📘 ইসলামের শাস্তি আইন > 📄 শিক্ষক

📄 শিক্ষক


শিক্ষকরাও অভিভাবকদের অনুমতিক্রমে তাদের ছাত্র-ছাত্রীদেরকে নীতি শিক্ষা দান মূলক শাস্তি দিতে পারবে। ১৪৫

টিকাঃ
১৪৫. ইবনু নুজায়ম, আল-বাহরুর রা'ইক, খ.৫, পৃ.৪৫; মুল্লা খসরু, দুরারুল হুক্কাম, খ.২, পৃ. ৭৭; আল-মাওসূ'আতুল ফিকহিয়্যা, খ.১০, পৃ.২১

📘 ইসলামের শাস্তি আইন > 📄 স্বামী

📄 স্বামী


স্বামীরাও তাদের স্ত্রীদেরকে নীতি ও শিষ্টাচার শিক্ষামূলক শাস্তি দিতে পারবে, যদি স্ত্রীরা তাদের স্বামীদের ন্যায্য অধিকারসমূহ আদায় করতে অবহেলা করে। ১৪৬ এ প্রসঙ্গে আল্লাহ তা'আলা বলেন, واللتي تخافون نشوزهن فعظوهن واهجروهن في المضاجع و اضربوهن মহিলাদের অবাধ্য হওয়ার ব্যাপারে তোমরা আশঙ্কা করবে, তাদেরকে তোমরা প্রথমে উপদেশ দান কর ও তাদের শয্যা ত্যাগ কর, অতঃপর তাদেরকে বেত্রাঘাত কর।" ১৪৭
এ আয়াত থেকে জানা যায়, স্ত্রীরা যদি অবাধ্য হয়ে যায় এবং যদি আশা করা হয় যে, শাস্তি প্রদান করা হলে তারা সংশোধন হবে, তাহলেই স্বামীদের জন্য তাদেরকে হালকা শাস্তি প্রদান করা জায়িয হবে। তবে আল্লাহর হক সংশ্লিষ্ট নির্দেশাবলী আদায় করার ক্ষেত্রে অবহেলা করলে (যেমন নামায ছেড়ে দেয়া) শিক্ষা দেয়ার উদ্দেশ্যে স্বামীদের জন্য স্ত্রীদেরকে শাস্তি দেয়া জায়িয কি না -এ বিষয়ে ইমামগণের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। মালিকী ও হাম্বলীগণের মতে, তা জায়িয। তবে মালিকীগণের মতে, বিচারক কিংবা শাসকের নিকট এ বিষয়ে নালিশ দায়ের করার আগেই স্বামীদের জন্য স্ত্রীদের শাস্তি দেয়া জায়িয; নালিশ দায়ের করার পর জায়িয নেই। হানাফী ও শাফি'ঈ ইমামগণের মতে, আল্লাহর হক সংশ্লিষ্ট বিষয়সমূহে স্বামীদের জন্য স্ত্রীদেরকে শাস্তি দেয়া জায়িয নয়। কেননা এ বিষয়গুলো স্বামীদের স্বার্থের সাথে জড়িত নয়। তাই এ বিষয়ে তার শাস্তি দেয়ার অধিকারও থাকবে না। ১৪৮

টিকাঃ
১৪৬. কোন ইসলামী আইনবিদের বক্তব্য থেকে এ কথা মোটেই বোঝা যায় না যে, স্ত্রীদেরকে এরূপ শাস্তি দান করা ওয়াজিব; বরং তাঁদের সকলের বক্তব্য থেকে বোঝা যায় যে, এ রূপ শাস্তি না দেয়াটাই উত্তম।
১৪৭. আল-কুর'আন, ৪ (সূরা আন-নিসা)ঃ ৩৪
১৪৮. ইবনু নুজায়ম, আল-বাহরুর রা'ইক, খ.৫, পৃ.৪৫; মুল্লা খসরু, দুরারুল হুক্কাম, খ.২, পৃ. ৭৭; আল-মাওসূ'আতুল ফিকহিয়্যা, খ.১০, পৃ. ২১-২

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00