📄 বোধশক্তি বিলোপ করার দিয়াত
বোধশক্তি বা চেতনা শক্তিই মানুষের আসল সম্পদ। যে ব্যক্তিকে বোধশক্তিহীন করা হয়েছে সে মূলত মৃতব্যক্তির মতই। তার কোন কিছু করার যোগ্যতা অবশিষ্ট থাকে না। তাই আঘাতের কারণে কিংবা অন্য যে কোন উপায়ে কোন ব্যক্তির বোধ শক্তি পুরো নষ্ট হয়ে গেলে অপরাধীর ওপর পূর্ণ দিয়াত বাধ্যতামূলক হবে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, و في - العقل الدية "বোধ শক্তি বিলোপের জন্য পূর্ণ দিয়াত।" ১০০ তবে বোধ শক্তি পুরো নষ্ট না হলে ক্ষতির পরিমাণ অনুপাতে দিয়াত বাধ্যতামূলক হবে। যদি ক্ষতির পরিমাণ নির্ধারণ করা দুরূহ হয়, তা হলে বিচারক তাঁর সুবিবেচনা অনুযায়ী আরশ ধার্য করবেন। ১০৪
টিকাঃ
১০৩. আল বায়হাকী, আস-সুনান আল-কুবরা, হা.নং: ১৬০০৪
১০৪. ইবনুল হুমাম, ফাতহুল কাদীর, খ.১০, পৃ.২৮০-১; ইবনু কুদামাহ, আল-মুগনী, খ.৮, পৃ.৩৬৩-৪; শাফি'ঈ, আল-উম্ম, খ.৬, পৃ.৮৭
📄 প্রত্যঙ্গের দিয়াত অঙ্গের দিয়াতের মধ্যে শামিল হবে
কোন ব্যক্তি অপর কারো অঙ্গের প্রত্যঙ্গসমূহ কর্তন বা ভাঙ্গার পর সংশ্লিষ্ট অঙ্গটি কর্তন করলে বা ভেঙ্গে ফেললে বা অকেজো করে দিলে অপরাধীর ওপর কেবল অঙ্গের জন্য নির্ধারিত দিয়াত প্রদান বাধ্যতামূলক হবে। ১০৫ যেমন কেউ কারো প্রথমে হাতের আঙ্গুল কর্তন করল, অতঃপর হাত কর্তন করল, এরূপ অবস্থায় পৃথক পৃথকভাবে দিয়াত ধার্য হবে না; বরং হাতের জন্য নির্ধারিত দিয়াত প্রদানই বাধ্যতামূলক হবে।
টিকাঃ
১০৫. আল-কাসানী, বদাই, খ.৭, পৃ. ৩২৪