📄 অন্যায়ভাবে কাউকে প্রহার করা, লাথি মারা...
যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে অন্যায়ভাবে প্রহার করল কিংবা লাথি দিল বা চপেটাঘাত করল, তাহলে হানাফী ও মালিকীগণের মতে, তাকেও কিছু দিনের জন্য আটকাদেশ দেয়া যাবে, যদি তার কৃতকর্মের জন্য তাকে বড় ধরনের শিক্ষা দেয়ার প্রয়োজন পড়ে। অন্যান্য ইমামের মতে, যে কোন সাধারণ তা'যীরী শাস্তি দেয়া যাবে। ইবনু তাইমিয়্যার (রহ) মতে, এ ক্ষেত্রে কিসাসের বিধান কার্যকর হবে। ৭০
টিকাঃ
৭০. আল-মাওসূ'আতুল ফিকহিয়্যাহ, খ.১৬, পৃ.২৯৯
📄 বদ নজর দান
বদনজর দানকারীকে তার বদনজর থেকে লোকদেরকে বাঁচানোর জন্য গৃহবন্দী করে রাখা যেতে পারে, যদি সে নজর দিয়ে লোকদের ক্ষতি করা থেকে ফিরে না আসে। কারো কারো মতে, কারাগারেই তাকে বন্দী করা রাখা হবে, যতক্ষণ না সে ঈর্ষা মুক্ত পবিত্র মনের মানুষে পরিণত হয়। ৭১
টিকাঃ
৭১. আল-মরদাভী, আল-ইনসাফ, খ.১০, পৃ. ২৪৯; আল-মাওয়াক, আত-তাজ.., খ.৮, পৃ.৪০৯
📄 অপরাধীকে আশ্রয় দেয়া
যে ব্যক্তি কোন হত্যাকারী কিংবা কোন সন্ত্রাসী বা অপরাধীকে আশ্রয় দান করবে, তাকেও অপরাধের ক্ষেত্রে অপরাধীর সাথে শরীক বিবেচনা করা হবে। তাই তাকেও বন্দী এবং প্রহার করা যাবে, যতক্ষণ না সে অপরাধী সম্পর্কে সঠিক তথ্য জানাবে অথবা তাকে ধরতে সহায়তা করবে। ৭২
টিকাঃ
৭২. আল-মাওসূ'আতুল ফিকহিয়্যাহ, খ.১৬, পৃ.২৯৯
📄 কসম অস্বীকার করা
যে সব হত্যার প্রমাণ কসম দ্বারা হয়ে থাকে, সে সবের ক্ষেত্রে যদি কেউ কসম করতে অস্বীকার করে, তাহলে তাকেও কসম করা পর্যন্ত বন্দী করে রাখা যাবে। এটাই অধিকাংশ ইমামের অভিমত। তবে ইমাম আবূ ইউসূফ (রহ) ও অন্য কতিপয় ইমামের মতে, কসম করা থেকে অস্বীকার করার কারণে বন্দী করে রাখা সমীচীন হবে না; তবে তার থেকে দিয়াত (রক্তপণ) গ্রহণ করা হবে। ৭৩
টিকাঃ
৭৩. আস-সারাখসী, আল-মাবসূত, খ.২৬, পৃ. ১১১; ইবনু নুজায়ম, আল-বাহরুর রা'ইক, খ.৮, পৃ. ৪৪৬-৭; আল-বাজী, আল-মুস্তকা, খ.৭, পৃ.৭৩; আল-মরদাভী, আল-ইনসাফ, খ.১০, পৃ.১৪৮-৯; আল-জুমাল, ফুতুহাত.., খ.৫, পৃ.১১০