📄 অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কেটে দেয়া কিংবা ভেঙ্গে দেয়া
কারো নাক, কান কেটে দিয়ে কিংবা ওষ্ঠ উৎপাটন করে বা আঙ্গুলের মাথা কর্তন করে বা হাঁড় ভেঙ্গে দিয়ে বা শরীরের অন্য কোন অঙ্গ কেটে বা ভেঙ্গে দিয়ে শাস্তি দেয়া বৈধ নয়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বিভিন্ন অভিযান প্রেরণের সময় নেতৃবৃন্দকে নির্দেশ দিয়ে বলতেন, لا تمثلوا - "তোমরা অঙ্গ-প্রত্যঙ্গ কেটে বিকৃত করো না।” ৪২ সাহাবা কিরামও কোন অপরাধীকে এভাবে শাস্তি দিয়েছেন মর্মে কোন বর্ণনা পাওয়া যায় না। তাছাড়া তা'যীরের উদ্দেশ্যই হল শিক্ষা দেয়া। কারো কিছু ধ্বংস করে শিক্ষার উদ্দেশ্য বাস্তবায়িত হবে না।
টিকাঃ
৪২. আবু 'আওয়ানাহ, আল-মুসনাদ, হা.নং : ৬৫০২; তাবারানী, আল-মু'জামুল করীর, হা.নং : ৩১৮৮
📄 চেহারা কিংবা নাজুক কোন স্থানে প্রহার করা
শরীরের এমন কোন অংশে প্রহার করা জায়িয নেই, যাতে ব্যক্তির প্রাণ নাশ কিংবা কোন অঙ্গ হানির কোন রূপ আশঙ্কা সৃষ্টি হয়। এ কারণে কারো চেহারা, গুপ্তাঙ্গ, পেট ও বুক প্রভৃতি স্থানে প্রহার করা বৈধ নয়।
📄 আগুনে জ্বালিয়ে কিংবা পানিতে ডুবিয়ে শাস্তি দেয়া
শরীর কিংবা শরীরের অংশ বিশেষকে আগুনে পুড়িয়ে শাস্তি দেয়া হারাম। তবে অধিকাংশ ইসলামী আইনতত্ত্ববিদের মতে, কিসাসের ক্ষেত্রে এ রূপ করা জায়িয। অনুরূপভাবে পানিতে ডুবিয়ে রেখে শাস্তি দেয়াও বৈধ নয়। ৪৪
টিকাঃ
৪৩. ইবনুল হুমام, ফাতহুল কাদীর, খ.৫, পৃ. ২৩১; যায়নুদ্দীন আল-'ইরাকী, তারহুত তাহরীব, খ.৮, পৃ. ১৩-৫
৪৪. আস-সারাখসী, আল-মাবসূত, খ.১০, পৃ.৩১; আল-হায়তমী, তুহফাতুল মুহতাজ, খ.৯, পৃ. ১৫২
📄 ক্ষুধা ও পিপাসায় কষ্ট দেয়া
কাউকে ক্ষুধা ও পিপাসায় কষ্ট দেয়াও জায়িয নেই। ৪৫
টিকাঃ
৪৫. আল-মাওসূ'আতুল ফিকহিয়্যাহ, খ.১৬, পৃ. ৩২৭