📄 স্বীকারোক্তি
ধর্মান্তরকারীর নিজের স্বীকারোক্তির মাধ্যমে ধর্মান্তর প্রমাণ করা যাবে। যদি সে স্বীকার করে যে, সে কুফরী করেছে, তা হলেই তার ওপর ধর্মান্তরের বিধান কার্যকর করা হবে।
📄 সাক্ষ্য-প্রমাণ
দুজন ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তির সাক্ষ্য-প্রমাণ দ্বারাও ধর্মান্তর প্রমাণ করা যাবে। সাক্ষীদেরকে অভিযুক্ত ব্যক্তির কথা বা কাজের বিস্তারিত বর্ণনা দিতে হবে, যাতে সন্দেহজনক কোন কথা বা কাজের জন্য শাস্তি দেয়া না হয়। স্বীকারোক্তি বা সাক্ষ্য দ্বারা ধর্মান্তর প্রমাণিত হবার পর তাকে তাওবা করতে বলা হবে। যদি সে তাওবা করে ইসলামে ফিরে আসে, তা হলে তো ভালই। অন্যথায় তাকে হত্যা করা হবে। যদি অভিযুক্ত ব্যক্তি সাক্ষীদের বক্তব্য অস্বীকার করে, তা হলে তার এ অস্বীকার তাওবা হিসেবে এবং নিজের অবস্থান থেকে প্রত্যাবর্তন রূপে গণ্য করা হবে। আর এ জন্য তাকে মৃত্যুদণ্ড দেয়া যাবে না। এটা হানাফীগণের অভিমত। তবে অন্যান্য অধিকাংশ ইমামের মতে, এ ক্ষেত্রে সাক্ষ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে ফায়সালা করা হবে। তার অস্বীকার আমলে নেয়া যাবে না; বরং তাওবা করে একজন সত্যিকার মুসলিমরূপে জীবনাচার শুরু করলেই সে মৃত্যুদণ্ড থেকে রেহাই পেতে পারে。
টিকাঃ
১২. ইমাম হাসান ইবন যিয়াদের মতে, চারজন সাক্ষীর প্রয়োজন। (ইবনুল হুমাম, ফাতহুল কাদীর, খ.৬, পৃ.৯৮; ইবনু নুজায়ম, আল-বাহরুর রা'ইক, খ.৫, পৃ.১৩৬)
১৩. ইবনুল হুমام, ফাতহুল কাদীর, খ.৬, পৃ.৯৮; ইবনু নুজায়ম, আল-বাহরুর রা'ইক, খ.৫, পৃ.১৩৬
১৪. ইবনু কুদামাহ, আল-মুগনী, খ.৯, পৃ.২৭-৮; আর-রামালী, নিহায়াতুল মুহতাজ, খ.৯, পৃ.৯৪-৫