📘 ইসলামের শাস্তি আইন > 📄 তাওবা

📄 তাওবা


কারাদণ্ড প্রাপ্ত অপরাধী যদি লজ্জিত হয়ে পূর্ণ নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে তাওবা করে এবং তার তাওবার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেলে কারাদণ্ড ক্ষমা করে দেয়া দূষণীয় নয়। তবে তাওবার বিষয়টি জানা ও নিশ্চিত হওয়ার জন্য সুনির্দিষ্ট কোন সময় নেই; বরং এমন একটি সময় অতিক্রান্ত হওয়া প্রয়োজন, যাতে ঐ সময়ের মধ্যে অপরাধী থেকে তাওবার কিছু লক্ষণ প্রকাশ পায় এবং তার অবস্থার সার্বিক পর্যবেক্ষণ করে তার তাওবা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া যায়। এমন কিছু বড় বড় অপরাধও রয়েছে, যে সব ক্ষেত্রে দ্রুত তাওবার বিষয়টি নিশ্চিত করা প্রয়োজন। যেমন মুরতাদদের বেলায় অধিকাংশ ইমামের মতে তাওবার সময় হল তিন দিন। এ সময়ের মধ্যে সে তাওবা না করলে তার ওপর মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করা হবে। অনুরূপভাবে (হানাফীগণ ছাড়া অন্যান্য ইমামের মতে) নামায পরিত্যাগকারীদেরও তাওবার সময় হল তিন দিন। এ সময়ের মধ্যে সে তাওবা করে ফিরে না আসলে তাকেও হত্যা করা হবে।
কিন্তু অবিবাহিত ব্যভিচারীর ওপর হদ্দ কার্যকর করার পর যদি তাকে কারাদণ্ড দেয়া হয় এবং এক বছর শেষ হবার আগেই তার তাওবার বিষয়টি প্রকাশ পায়, তাহলেও তাকে মেয়াদ শেষ হবার আগে মুক্তি দেয়া যাবে না। কেননা মালিকীগণের মতে- এ কারাদণ্ড হদ্দের পর্যায়ভুক্ত হিসেবে বিবেচিত হয়। ১৪১

টিকাঃ
১৪১. আল-মাওসূ'আতুল ফিকহিয়‍্যা, খ.১৬, পৃ. ২৯১

📘 ইসলামের শাস্তি আইন > 📄 সুপারিশ

📄 সুপারিশ


সুপারিশের ভিত্তিতেও কারাদণ্ড মাফ করে দেয়া যেতে পারে, যদি কারাদণ্ড প্রাপ্ত ব্যক্তি মারাত্মক অপরাধী ও বিপজ্জনক না হয়। তবে বিচারক কিংবা শাসক যে কোন সুপারিশকে রদও করে দিতে পারবেন, যদি তাতেই তারা কল্যাণ দেখতে পান। ১৪২

টিকাঃ
১৪২. আল-মাওসূ'আতুল ফিকহিয়্যা, খ.১৬, পৃ. ২৯০

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00