📄 শপথ করা
১. যতদূর সম্ভব শপথ করা এবং শপথ নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে।
২. মুসলমানরা শুধু আল্লাহ, তার কোন সিফাতের নামে শপথ নেবে। নবী, নামাজ, কাবা অথবা কুরআনের ন্যায় কোন কিছুর নামে শপথ নিতে পারেনা।
৩. খারাপ কাজে আল্লাহর নামে শপথ করা মহাপাপ।
৪. কথায় কথায় খোদার নামে কসম করা উচিত নয়।
৫. যদি কোন মুসলমান কোন কিছু সম্পাদনের বা কোন কিছু থেকে বিরত থাকার শপথ নেয় এবং পরবর্তী পর্যায়ে দেখে যে, কিছু কাজ করাই উত্তম, তাহলে তার শপথ পূরণ না করা উচিত এবং সেজন্যে কাফফারা আদায় করা উচিত।
৬. মুসলমানদের কর্তব্য হচ্ছে: শপথ পূরণ করা। সুতরাং শপথ নেয়ার আগে তাকে নিশ্চিত হতে হবে যে, অঙ্গীকার পূরণের সামর্থ্য তার আছে।
৭. 'তুমি যদি এটা না কর বা ওটা না কর, তাহলে বউ তালাক দেব'- এ ধরনের হুমকি দেওয়া অরুচিকর এবং مسلمانوں জন্য অশোভনও বটে। এ ধরনের তুচ্ছ ও শিশুসুলভ প্রসঙ্গে বিয়ের প্রসঙ্গ টেনে আনা উচিত নয়।
৮. কোন কোন ক্ষেত্রে, যেমন ব্যবসা বা আর্থিক লেনদেন, শপথ করা উচিত নয়।
৯. ওয়াদাভঙ্গ করা চলবেনা। কোন মুসলমান যদি ওয়াদাভঙ্গ করে, তাহলে ১০জন দুঃস্থ ব্যক্তিকে খাওয়াতে হবে অথবা এদের প্রত্যেককে এক প্রস্থ কাপড় দিয়ে কাফফারা আদায় করতে হবে। যদি সে আর্থিকভাবে এ কাফফারা আদায়ে সমর্থ না হয়, তাহলে তাকে উপর্যুপরি তিনদিন রোজা রাখতে হবে।
১০. কোন মুসলমান যদি ইসলামের নিষিদ্ধ কাজ করার শপথ নেয়- যেমন যে বস্তুর মালিক সে নয়, তা নিয়ে নেয়া- তাহলে তার উচিত শপথ ভঙ্গ করা।
১১. কোন মুসলমান যদি ইসলাম বিরোধী কোন কাজ সম্পাদন করতে শপথ নেয়, তাহলে তার শপথ পূরণ না করা এবং কাফফারা আদায় করা কর্তব্য।
📄 নজর (ইচ্ছা পূরণের সাথে শপথকে সংশ্লিষ্ট করা)
১. কারো প্রতি খোদার অনুগ্রহের প্রতিদানে খোদার রাহে কোন কিছু সুনির্দিষ্ট কাজ করার অনুমতি রয়েছে, তবে এ ব্যাপারে উৎসাহিত করা হয়নি।
২. কোন বিশেষ কাজের জন্য মানত করা শুধু খোদার রাহেই করা যেতে পারে।
৩. খোদার রাহে মানত করলে তা অবশ্যই পূরণ করবে এবং অন্যের নামে মানত করা হলে তা পূরণের ব্যাপারে এড়িয়ে যাবে।
৪. কোন ব্যক্তি আল্লাহর রাহে কোন জন্তু মানত করলে, সে যদি প্রাথমিক পর্যায়ে এর গোশত খাওয়ার নিয়ত না করে থাকে, তাহলে এই মাংস খাওয়ার অনুমতি দেওয়া হয়নি।
📄 হাসি
কোন চমৎকার জিনিস দর্শন, কোন সুখবর শুনে বা কৌতুকচ্ছলে আমরা হেসে থাকি।
১. অন্যেরা হাসছে এজন্যে হাসতে হবে, তা ঠিক নয়। হাসির কারণ থাকতে হবে।
২. উচ্চশব্দে বা অরুচিকর শব্দে হাসি দেয়া উচিত নয়।
৩. অট্টহাসির চাইতে যে হাসিতে দাঁতের কিয়দাংশ মাঁড়ি পর্যন্ত দেখা যায়, সেরূপ স্মিতহাসি বা মুচকি হাসি উত্তম।
৪. হাসির উচ্চস্বর নিয়ন্ত্রণে রাখা উচিত; উচ্চ শব্দ করা বাঞ্ছনীয় নয়।
৫. হাসির জন্য হাসা- বিশেষতঃ তা যদি মিথ্যার জন্য হয়- তাহলে مسلمانوں হাসা অনুচিত।
৬. কোন জনসমষ্টির মধ্যে কোন ব্যক্তি যদি এমন থাকে, যে কোন মূল্যে হাসানো যার কাজ, তাহলে مسلمانوں এরকম মজলিশে বসা উচিত নয়।
৭. অন্য ব্যক্তিকে উপহাসের জন্য হাসা নিষেধ।
📄 কাঁদা
১. সঙ্গতকারণ এবং স্বতঃস্ফূর্তভাবেই কান্না আসা উচিত।
২. আবেগ দমন করা যাচ্ছেনা বলে কাঁদা কাপুরুষের কাজ। তথাপি সংযতভাবে কাঁদা যায়, তবে তা অতিরিক্ত বা উচ্চস্বরে চিৎকার দিয়ে নয়।