📘 ইসলামের শাস্তি আইন 📄 নিহত ব্যক্তির ওয়ারিছদের পক্ষ থেকে কিসাসের দাবী থাকা

📄 নিহত ব্যক্তির ওয়ারিছদের পক্ষ থেকে কিসাসের দাবী থাকা


কিসাস বাধ্যতামূলক হবার জন্য নিহত ব্যক্তির ওয়ারিছদের পক্ষ থেকে কিসাসের দাবী থাকতে হবে। অতএব, তাদের পক্ষ থেকে কিসাসের দাবী করা না হলে কিসাস রহিত হয়ে যাবে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, “ইযহাকু হত্যা অবশ্যই সদগুণ العمد قود إلا أن يعفو ولي المقتول বদলা গ্রহণযোগ্য। তবে নিহত ব্যক্তির ওয়ারিছরা ক্ষমা করে দিলে ভিন্ন কথা।” ৭২ তদুপরি কিসাস কার্যকর করার জন্য কিসাসের দাবিতে সকল ওয়ারিছের একমত হতে হবে। যদি তাদের একজনও হত্যাকারীকে ক্ষমা করে দেয় বা দিয়াত বা মালের বিনিময়ে সমঝোতা করতে চায়, তাহলে কিসাস রহিত হয়ে যাবে; দিয়াত ওয়াজিব হবে। ৭৩

টিকাঃ
৭২. দারাকুতনী, আস-সুনান, (কিতাবুল হুদূদ..), হা.নং: ৪৫; ইবনু আবী শায়বাহ, আল-মুহান্নাফ, হা.নং: ২৭৭৬৬
৭৩. আল-কাসানী, বদা'ই, খ.৭, পৃ.২৪৩

📘 ইসলামের শাস্তি আইন 📄 নিহত ব্যক্তির ওয়ারিছদের সকলেই উপস্থিত থাকা

📄 নিহত ব্যক্তির ওয়ারিছদের সকলেই উপস্থিত থাকা


কিসাস কার্যকর করার জন্য সকল ওয়ারিছের উপস্থিত থাকা জরুরী। ওয়ারিছদের কেউ অনুপস্থিত থাকলে তার ফিরে আসা পর্যন্ত অপেক্ষা করতে হবে কিংবা নিশ্চিতভাবে তার মতামত জানার চেষ্টা করতে হবে। কারণ অনুপস্থিত ওয়ারিছ হত্যাকারীকে হয়ত বা ক্ষমা করে দিতে পারে বা অর্থের বিনিময়ে হত্যাকারীর সাথে সমঝোতা করতে পারে। এ অবস্থায় কিসাস কার্যকর করা হলে তা অনুপস্থিত ওয়ারিছের অধিকারে অন্যায়ভাবে হস্তক্ষেপরূপে গণ্য হবে।

📘 ইসলামের শাস্তি আইন 📄 কিসাসের দাবীদার হত্যাকারীর সন্তান কিংবা তার অধঃস্তন ব্যক্তি না হওয়া

📄 কিসাসের দাবীদার হত্যাকারীর সন্তান কিংবা তার অধঃস্তন ব্যক্তি না হওয়া


কিসাসের দাবীদাররা হত্যাকারীর সন্তান কিংবা অধঃস্তন ব্যক্তি হলে হত্যাকারীর মৃত্যুদণ্ড হবে না। কেননা ইতঃপূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে যে, সন্তান-হত্যার বদলায় পিতার মৃত্যুদণ্ড হবে না। অনুরূপভাবে সন্তান-হত্যায় অন্যদের সাথে পিতা শরীক থাকলেও কোন হত্যাকারীর মৃত্যুদণ্ড হবে না। ৭৪

টিকাঃ
৭৪. আল-মাওসূ'আতুল ফিকহিয়‍্যাহ, খ.৩৩, পৃ.২৬৯

ফন্ট সাইজ
15px
17px