📘 ইসলামের শাস্তি আইন 📄 গায়ের জা‘ইফার প্রকারভেদ

📄 গায়ের জা‘ইফার প্রকারভেদ


১. আদ-দামিয়াহ )الدامية(: যে আঘাতে দেহের চামড়া কেটে রক্ত নির্গত হয়।
২. আল-বাদি'আহ )الباضعة(: যে আঘাতে দেহের গোশত কেটে বা চিরে যায়; কিন্তু হাড় অনাবৃত হয় না।
৩. আল-মুতলাহিমাহ (المتلاحمة) : যে আঘাতে দেহের গোশত ছিন্ন হয়ে যায়।
৪. আল-মুদিহাহ (الموضحة) : যে আঘাতে দেহের গোশত কেটে হাড় অনাবৃত হয়ে যায়।
৫. আল-হাশিমাহ (الهاشمة) : যে আঘাতে দেহের হাড় ভেঙ্গে যায়; কিন্তু স্থানচ্যুত হয় না।
৬. আল-মুনাক্কিলাহ (المنقلة) : যে আঘাতে দেহের হাড় ভেঙ্গে স্থানচ্যুত হয়ে যায়। ১১১

টিকাঃ
১১১. বিধিবদ্ধ ইসলামী আইন (সংকলন), খ.১, পৃ. ২৭৩

📘 ইসলামের শাস্তি আইন 📄 গায়ের জা‘ইফাহ-এর শাস্তি

📄 গায়ের জা‘ইফাহ-এর শাস্তি


গায়র জা'ইফার নিধারিত 'আরশ' নেই। তাই এ ক্ষেত্রে বিচারক তাঁর সুবিবেচনা অনুযায়ী দিয়াতের পরিমাণ ধার্য করবে এবং তা'যীরের আওতায় আঘাতের প্রকৃতি অনুযায়ী অপরাধীকে চিকিৎসা খরচ বহনসহ অন্য যে কোন সাধারণ দণ্ড দিতে পারবে। এটা হানাফীগণের অভিমত। তাঁদের মতানুযায়ী মুখমণ্ডল ও মাথা ছাড়া দেহের অন্য জায়গার আঘাতের জন্য কিসাস ওয়াজিব হবে না। শাফি'ঈগণের বিশুদ্ধ মতানুযায়ী 'মুদিহাহ'র ক্ষেত্রে কিসাস ওয়াজিব হবে। তাঁদের মতানুযায়ী দেহের যে কোন স্থানের আঘাতের জন্য কিসাস প্রযোজ্য হবে, যদি আঘাত হাড় পর্যন্ত পৌঁছে থাকে; কিন্তু তা ভেঙ্গে যায়নি। মালিকীগণের মতে, বিপদের আশঙ্কা না থাকলে দেহের যে কোন আঘাতের জন্য কিসাস প্রযোজ্য হবে, এমনকি 'হাশিমাহ'র ক্ষেত্রেও অর্থাৎ হাড় ভেঙ্গে গেলেও। এ কারণে তাঁদের মতানুযায়ী বক্ষ, ঘাড়, পিঠ ও উরু প্রভৃতি অঙ্গের হাড়গুলোতে বদলা নেয়া যাবে না। অন্যান্য হাড় ভাঙ্গার জন্য কিসাস প্রযোজ্য হবে। ১১২

টিকাঃ
১১২. আল-মাওস্'আতুল ফিকহিয়‍্যাহ, খ.১৬, পৃ. ৮১-২; আদ-দাসুকী, আল-হাশিয়াতু.., খ.২, পৃ. ১১১-২

ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية