📄 বাধ্যতামূলক ‘ইবাদাত তরক করার শাস্তি
শরী'আতের কোন বাধ্যতামূলক (ফরয) 'ইবাদাত (যেমন নামায, যাকাত, রোযা ও হজ্জ প্রভৃতি) কেউ গাফলতি বা ইত্যাকার অন্য কোন কারণে আদায় না করলে সে ফাসিক হবে এবং এ ধরনের কোন কোন ইবাদাতের জন্য সে শাস্তিযোগ্য হবে।
📄 বাধ্যতামূলক নয় এমন ‘ইবাদাত তরক করার শাস্তি
শরী'আতের বাধ্যতামূলক নয় এমন কোন ইবাদাত (ওয়াজিব, সুন্নাত, মুস্তাহাব ও নফল) সাধারণত কেউ পালন না করলে তাকে ফাসিক বলা যাবে না এবং এজন্য সে শাস্তিযোগ্যও হবে না। তবে এ ধরনের যে সব ইবাদাত ইসলামের নির্দশন রূপে বিবেচিত (যেমন নামাযের জামা'আত, আযান, ইকামত ও দু ঈদের নামায প্রভৃতি) তন্মধ্যে কোন ইবাদাতকে যদি কোন এলাকার লোকজন সম্মিলিতভাবে পরিহার করে, তাহলে প্রথমত তাদেরকে তা করার জন্য বাধ্য করা হবে। প্রয়োজনে তাদের সকলর সাথে লড়াই করা ওয়াজিব হবে。
টিকাঃ
১২৪. এটা অধিকাংশ ইমামের অভিমত। তবে ইমাম আবু ইউসূফ (রহ)-এর মতে, তাদের সাথে সশস্ত্র লড়াই করা যাবে না; তবে তাদেরকে বন্দী করা হবে এবং প্রহার করা হবে। (ইবনু নুজায়ম, আল-বাহরুর রাইক, খ.১. পৃ.২৬৯; আল-মাওসূ'আতুল ফিকহিয়্যাহ, খ.২, পৃ.৩৩৯, খ.২৬, পৃ. ৯৮-৯, খ.৩২, পৃ.৩২০)