📘 ইসলামের শাস্তি আইন 📄 স্বেচ্ছায় কুফরী করা

📄 স্বেচ্ছায় কুফরী করা


কারো প্রবল চাপ ছাড়াই স্বেচ্ছায় সুস্পষ্ট কুফরীতে লিপ্ত হলেই তা ধর্মত্যাগ-বলে ধর্তব্য হবে। অতএব কেউ প্রবল চাপের মুখে একান্ত বাধ্য হয়ে কোন কুফরী বাক্য উচ্চারণ করলে কিংবা কুফরী কাজ করলেই ধর্মত্যাগী হয়ে যাবে না, যে যাবত তার অন্তঃকরণে পূর্ণ ঈমান বিদ্যমান থাকবে।' আল্লাহ তা'আলা বলেন, إلا من أكره و قلبه مطمئن بالإيمان" - "তবে সে ব্যক্তি ছাড়া যাকে জোর প্রয়োগ করা হয়েছে; কিন্তু তার অন্তর ঈমানে পরিপূর্ণ থাকে।"

টিকাঃ
৭. আস-সারাখসী, আল-মাবসূত, খ.১০, পৃ.১২৩, খ.২৪, পৃ.৪৫-৬,১২৯-৩০; ইবনু কুদামাহ, আল-মুগনী, খ.৯, পৃ.৩০
৮. আল-কুর'আন, ১৬ (সূরা আন-নাহল): ১০৬

📘 ইসলামের শাস্তি আইন 📄 সত্যিকার অর্থে মুসলিম থাকার প্রমাণ থাকা

📄 সত্যিকার অর্থে মুসলিম থাকার প্রমাণ থাকা


ধর্মান্তরের জন্য সত্যিকার অর্থে ইসলাম থেকে কুফরীতে ফিরে যাবার প্রমাণ পাওয়া যেতে হবে। অতএব ভয়ে বা একান্তে চাপে পড়ে কিংবা আর্থিক সংকটে পড়ে কেউ মুসলিম হয়ে পরবর্তীতে ইসলাম ত্যাগ করে কুফরীতে চলে গেলে তাকে ধর্মত্যাগ করেছে বলে আখ্যা দেয়া যাবে না এবং এ জন্য শাস্তিস্বরূপ তাকে হত্যা করা যাবে না, যদি তার কথার প্রমাণ পাওয়া যায়।" অনুরূপভাবে যে বংশীয় কিংবা দেশীয় সূত্র ধরে মুসলিম নামে পরিচিতি লাভ করেছে, সে যদি বালিগ হওয়ার পর প্রকৃত অর্থেই ইসলামের বিধি-বিধান মেনে নিয়েছে- তার প্রমাণ পাওয়া না যায়, তা হলেও তাকে কুফরীর জন্য হত্যা করা যাবে না; বরং বন্দী করে রাখা হবে, যে যাবত না সে প্রকৃত ইসলামে ফিরে আসে。

টিকাঃ
৯. আল-বাজী, আল-মুস্তকা, খ.৫, পৃ.২৮৩ তবে মালিকী স্কুলের আশহব ও ইবনু হাবীব (রহ) প্রমুখ ইমামের দৃষ্টিতে- এ ধরনের ব্যক্তির জন্যও ধর্মত্যাগের বিধান প্রযোজ্য হবে। তবে ইমাম আসবগ আল-মালিকীর মতে, তাকে পুনরায় ইসলামে ফিরে আসতে বলা হবে। এজন্য তাকে একটি যৌক্তিক সময় পর্যন্ত কয়েদ করে রাখা হবে এবং প্রহার করা হবে। যদি সে ফিরে আসে তা হলে ভাল। অন্যথায় তাকে ছেড়ে দেয়া হবে। (আল-বাজী, আল-মুস্তকা, খ.৫, পৃ.২৮৩)
১০. আস-সারাখসী, আল-মাবসূত, খ.১০, পৃ.১২৩

ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية