📘 ইসলামের শাস্তি আইন > 📄 ‘কাযাফ’-এর শাস্তি

📄 ‘কাযাফ’-এর শাস্তি


যে কোন ব্যক্তি অপর কোন পুরুষ বা নারীর বিরুদ্ধে যিনা বা সমকামিতার অভিযোগ উত্থাপন করে তা চারজন উপযুক্ত সাক্ষী দ্বারা প্রমাণ করতে না পারলে উক্ত অভিযোগ 'কাযাফ' হিসেবে গণ্য হবে এবং অভিযোগকারীকে আশিটি বেত্রাঘাতের দণ্ড দেয়া হবে এবং চিরদিনের জন্য তাদের কোন সাক্ষ্য গ্রহণ করা হবে না। আল্লাহ তা'আলা বলেন, وَ الَّذِيْنَ يَرْمُوْنَ الْمُحْصَنٰتِ ثُمَّ لَمْ يَأْتُوْا بِاَرْبَعَةِ شُهَدَآءَ فَاجْلِدُوْهُمْ ثَمٰنِيْنَ جَلْدَةً وَّ لَا تَقْبَلُوْا لَهُمْ شَهَادَةً اَبَدًاۚ وَ اُولٰٓئِكَ هُمُ الْفٰسِقُوْنَ.
- 11 - اِلَّا الَّذِيْنَ تَابُوْا مِنْۢ بَعْدِ ذٰلِكَ وَ اَصْلَحُوْا۫ فَاِنَّ اللّٰهَ غَفُوْرٌ رَّحِيْمٌ. - সাধ্বী নারীর প্রতি যিনার অভিযোগ আরোপ করে, পরে চারজন সাক্ষী উপস্থিত করে না, তাদেরকে আশিটি কোড়া মার। উপরন্তু, তাদের সাক্ষ্য কখনোই গ্রহণ করবে না। তারা ফাসিক। তবে যারা এরপর তাওবা করবে এবং নিজেদের সংশোধন করে নেবে, নিশ্চয়ই আল্লাহ (তাদের জন্য) ক্ষমাশীল, অতীব দয়াবান। এ আয়াতেও যদি মহিলাদের প্রতি যিনার অভিযোগের কথা বলা হয়েছে; তথাপি পুরুষদের প্রতি অভিযোগের বেলায়ও একই হুকম প্রযোজ্য হবে।
এ আয়াত থেকে দুনিয়াতে 'কাযাফ'-এর দু'প্রকারের শাস্তির কথা জানা যায়। একটি হল ৮০টি বেত্রাঘাত। অপর শাস্তি হল- সাক্ষ্য প্রত্যাখ্যান। চিরদিনের জন্য অপবাদদানকারীর কোন সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে না।

টিকাঃ
১৪. আল-কুর'আন, ২৪ (সূরা নূর): ৪-৫

📘 ইসলামের শাস্তি আইন > 📄 অপবাদ আরোপকারীর সাক্ষ্য প্রত্যাখ্যান

📄 অপবাদ আরোপকারীর সাক্ষ্য প্রত্যাখ্যান


ইমামগণ সকলেই এ বিষয়ে একমত যে, যদি অপবাদদানকারী তাওবা না করে, তবে তার কোন সাক্ষ্যই কখনো গ্রহণযোগ্য হবে না এবং সে সারা জীবন ফাসিক হিসেবেই পরিচিত থাকবে। যদি সে তাওবা করে, তাহলেও কি সে সারা জীবন ফাসিক হিসেবেই পরিচিত থাকবে এবং তার কোন সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে না- এ নিয়ে ইমামগণের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। হানাফীগণের মতে, যদি সে তাওবা করে, তাহলে তার থেকে ফাসিকের কলঙ্ক মুছে যাবে; তবে তার সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে না। তাঁদের বক্তব্য হলো- কুর'আনে । (চিরদিনের জন্য) শব্দের ব্যবহার দ্বারা জানা যায় যে, তাদের সাক্ষ্য চিরদিনের জন্য গ্রহণযোগ্য হবে না, যদিও সে তাওবাহ করে। আর إلا الذين تابوا من بعد ذلك وأصلحوا وأولئك هم الفسقون -এর সাথে সম্পর্কিত। এ থেকে জানা যায়, তাওবা করলে ফাসিকীর কলঙ্ক মুছে যাবে। তদুপরি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, المسلمون عدول بعضهم على بعض إلا محدودا في قذف. “অপরাধের দণ্ডপ্রাপ্ত ব্যক্তি ছাড়া মুসলিমরা একে অপরের জন্য ন্যায়পরায়ণ।” এ হাদীস থেকেও স্পষ্ট জানা যায় যে, অপবাদ আরোপকারীর সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে না।
অন্যান্য ইমামগণের মতে, তাওবার পর ফাসিকের কলঙ্ক মুছে যাবার সাথে তাদের সাক্ষ্যও গ্রহণযোগ্য হবে। তাদের দলীল হল, তাওবাহ কারণে যাবতীয় পাপ মুছে যায়। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন, التائب من الذنب كمن لا ذنب له - “পাপকর্ম থেকে তাওবাকারী এমন ব্যক্তির মতো হয়ে যায়, যার কোন পাপ নেই।” এ হাদীসের বক্তব্যের প্রেক্ষিতে তাঁরা বলেন, কুফরী অপবাদ থেকেও বড় অপরাধ। কাফির তাওবা করে মুসলিম হলে যদি তার সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হয়, তাহলে মুসলিম তাওবা করলে তার সাক্ষ্যও গ্রহণযোগ্য হবে। তাঁদের মতে, إلا الذين تابوا من بعد ذلك وأصلحوا ولا تقبلوا لهم شهادة أبدا وأولئك هم الفسقون -এর সাথে সম্পর্কিত। এ থেকে জানা যায়, তাওবা করলে যেমন ফাসিকীর কলঙ্ক মুছে যাবে, তেমনি তাদের সাক্ষ্য গ্রহণেও কোন আপত্তি থাকবে না।
কারো কারো মতে, স্বীকারোক্তি দ্বারা অপবাদের দোষ প্রমাণিত হলে এবং এরপর খালিস তাওবাহ করলে তবেই তাদের সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হতে পারে, যদি তাদের আচার-আচরণ দ্বারা তাদের তাওবার প্রমাণ মিলে। এটা ইমাম শা'বী ও দাহহাকের অভিমত।
এ প্রসঙ্গে হানাফীগণের মতটিই অধিকতর বিশুদ্ধ ও যুক্তিযুক্ত মনে হয়। কেননা খালিস তাওবার ব্যাপারটি আল্লাহ ছাড়া কারো পক্ষে নিশ্চিতভাবে জানা সম্ভব নয়। যদি তারা খালিস তাওবাই করে থাকে তাহলে তারা পরকালে অবশ্যই নাজাত পাবে। তবে দুনিয়ার কাজে-কর্মে তাদের সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে না। এমতাবস্থায় কুর'আনে আ-বাদা (চিরদিনের জন্য) শব্দের অর্থও ঠিক থাকবে। তদুপরি তাদের সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য না হবার ব্যাপারে যেখানে সরাসরি হাদীসের বক্তব্য রয়েছে, সে ক্ষেত্রে কিয়াস করা সমীচীন নয়।

টিকাঃ
১৫. জাসসাস, আহকামুল কুর'আন, খ.৩, পৃ.৩৯৯-৪০১; আল-বাবরতী, আল-ইনায়াহ, খ.৫, পৃ.৩৩৮-৯
১৬. বাইহাকী, আস-সুনান আল-কুবরা', হা.নং: ১৬৯২৪; দারু কুতনী, আস-সুনান, (কিতাবুল আকদিয়‍্যাহ), হা.নং: ১৫, ১৬
১৭. ইবনুল 'আরবী, আহকামুল কুর'আন, খ.৩, পৃ.৩৪৫-৬; ইবনু কুদামাহ, আল-মুগনী, খ.১০, পৃ.১৯২-৪
১৮. ইবনু মাজাহ, (বাব: যিকরুত তাওবাহ), হা.নং: ৪২৫০; বায়হাকী, আস-সুনান আল-কুবরা', হা.নং: ২০৩৪৮, ২০৩৪৯; তাবারানী, আল-মু'জামুল কাবীর, হা.নং: ১০২৮১
১৯. ইবনুল 'আরবী, আহকামুল কুর'আন, খ.৩, পৃ.৩৪৫-৬; ইবনু কুদামাহ, আল-মুগনী, খ.১০, পৃ.১৯২-৪

📘 ইসলামের শাস্তি আইন > 📄 ‘কাযাফ’-এর শর্তাবলী

📄 ‘কাযাফ’-এর শর্তাবলী


'কাযাফ'-এর কতিপয় শর্ত রয়েছে। হদ্দ কার্যকর করার জন্য এ সব শর্ত পাওয়া যেতে হবে। এ সব শর্তের কতিপয় অভিযোগ আরোপকারীর মধ্যে, আর কতিপয় অভিযুক্ত ব্যক্তির মধ্যে, আর কতিপয় অভিযোগের ভাষার মধ্যে পাওয়া যেতে হবে।

📘 ইসলামের শাস্তি আইন > 📄 স্ত্রীর প্রতি যিনার অভিযোগ আরোপের বিধান

📄 স্ত্রীর প্রতি যিনার অভিযোগ আরোপের বিধান


কোন স্বামী যদি তার স্ত্রীর বিরুদ্ধে যিনার অভিযোগ উত্থাপন করে এবং তার কথার স্বপক্ষে প্রয়োজনীয় সংখ্যক সাক্ষী উপস্থাপন করতে না পারে অথবা সে যদি স্ত্রীর গর্ভস্থ সন্তান তার ঔরসজাত নয় বলে দাবী করে, তাদের প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান ও বক্তব্যের পক্ষে বিশেষ পন্থায় আদালতের সামনে শপথ করতে হবে। শরী'আতের পরিভাষায় একে লি'আন বলা হয়।
লি'আনের নিয়ম হল: প্রথমে স্বামী এই বলে চারবার শপথ করবে- "আমি আল্লাহর নামে শপথ করে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আমি এ নারীর বিরুদ্ধে যে অভিযোগ উত্থাপন করেছি, সে ব্যাপারে আমি নিশ্চয়ই সত্যবাদী।" পঞ্চমবারে অভিযুক্তার প্রতি ইঙ্গিত করে বলবে, 'আমি এ নারীর বিরুদ্ধে যিনার যে অভিযোগ উত্থাপন করেছি, সে ক্ষেত্রে আমি মিথ্যাবাদী হলে আমার ওপর আল্লাহর লা'নত পতিত হোক।" অতঃপর স্ত্রী এ বলে চারবার শপথ করবে- "আমি আল্লাহর নামে শপথ করে সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, এ ব্যক্তি আমার প্রতি যিনার যে অভিযোগ আরোপ করেছে সে ব্যাপারে সে নিশ্চয়ই মিথ্যাবাদীদের অন্তর্ভুক্ত।” পঞ্চমবারে বলবে, "এই ব্যক্তি আমার প্রতি যিনার যে অভিযোগ আরোপ করেছে সে ক্ষেত্রে সে সত্যবাদী হলে আমার ওপর আল্লাহর লা'নত পতিত হোক।" আল্লাহ তা'আলা বলেন, وَالَّذِينَ يَرْمُونَ أَزْوَاجَهُمْ وَلَمْ يَكُنْ لَهُمْ شُهَدَاءُ إِلَّا أَنْفُسُهُمْ فَشَهَادَةُ أَحَدِهِمْ أَرْبَعُ شَهَدَاتِ بِاللَّهِ إِنَّهُ لَمِنَ الصَّادِقِينَ. وَالْخَامِسَةُ أَنَّ لَعْنَةَ اللَّهِ عَلَيْهِ إِنْ كَانَ مِنَ الْكَاذِبِينَ. وَيَدْرَأُ عَنْهَا الْعَذَابَ أَنْ تَشْهَدَ أَرْبَعَ شَهَدَاتِ بِاللَّهِ إِنَّهُ لَمِنَ الْكَاذِبِينَ. وَالْخَامِسَةَ أَنَّ غَضَبَ اللَّهِ عَلَيْهَا إِنْ كَانَ مِنَ الصَّادِقِينَ.
যারা নিজেদের স্ত্রীদের বিরুদ্ধে যিনার অভিযোগ আরোপ করে, অথচ নিজেরা ছাড়া তাদের সাক্ষী নেই, তাদের প্রত্যেকের সাক্ষ্য এই হবে যে, সে আল্লাহর নামে চারবার শপথ করে বলবে যে, সে অবশ্যই সত্যবাদী এবং পঞ্চমবারে বলবে, সে মিথ্যাবাদী হলে তার নিজের ওপর আল্লাহর অভিশাপ পড়বে। তবে স্ত্রীর শাস্তি রহিত হবে যদি সে আল্লাহর নামে চারবার শপথ করে সাক্ষ্য দেয় যে, তার স্বামী মিথ্যাবাদী এবং পঞ্চমবারে বলবে, তার স্বামী সত্যবাদী হলে তার নিজের ওপর আল্লাহর অভিশাপ পড়বে।"
যদি স্বামী শপথ করতে অস্বীকার করে তাকে কারাগারে আটক রাখা হবে, যতক্ষণ না সে শপথ করে অথবা তার উত্থাপিত অভিযোগ মিথ্যা বলে স্বীকার করে। অভিযোগ মিথ্যা বলে স্বীকার করার ক্ষেত্রে তার ওপর কাযাফের হদ্দ কার্যকর করা হবে। স্ত্রী শপথ করতে অস্বীকার করলে তাকেও কারাগারে আটক করে রাখা হবে, যে যাবত না সে শপথ করে অথবা তার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ সত্য বলে স্বীকার করে। অভিযোগ সত্য বলে স্বীকার করলে তাকে যিনার শাস্তি স্বরূপ রজমের শাস্তি দেয়া হবে, যদি সে 'মুহসান' হয় আর 'মুহসান' না হলে একশত বেত্রাঘাতের শাস্তি দেয়া হবে। মালিকী, শাফি'ঈ ও হাম্বলীগণের মতে, লি'আন করতে অস্বীকার করলে অপরাধীকে বন্দী করার প্রয়োজন নেই। হদ্দ প্রয়োগের জন্য তাদের শপথ করতে অস্বীকার করাই যথেষ্ট।
প্রত্যেকে লি'আন করার পর তাদের বিয়ে বাতিল বলে গণ্য হবে এবং তারা আর কখনো বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে না। তবে স্বামী তার অভিযোগ মিথ্যা বলে স্বীকার করলে শাস্তি ভোগের পর তারা পুনরায় বিবাহ বন্ধনে আবদ্ধ হতে পারবে।
লি'আনের সন্তান মাতার সাথে যুক্ত হবে এবং মাতা ও সন্তান পরস্পরের ওয়ারিছ হবে।
উল্লেখ্য যে, লি'আনকারী মহিলার প্রতি যিনার অভিযোগ আরোপ করা এবং তার সন্তানকে জারজ সন্তান বলে অভিহিত করা জায়িয নয়। অধিকাংশ ইমামের মতে, যে এ রূপ করবে, তার ওপর কাযাফের হদ্দ প্রয়োগ করা হবে। কেননা লি'আনের ফলে তার যিনা সাব্যস্ত হয়নি এবং তার পবিত্রতাও কোন রূপ কলঙ্ক লিপ্ত হয়নি। এ কারণেই তাকে যিনার দণ্ডের সম্মুখীনও হতে হয় নি। এ ধরনের মহিলা ও তার সন্তান প্রসঙ্গে রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) لا ترمى و لا يرمى ولدها و من رماها أو رمى ولدها فعليه الحد.
- “তার ও তার সন্তানের প্রতি যিনার অভিযোগ উত্থাপন করা যাবে না। যে ব্যক্তি তার প্রতি কিংবা তার সন্তানের প্রতি যিনার অভিযোগ তুলবে, তার ওপর হদ্দের শাস্তি বর্তাবে।” তবে হানাফীগণের মতে, লি’আনকারী মহিলার যদি পিতৃপরিচয়হীন সন্তান না থাকে, তবেই এ হুকুম প্রযোজ্য হবে। পিতৃপরিচয়হীন সন্তান থাকলে এবং তা যিনার একটি প্রমাণ হবার কারণে অভিযোগ আরোপকারীর জন্য কাযাফের শাস্তি প্রযোজ্য হবে না। তবে তা’যীরের আওতায় সে শাস্তিযোগ্য হবে।

টিকাঃ
৩২. আল-কুর'আন, ২৪ (সূরা আন-নূর): ৬-৯
আল-কাসানী, বদা'ই, খ.৩, পৃ.২৩৮-৯; ইবনু নুজায়ম, আল-বাহরুর রা'ইক, খ.৪, পৃ.১২৫; আল-আনসারী, আসনাল মাতালিব, খ.৩, পৃ. ৩৭৯-৩৮০; আল-বহুতী, কাশশাফ, খ.৫, পৃ.৪০১; আল-জাযীরী, কিতাবুল ফিকহ 'আলাল মাযাহিবিল আরবা'আহ, খ.৫, পৃ.১০৮
আল-কাসানী, বদা'ই, খ.৩, পৃ.২৪৫-৬; ইবনুল হুমام, ফাতহুল কাদীর, খ.৪, পৃ.২৮৬; ইবনু কুদামাহ, আল-মুগনী, খ.৮, পৃ.৫২-৫৩
ইবনুল হুমام, ফাতহুল কাদীর, খ.৪, পৃ.২৮৯-২৯০; ইবনু কুদামাহ, আল-মুগনী, খ.৮, পৃ.৫৬
শাফি'ঈ ও মালিকীগণের মতে, লি'আনকারী মহিলার প্রতি যদি স্বামীও তার অভিযুক্ত যিনা ছাড়া অন্য কোন যিনার মিথ্যা অভিযোগ আরোপ করে, তার ওপরও কাযাফের হদ্দ প্রযোজ্য হবে। তবে অভিযুক্ত যিনার ক্ষেত্রে সে শাস্তি যোগ্য হবে না। তবে শাফি'ঈগণের মতে, লি'আনের পরে যদি সে মিথ্যা অভিযোগ উত্থাপন করে, তাকে তা'যীরের আওতায় শাস্তি দেয়া হবে। (আল-মাওস্'আতুল ফিকহিয়‍্যাহ, খ.৩৩, পৃ.১৯-২০)
৩৭. আবূ দাউদ, (বাব: আল-লি'আন), হা.নং ২২৫৬
৩৮. ইবনুল হুমام, ফাতহুল কাদীর, খ.৫, পৃ.৩৩৪-৫; ইবনু নুজায়ম, আল-বাহরুর রা'ইক, খ.৫, পৃ.৪১-৪২

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00