণ বাধ্যতামূলক করার ক্ষেত্রে মালেকী ফিক্হবিদগণ হানাফী ফিক্হবিদগণের সাথে একমত পোষণ করেছেন। কেননা কর প্রদানকারী অমুসলিম নাগরিকের ক্ষেত্রে এটি সম্পদরূপে বিবেচিত, আর মুসলিমের ক্ষেত্রে সম্পদ নয়। তবে হানাফী ফিক্হবিদগণ যেই অর্থে সম্পদকে মূল্যধারী এবং মূল্যধারী নয় এ প্রকারদ্বয়ে বণ্টন করেছেন, মালেকী ফিক্হবিদগণ সেই অর্থে তাদের সাথে একমত পোষণ করেননি।
টিকাঃ
১৫. মিনহাতুল খালিক আলাল বাহরির রায়েক, খ. ৫, পৃ. ২৭৭; তাবয়ীনুল হাকায়েক, খ. ৫, পৃ. ২৩৫; আল-মাবসূত, খ. ১৩, পৃ. ২৫
১৬. রদ্দুল মুহতার, খ. ৪, পৃ. ৩; আল-বাহরুর রায়েক, খ. ৫, পৃ. ২৭৭
১৭ রদ্দুল মুহতার, খ. ৪, পৃ. ১২০
১৮ দুরারুল হুককাম, খ. ১, পৃ. ১০১
১৯. রাস্সা' মালিকী, শরহু হুদুদী ইবনে আরাফা, খ. ২, পৃ. ৬৫১
২০. বাদায়েউস সানায়ে, খ. ৭, পৃ. ১৪৭; আল-মাবসূত, খ. ১৩, পৃ. ২৫; আদদুরারু আলাল গুরার, খ. ২, পৃ. ২৬৮; শারহু মুনতাহাল ইরাদাত, খ. ২, পৃ. ১৩৭।
২১. দুসূকীর টীকা, খ. ৩, পৃ. ৪৪৭; আল-মুদাওয়ানা, খ. ৫, পৃ. ৩৬৮; আল-ফাওয়াকিহুদ দাওয়ানী, খ. ২, পৃ. ৩৮০