📄 মহিলাদের মেকআপ ও রূপচর্চা
১. কোন রকম পরিবর্তন বা সংযোজন ছাড়াই যেমন আছে তেমন সৌন্দর্য স্বাভাবিকভাবে রেখে দেওয়া উচিত।
২. মহিলারা রূপচর্চা করতে পারে; তবে তা করতে হবে বাড়িতে। একজন মহিলা বাড়িতে তার স্বামীর সামনে নিজেকে সৌন্দর্যময়ী করে তুলতে পারে। মুখমণ্ডলে প্রসাধনী ব্যবহার করে, নিজেকে পরিচ্ছন্ন রেখে এবং আকর্ষণীয় সুগন্ধি ব্যবহারের মাধ্যমে।
৩. মহিলারা মেহেদী দিয়ে তাদের হাত রঞ্জিত করতে পারে।
৪. একজন মহিলা তার মহরম পুরুষ আত্মীয়ের সামনে সুগন্ধি ব্যবহার করতে পারে।
📄 চুল
১. নারীদেরকে তাদের চুল পরিচ্ছন্ন ও সুবিন্যস্ত রাখার চেষ্টা করতে হবে। মূলতঃ মহিলাদের চুল হচ্ছে পুরুষের দাঁড়ির ন্যায় সৌন্দর্যের একটি উপকরণ।
২. কোন মহিলার যদি ছোট চুল থাকে, তাহলে তার পরচুলা ব্যবহার করা উচিত নয়। অন্য কোন মহিলা তার মাথায় পরচুলা লাগাতে সাহায্য করতে বললে তার তা প্রত্যাখ্যান করা উচিত।
📄 মুখমন্ডল ও হাত
১. মহিলাদের মুখমণ্ডল পরিচ্ছন্ন রাখতে বিশেষ যত্ন নেয়া উচিৎ।
২. কোন মহিলার মুখমণ্ডলে চুল গজালে এ জন্য তার লজ্জিত হওয়া বা সেগুলো তুলে ফেলার চেষ্টা করা উচিত নয় বা তুলে অন্য মহিলাকে দেবেনা। প্রকৃতির জন্য তার লজ্জিত হওয়ার কোন কারণ নেই।
৩. কোন মহিলা অন্য কোন মহিলাকে উল্কি এঁকে দেবেনা বা নিজে উল্কি আঁকবে না।
৪. কোন মহিলার উচিত হবে না তার ভ্রু তোলা।
৫. নখ বড় করা যাবে না; সেগুলো ঘন ঘন কাটতে হবে।
৬. গৃহের বাইরে মহিলাদের প্রসাধন নিষিদ্ধ, তবে চোখে কাজল দেওয়া যেতে পারে।
৭. সৌন্দর্য বিধানের জন্য দাঁতের অগ্রভাগ সুচালো করা এবং তার মধ্যে ফাঁক রাখার অনুমতি নেই।
৮. মহিলাদের মুখ পরিচ্ছন্ন ও নীরোগ রাখতে হবে।
📄 প্রসাধনী
১. মহিলারা গৃহাভ্যন্তরেই প্রসাধন করতে পারে; তবে এ সময় কোন আগন্তুক বা গায়ের মহরম পুরুষ থাকলে চলবে না।
২. কোন মহিলা প্রসাধন শোভিত হয়ে প্রসাধনীর গন্ধ দূর না করে তার বাড়ির বাইরে যাওয়া চলবে না। এমন কোন রূপচর্চা করা যাবে না, যাতে পর পুরুষ আকৃষ্ট হয়। কেননা সমাজকে দূষিত করার ধাপ এখান থেকেই শুরু হয়।