📄 ই‘তিকাদী (বিশ্বাসগত) বিষয়সমূহ
যে সব বিষয় ধর্মান্তর রূপে গণ্য : একজন কাফির যে সব বিষয় স্বীকার করে নিলে মুসলিম হয়, কোন মুসলিম ঐ সব বিষয় অস্বীকার করলে সে কাফির ও মুরতাদ হয়ে যাবে। অনুরূপভাবে যে ব্যক্তি ইসলামের সন্দেহাতীতভাবে প্রমাণিত যে কোন আকীদা-বিশ্বাস পরিপন্থী ধ্যান-ধারণা পোষণ করবে, কুফরী বাক্য উচ্চারণ করবে ও কুফরী কাজ সম্পাদন করবে, সেও কাফির ও মুরতাদ হয়ে যাবে। কাফির ও মুরতাদ হবার বিষয়গুলোকে চারশ্রেণীতে ভাগ করা যায়। ক. ধর্মান্তরের ই'তিকাদী বিষয়সমূহ, খ. ধর্মান্তরের বাচনিক বিষয়সমূহ, গ. ধর্মান্তরের কর্মজাতীয় বিষয়সমূহ ও ঘ. ধর্মান্তরের বর্জনজাতীয় বিষয়সমূহ। উল্লেখ্য যে, এ প্রকারগুলো পরস্পর প্রবিষ্ট অবস্থায় অর্থাৎ একটি অপরটির মধ্যে পাওয়া যেতে পারে। কেননা কোন ব্যক্তি যখন কোন বিশ্বাস পোষণ করে, তখন তা-ই তার কথার মাধ্যমে, কাজের মাধ্যমে বা বর্জনের মাধ্যমে প্রকাশ পাবে- এটাই স্বাভাবিক।
📄 বাচনিক বিষয়সমূহ
বাচনিক বিষয়সমূহ:
📄 কর্মজাতীয় বিষয়সমূহ
কর্মজাতীয় বিষয়সমূহ:
📄 বর্জন জাতীয় বিষয়সমূহ
ইসলামের যে কোন অকাট্য ও সুস্পষ্ট বিধান, যা 'আমল করা সর্বসম্মতভাবে ফরয (যেমন নামায, রোযা, যাকাত ও হজ্জ প্রভৃতি) কেউ অস্বীকার করে তা আমল করা ছেড়ে দিলে সে কাফির ও মুরতাদ হয়ে যাবে।
অনুরূপভাবে ইসলামের সুস্পষ্ট নির্দশনগুলোকে- চাই তা ফরয হোক বা সুন্নাত- জিইয়ে রাখা মুসলিমদের একান্ত কর্তব্য। তাই কোন এলাকা কিংবা কোন জনপদ বা কোন দেশের লোকজন যদি সম্মিলিতভাবে ইসলামের কোন প্রকাশ্য নিদর্শনের (যেমন নামাযের জামা'আত, আযান, ইকামত ও ঈদের নামায প্রভৃতি) বিরোধিতা করে এবং তা বর্জন করে, তা হলে তাদেরকে তা পালন করতে বাধ্য করতে হবে। প্রয়োজন হলে তাদের বিরুদ্ধে লড়াই করতে হবে। কেননা সম্মিলিতভাবে ইসলামের কোন নিদর্শণ ত্যাগ করা তাকে অবজ্ঞা করার নামান্তর। এটা অধিকাংশ ইমামের অভিমত। ইমাম আবূ ইউসূফ (রহ)-এর মতে, তাদের সাথে সশস্ত্র লড়াই করা যাবে না। তবে তাদেরকে বন্দী করা হবে এবং প্রহার করা হবে。
টিকাঃ
১১৫. ইবনু নুজায়ম, আল-বাহরুর রা'ইক, খ.১, পৃ.২৬৯; আল-মাওসূ'আতুল ফিকহিয়্যাহ, খ.২৬, পৃ. ৯৮-৯