📄 স্ত্রী-পরিজন ও আত্মীয়-স্বজনের সাথে সাক্ষাতের ব্যবস্থা করা
কারাবন্দীদেরকে বিভিন্ন প্রয়োজনে স্ত্রী-পরিজন ও আত্মীয়-স্বজনের সাথে সাক্ষাতের সুযোগ দান করা বাঞ্ছনীয়। স্ত্রী-পরিজন ও আত্মীয় স্বজনদের মধ্যে কারা কারা, কোন কোন প্রয়োজনে, এবং কখন কোন সময় দেখা করতে পারবে- এর জন্য সরকার একটি সুনির্দিষ্ট আইন রচনা করবে। হাম্বলী ইমামগণের মতে, কারাগারে যদি নিভৃত স্থান থাকে, যা বাইর থেকে কারো দেখার সম্ভাবনা থাকে না, তাহলে কারাবন্দীকে মাঝে মধ্যে স্ত্রীর সাথে যৌন সঙ্গমের সুযোগ দেয়া উচিত। কোন কোন হানাফী ও শাফি'ঈ ইমামও এ মত পোষণ করেন। তবে মালিকী ইমামগণের মতে, যেহেতু কারাগারের উদ্দেশ্য হলো কয়েদীদেরকে মানসিকভাবে যন্ত্রণা দান করা, তাই স্ত্রীর সাথে কারাবন্দীর যৌন মিলনের যদি সুযোগ দেয়া হয়, তা হলে কারাগারের উদ্দেশ্যই সফল হবে না। তাই স্ত্রীর সাথে কারাবন্দীর যৌন মিলনের সুযোগ দেয়া উচিত নয়। ১৩৭
টিকাঃ
১৩৭. ইবনু নুজায়ম, আল-বাহরুর রাইক, খ.৬, পৃ.৩০৮; ইবনু 'আবিদীন, রাদ্দুল মুহতার, খ.৫, পৃ.৩৭৭, ৩৮৬-৭; ইবনু ফারহুন, তাবছিরাতুল হুক্কাম, খ.২, পৃ.২০৫; তানকীহ.., খ.১, পৃ.৩০৬
📄 আদালতে গিয়ে যুক্তি-তর্ক পেশ করার সুযোগ দেয়া
অভিযোগের ভিত্তিতে আটক কারাবন্দীকে আদালতে বিচারকের সামনে গিয়ে নিজের বিরুদ্ধে দায়েরকৃত মামলার শুনানীতে অংশ গ্রহণ করার এবং বাদীর যুক্তি-প্রমাণের জবাব দেবার সুযোগ দিতে হবে। যদি কোন কারণে সে নিজেই শুনানী ও যুক্তি-তর্কে অংশ গ্রহণ করতে না পারে, তাহলে সে তার পক্ষে থেকে জবাব দেয়ার জন্য উকিল নিযুক্ত করতে পারবে। ১৩৮
টিকাঃ
১৩৮. আস-সারাখসী, আল-মাবসূত, খ.২০, পৃ.৮৯-৯০; ইবনু 'আবিদীন, রাদ্দুল মুহতার, খ.৫, পৃ.৩৭৭; ইবনু ফারহুন, তাবছিরাতুল হুক্কাম, খ.১, পৃ. ৩৭২