📄 হাত কাটার পর ফিরে চুরি করা
কোন চোরের হাত কাটার পর যদি সে আর আবারও চুরি করে, তাহলে অধিকাংশ ইমামের মতে, জনগণকে তার অনিষ্টতা থেকে বাঁচানোর প্রয়োজনে তাকে বন্দী করে রাখা হবে। তবে চুরির সাজা হিসেবে কত বার কর্তনের পর তাকে বন্দী করা হবে- এ বিষয়ে তাঁদের মধ্যে মতভেদ রয়েছে। ৯৯
টিকাঃ
৯৯. আস-সারাখসী, আল-মাবসূত, খ.৯, পৃ. ১৪০-১; আল-কাসানী, বদা'ই, খ.৭, পৃ.৮৬-৮৭; ইবনু কুদামাহ, আল-মুগনী, খ.৯, ১০৯-১১০
📄 অসংরক্ষিত বস্তু চুরি করা কিংবা চুরির প্রমাণ সন্দেহ বিদ্ধ হওয়া
যে সব চুরির ক্ষেত্রে কোন কারণে হাত কাটা যায় না, সে সব ক্ষেত্রে চোরকে বন্দী করে রাখা যেতে পারে। ১০০ যেমন- মসজিদের জোতা চোর, পানির পাইপ চোর, অনুরূপভাবে যে সমস্ত বস্তু খোলা জায়গায় পড়ে থাকে, যারা এ সব জিনিস চুরি করে তাদের হাত কাটা যাবেনা; তাদেরকে বন্দী করে রাখতে হবে। অনুরূপভাবে যে চোর ঘরের মধ্যে ঢুকে মাল-মাত্তা বের করার জন্য জমায়েত করল; কিন্তু বের করে নিতে পারল না তাকেও বন্দী করে রাখা হবে। অনুরূপভাবে কোন সন্দেহের কারণে চোরের ওপর হদ্দ কার্যকর করা সম্ভব না হলে তাকেও কারাদণ্ড দেয়া যাবে।
টিকাঃ
১০০. ইবনু ফারহুন, তাবছিরাতুল হুক্কাম, খ.২, পৃ.২৮৮;
📄 চুরির অভিযোগ
যে ব্যক্তির প্রতি চুরির অভিযোগ রয়েছে এবং এর শক্তিশালী লক্ষণও (যেমন চুরি যাওয়া মালের আশে-পাশে বেশ কয়েকবার ঘুরা ফেরা করা ও খুঁজ-খবর নেয়া প্রভৃতি।) যদি খুঁজে পাওয়া যায়, তাহলে তাকেও কারাদণ্ড দেয়া যাবে। ১০১
টিকাঃ
১০১. যায়ল'ঈ, তাবরীন, খ.৩, পৃ.২১৪; আল-মাওসূ'আতুল ফিকহিয়্যাহ, খ.১৬, পৃ.৩০৭
📄 অপহরণ করা
অপহরণকারীর কর্তব্য হল, অপহৃত সম্পদ তার মালিককে ফিরিয়ে দেয়া। যদি সে ফিরিয়ে দিতে অস্বীকার করে তাহলে তাকে বন্দী করে রাখতে হবে, যতক্ষণ না সে ফিরিয়ে দেয়। যদি সে দাবী করে যে, অপহৃত সম্পদ ধ্বংস হয়ে গেছে, তাহলে বিচারক তাকে অপরাধের মাত্রা ও সম্পদের পরিমাণ বিবেচনা করে একটি নির্দিষ্ট মেয়াদের জন্য কারাদণ্ড দেবেন। কারো কারো মতে, তাকে কারাদণ্ড দেয়া যাবে না; বরং তাকে অপহৃত সম্পদের মূল্য পরিশোধ করতে হবে। ১০২
টিকাঃ
১০২. আস-সারাখসী, আল-মাবসূত, খ.১১, পৃ.৬৬; আল-কাসানী, বদা'ই, খ.৭, পৃ.১৫১