📄 অপবিত্রতা
মুসলমানকে অপবিত্রতা থেকে দূরে থাকতে এবং নিজেকে, নিজের কাপড় চোপড় ও তার বাসস্থান অথবা পারিপার্শ্বিক পরিবেশ নাপাক ময়লা থেকে অবশ্যই পরিচ্ছন্ন রাখবে। উদাহরণস্বরূপ বলা যায়, এসব অপবিত্র বিষয়ের মধ্যে রয়েছে বমি উদ্রেককারী ঔষধ, স্তন্যপায়ী প্রাণীর অগ্রগন্থির তরল পদার্থ, প্রস্রাব, মাদক জাতীয় দ্রব্য, মানুষের মল, জীবজন্তুর মল, রক্ত, পুঁজ এবং খাদ্য হিসেবে নিষিদ্ধ জীবজন্তুর দুধ। মাছ ও কীট পতঙ্গ এবং ভেড়া, ছাগল ও হাতীর পশম ছাড়া জীবন্ত কোন প্রাণীর কেটে ফেলা অঙ্গ অপবিত্র। ইসলামি বিধান মোতাবেক জবেহ করা ছাড়া সকল জন্তু হারাম। এসব হারাম জিনিসের কোন অংশ যদি কোন মুসলমানের শরীরে বা কাপড়ে পড়ে তাহলে তা ধুয়ে ফেলা ফরজ।
📄 গোসল করা
১. নানা কারণে মানবদেহের পরিচ্ছন্নতা অপরিহার্য। রোগ বালাইয়ের মোকাবেলায় শরীর রক্ষা করা ছাড়াও সমাজের লোকদের সাথে মেলামেশার জন্য এটা প্রয়োজন।
২. সুতরাং বার বার গোসল করাই দুর্গন্ধ থেকে বাঁচবার উপায়।
📄 কোথায় গোসল করবেন
১. পুরুষেরা একটি পর্দা টানিয়ে অথবা জাঙ্গিয়া পরিধান করে পাবলিক গোসলখানায় গোসল করতে পারে।
২. গোসলখানা মাটির তৈরি হলে সেখানে পেশাব করা যথার্থ নয়; কারণ এর ফলে ঐ স্থান দূষিত হবে। স্থানটি পাকা মেঝে হলে এবং পয়ঃনিষ্কাশনের ব্যবস্থা থাকলে পেশাব করা নিষিদ্ধ নয়।
📄 গোসল কখন ফরজ হয়
সমগ্র শরীর ধুয়ে ফেলা নিম্নোক্ত কারণে জরুরি হয়ে পড়ে :
১. বীর্যপাতের পর, ঘুমের সময় অথবা স্বপ্নে বীর্যপাত হলেও, তা থেকে পবিত্র হওয়ার জন্য।
২. মহিলাদের ক্ষেত্রে যৌন সংক্রান্ত কোন স্বপ্ন দেখলে এবং সেই সাথে তরল পদার্থের চিহ্ন পেলে, মহিলাদের রক্তস্রাব শেষ হলে এবং প্রসূতির অবস্থার মেয়াদ শেষ হলে।
এছাড়া বিশেষ বিশেষ ক্ষেত্রেও গোসল জরা জরুরি। এর মধ্যে ইসলামের দু'টি ঈদ, ইসলাম গ্রহণ এবং প্রতি শুক্রবার জুমার নামাজের আগে গোসল করা প্রয়োজন।