📘 ইসলামে নৈতিকতা ও আচরণ > 📄 ইসলামি আদব ও শৃঙ্খলা

📄 ইসলামি আদব ও শৃঙ্খলা


ব্যক্তির আবেগ নিয়ন্ত্রণ এবং যুক্তির প্রতি সাড়া দেওয়ার লক্ষ্যে ইসলামি আদব কায়দা মানুষকে সুসভ্য ও শিক্ষিত করে তোলে। এর ফলে ধৈর্যধারণ, আত্মসন্তুষ্টি ও স্বনির্ভর হওয়া বাঞ্ছনীয়; অপরিহার্য না হলে অন্যের সহযোগিতা না চাওয়ার ব্যাপারে ইসলাম শিক্ষা দিয়ে থাকে।
ইসলামের অন্যতম প্রশংসিত গুণ হচ্ছে মানুষের ক্রোধ নিয়ন্ত্রণ এবং তীব্রতার সঙ্গে প্রতিক্রিয়া প্রকাশ না করা। মহানবীর (সা.) ভাষায়, সবচেয়ে ক্ষমতাশালী ব্যক্তি সেই, যে ক্রোধ সংবরণ করতে পারে। উত্তম মুসলমানের সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বৈশিষ্ট্য হচ্ছে নিয়মানুবর্তিতা ও আত্ম-শৃঙ্খলা। দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ নিয়মানুবর্তিতা শিক্ষা দেয় এবং রমযান মাস আত্মসংযম শিক্ষা দেয়।
শৃংখলার সুফল হচ্ছেঃ (ক) মিতাচার ও (খ) সময়ের সদ্ব্যবহার। মিতাচার বা সংযম ইসলামি আদবের অন্যতম প্রধান বৈশিষ্ট্য। এর ফলে একটি সুষম ও ভারসাম্যপূর্ণ জীবনের সৃষ্টি হয়। মানুষের সেবার জন্য এটা প্রয়োজন (কারণ যে ব্যক্তি অতিরঞ্জন দোষে দুষ্ট অথবা মেকি আচরণে অভ্যস্ত সে কেমন করে এর প্রভাব থেকে মুক্ত হয়ে অন্যের সেবা করবে?) এবং আল্লাহর আদেশ মেনে চলতেও এটা প্রয়োজন। সময় হচ্ছে জীবনের মূল্য মূল্যায়নের একটি মানবিক মাপকাঠি। কেয়ামতের দিন প্রত্যেক মানুষকে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ যে প্রশ্নটি করা হবে তা হচ্ছে : সময়কে সে কিভাবে কাজে লাগিয়েছে। সুতরাং প্রত্যেক মুসলমানের কর্তব্য হচ্ছেঃ প্রতিটি মুহূর্তের সদ্ব্যবহার করা এবং প্রতিটি শস্যকণার হিসাব রাখা। এটা করতে হবে তার নিজের স্বার্থে এবং সমগ্র জাতির স্বার্থে।
উল্লিখিত নীতির সাথে পুরোপুরি সামঞ্জস্য রেখে ইসলামি আদব প্রণীত হয়েছে। নিচে এর ব্যাখ্যা দেওয়া হলো :
১. মুসলমানদের দৈনন্দিন জীবন শুরু হয় সূর্যোদয়ের আগে সুবহে সাদেক থেকে এবং শেষ হয় এশার নামাজের পরপরই অর্থাৎ সূর্যাস্তের প্রায় দেড় ঘন্টা পর।
২. নিছক সময় ক্ষেপণের জন্য মানুষের সঙ্গে মেলামেশা করাকে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে; অবশ্য মুসলমানদেরকে একে অন্যের সঙ্গে অহরহ দেখা সাক্ষাৎ করার তাগিদ দেওয়া হলেও তাদেরকে প্রয়োজনীয় বিষয়ে আলাপ করার মাধ্যমেই দেখা সাক্ষাৎকে ফলপ্রসূ করতে হবে।
৩. খাওয়ার সময় অহেতুক দীর্ঘ সময় ব্যয় করা অনুচিত।
৪. কথাবার্তার সংযম প্রয়োজন। দীর্ঘ সময় ধরে কথা বলা অথবা বলার খাতিরেই কথা বলার বদ অভ্যাস সময়ের অপচয় মাত্র। চুপ থাকাই বাঞ্ছনীয়।

📘 ইসলামে নৈতিকতা ও আচরণ > 📄 মানুষের নিরাপত্তার প্রশ্ন

📄 মানুষের নিরাপত্তার প্রশ্ন


উল্লেখ করা যেতে পারে, ইসলাম ব্যক্তির নিরাপত্তার প্রশ্নের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট। নীচে কতিপয় পরিচিত আদবের বিবরণ দেয়া হলো। এই লক্ষ্য অর্জনে যে কোন আচরণের সহায়ক অথচ ইসলামি নীতির সাথে সাংঘর্ষিক নয়, এমন বিষয় ইসলামি আদবের অংশ। নিম্নোক্ত বিষয়গুলো সুপারিশ করা হচ্ছে:
১. ঘুমাবার আগে নিশ্চিত হতে হবে যে, দরজা-জানালা বন্ধ করা হয়েছে, খাবার বস্তু ও পানির পাত্র ঢাকা এবং আগুনের সব উৎস বন্ধ করা হয়েছে।
২. যে বাড়ির ছাদে প্রতিরক্ষা প্রাচীর নেই, অথবা এমন নির্জন স্থান আছে যেখানে জরুরি পরিস্থিতিতেও কাউকে পাওয়া যায়না, এমন স্থানে ঘুমানো উচিত নয়। তাছাড়া বালিশ, লেপ-তোশক পরীক্ষা করে দেখতে হবে যে, সেখানে কোন ক্ষতিকর কীটপতঙ্গ লুক্কায়িত আছে কি-না।
৩. পাত্র থেকে পানি পান করার আগে নিশ্চিত হতে হবে যে, ঐ পাত্রে ক্ষতিকর কোন কিছু পড়েনি।
৪. একা একা নয়, বরং যতদূর সম্ভব দলবদ্ধভাবে সফর করা উচিত। যানবাহন এমনভাবে পার্ক করা যাবে না, যাতে অন্যের অসুবিধা বা বিপদের কারণ হয়।
৫. জুতো পরার আগে পরীক্ষা করা দরকার, রাতে অথবা অব্যবহার কালে কোন ক্ষতিকর কীট-পতঙ্গ সেখানে লুক্কায়িত রয়েছে কি-না।
৬. কতিপয় প্রাণী যেমন সাপ, বিচ্ছু, ইঁদুর- ক্ষতিকর বিধায় মেরে ফেলতে হবে।

📘 ইসলামে নৈতিকতা ও আচরণ > 📄 মুসলমানদের ঐক্য ও সাংস্কৃতিক পরিচয় সংরক্ষণে ইসলামি আদব

📄 মুসলমানদের ঐক্য ও সাংস্কৃতিক পরিচয় সংরক্ষণে ইসলামি আদব


ইসলামি আদবের অন্যতম সাফল্য হচ্ছে: বিভিন্ন জাতির অন্তর্ভুক্ত, ভিন্ন ভাষাভাষী এবং বিশ্বের বিভিন্নাঞ্চলে বসবাসকারী মুসলিম জনগণের ঐক্য প্রতিষ্ঠা। পবিত্র কুরআন ও সুন্নাহ থেকে গৃহীত ইসলামি আদব লেহাজের ধর্মীয় প্রকৃতি এক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করেছে। এজন্য পাকিস্তান সফরকারী একজন মরোক্কোবাসী সেখানকার জনগণের আচরণ বুঝতে অসুবিধায় পড়েনা, অথবা বিদেশ বিভূই বলেও মনে হয়না। মিশরের মুসলিম মহিলারা ইসলামি পোশাক পরিহিতা তুর্কি মহিলাদের দেখে বিস্মিত হয় না। ইসলামি সমাজের সদস্যরা প্রতিদিন বিভিন্ন উপলক্ষে তাদের সংহতি প্রকাশ করে জানিয়ে দেয় যে, তারা যেসব পন্থায় কাজ করে, তা তাদের ঐতিহ্যের অংশ। ইসলামি আদব মুসলমানদের মধ্যে অভিন্ন সমঝোতা গড়ে তোলে; গঠন করে একটি সার্বজনীন সংস্কৃতি। স্থানীয় সংস্কৃতি এক ইসলামি সম্প্রদায় থেকে অপর সম্প্রদায়ে ভিন্ন হতে পারে। নামাজ পড়া ও শুভেচ্ছা জানানো, প্রধান প্রধান উৎসব, পানাহারে বিধি নিষেধ (যেমন মদ্য পান), হালাল ও হারাম মেনে চলা- প্রভৃতি সার্বজনীন ইসলামি ঐক্যের উপকরণ। প্রতিটি অঞ্চলে মুসলিম শালীন পোশাক পরিধান করে এবং বেশির ভাগ মুসলিম দেশে যথাযথ ইসলামি পোশাক পরে। স্থানীয় বৈচিত্র্যধর্মী সংস্কৃতি (যেমন খাবারের ক্ষেত্রে পাক-ভারত উপমহাদেশে জনপ্রিয় বিরিয়ানী অথবা পোশাকের ক্ষেত্রে ভারতে মুসলিম নারীদের মধ্যে চালু শাড়ী) গুরুত্বপূর্ণ বিষয়, কারণ: এর ফলে এক অঞ্চলের মুসলমানদের সঙ্গে অন্য অঞ্চলের মুসলমানদের পার্থক্য বুঝা যায়। কুরআনের ভাষায় আমাদের বিভিন্ন জাতিকে সৃষ্টি করা হয়েছে, যাতে আমরা একে অপরকে চিনতে পারি। এসব বিষয় বিশেষ কোন এলাকার মুসলমানদের চরিত্র ও পরিচয় মুছে দেয়না। ইসলামি আদবের একটি গুরুত্বপূর্ণ বিধান হচ্ছে: অমুসলমানদের আচার আচরণের অনুকরণে নিষেধাজ্ঞা পালন। এর সাথে অবশ্য হস্তশিল্প, প্রযুক্তি, বিজ্ঞানের ক্ষেত্রে জ্ঞানান্বেষণ নিয়ে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করা যাবে না। ইসলাম জ্ঞানান্বেষণকে সবসময় উৎসাহিত করে এসেছে। সাংস্কৃতিক স্বাতন্ত্র্য বজায় রাখার ব্যাপারে আচার একটি গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। এটা সুস্পষ্ট যে, মুসলিম জীবনের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট আচার আচরণ তাদের নিজস্ব ইসলামি চরিত্র দ্বারাই পার্থক্য করা যেতে পারে।
মুসলমানদের জীবনে অমুসলমানদের সংস্কৃতির অনুপ্রবেশের অর্থ এ নয় যে, ইসলামি সত্তা মুছে গেল। এর কারণ হচ্ছে ইসলামি জীবনব্যবস্থা এত গভীরভাবে প্রোথিত যে, মুসলমানরা সহজেই তা থেকে ছাড়া পেতে পারেনা এবং এটা গভীরভাবে প্রোথিত হওয়ার কারণ হচ্ছে এটা ইতিহাসের এক বিশেষ সময়ের দাবি অনুযায়ী কোন অস্থায়ী উদ্ভাবনা নয়- বরং মানুষে মানুষে, মানুষ ও খোদার মধ্যে মানবিক সম্পর্কের অপরিবর্তনীয় বাস্তবতার সাথে সঙ্গতিপূর্ণ, আন্তঃসম্পর্কিত আচরণ ও আদর্শের স্থিতিশীল কাঠামো।
কেউ এ ব্যাপারে সন্দেহ পোষণ করলে, সোভিয়েত ইউনিয়নে খৃস্টবাদ ও ইসলামের বিভিন্ন পর্যায় পর্যালোচনা করে দেখুন। উভয় ধর্মই রুশ কম্যুনিজমের আদর্শ কর্তৃক সমভাবে ঘৃণিত ও নির্যাতিত। অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক অনৈক্য সত্ত্বেও সমগ্র বিশ্বের মুসলমানদের সাথে পূর্বের সোভিয়েত অঞ্চলের مسلمانوں সাংস্কৃতিক মিল ও ইসলামি ঐক্য একটি প্রমাণিত বাস্তবতা।

📘 ইসলামে নৈতিকতা ও আচরণ > 📄 মুসলমানদের আচার ও প্রথার ব্যাপারে ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গি

📄 মুসলমানদের আচার ও প্রথার ব্যাপারে ইসলামি দৃষ্টিভঙ্গি


মুসলিম ভূখণ্ডে বসবাসরত অমুসলিমদের প্রতি মুসলমানদের প্রদর্শিত সহিষ্ণুতা তুলনাহীন। ইসলামি রাষ্ট্রের আওতায় প্রত্যেক সম্প্রদায়ের ধর্ম ও সংস্কৃতি রক্ষার নিশ্চয়তা দিয়েছে ইসলাম। ইসলাম ধর্ম গ্রহণ হতে হবে স্বাধীন ইচ্ছা ও আস্থার মাধ্যমে।
ইসলামে প্রত্যেক অমুসলমানের জীবন, সম্পত্তি ও সম্মান পুরোপুরি সংরক্ষিত। তদুপরি ইসলাম তার অমুসলিম নাগরিকদের জন্য পূর্ণ ধর্মীয় স্বাধীনতা ও সীমিত বিচার সংক্রান্ত কর্তৃত্ব দিয়েছে। অমুসলিমদের রয়েছে নিম্নোক্ত অধিকারসমূহ:
১. বিশ্বাস ও ধর্মীয় উপাসনার পূর্ণ স্বাধীনতা এবং ধর্মীয় শিক্ষা প্রতিষ্ঠান খোলার স্বাধীনতা।
২. ইসলাম বিরোধী হলেও বিবাহ ও তালাকের বিধিসহ ব্যক্তিগত ও পারিবারিক আইনের ব্যাপারে পূর্ণ স্বায়ত্বশাসন।
৩. অর্থনৈতিক লেনদেন এবং বেসামরিক ক্ষেত্রে মুসলিম নাগরিকদের ন্যায় তাদের সাথে অভিন্ন আচরণ করা হবে। তবে মদ্যপানের ন্যায় কয়েকটি বিশেষ বিষয় এর বাইরে থাকবে। প্রকাশ্যে মদ্যপান না করা হলে তাদের শাস্তি দেওয়া হবেনা।
৪. সামাজিক প্রথার ব্যাপারে অমুসলিমগণ তাদের স্বতন্ত্র চরিত্র সংরক্ষণে পূর্ণ স্বাধীন থাকবে। এক্ষেত্রে পোশাকের ধরন (যদি তা ইসলামি আইনের বিরোধী না হয়), খাবার পদ্ধতি ও খাদ্য প্রকরণের বিষয়টি উল্লেখ করা যায়।
অমুসলিমদের ওপর নিজস্ব 'আদব' চাপিয়ে দেওয়ার ব্যাপারে ইসলামের অসম্মতি, ধর্মীয় বিরোধ ও সাম্প্রদায়িক সংঘর্ষ এড়াতে সহায়তা করেছে। অথচ ইউরোপীয় শাসনে রাজনৈতিক অথবা সামরিক স্বার্থে সাম্প্রদায়িক পার্থক্যকে কাজে লাগানো হয়েছে।
অমুসলিমদের সঙ্গে সামাজিক সম্পর্কের ব্যাপারে মুসলমানদের ওপর কতিপয় বিধি নিষেধ রয়েছে। এসব বিধি নিষেধের নিজস্ব ব্যাখ্যা রয়েছে- অমুসলমানদের ধর্মীয় উৎসব মুসলিম ধর্মবিশ্বাসের কোন অংশ নয়, যদিও ইসলামের শিক্ষা হচ্ছে: তাদের ধর্মীয় কর্মকাণ্ডে বাধা না দেওয়া। এজন্য এ ধরনের অনুষ্ঠানে তাদের অংশগ্রহণ করা উচিত নয়।
ধর্মান্ধতা ও অসহিষ্ণুতা প্রদর্শন তো দূরের কথা, এসব বিধি নিষেধ সহিষ্ণুতা ও শ্রদ্ধার মাধ্যমে ভারসাম্য প্রকাশ করে এবং মুসলমানদের ঈমান, কর্মকাণ্ড ও আদবের স্বাতন্ত্র্য ও স্থিতিশীলতা সংরক্ষণের প্রয়োজনীয়তার কথা স্মরণ করিয়ে দেয়।
অমুসলিম দেশসমূহে অথবা অমুসলিম কর্তৃপক্ষের অধীনে মুসলমানদের প্রতি যে অসহিষ্ণুতা প্রদর্শন করা হয়, তার পরিপ্রেক্ষিতে ইসলামের সহিষ্ণুতা বিশেষভাবে উল্লেখযোগ্য। উদাহরণস্বরূপ, ষোড়শ শতাব্দীতে স্পেনে মুসলিম শাসনের পতনের পর খৃস্টানদের ধর্ম বিচার সভা (Courts of the Inquisition) যে সব মুসলমান ধর্ম পরিত্যাগ করতে এবং খৃস্টান হতে অসম্মতি জানিয়েছিল, তাদের সকলকে পুড়িয়ে হত্যা করে। মুসলমানদেরকে বাধ্য করা হয় তাদের নাম, পোশাক, রীতিনীতি পরিবর্তন করতে এবং খৃস্টানদের ন্যায় আচরণ করতে।
ইতিহাস থেকে এ প্রসঙ্গে ইহুদিদের উদাহরণ উল্লেখ করা যায়। খৃস্টান ইউরোপের বিভিন্ন দেশে ইহুদিদের পোশাক, নামধাম ও প্রথা পরিবর্তন করে খৃস্টানদের অনুসারী হতে বাধ্য করা হয়। অথচ মুসলিম বিশ্বে তাদের সাথে আচরণ করা হয় অনন্য সহিষ্ণুতার সঙ্গে। ইহুদিদের নিজস্ব ঐতিহ্য অনুসারে তাদের ধর্মীয় কার্যক্রম পরিচালনা ও প্রথা মেনে চলার অনুমতি দেওয়া হয়। স্পেনে মুসলিম শাসনকালে ইহুদি সাহিত্যের স্বর্ণযুগ সৃষ্টি হয়। মুসলমানরা স্পেন ছেড়ে গেলে ইহুদিদেরও খৃস্টানদের অনুসারী হতে বাধ্য করা হয়।
আচরণে এই পার্থক্যের প্রমাণ আজো দেখতে পাওয়া যায়। মুসলিম বিশ্বে যেসব ইহুদি বাস করতো তারা এখন সেখানে থাকুক বা ইসরাইলে হিজরত করুক, তাদের ইহুদি নাম রয়ে গেছে। অথচ যারা পাশ্চাত্য বিশ্বে বাস করেছে অথবা এখনও বাস করছে তাদের রুশ, ইংরেজি, জার্মান বা ফরাসি নাম রয়েছে।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00