📄 আদালত অবমাননা করা
যে ব্যক্তি আদালত অবমাননা করে যেমন কেউ আদালত নিয়ে উপহাস করল কিংবা বিচারকের প্রতি অসত্য ও অশোভনীয় মন্তব্য করল বা বিচারকের রায়ের প্রতি তাচ্ছিল্য প্রদর্শন করল, তাহলে বিচারক আদালত অবমাননা ও অপরাধীর অবস্থা বিবেচনা করে তাকে কারাদণ্ড দিতে পারবেন এবং প্রহারও করতে পারবেন। অনুরূপভাবে যে বাদী-বিবাদী বিচারকের দরবারে এসে পরস্পর একে অপরকে গালিগালাজ করবে, তাদেরকেও আটকাদেশ দিতে পারবেন। ১০৯
টিকাঃ
১০৯. মুল্লা খসরু, দুরারুল হুক্কাম, খ.৪, পৃ.৫৯৪; ইবনু 'আবিদীন, রাদ্দুল মুহতার, খ.৪, পৃ.৫৩-৪
📄 হদ্দ বা কিসাস জাতীয় অপরাধে সাক্ষী-প্রমাণের যথার্থতা নিরূপণ
যে সব অপরাধে শাস্তি হিসেবে হদ্দ বা কিসাসের বিধান রয়েছে, সে সব ক্ষেত্রে আদালতের কাছে সাক্ষীদের গ্রহণযোগ্যতা ও ন্যায়পরায়ণতা প্রমাণিত হওয়া পর্যন্ত অভিযুক্ত ব্যক্তিকে আটকে রাখা যাবে। যেমন কেউ যদি কারো বিরুদ্ধে চুরির অভিযোগ করে, তাহলে আদালতের নিকট সাক্ষীদের ন্যায়পরায়ণতা প্রমাণিত হওয়া পর্যন্ত বিবাদীকে আটকে রাখা যাবে। ১১০
টিকাঃ
১১০. আস-সারাখসী, আল-মাবসূত, খ.৯, পৃ. ১০৬-৭, ১৭০-১; মালিক, আল-মুদাওয়ানাহ, খ.৪, পৃ. ৫২৭, ৬৪৬
📄 সাধারণ অপরাধে সাক্ষী-প্রমাণের যথার্থতা নিরূপণ
যে সব অপরাধের শাস্তি হদ্দ বা কিসাস নয়, সে সব ক্ষেত্রেও বিচারক অপরাধের গুরুতরতা ও ব্যক্তির অবস্থা বিবেচনা করে প্রয়োজন মনে করলে সাক্ষীদের গ্রহণযোগ্যতা ও ন্যায়পরায়ণতা প্রমাণিত হওয়া পর্যন্ত নির্দিষ্ট সময়ের জন্য কারাদণ্ড দিতে পারবেন। ১১১
টিকাঃ
১১১. আল-ফাসী, আল-ইতকান ওয়াল ইহকাম.., খ.১, পৃ. ১২৮
📄 হয়রানী বা ষড়যন্ত্র মূলক মামলা দায়ের করা
যে ব্যক্তি উদ্দেশ্যমূলকভাবে কাউকে হয়রানি কিংবা অপমানিত করার জন্য কোন মামলা দায়ের করে এবং বিচারকের কাছে যদি প্রমাণিত হয় যে, বাদী অসৎ উদ্দেশ্যে মামলা দায়ের করেছে, তাহলে বিচারক তাকে নীতি শিক্ষাদানমূলক যে কোন শাস্তি দান করবেন। আর এ ধরনের শাস্তিসমূহের মধ্যে সর্বনিম্ন পর্যায়ের শাস্তি হল কারাদণ্ড। এ ধরনের শাস্তির কারণ হল, যাতে সমাজে অসৎ ও মতলববাজ লোকদের এ ধরনের মামলা দায়েরের প্রবণতা বেড়ে না যায়। ১১২
টিকাঃ
১১২. ইবনু ফারহুন তাবছিরাতুল হুক্কাম.., খ.২, পৃ.৩০০