📄 ক্ষুধা ও পিপাসায় কষ্ট দেয়া
কাউকে ক্ষুধা ও পিপাসায় কষ্ট দেয়াও জায়িয নেই। ৪৫
টিকাঃ
৪৫. আল-মাওসূ'আতুল ফিকহিয়্যাহ, খ.১৬, পৃ. ৩২৭
📄 ঠাণ্ডা ও গরমে কষ্ট দেয়া
কাউকে প্রচণ্ড গরম জায়গায় রেখে কিংবা খোলা প্রান্তরে প্রখর রৌদ্র তাপের মধ্যে ফেলে রেখে শাস্তি দেয়াও বৈধ নয়। অনুরূপভাবে কাউকে ভীষণ ঠাণ্ডা জায়গায় রেখে কিংবা শীতের সময় কাপড় পরতে বারণ করে শাস্তি দেয়াও জায়িয নয়। তাছাড়া ধুয়ায় ভরপুর ঘরে দরজা-জানালা বন্ধ রেখে শাস্তি দেয়াও সঙ্গত নয়। ৪৬
টিকাঃ
৪৬. আল-মাওস্'আতুল ফিকহিয়্যাহ, খ.১৬, পৃ. ৩২৭
📄 বিবস্ত্র করা
শরীরের কাপড়-চোপড় খুলে বিবস্ত্র করে শাস্তি দেয়াও হারাম। কেননা এতে লজ্জাস্থান খুলে যায়। ৪৭
টিকাঃ
৪৭. আল-কাসানী, বদা'ই, খ.৭, পৃ. ৬০; আল-ফাতাওয়া আল-হিন্দিয়্যাহ, খ.৫, পৃ. ৬৩
📄 হেয় ও অপমানকর শাস্তি দেয়া
যে সব শাস্তিকে ব্যক্তি নিজের জন্য অত্যন্ত হেয় ও অপমানকর মনে করে এবং যা ভবিষ্যতে তার সুস্থ ও পবিত্র জীবন যাপনের পথে বাধা হয়ে দাঁড়াতে পারে, সেরূপ শাস্তিও দেয়াও উচিত নয়। যেমন উচ্চ মর্যাদাবান ব্যক্তিকে চেহারায় কালি মেখে কিংবা মাথা মুণ্ডিয়ে অপমানিত করা প্রভৃতি। এ কারণেই আটক ব্যক্তিদের গলদেশে বেড়ী পরানো এবং প্রহার করার সময় যমীনে শোয়ানো প্রভৃতিও বৈধ নয়। ৪৮
টিকাঃ
৪৮. হানাফী ও মালিকী ইমামগণের মতে, চেহারায় কালি মেখে শাস্তি দেয়া উচিত নয়। কেননা এটা চেহারার এক ধরনের বিকৃতি সাধন। তবে শাফি'ঈ ও হাম্বলী ইমামগণের মতে, এতে কোন অসুবিধা নেই। হযরত 'উমার (রা) সম্পর্কে বর্ণিত রয়েছে, তিনি মিথ্যা সাক্ষ্যদানকারীর মুখে কালি মেখে দিতেন। তবে আল্লামা সারাখসী (রহ) তাঁর এ কাজের ব্যাখ্যা দিতে গিয়ে বলেন, হযরত 'উমার (রা) প্রশাসনিক দৃষ্টিকোণ থেকে এটা কল্যাণকর মনে করেছিলেন বলে তা করেছিলেন। (আস-সারাখসী, আল-মাবসূত, খ.১৬, পৃ.১৪৫; আল-বাজী, আল-মুস্তকা, খ.৫, পৃ.১৯০; আল-মাওসূ'আতুল ফিকহিয়্যাহ, খ.১১, পৃ. ৩৫৩)