📘 ইসলামের শাস্তি আইন > 📄 ক্ষমা

📄 ক্ষমা


ক্ষমা শান্তি থেকে রেহাই লাভের কারণসমূহের মধ্যে অন্যতম। হুদূদের ক্ষেত্রে সাধারণত ক্ষমা করা জায়িয নয়। তবে যিনার অপবাদের শাস্তির মধ্যে যেহেতু আল্লাহর হকের সাথে বান্দাহর হকও জড়িত রয়েছে, তাই অপবাদ আরোপিত ব্যক্তি ইচ্ছে করলে অপবাদদানকারীকে ক্ষমা করে দিতে পারে। বিচারকের দরবারে নালিশ পেশ করার আগেও এবং পরেও।২২ তদ্রূপ চুরির বেলায় যদিও আল্লাহর হক প্রবলভাবে ক্ষুণ্ণ হয়; তবে মানুষের অধিকারের বিষয়ও যেহেতু তার সাথে জড়িত রয়েছে, তাই বিচারকের দরবারে চুরির নালিশ পেশ করার আগে চোরকে ক্ষমা করে দেয়া দূষণীয় নয়, তবে নালিশ পেশ করার পর তাকে ক্ষমা করে দেয়া জায়িয হবে না।২৩ অনুরূপভাবে যিনার অপবাদের শাস্তির ক্ষেত্রে যেহেতু আল্লাহ ও মানুষের দুজনেরই হকের সংশ্লিষ্টতা রয়েছে, এ কারণেই শাফি'ঈ ও হাম্বলী স্কুলের ইমামগণের মতে, তাতে বিচারকের কাছে নালিশ পেশ করার পরও তাকে ক্ষমা করে দেয়া জায়িয। তবে হানাফীগণের মতে জায়িয নয়। কিসাসের মধ্যে যেহেতু বান্দাহর হকের প্রাবল্য রয়েছে, তাই নিহত ব্যক্তির ওয়ারিছদের কিসাসের দাবী করার অধিকার কিংবা তার পরিবর্তে দিয়াত কিংবা বিনা বিনিময়ে ক্ষমা করার অধিকারও রয়েছে। তা'যীরাত ক্ষমা করে দেয়া দূষণীয় নয়। যদি তা'যীরাত বান্দাহর হক হয়, তবে বান্দাহ নিজেই তা ক্ষমা করে দিতে পারে। আর যদি আল্লাহর হক হয়, তাহলে অপরাধীর অবস্থা ও জনস্বার্থ বিবেচনা করে শাসক ইচ্ছা করলে তার শাস্তি মাফ করে দিতে পারেন।২৪

টিকাঃ
২২. তবে হানাফী ইমামগণের মধ্যে কারো কারো মতে, নালিশ পেশ করার পরে অপবাদদানকারীকে ক্ষমা করা জায়িয নেই। (শায়খী যাদাহ, মাজমা'উল আনহুর, দারু ইহয়ায়িত তুরাছিল 'আরবী, খ.১, পৃ.৬০৭)
২৩. রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেন, لا تجافوا عن عقوبة ذوي المروءة إلا في .حد من حدود الله "মানবিকগুণ সম্পন্ন লোকদের শাস্তির ব্যাপারে তোমরা কড়াকড়ি করো না। তবে কোন হদ্দ হলে ভিন্ন কথা।" (আল-কাদা'ঈ, মুসনাদুশ শিহাব, হা.নং: ৭২৫; ইবনু 'আবিদীন, রাদ্দুল মুহতার, খ.৪, পৃ.৮১) এ হাদীস থেকে জানা যায় যে, ব্যক্তির মর্যাদা ও অবস্থা অনুপাতে সাধারণ দণ্ড ক্ষমা করতে দোষ নেই।
২৪. কারো কারো মতে, আল্লাহর হকের সাথে জড়িত তা'যীর (যেমন নামায পরিত্যাগ করার শাস্তি) ক্ষমা করে দেয়া জায়িয নেই। ইস্তাখ্রী বলেন, যে ব্যক্তি কোন সাহাবীর দুর্নাম করবে, তাকে শাস্তি দেয়া শাসকের কর্তব্য। তাকে ক্ষমা করে দেয়ার অধিকার তার নেই। আবার কারো মতে, যে সব অপরাধের ব্যাপারে শরী'আতে সুস্পষ্ট শাস্তির কথা বর্ণিত রয়েছে (যেমন নিজের স্ত্রীর দাসী কিংবা শরীকী দাসীর সাথে সহবাস করা), তা কার্যকর করা ওয়াজিব। তা ক্ষমা করে দেয়া জায়িয নেই। আবার কারো মতে, অভিজাত ও পবিত্র চরিত্রের লোকদের পদস্খলন ও অসাবধানতাবশত ত্রুটিই কেবল ক্ষমার যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবে। অনুরূপভাবে তা'যীর যদি বান্দাহর হক হয়, তাহলে কারো কারো মতে, বাদীর দাবী সত্ত্বেও শাসক ইচ্ছে করলে আল্লাহর হকের সাথে জড়িত তা'যীরের মতো তাও ক্ষমা করে দিতে পারেন। তবে অধিকাংশের মতে, বাদীর দাবী থাকলে শাসকের পক্ষে তা ক্ষমা জায়িয নয়। তদুপরি সমাজের সামগ্রিক স্বার্থ যেখানে জড়িত, সে ক্ষেত্রে বাদী অপরাধীকে ক্ষমা করে দিলেও শাসকের জন্য তাকে শাস্তি দেয়া জায়িয। নালিশ পেশ করার আগেও, পরেও। (আল-হায়তমী, ইবনু হাজর, তুহফাতুল মুহতাজ, আল-মাতবা'আতুল ইয়ামানিয়‍্যা, খ. খ.৯, পৃ. ১৮১; আল-মাওসু'আতুল ফিকহিয়‍্যাহ, খ. ৩০, পৃ. ১৮৪-১৮৬)

📘 ইসলামের শাস্তি আইন > 📄 তাওবা

📄 তাওবা


কোন অপরাধী যদি লজ্জিত হয়ে পূর্ণ নিষ্ঠা ও আন্তরিকতার সাথে তাওবা করে অপরাধ থেকে ফিরে আসে, তাহলে প্রবল আশা করা যায় যে, আল্লাহ তা'আলা তার তাওবা কবুল করবেন। এতে আখিরাতে তার গোনাহ মাফ হয়ে যাবে এবং সেখানকার হিসাব-কিতাব থেকে সে অব্যাহতি লাভ করতে পারে। তবে তাওবা দ্বারা অপরাধের ইহজাগতিক শাস্তি থেকে নিষ্কৃতি লাভ করা যাবে কি না - তা অপরাধের প্রকৃতি ও স্বরূপের ভিত্তিতে নির্ধারিত হবে।২৫
ক. হুদূদ জাতীয় অপরাধসমূহের বেলায় তাওবা : তাওবা করলেও সাধারণতঃ হুদূদ মাফ হবে না।২৬ রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) হযরত মা'ইয আসলামী ও গামিদিয়্যাহকে রজম করেছেন, আর চুরির স্বীকারোক্তির জন্য কারো কারো হাতও কেটেছেন। তাঁরা সকলেই রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দরবারে এসে তাওবা করেছিলেন। অধিকন্তু, তিনি গামিদিয়্যাহর তাওবা প্রসঙ্গে বলেছিলেন, لقد تابت - توبة لو قسمت بين سبعين من أهل المدينة لوسعتهم. তাওবা করেছে তা মদীনার সত্তরজন লোকের মধ্যে বন্টন করে দিলে তা তাদের জন্য যথেষ্ট হবে।২৭ তাই বলে তিনি তাদেরকে হদ্দ থেকে রেহাই দেননি। তবে ডাকাত ও সন্ত্রাসীদের শাস্তির বিষয়টি এর ব্যতিক্রম। ডাকাত ও সন্ত্রাসী যদি গ্রেফতারীর পূর্বে তাওবা করে এবং তার আচার-আচরণ দ্বারা তাওবার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া যায়, তবেই তাকে হদ্দ থেকে রেহাই দেয়া যাবে।২৮ তবে সাধারণ দণ্ড থেকে তাকে নিষ্কৃতি দেয়া উচিত নয়। তার গ্রেফতার পরবর্তী তাওবা ধর্তব্য নয়। এ তাওবা আন্তরিকতার তাওবা হিসেবে বিবেচিত হবে না। তদ্রূপ ধর্মত্যাগী যদি তাওবা করে ইসলামে ফিরে আসে তাহলে তাহলে তার তাওবা গ্রহণ করা হবে এবং তার জন্য ধর্মত্যাগের শাস্তি প্রযোজ্য হবে না। অন্যান্য হদ্দ তাওবা করলেও মাফ হবে না। বিচারকের নিকট মামলা দায়েরের আগেও মাফ করা হবে না, পরেও মাফ করা হবে না। কেননা তাওবার মাধ্যমে যদি হদ্দ থেকে পরিত্রাণ পাবার সুযোগ থাকে, তাহলে একদিকে অপরাধীরা তাওবাকে শাস্তি থেকে পরিত্রাণ পাবার মাধ্যমে পরিণত করবে। অপরদিকে অপরাধীদেরকে তাওবার পর বিনা শাস্তিতে ছেড়ে দেয়ার প্রবণতা শুরু হবে।
খ. তা'যীরাতের বেলায় তাওবার প্রভাব: তাওবা করলে এবং তাওবার বিষয়টি নিশ্চিত হওয়া গেলে তা'যীরাত ক্ষমা করে দেয়া দূষণীয় নয়। যদি তা'যীরাত বান্দাহর হক হয় (যেমন কাউকে গালমন্দ ও মারধর করার শাস্তি), তবে বান্দাহ নিজেই তা ক্ষমা করে দিতে পারে। আর যদি আল্লাহর হক হয় (যেমন নামায, রোযা ছেড়ে দেয়ার শাস্তি), তাহলে অপরাধীর তাওবা বিবেচনায় এনে শাসক ইচ্ছা করলে তাকে শাস্তি থেকে রেহাই দিতে পারে।২৯

টিকাঃ
২৫. অত্র অভিসন্দর্ভের বিভিন্ন প্রসঙ্গে তাওবা গ্রহণযোগ্য হওয়া বা না হওয়ার ব্যাপারে ইমামগণের মতবিরোধের কথা উল্লেখ করা হয়েছে। তাদের এ মতবিরোধ দুনিয়ার শাস্তির ক্ষেত্রে প্রযোজ্য হবে। বান্দাহ যদি প্রকৃত তাওবা করে, তাহলে তার তাওবা আল্লাহ তা'আলা কবুল করবেন। এতে কারো দ্বিমত নেই।
২৬. এটাই অধিকাংশ ইসলামী আইনতত্ত্ববিদের অভিমত। (ইবনু 'আবিদীন, রাদ্দুল মুহতার, খ.৪, পৃ.৪) তবে কতিপয় শাফি'ঈ ও হাম্বলী ইমামের মতে, কেউ স্বেচ্ছাপ্রণোদিত হয়ে খালিস তাওবা করে সংশোধিত হয়ে গেলে হদ্দ কার্যকরা করা হবে না। হযরত আনাস (রা) থেকে বর্ণিত রয়েছে, তিনি বলেন, একদা জনৈক ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম)-এর দরবারে এসে আরয করলেন, ইয়া রাসূলাল্লাহ, আমি হদ্দের উপযোগী হয়েছি। আপনি আমার ওপর হদ্দ কার্যকর করুন। রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তার কাছ থেকে কিছুই জিজ্ঞেস করলেন না। ইত্যবসরে নামাযের সময় উপস্থিত হয়ে গেল। ব্যক্তিটি তাঁর সাথে নামায আদায় করলেন। নামাযের পর লোকটি দাঁড়িয়ে পুনরায় তার আরয পেশ করলেন। তখন রাসূলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বললেন, তুমি কি আমাদের সাথে নামায পড়নি। লোকটি জবাব দিল: হ্যাঁ। এরপর তিনি বললেন, আল্লাহ তা'আলা তোমার পাপ ক্ষমা করে দিয়েছেন।" -সহীহ আল বুখারী, (কিতাবুল মুহারিবীন), হা.নং: ৬৪৩৭ ও সহীহ মুসলিম, (কিতাবুত তাওবাহ), হা.নং: ২৭৬৪, ২৭৬৫) এ হাদীস থেকে জানা যায়, অপরাধী তাওবা করলে তার অপরাধ মাফ হয়ে যাবে। তাছাড়া ডাকাতির ক্ষতি ও প্রভাব মারাত্মক হওয়া সত্ত্বেও যেখানে তার শাস্তি তাওবা করলে মাফ হয়ে যায়, তাহলে অন্যান্য অপরাধের শাস্তি তো আরো অধিক উত্তমভাবে তাওবা করলে মা'ফ হয়ে যাবার কথা। (আল-বহুতী, মানসূর, কাশশাফুল কিনা', দারুল কুতুবিল 'ইলমিয়‍্যাহ, খ. ৬, পৃ. ১৫৩-৪; আল-হায়তমী, তুহফাতুল মুহতাজ, খ.৯, পৃ. ১৫৮-৯)
২৭. সহীহ মুসলিম, কিতাবুল হুদূদ, হা.নং: ১৬৯৬; হযরত মা'ইয (রা) সর্ম্পকেও এ ধরনের কথা বর্ণিত রয়েছে। তিনি বলেন, لقد تاب توبة لو قسمت بين أمة لوسعتهم - "মা'ইয এমন তাওবা করেছে যে, তা গোটা মুসলিম উম্মাতের মধ্যে বন্টন করে দিলে তা তাদের জন্য যথেষ্ট হবে।" -সহীহ মুসলিম, (কিতাবুল হুদূদ), হা.নং: ১৬৯৪
২৮. অনুরূপভাবে যারা নামায পরিত্যাগের শাস্তিকে হদ্দ হিসেবে বিবেচনা করে, তাদের দৃষ্টিতে তাওবা করলে নামায পরিত্যাগের শাস্তি মাফ হয়ে যাবে।
২৯. ইবনু নুজায়ম, আল-বাহরুর রা'ইক, দারুল কিতাবিল ইসলামী, খ.৫, পৃ. ৪৯-৫০; আল- মাওসু'আতুল ফিকহিয়‍্যাহ, খ. ১২,পৃ. ২৮৬-৭; খ.১৪,পৃ.১৩২

📘 ইসলামের শাস্তি আইন > 📄 অপরাধের পর দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়া

📄 অপরাধের পর দীর্ঘ সময় অতিবাহিত হওয়া


অপরাধ সংঘটিত হওয়ার পর উপযুক্ত সাক্ষ্য-প্রমাণের অভাবে শাস্তি ছাড়াই দীর্ঘ দিন অতিবাহিত হয়ে গেলে তা শাস্তি প্রদানে কোন ধরনের বিঘ্ন সৃষ্টি করবে কি না- তা নিয়ে ফকীহগণের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। অধিকাংশ আইনতত্ত্ববিদের মতে যিনা, যিনার অপবাদ ও মদ্যপান প্রভৃতি অপরাধে যখনই উপযুক্ত সাক্ষ্য-প্রমাণ পাওয়া যাবে, তখনি তা আমলে নিয়ে শাস্তি কার্যকর করা যাবে। কিন্তু হানাফীগণের মতে, আল্লাহর হক প্রবলভাবে জড়িত- এ জাতীয় হদ্দসমূহে (যেমন যিনা ও মদ্যপান) কোন গ্রহণযোগ্য কারণ ছাড়া (যেমন সাক্ষীদের দূর দেশে চলে যাওয়া বা দীর্ঘ দিন অসুস্থ হয়ে পড়ে থাকা প্রভৃতি) অপরাধ করার পর দীর্ঘ দিন অতিবাহিত হয়ে গেলে হদ্দ অকার্যকর হয়ে পড়বে।৩০ সুতরাং দীর্ঘ দিন পর এ সব ক্ষেত্রে সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণযোগ্য হবে না। তবে যিনার অপবাদের বেলায় যেহেতু আল্লাহর হকের সাথে মানুষের হকের বিষয়টিও জড়িত রয়েছে, তাই এ ক্ষেত্রে দীর্ঘদিন পর সাক্ষীদের সাক্ষ্য গ্রহণ করতে কোন অসুবিধা নেই।৩১

টিকাঃ
৩০. দীর্ঘসময় বলতে কতদিনকে বোঝানো হয়েছে তা নিয়ে হানাফীগণের মধ্যে মতবিরোধ রয়েছে। ইমাম মুহাম্মদ (রা)-এর মতে, তা হল সর্বোচ্চ ছয় মাস। ইমাম আবু হানীফা (রহ) এর জন্য কোন সময় নির্ধারণ করে দেন নি; বরং তা বিচারক হাতে ন্যস্ত করেছেন। বিচারক সময় ও স্থান বিবেচনা করে তা নির্ধারন করবেন। (ইবনুল হুমাম, ফাতহুল কাদীর, দারুল ফিকর, খ.৫, পৃ. ২৮২-২৮৩)
৩১. যায়ল'ঈ, তাবয়ীনুল হাকা'ইক শারহু কানযিদ দাকা'ইক, দারুল কিতাবিল ইসলামী, খ.৩; ১৮৭-৮; আল-মাওসু'আতুল ফিকহিয়‍্যাহ, খ. ১৩, পৃ. ১২২

📘 ইসলামের শাস্তি আইন > 📄 সমঝোতা

📄 সমঝোতা


হদ্দ যেমন ক্ষমা করে দেয়া জায়িয নয়, তেমনি হদ্দের ব্যাপারে সমঝোতা করা বা হদ্দের বিনিময় গ্রহণ করাও জায়িয নয়।৩২ এ কারণে কোন চোর, মদ্যপায়ী কিংবা ব্যভিচারীর সাথে কোন বিনিময় নিয়ে কিংবা কোন শর্তে সমঝোতা করে তাকে ছেড়ে দেয়া, বিচারকের কাছে নালিশ পেশ না করাও বিধিসম্মত নয়।৩৩ কেননা হুদূদের বিষয়টি একান্তভাবে আল্লাহর হকের সাথে জড়িত। তাই এ ক্ষেত্রে বান্দাহর সমঝোতা করার কোনই অধিকার নেই। কেউ যদি এসব ক্ষেত্রে কোন বিনিময় নিয়েও থাকে, তা তাকে অবশ্যই ফিরিয়ে দিতে হবে। কেননা সে তা বিনা অধিকারেই গ্রহণ করেছে।

টিকাঃ
৩২. ইবনু তাইমিয়্যা, আল-ফাতাওয়া আল-কুবরা, খ.২৮,প. ২৯৮-৩০৪
৩৩. ইবনু 'আবিদীন, রাদ্দুল মুহতার, খ.৪, পৃ.১৭

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00