📘 ইসলামের শাস্তি আইন > 📄 অপরাধীকে আশ্রয় দেয়া

📄 অপরাধীকে আশ্রয় দেয়া


যে ব্যক্তি কোন হত্যাকারী কিংবা কোন সন্ত্রাসী বা অপরাধীকে আশ্রয় দান করবে, তাকেও অপরাধের ক্ষেত্রে অপরাধীর সাথে শরীক বিবেচনা করা হবে। তাই তাকেও বন্দী এবং প্রহার করা যাবে, যতক্ষণ না সে অপরাধী সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানাবে অথবা তাকে ধরতে সহায়তা করবে। ৭২

টিকাঃ
৭২. আল-মাওসূ'আতুল ফিকহিয়‍্যাহ, খ.১৬, পৃ.২৯৯

📘 ইসলামের শাস্তি আইন > 📄 কসম অস্বীকার করা

📄 কসম অস্বীকার করা


যে সব হত্যার প্রমাণ কসম দ্বারা হয়ে থাকে, সে সবের ক্ষেত্রে যদি কেউ কসম করতে অস্বীকার করে, তাহলে তাকেও কসম করা পর্যন্ত বন্দী করে রাখা যাবে। এটাই অধিকাংশ ইমামের অভিমত। তবে ইমাম আবূ ইউসূফ (রহ) ও অন্য কতিপয় ইমামের মতে, কসম করা থেকে অস্বীকার করার কারণে বন্দী করে রাখা সমীচীন হবে না; তবে তার থেকে দিয়াত (রক্তপণ) গ্রহণ করা হবে। ৭৩

টিকাঃ
৭৩. আস-সারাখসী, আল-মাবসূত, খ.২৬, পৃ. ১১১; ইবনু নুজায়ম, আল-বাহরুর রা'ইক, খ.৮, পৃ. ৪৪৬-৭; আল-বাজী, আল-মুস্তকা, খ.৭, পৃ.৭৩; আল-মরদাভী, আল-ইনসাফ, খ.১০, পৃ.১৪৮-৯; আল-জুমাল, ফুতুহাত.., খ.৫, পৃ.১১০

📘 ইসলামের শাস্তি আইন > 📄 ভুল চিকিৎসা করা

📄 ভুল চিকিৎসা করা


শাস্ত্রজ্ঞানহীন কেউ যদি ভুল চিকিৎসা করে অথবা কোন ডাক্তার অবহেলা করে ভুল চিকিৎসা করে কারো ক্ষতি সাধন করে, তাকে প্রহার করা যাবে এবং কারাদণ্ডও দেয়া যাবে। এটা মালিকীগণের অভিমত। তবে হানাফীগণের মতে, তাকে তার কাজ চালিয়ে যেতে বাধা প্রদান করা হবে, যাতে সে লোকের ক্ষতি করতে না পারে। ৭৪

টিকাঃ
৭৪. আল-মাওসূ'আতুল ফিকহিয়‍্যাহ, খ.১৬, পৃ.৩০০

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00