📄 খতনা উৎসব
১. প্রত্যেক মুসলিম ছেলেকে খৎনা করতে হবে। ইসলামের এই ঐতিহ্য হযরত ইবরাহীম (আ.) থেকে চালু।
২. খৎনা কাজে পারদর্শী ব্যক্তিকে এই কাজ সম্পাদনের দায়িত্ব দেওয়া উচিত।
৩. খৎনা করার সময় লিঙ্গের অগ্রভাগ উন্মুক্ত করার জন্য অগ্রত্বক অবশ্যই অপসারণ করতে হবে। তবে লিঙ্গের অগ্রত্বক সম্পূর্ণ অপসারণ করা জরুরি নয়।
৪. অগ্রত্বক ছাড়া কোন শিশুর জন্ম হলে স্বাভাবিকভাবে তার খৎনা করার প্রয়োজন নেই।
৫. শিশুর স্বাস্থ্য যদি খৎনা করার উপযোগী না হয়, তাহলে পরবর্তী সময়ে খৎনা করতে হবে।
৬. ইসলাম গ্রহণকারী নওমুসলিম যুবক বা বৃদ্ধ যাই হোক, স্বাস্থ্য বিপন্ন না হলে তার খৎনা করতে হবে।
৭. জন্মের পরপরই খৎনার কাজ সম্পাদন করা উচিত। তবে চিকিৎসাগত কারণে অপারেশন বিলম্ব করা উচিত বলে মনে করা হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেয়া উচিত।
৮. ধর্মপিতামাতা এবং পবিত্র পানিতে সিঞ্চন করার মত অন্যান্য বিষয় ইসলামে নিষিদ্ধ।