📄 আল্লাহ ছাড়া কারো উদ্দেশ্যে মাথা নত করা, সিজদা করা
আল্লাহ ছাড়া কোন মূর্তিকে উদ্দেশ্য করে সিজদা করা- ইচ্ছাকৃতভাবে হোক কিংবা তামাসাচ্ছলে হোক- চরম কুফরী। কেউ এ রূপ করলে সে কাফির হয়ে যাবে। অনুরূপভাবে কোন 'আলিম বা বুজর্গ কিংবা কোন প্রতাপশালী রাজা বাদশাহের সামনে মাটিতে সিজদা করা বা নুইয়ে পড়াও হারাম। যে তা করবে এবং যে তাতে সন্তুষ্ট থাকবে- দুজনেই বড় গুনাহগার হবে। কেননা মূর্তিপুজার সাথে সাদৃশ্যপূর্ণ কাজ বলে এ রূপ অবস্থাকে ইসলাম চরমভাবে নিষিদ্ধ ঘোষণা করেছে। তবে এ রূপ ব্যক্তি কাফির হবে কি না- তা কিছুটা ব্যাখ্যার দাবী রাখে। কেউ যদি কারো সামনে তার 'ইবাদাত এবং বড়ত্ব ও মাহাত্ম্য প্রকাশের নিমিত্তে এ রূপ করে থাকে, তা হলে সে নিঃসন্দেহে কাফির হয়ে যাবে। এতে কারো দ্বিমত নেই। যদি তা কেবল সম্মান প্রদর্শনের জন্যই করে থাকে, তা হলে সে কাফির হবে না বটে; তবে বড় গুনাহগার হবে। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, 'لا ينبغي لبشر أن يسجد لبشر و لو صح لبشر أن يسجد لبشر لأمرت المرأة أن تسجد لزوجها من عظم حقه عليها -
"একজন মানুষের অন্য মানুষকে উদ্দেশ্য করে সিজদা করা উচিত নয়। যদি তা রীতি সিদ্ধই হত, তা হলে আমি অবশ্যই স্বামীর অধিকারের গুরুত্ব বিবেচনা করে তাকে উদ্দেশ্য করে সিজদা করার জন্য স্ত্রীকে নির্দেশ দিতাম। "
তবে পরস্পর একে অপরকে সম্মান প্রদর্শন করতে গিয়ে সচরাচর লোকেরা যে সামান্য পরিমাণে ঝুকে মাথা নত করে থাকে, যা কোনভাবেই রুকু'র পর্যায়ে পৌঁছে না, তা কুফরীও নয় এবং হারামও নয়। তবে তা নিঃসন্দেহে মাকরূহ। এ রূপ অবস্থাও পরিহার করে চলা উচিত। বর্ণিত রয়েছে, জনৈক সাহাবী রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দরবারে এসে জিজ্ঞেস করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)! আমাদের কারো একভাইয়ের সাথে অপর ভাইয়ের বা বন্ধুর সাক্ষাত হয়, তখন কি একজন অপরের উদ্দেশ্যে ঝুঁকে পড়বে? তিনি বললেন, না। লোকটি আবার জিজ্ঞেস করলেন, তাহলে তাকে ধরে কি চুমো খাবে? তিনি বললেন, না। লোকটি ফিরে আবার জিজ্ঞেস করলেন, তাহলে কি তার হাত ধরে মুসাফাহা করবে? তিনি বললেন: হ্যাঁ।"
তবে ঝুঁকতে গিয়ে রুকু'র পর্যায়ে চলে গেলে অনেকের মতে- এ রূপ অবস্থায় যদি ব্যক্তিবিশেষকে আল্লাহর মত সম্মান প্রদর্শন করা উদ্দেশ্য না হয়, তা হলে তা কুফরী এবং হারাম হবে না। তবে এটিও ইসলামের দৃষ্টিতে অত্যন্ত ঘৃণিত আচরণ (মাকরূহ তাহরীমী)। আবার অনেক আলিমের মতে, ব্যক্তিবিশেষকে আল্লাহর মত সম্মান প্রদর্শন করার উদ্দেশ্য না থাকলেও এভাবে পরস্পর একে অপরকে সম্মান প্রদর্শন করা হারাম। কেননা রুকু'র আকৃতিতে সম্মান প্রদর্শনের নিয়মটি কেবল আল্লাহর জন্য সুনির্দিষ্ট; কোন বান্দাহর জন্য এটা প্রযোজ্য নয়। ইবনু 'আল্লান সিদ্দীকী বলেন, "সাক্ষাতের সময় রুকুর মত করে ঝুঁকে যাওয়া একটি চরম ভ্রান্তিমূলক বিদ'আত। যদি কেউ আল্লাহকে যেভাবে সম্মান প্রদর্শন করা হয়, সেভাবে কাউকে সম্মান করার উদ্দেশ্যে ঝুঁকে যায়, তাহলে সে নিঃসন্দেহে মুরতাদ ও কাফির হয়ে যাবে।"
টিকাঃ
৯৩. যায়ল'ঈ, তাবয়ীন, খ.১, পৃ.২০২; শায়খী যাদাহ, মাজমা'.., খ.২, পৃ.৫৪২; আল-আনসারী, আসনাল মাতালিব, খ.১, পৃ.৬০। এটা অধিকাংশ হানাফী ইমামের অভিমত। তবে হানাফীগণের মধ্যে শামসুল আইয়িম্মাহ আস-সারাখসী (রা) ও আরো অনেকের মতে, এ রূপ অবস্থায়ও সে কাফির হয়ে যাবে। কেননা সিজদার মাধ্যমে সম্মান প্রদর্শন কেবল আল্লাহর জন্য সুনির্দিষ্ট। কোন বান্দাহর জন্য প্রযোজ্য নয়। (শায়খী যাদাহ, মাজমা'.., খ.২, পৃ.৫৪২)
৯৪. আল-হাকিম, আল-মুস্তাদরাক, (কিতাবুন নিকাহ), হা.নং ২৭৬৮; নাসাঈ, আস-সুনান আল- কুবরা, হা.নং: ৯১৪৭; বায়হাকী, আস-সুনান আল-কুবরা, হা.নং: ১৩২৬৩
৯৫. আত্ তিরমিযী, (কিতাবুল ইস্তি'যান), হা.নং: ২৭২৮
৯৬. শায়খী যাদাহ, মাজমা'.., খ.২, পৃ.৫৪২; রামালী, নিহায়াতুল মুহতাজ, খ.৭, পৃ.৪১৭; কালয়ূবী ও 'উমায়রাহ, আল-হাশিয়াতু.., খ.১, পৃ.৩৯
৯৭. আল-মাওসূ'আতুল ফিকহিয়্যাহ, খ.২৩, পৃ.১৩৫
📄 অমুসলিমদের পরিচয়সূচক পোশাক বা বেশভূষা ধারণ করা
কোন মুসলিম অমুসলিমদের পরিচয়সূচক কোন পোশাক বা বেশভূষা (যেমন- ব্রাহ্মণদের পৈতা, বৌদ্ধদের গেরুয়া বর্ণের কাপড় ও খ্রিস্টানদের ক্রস প্রভৃতি) ধারণ করলে সে কাফির হয়ে যাবে, যদি সে তা কোন রূপ অনুরাগ বা আগ্রহ নিয়ে পরে থাকে। যদি সে তা খেলাচ্ছলে পরে থাকে, তা হলে এর জন্য তাকে কাফির বলা যাবে না; তবে এ রূপ করাও হারাম。
টিকাঃ
৯৮. এটা মালিকী ও হাম্বলীগণের অভিমত। (ইবনু মুফলিহ, আল-ফুরূ', খ.৬, পৃ.১৬৮; ইবনু গুনায়ম, আল-ফাওয়াকিহ.., খ.২, পৃ.২৮১)
📄 দীনের কোন বিধানকে অস্বীকার করে আমল করা ছেড়ে দেয়া
দীনের যে কোন অকাট্য ও সর্বজনপরিচিত বিধানকে (যেমন নামায, রোযা, যাকাত, হজ্জ ও জিহাদ প্রভৃতি) কেউ অস্বীকার করে কিংবা উপহাস করে আমল করা ছেড়ে দিলে সে কাফির ও মুরতাদ হয়ে যাবে। তবে গাফলতি বা ইত্যাকার অন্য কোন কারণে তা কেউ আদায় না করলে সে কাফির হবে না বটে; তবে সে শাস্তিযোগ্য হবে。
টিকাঃ
৯৯. ইবনু কুদামাহ, আল-মুগনী, খ.৯, পৃ.২২; নববী, আল-মাজমূ', খ.৫, পৃ.৩০৭
📄 যাদু করা
ইসলামী শরী'আতে যাদু' একটি মারাত্মক ঘৃণিত কাজ। এর শিক্ষা দান ও গ্রহণ দুটিই হারাম। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর ভাষায়- এটি ইসলামের জন্য মারাত্মক ক্ষতিকর সাতটি বিষয়ের মধ্যে অন্যতম। হানাফীগণের মতে, দু'অবস্থায় যাদুকরকে শাস্তিস্বরূপ হত্যা করা হবে।
ক. যদি যাদুতে কোন কুফরী বা শিরকী বাক্য বা কাজের আশ্রয় নেয়া হয়।
খ. অথবা কুফরীর আশ্রয় নেয়া ছাড়াই যাদুর সাহায্যে সচরাচর মানুষের ক্ষতি সাধন করার কাজে পরিচিতি লাভ করে। এ অবস্থায় তাকে হত্যার কারণ কুফরী নয়; মানুষের ক্ষতি সাধনের চেষ্টায় রত থাকাই হল এর মূল কারণ। ইসলামী শাস্তি আইনে কুফরী ছাড়া অন্য যে কোন মারাত্মক অপরাধের কারণেও কাউকে হত্যা করা যেতে পারে। অতএব যাদুকর যেহেতু তার কাজের মাধ্যমে গোপনে মানুষের ক্ষতি সাধন করে এবং তা যদি সাক্ষ্য-প্রমাণ দ্বারা সাব্যস্ত হয় অথবা সে নিজে স্বীকারোক্তি দেয়, তাহলে মানুষদেরকে তার ক্ষতি থেকে বাঁচানোর জন্য তাকে হত্যাই করতে হবে। উপরন্তু তাকে তাওবা করতে বলা যাবে না এবং সে তাওবা করলেও তা গ্রহণযোগ্য হবে না। এ বিষয়ে মুসলিম ও অমুসলিম সকলের জন্য একই বিধান প্রযোজ্য হবে। তবে মালিকী, হাম্বলী ও কতিপয় হানাফী ইমামের মতে, অমুসলিম যাদুকরকে হত্যা করা যাবে না; বরং তা'যীরের আওতায় অন্য যে কোন উপযুক্ত শাস্তি দেয়া যাবে। যাদুকরের তাওবা কবুল না হবার দলীল হল: রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, হ "যাদুকরের হদ্দ হল তরবারির আঘাতে হত্যা করা।" এ হাদীসে যাদুকরের শাস্তিকে হদ্দ নামে অভিহিত করা হয়েছে।
ইতঃপূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে যে, হদ্দযোগ্য অপরাধ প্রমাণিত হবার পর তাওবার কারণে হদ্দ রহিত হবে না। হযরত 'আয়িশা (রা) থেকেও বর্ণিত, তিনি বলেন, জনৈকা মহিলা যাদুকর কয়েকজন সাহাবীর নিকট জানতে চেয়েছিলেন, তার তাওবার কোন সুযোগ আছে কি (অর্থাৎ তাওবার মাধ্যমে দুনিয়ার শাস্তি থেকে রেহাই পাবার কোন উপায় আছে কি)? তাঁদের কেউ এ ব্যাপারে ফাতওয়া দেন নি। তদুপরি যাদুকর যেহেতু গোপনে কর্মকাণ্ড চালায়, তাই সে খাঁটি তাওবা করছে কি না- তাও জানা মুশকিল।
শাফি'ঈগণের মতে, যাদুতে যদি কোন কুফরী বাক্য বা কাজের আশ্রয় না নেয়া হয়, তাহলে তা কুফরী বলে গণ্য হবে না। আর এ জন্য যাদুকরকে হত্যা করা যাবে না, যে যাবত সে কাউকে স্বেচ্ছায় হত্যা করেছে বলে স্বীকার করবে না। তবে হাম্বলীগণের মতে, যাদুকর যাদুর সাহায্যে হত্যা করেছে- তা প্রমাণিত না হলেও যাদুকরকে হদ্দের আওতায় হত্যা করা হবে, যদি সে যাদুকে মুবাহ বলে বিশ্বাস করে。
মালিকীগণের মতে, যদি যাদুকর প্রকাশ্যই কুফরী যাদুর কাজ করে এবং তা প্রমাণিত হয়, তাহলে কুফরীর কারণে তাকে হত্যা করা হবে। তবে সে তাওবা করলে তার তাওবা কবুল করা হবে। যদি সে গোপনেই যাদুর কাজ করে, তাহলে তাকে যিন্দীকের মতই গণনা করা হবে এবং এ জন্য তাকে হত্যা করা হবে এবং তার তাওবাও গ্রহণযোগ্য হবে না。
শাফি'ঈগণের মতে, যদি কেউ যাদুকে হারাম বিশ্বাস করেই শিক্ষা দেয় বা শিক্ষা নেয়, তা হলে তাকে কাফির বলা যাবে না। এ জন্য তা'যীরের আওতায় আদালত সুবিবেচনা অনুযায়ী তাকে যে কোন রূপ শাস্তি দিতে পারবে। তবে কেউ হারাম জানার পরও যদি তাকে মুবাহ বলে বিশ্বাস করে, তাহলে তাকে কাফির বলা হবে। কেননা হারাম জেনেও তাকে মুবাহ বলে বিশ্বাস করা আল্লাহর বাণীকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করার শামিল। এ কারণে তার ওপর মুরতাদের বিধান কার্যকর করা হবে। মুরতাদকে যেমন হত্যা করা হয়, তেমনি তাকেও হত্যা করা হবে। তাঁদের এ বক্তব্য থেকে জানা যায়, মুরতাদের তাওবার মত যাদুকর তাওবা করলে তা গ্রহণযোগ্য হবে এবং তাকে হত্যা করা যাবে না。
যাদুতে কুফরীর আশ্রয় নেয়নি কিংবা যাদুর সাহায্যে কাউকে হত্যা করেনি-এ ধরনের যাদুকরকেও তা'যীরের আওতায় দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে, যাতে সে আর কখনোই এবং তার মত আর কেউ এ পেশায় এগিয়ে আসতে সাহস না পায়。
যাদুর মত হস্তরেখা গণনা এবং রাশির ওপর ভিত্তি করে বা জিনকে বশ করে অনুমানভিত্তিক গায়েবের কথা বলাও হারাম। কোন মুসলিম এগুলোকে মুবাহ বলে বিশ্বাস করলে সে কাফির হবে এবং এ ধরনের পেশা অবলম্বনকারী মুসলিম হত্যার যোগ্য হবে। হযরত 'উমার (রা) বলেছেন, اقتلوا كل ساحر و كاهن "প্রত্যেক যাদুকর ও জ্যোতিষীকে হত্যা কর।" রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, ليس منا من تكهن و تكهن له - "যে গণনা করে এবং যার জন্য গণনা করা হয় উভয়ে আমার দলের অর্ন্তভুক্ত নয়। " و من أتى كاهنا فصدقه بما يقول فقد كفر بما أنزل على (محمد (ص "যে ব্যক্তি কোন গণকের কাছে আসল এবং তার কথাকে সত্য বলে বিশ্বাস করল, বস্তুত পক্ষে সে আমার ওপর অবতীর্ণ বাণীকেই অস্বীকার করল। " তবে যদি কেউ এগুলোকে মুবাহ কিংবা বাস্তবসম্মত ব্যাপার মনে না করে খেয়ালী বিষয় ধরে নিয়েই চর্চা করে, শিক্ষা দেয় বা শিক্ষা গ্রহণ করে, তা হলে তা অবশ্যই কুফরী হবে না বটে; তবে শাস্তিযোগ্য অপরাধ হবে। এ পথে তার সমস্ত উপার্জন হারাম হবে। উপরন্তু তা'যীরের আওতায় তাকে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে。
টিকাঃ
১০০. যাদু বলতে বিভিন্ন গোপন কৌশলের সাহায্যে নানা অদ্ভূত বা অস্বাভাবিক কর্মকাণ্ড ঘটানোর প্রক্রিয়াকে বোঝানো হয়। যাদুতে প্রায়শ কুফরী ও শিরকী উক্তির সাহায্যে শয়তান ও জিনের সাহায্য চাওয়া হয়। বিভিন্ন খারাপ মতলব ও উদ্দেশ্য (যেমন কাউকে ক্ষতি করা, মেরে ফেলা বা দুর্বল করা, পরস্পরের সম্পর্ক নষ্ট করা ও অবৈধ সম্পর্ক গড়ে তোলা প্রভৃতি) নিয়ে যাদু করা হয়।
১০১. অধিকাংশ ইমামের মতে, যাদু শিক্ষা ও চর্চা কুফরী নয়, যদি তা মুবাহ হিসেবে বিশ্বাস করা না হয় কিংবা তাতে কোন কুফরী বাক্য বা কাজের আশ্রয় না নেয়া হয়। তবে মালিকী ও হাম্বলীগণের মতে, যাদু কেউ হারাম বলে বিশ্বাস করুক কিংবা মুবাহ বলে বিশ্বাস করুক - সর্বাবস্থায় যাদু শিক্ষা ও চর্চা দুটিই কুফরী। (ইবনু কুদামাহ, আল-মুগনী, খ.৯, পৃ.৩৪; ইবনুল হুমام, ফাতহুল কাদীর, খ.৬, পৃ.৯৮; আল-হায়তমী, তুহফাতুল মুহতাজ, খ.১, পৃ.৬২)
১০২. বুখারী, হা.নং: ২৬১৫; মুসলিম, (কিতাবুল ঈমান), হা.নং: ৮৯
১০৩. ইবনু 'আবিদীন, রাদ্দুল মুহতার, খ.৪, পৃ. ২৪০; ইবনুল হুমাম, ফাতহুল কাদীর, খ.৬, পৃ.৯৮
১০৪. ইবনু কুদামাহ, আল-মুগনী, খ.৯, পৃ.৩৭; আল-বাজী, আল-মুন্তকা, খ.৭, পৃ.১১৭; আল- মরদাভী, আল-ইনসাফ, খ.১০, পৃ.৩৫৩; আল-বহুতী, কাশশাফ, খ.৬, পৃ.১৮৭
১০৫. আত্ তিরমিযী, (আবওয়াবুল হুদুদ), হা.নং: ১৪৬০; বায়হাকী, আস-সুনান আল-কুবরা, হা.নং : ১৬২৭৭
১০৬. ইবনু কুদামাহ, আল-মুগনী, খ.৯, পৃ.৩৬
১০৭. শাফি'ঈ, আল-উম্ম, খ.১, পৃ. ২৯৩; আশ-শারবীনী, মুগনিউল মুহতাজ, খ.৫, পৃ...; আল-বহুতী, কাশশাফ, খ.৬, পৃ.১৮৬
১০৮. আল-বাজী, আল-মুস্তকা, খ.৭, পৃ.১১৭; ইবনু গুনায়ম, আল-ফাওয়াকিহ.., খ.২, পৃ.১০০
১০৯. শাফি'ঈ, আল-উম্ম, খ.১, পৃ. ২৯৩; আশ-শারবীনী, মুগনিউল মুহতাজ, খ.৫, পৃ...। ইমাম আহমদ (রহ) থেকেও এ ধরনের একটি মত বর্ণিত রয়েছে। (ইবনু কুদামাহ, আল-মুগনী, খ.৯, পৃ.৩৫)
১১০. এটা শাফি'ঈ ও হাম্বলী ইমামগণের অভিমত। (শাফি'ঈ, আল-উম্ম, খ.১, পৃ. ২৯৩; আশ- শারবীনী, মুগনিউল মুহতাজ, খ.৫, আল-বহুতী, কাশশাফ, খ.৬, পৃ.১৮৬)
১১১. আবূ দাউদ, (কিতাবুল খারাজ), হা.নং: ৩০৪৩; ইবনু আবী শায়বাহ, আল-মুহান্নাফ, হা.নং: ৩২৬৫৪
১১২. আত্ তাবারানী, আল-মু'জামুল আওসাত, হা.নং ৪২৬২, ৪৮৪৪, আল-মু'জামুল কবীর, হা.নং: ৩৫৫
১১৩. আবূ দাউদ, (কিতাবুত তিব), হা.নং ৩৯০৪; ইবনু মাজাহ, (কিতাবুত তাহারাত), হা.নং: ৬৩৯
১১৪. ইবনু 'আবিদীন, রাদ্দুল মুহতার, খ.৪, পৃ. ২৪২; ইবনু কুদামাহ, আল-মুগনী, খ.৯, পৃ.৩৭