📄 ইচ্ছাকৃত হত্যা, যদি কিসাস নিতে দেরি হয়
কিসাসের বিধান হিসেবে যাকে হত্যা করার কিংবা কোন অঙ্গ কেটে নেয়ার ফায়সালা দেয়া হয়েছে তাকে শাস্তি কার্যকর করা পর্যন্ত বন্দী করে রাখতে হবে, যাতে সে পালিয়ে যেতে না পারে। অনুরূপভাবে নিহত ব্যক্তির অভিভাবকরা অনুপস্থিত থাকলে তাদের উপস্থিত হওয়া পর্যন্তও হত্যাকারীকে বন্দী করে রাখা প্রয়োজন। শাফি'ঈ ও হাম্বলীগণের মতে, অভিভাবকরা ছোট হলে বয়ঃপ্রাপ্ত হওয়া পর্যন্ত এবং পাগল হলে সজ্ঞান হওয়া পর্যন্তও হত্যাকারীকে বন্দী করে রাখা প্রয়োজন। ৬৮
টিকাঃ
৬৮. আস-সারাখসী, আল-মাবসূত, খ.২৬, পৃ. ১০৫-৬, ১৭৮; ইবনু 'আবিদীন, রাদ্দুল মুহতার, খ.৬, পৃ.৫৬৮-৯; আর-রামালী, নিহায়াতুল মুহতাজ, খ.৭, পৃ.২৯৯; আর-রুহায়বানী, মাতালিব.., খ.৬, পৃ.৪৪
📄 অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ওপর আঘাত হানা
যে ব্যক্তি কারো দেহের কোন অঙ্গে এমনভাবে আঘাত করল বা ক্ষতি সাধন করল, যে রূপ আঘাত বা ক্ষতির কিসাস নেওয়া সম্ভব নয়, তাহলে তাকে ক্ষতিপূরণ দিতে হবে এবং অপরাধের শাস্তি হিসেবে কারাদণ্ড দেয়া হবে। ৬৯
টিকাঃ
৬৯. আল-বাজী, আল-মুস্তকা, খ.৭, পৃ.১২১-২; আল-মাওসৃ'আতুল ফিকহিয়্যাহ, খ.১৬, পৃ.২৮৯, ২৯৮
📄 অন্যায়ভাবে কাউকে প্রহার করা, লাথি মারা...
যে ব্যক্তি কোন ব্যক্তিকে অন্যায়ভাবে প্রহার করল কিংবা লাথি দিল বা চপেটাঘাত করল, তাহলে হানাফী ও মালিকীগণের মতে, তাকেও কিছু দিনের জন্য আটকাদেশ দেয়া যাবে, যদি তার কৃতকর্মের জন্য তাকে বড় ধরনের শিক্ষা দেয়ার প্রয়োজন পড়ে। অন্যান্য ইমামের মতে, যে কোন সাধারণ তা'যীরী শাস্তি দেয়া যাবে। ইবনু তাইমিয়্যার (রহ) মতে, এ ক্ষেত্রে কিসাসের বিধান কার্যকর হবে। ৭০
টিকাঃ
৭০. আল-মাওসূ'আতুল ফিকহিয়্যাহ, খ.১৬, পৃ.২৯৯
📄 বদ নজর দান
বদনজর দানকারীকে তার বদনজর থেকে লোকদেরকে বাঁচানোর জন্য গৃহবন্দী করে রাখা যেতে পারে, যদি সে নজর দিয়ে লোকদের ক্ষতি করা থেকে ফিরে না আসে। কারো কারো মতে, কারাগারেই তাকে বন্দী করা রাখা হবে, যতক্ষণ না সে ঈর্ষা মুক্ত পবিত্র মনের মানুষে পরিণত হয়। ৭১
টিকাঃ
৭১. আল-মরদাভী, আল-ইনসাফ, খ.১০, পৃ. ২৪৯; আল-মাওয়াক, আত-তাজ.., খ.৮, পৃ.৪০৯