📄 চুরির অভিযোগ
যে ব্যক্তির প্রতি চুরির অভিযোগ রয়েছে এবং এর শক্তিশালী লক্ষণও (যেমন চুরি যাওয়া মালের আশে-পাশে বেশ কয়েকবার ঘুরা ফেরা করা ও খুঁজ-খবর নেয়া প্রভৃতি।) যদি খুঁজে পাওয়া যায়, তাহলে তাকেও কারাদণ্ড দেয়া যাবে। ১০১
টিকাঃ
১০১. যায়ল'ঈ, তাবরীন, খ.৩, পৃ.২১৪; আল-মাওসূ'আতুল ফিকহিয়্যাহ, খ.১৬, পৃ.৩০৭
📄 অপহরণ করা
অপহরণকারীর কর্তব্য হল, অপহৃত সম্পদ তার মালিককে ফিরিয়ে দেয়া। যদি সে ফিরিয়ে দিতে অস্বীকার করে তাহলে তাকে বন্দী করে রাখতে হবে, যতক্ষণ না সে ফিরিয়ে দেয়। যদি সে দাবী করে যে, অপহৃত সম্পদ ধ্বংস হয়ে গেছে, তাহলে বিচারক তাকে অপরাধের মাত্রা ও সম্পদের পরিমাণ বিবেচনা করে একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য কারাদণ্ড দেবেন। কারো কারো মতে, তাকে কারাদণ্ড দেয়া যাবে না; বরং তাকে অপহৃত সম্পদের মূল্য পরিশোধ করতে হবে। ১০২
টিকাঃ
১০২. আস-সারাখসী, আল-মাবসূত, খ.১১, পৃ.৬৬; আল-কাসানী, বদা'ই, খ.৭, পৃ.১৫১
📄 জাতীয় সম্পদ অপচয় করা কিংবা নষ্ট করা
যে ব্যক্তি জাতীয় সম্পদ অপচয় করে কিংবা আত্মসাৎ করে অথবা চুরি করে, তাকেও কারাদণ্ড দেয়া যাবে। ১০০
টিকাঃ
১০৩. আল-মাওসূ'আতুল ফিকহিয়্যাহ, খ.১৬, পৃ.৩০৮
📄 পাওনা আদায়ে টালবাহানা করা
অবস্থাসম্পন্ন ঋণগ্রস্ত ব্যক্তি ১০৪ যদি যদি ঋণ পরিশোধ করতে টালবাহানা করে, তাহলে বিচারক তার অবস্থা ও ঋণের পরিমাণ বিবেচনা করে একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য কারাদণ্ড দিতে পারবেন। তবে অপ্রাপ্ত বয়স্ক বালককে ঋণের জন্য কারাদণ্ড দেয়া যাবে না; তবে নীতি শিক্ষামূলক শাস্তি দেয়া যেতে পারে। উল্লেখ্য যে, স্ত্রীর বকেয়া মাহর এবং খোরপোশও স্বামীর জন্য প্রদেয় ঋণ এবং স্ত্রীর প্রাপ্য হিসেবে বিবেচিত হবে। তাই কোন স্বামী যদি স্ত্রীর দাবী সত্ত্বেও তা দিতে টালবাহানা করে, তাহলে তাকেও কারাদণ্ড দেয়া যাবে। ১০৫
টিকাঃ
১০৪. যদি প্রমাণিত হয় যে, কোন ব্যক্তি দেউলিয়া হয়ে গেছে, তা হলে তাকে অবস্থাসম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত সময়ের জন্য সুযোগ দিতে হবে। আল্লাহ তা'আলা বলেন, و إن كان ذو عسرة فنظرة إلى ميسرة - "আর যদি সে দুর্দশাগ্রস্ত হয়, তবেই তাকে অবস্থাসম্পন্ন হওয়া পর্যন্ত সুযোগ দিতে হবে। -সূরা আল বাকারা: ২৮০
১০৫. আস-সারাখসী, আল-মাবসূত, খ.২০, পৃ.৯১; যায়ল'ঈ, তাবয়ীন, খ.৪, পৃ.১৮১-২; ইবনুল হুমام, ফাতহুল কাদীর, খ.৭, পৃ.২৮৪-৫; আল-বুজায়রমী, তুহফাতুল হাবীব, খ.৩, পৃ.৬৮