📄 স্বীকারোক্তি
অভিযোগকারী যদি নিজেই স্বীকার করে নেয় যে, সে যিনার অভিযোগ আরোপ করেছে, তাহলে 'কাযাফ' প্রমাণিত হবে। এ স্বীকারোক্তিতে চারবার স্বীকার করার শর্ত নেই; বরং বিচারকের এজলাসে একবার স্বীকারোক্তিই যথেষ্ট। কেউ স্বীকার করার পরে স্বীকারোক্তি প্রত্যাহার করে নিলে তা গ্রহণযোগ্য হবে না। ইতঃপূর্বে উল্লেখ করা হয়েছে, যে সব ক্ষেত্রে বান্দাহর হক জড়িত রয়েছে, তাতে স্বীকারোক্তি প্রত্যাহার করে নেবার কোন সুযোগ নেই।
টিকাঃ
৩৯. আল-কাসানী, বাদাই, খ.৭, পৃ.২৩২; ইবনুল হুমাম, ফাতহুল কাদীর, খ.৫, পৃ.৩২৮; ইবনু নুজায়ম, আল-বাহরুর রাইক, খ.৫, পৃ.৩২
📄 সাক্ষ্যপ্রমাণ
দুজন ন্যায়পরায়ণ ব্যক্তির সাক্ষ্য দ্বারাও কাযাফ প্রমাণিত হবে। অধিকাংশ ইমামের মতে, এ ক্ষেত্রে সাক্ষীদের সকলকেই পুরুষ হতে হবে। মহিলাদের সাক্ষ্য যথেষ্ট হবে না।
টিকাঃ
৪০. ইবনু নুজায়ম, আল-বাহরুর রা'ইক, খ.৫, পৃ.৩২; ইবনু 'আবিদীন, রাদ্দুল মুহতার, খ.৪, পৃ.৪৪-৪৫
📄 শপথ করতে অস্বীকার করা
যদি সংশ্লিষ্ট ব্যক্তি “অভিযোগ উত্থাপন করেনি” মর্মে শপথ করতে অস্বীকার করে, তাহলে এটা এ কথার প্রমাণ বহন করবে যে, সে অভিযোগ তুলেছে। এটা শাফি'ঈ ইমামগণের অভিমত।
টিকাঃ
৪১. শাফি'ঈ, আল-উম্ম, খ.৫, পৃ.১৪৪-৬; আল-আনসারী, আসনাল মাতালিব, খ.৪, পৃ.৪০৫