📘 ইসলামের শাস্তি আইন > 📄 অসংরক্ষিত বস্তু চুরি করা কিংবা চুরির প্রমাণ সন্দেহ বিদ্ধ হওয়া

📄 অসংরক্ষিত বস্তু চুরি করা কিংবা চুরির প্রমাণ সন্দেহ বিদ্ধ হওয়া


যে সব চুরির ক্ষেত্রে কোন কারণে হাত কাটা যায় না, সে সব ক্ষেত্রে চোরকে বন্দী করে রাখা যেতে পারে। ১০০ যেমন- মসজিদের জোতা চোর, পানির পাইপ চোর, অনুরূপভাবে যে সমস্ত বস্তু খোলা জায়গায় পড়ে থাকে, যারা এ সব জিনিস চুরি করে তাদের হাত কাটা যাবেনা; তাদেরকে বন্দী করে রাখতে হবে। অনুরূপভাবে যে চোর ঘরের মধ্যে ঢুকে মাল-মাত্তা বের করার জন্য জমায়েত করল; কিন্তু বের করে নিতে পারল না তাকেও বন্দী করে রাখা হবে। অনুরূপভাবে কোন সন্দেহের কারণে চোরের ওপর হদ্দ কার্যকর করা সম্ভব না হলে তাকেও কারাদণ্ড দেয়া যাবে।

টিকাঃ
১০০. ইবনু ফারহুন, তাবছিরাতুল হুক্কাম, খ.২, পৃ.২৮৮;

📘 ইসলামের শাস্তি আইন > 📄 চুরির অভিযোগ

📄 চুরির অভিযোগ


যে ব্যক্তির প্রতি চুরির অভিযোগ রয়েছে এবং এর শক্তিশালী লক্ষণও (যেমন চুরি যাওয়া মালের আশে-পাশে বেশ কয়েকবার ঘুরা ফেরা করা ও খুঁজ-খবর নেয়া প্রভৃতি।) যদি খুঁজে পাওয়া যায়, তাহলে তাকেও কারাদণ্ড দেয়া যাবে। ১০১

টিকাঃ
১০১. যায়ল'ঈ, তাবরীন, খ.৩, পৃ.২১৪; আল-মাওসূ'আতুল ফিকহিয়্যাহ, খ.১৬, পৃ.৩০৭

📘 ইসলামের শাস্তি আইন > 📄 অপহরণ করা

📄 অপহরণ করা


অপহরণকারীর কর্তব্য হল, অপহৃত সম্পদ তার মালিককে ফিরিয়ে দেয়া। যদি সে ফিরিয়ে দিতে অস্বীকার করে তাহলে তাকে বন্দী করে রাখতে হবে, যতক্ষণ না সে ফিরিয়ে দেয়। যদি সে দাবী করে যে, অপহৃত সম্পদ ধ্বংস হয়ে গেছে, তাহলে বিচারক তাকে অপরাধের মাত্রা ও সম্পদের পরিমাণ বিবেচনা করে একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য কারাদণ্ড দেবেন। কারো কারো মতে, তাকে কারাদণ্ড দেয়া যাবে না; বরং তাকে অপহৃত সম্পদের মূল্য পরিশোধ করতে হবে। ১০২

টিকাঃ
১০২. আস-সারাখসী, আল-মাবসূত, খ.১১, পৃ.৬৬; আল-কাসানী, বদা'ই, খ.৭, পৃ.১৫১

📘 ইসলামের শাস্তি আইন > 📄 জাতীয় সম্পদ অপচয় করা কিংবা নষ্ট করা

📄 জাতীয় সম্পদ অপচয় করা কিংবা নষ্ট করা


যে ব্যক্তি জাতীয় সম্পদ অপচয় করে কিংবা আত্মসাৎ করে অথবা চুরি করে, তাকেও কারাদণ্ড দেয়া যাবে। ১০০

টিকাঃ
১০৩. আল-মাওসূ'আতুল ফিকহিয়‍্যাহ, খ.১৬, পৃ.৩০৮

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00