📘 ইসলামের শাস্তি আইন 📄 মালের বিনিময়ে চুক্তি না করা

📄 মালের বিনিময়ে চুক্তি না করা


মালের বিনিময়ে চুক্তি করা যাবে না।”

টিকাঃ
৩১. আল-কাসানী, বদাই,খ.৭, পৃ.১৪১; ইবনু নুজায়ম, আল-বাহরুর রাইক, খ.৫, পৃ.১৫২; শায়খী যাদাহ, মাজমাউল আনহুর, খ.১, পৃ.৬৩৮; আল-মাওয়ার্দী, আল-আহকামুস সুলতানিয়‍্যাহ, পৃ.৭৫

📘 ইসলামের শাস্তি আইন 📄 প্রচণ্ড ধ্বংসাত্মক ভারী অস্ত্র ব্যবহার না করা

📄 প্রচণ্ড ধ্বংসাত্মক ভারী অস্ত্র ব্যবহার না করা


তাদের ওপর প্রচণ্ড ধ্বংসাত্মক ভারী অস্ত্র ব্যবহার করা যাবে না।

📘 ইসলামের শাস্তি আইন 📄 খাদ্য ও পানীয় সরবরাহ বিচ্ছিন্ন না করা

📄 খাদ্য ও পানীয় সরবরাহ বিচ্ছিন্ন না করা


তাদেরকে অবরোধ করে খাদ্য ও পানীয় সরবরাহ বিচ্ছিন্ন করা যাবে না।

📘 ইসলামের শাস্তি আইন 📄 জ্বালিয়ে বা ডুবিয়ে না মারা

📄 জ্বালিয়ে বা ডুবিয়ে না মারা


তাদেরকে জ্বালিয়ে বা ডুবিয়ে মারা যাবে না। হানাফী ও মালিকীগণের মতে, যদি বিদ্রোহীরা অস্ত্রশস্ত্রে সুরক্ষিত অবস্থায় থাকে, তাহলে তাদের সাথে লড়াইয়ে সে সব অস্ত্র ও কলাকৌশল ব্যবহার করা যাবে, যে সব অস্ত্র ও কলাকৌশল শত্রু পক্ষের সাথে লড়াইয়ে ব্যবহার করা হয়। যেমন- তরবারি, তীর, বর্শা, প্রস্তর নিক্ষেপন যন্ত্র, ট্যাংক, কামান ও আগ্নেয়াস্ত্র প্রভৃতির ব্যবহার, ডুবিয়ে মারা এবং খাদ্য ও পানীয় সরবরাহ বন্ধ করে দেয়া প্রভৃতি। তদুপরি বিদ্রোহীরা যখন কোন ভারী ও মারণাস্ত্র ব্যবহার করবে, তখন তার মুকাবিলায়ও সরকারকে তার ব্যবহার করতে হবে। কেননা লড়াইয়ের উদ্দেশ্য হল তাদের বিশৃঙ্খলা বন্ধ করা ও তাদের শৌর্যবীর্য খতম করে দেয়া। তাই যে সব কলা-কৌশল ও অস্ত্র ব্যবহারের মাধ্যমে তা অর্জন করা সম্ভবপর হবে, তা-ই ব্যবহার করতে হবে। তবে মালিকীগণের মতে, যদি বিদ্রোহীদের সাথে তাদের স্ত্রী ও সন্তান-সন্ততিরা থাকে তাহলে তাদের দিকে আগ্নেয়াস্ত্র নিক্ষেপ করা সমীচীন নয়।
শাফি'ঈ ও হাম্বলীগণের মতে, বিদ্রোহীদের সাথে লড়াইয়ে আগ্নেয়াস্ত্র ও প্রস্তর নিক্ষেপণ যন্ত্র ব্যবহার করা বৈধ নয়। অনুরূপভাবে ডুবিয়ে কিংবা বন্যার পানি ছেড়ে দিয়ে ধ্বংস সাধন প্রভৃতি সর্বপ্লাবি শাস্তি দেয়াও জায়িয নয়। তাছাড়া তাদের অবরোধ করে খাদ্য ও পানীয় সরবরাহ বিচ্ছিন্ন করে দেয়াও সমীচীন নয়। তবে একান্ত প্রয়োজন হলে (যেমন এ সব অস্ত্র ও কলা-কৌশল ব্যবহার করা ছাড়া যদি তাদেরকে দমন করা সম্ভবই না হয়) তা ভিন্ন কথা। কেননা লড়াইয়ে এ সবের ব্যবহারের উদ্দেশ্য তো তাদেরকে হত্যা করা বা নির্মূল করা নয়; বরং তাদেরকে পরাভূত করা, তাদের শৌর্যবীর্য ধ্বংস করে দেয়া। তদুপরি যারা লড়াইয়ে অংশ গ্রহণ করবে না, তাদেরকে যেহেতু হত্যা করা জায়িয নেই, তাই যে সব অস্ত্র বা কলা কৌশল অবলম্বনের কারণে যুদ্ধরত বিদ্রোহী ছাড়া অন্যদের মারা যাওয়ার আশঙ্কা থাকবে তা ব্যবহার করা জায়িয হবে না।

টিকাঃ
৩২. আল-কাসানী, বদা'ই, খ.৭, পৃ.১৪১; ইবনু নুজায়ম, আল-বাহরুর রাইক, খ.৫, পৃ.১৫২; আল-খারাশী, শারহু মুখতাছারি খলীল, খ.৮, পৃ.৬০; ইবনু কুদামাহ, আল-মুগনী, খ.৯, পৃ.৯
৩৩. ইবনু কুদামাহ, আল-মুগনী, খ.৯, পৃ.১; আল-জুমাল, ফুতুহাত.., খ.৫, পৃ. ১১৭-৮; আল- বুজায়রমী, আত-তাজরীদ.., খ.৪, পৃ.২০২-৩; রুহায়বানী, মাতালিব, খ.৬, পৃ.২৬৮

ফন্ট সাইজ
15px
17px