📘 ইসলামে মসজিদের ভূমিকা > 📄 বাগদাদের জামে মানসুর

📄 বাগদাদের জামে মানসুর


২য় আব্বাসী খলীফা আবু জা'ফর মানসুর ১৪৫ হিজরীতে বাগদাদে নূতন রাজধানী স্থাপন করেন। তিনি নিজে নূতন শহরের জন্য গোলাকার আকৃতির পরিকল্পনা তৈরি করেন। ফলে, অনেক ঐতিহাসিক শহরটিকে 'গোলাকার শহর' বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি শহরের মাঝখানে জামে মসজিদ তৈরির পরিকল্পনা নেন। তার নামানুসারে মসজিদটিকে 'জামে মানসুর' বলা হয়। রাজধানী শহর বাগদাদ তৈরির সাথে সাথে মসজিদ তৈরির কাজও এগিয়ে চলে। মসজিদটি চতুর্ভুজ। এর প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ হচ্ছে, ২শ' গজ।
১৯২ হিজরীতে খলীফা হারুনুর রশিদ মসজিদটি পুনর্নির্মাণ করেন। এটা বাগদাদের সবচাইতে প্রাচীন মসজিদ।
খতীব বাগদাদী তার 'তারীখু বাগদাদ' বইতে এ মসজিদের বিস্তারিত বর্ণনা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ২৬১ হিজরীতে ২য় আব্বাসী যুগের একজন শাসক মোফলেহ তুর্কী পার্শ্ববর্তী কাত্তান নামক ঘরটিকে মসজিদের অন্তর্ভুক্ত করে তাকে আরো সম্প্রসারিত করেন। ২৮০ হিজরীতে খলীফা মো'তাদেদ খলীফা মানসুরের প্রাসাদকেও মসজিদের অন্তর্ভুক্ত করেন।
আব্বাসী শাসনামলে, বাগদাদের জামে' মানসুর মুসলিম বিশ্বের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপিঠে পরিণত হয়।
প্রখ্যাত আরবী ব্যকরণের পণ্ডিত আল্লামা কিসাঈ এ মসজিদে বসে আরবী ভাষা শিক্ষা দিতেন। তাঁর ছাত্রদের মধ্যে আল-ফাত্রা, আল-আহ্মার এবং ইবনে সা'দান ছিলেন অন্যতম। আবুল আ'তাহিয়া এ মসজিদে ছাত্রদের সামনে আরবী কবিতা আবৃত্তি করতেন এবং তাদেরকে তা শিক্ষা দিতেন। কথিত আছে যে, আবু আ'মর যাহেদ ৩২৬ হিজরীতে এ মসজিদে নিজ কিতাব 'আল-ইয়াকুত' শিক্ষা দিয়েছেন। এ মসজিদে মিসরের ফাতেমীয় খলীফার পক্ষে বাগদাদের সেনাধ্যক্ষ আল-বাসাসিরী খোতবাহ দিয়েছিলেন।
ফলে মসজিদটি তদানীন্তন সময়ের জন্য জ্ঞান চর্চা এবং সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক তৎপরতার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় যে, মসজিদটি ধ্বংস হয়ে গেছে এবং এর চিহ্ন পর্যন্ত অবশিষ্ট নেই, তবে ইসলামের ইতিহাসে এতটুকু উল্লেখ আছে যে, ১৪৫ হিজরী থেকে ৭২৭ হিজরী পর্যন্ত মোট ৬শ বছর মুসলমানদের ঐ মসজিদটি বিদ্যমান ছিল।

২য় আব্বাসী খলীফা আবু জা'ফর মানসুর ১৪৫ হিজরীতে বাগদাদে নূতন রাজধানী স্থাপন করেন। তিনি নিজে নূতন শহরের জন্য গোলাকার আকৃতির পরিকল্পনা তৈরি করেন। ফলে, অনেক ঐতিহাসিক শহরটিকে 'গোলাকার শহর' বলে আখ্যায়িত করেন। তিনি শহরের মাঝখানে জামে মসজিদ তৈরির পরিকল্পনা নেন। তার নামানুসারে মসজিদটিকে 'জামে মানসুর' বলা হয়। রাজধানী শহর বাগদাদ তৈরির সাথে সাথে মসজিদ তৈরির কাজও এগিয়ে চলে। মসজিদটি চতুর্ভুজ। এর প্রত্যেক বাহুর দৈর্ঘ হচ্ছে, ২শ' গজ।
১৯২ হিজরীতে খলীফা হারুনুর রশিদ মসজিদটি পুনর্নির্মাণ করেন। এটা বাগদাদের সবচাইতে প্রাচীন মসজিদ।
খতীব বাগদাদী তার 'তারীখু বাগদাদ' বইতে এ মসজিদের বিস্তারিত বর্ণনা উল্লেখ করেছেন। তিনি বলেন, ২৬১ হিজরীতে ২য় আব্বাসী যুগের একজন শাসক মোফলেহ তুর্কী পার্শ্ববর্তী কাত্তান নামক ঘরটিকে মসজিদের অন্তর্ভুক্ত করে তাকে আরো সম্প্রসারিত করেন। ২৮০ হিজরীতে খলীফা মো'তাদেদ খলীফা মানসুরের প্রাসাদকেও মসজিদের অন্তর্ভুক্ত করেন।
আব্বাসী শাসনামলে, বাগদাদের জামে' মানসুর মুসলিম বিশ্বের শ্রেষ্ঠ বিদ্যাপিঠে পরিণত হয়।
প্রখ্যাত আরবী ব্যকরণের পণ্ডিত আল্লামা কিসাঈ এ মসজিদে বসে আরবী ভাষা শিক্ষা দিতেন। তাঁর ছাত্রদের মধ্যে আল-ফাত্রা, আল-আহ্মার এবং ইবনে সা'দান ছিলেন অন্যতম। আবুল আ'তাহিয়া এ মসজিদে ছাত্রদের সামনে আরবী কবিতা আবৃত্তি করতেন এবং তাদেরকে তা শিক্ষা দিতেন। কথিত আছে যে, আবু আ'মর যাহেদ ৩২৬ হিজরীতে এ মসজিদে নিজ কিতাব 'আল-ইয়াকুত' শিক্ষা দিয়েছেন। এ মসজিদে মিসরের ফাতেমীয় খলীফার পক্ষে বাগদাদের সেনাধ্যক্ষ আল-বাসাসিরী খোতবাহ দিয়েছিলেন।
ফলে মসজিদটি তদানীন্তন সময়ের জন্য জ্ঞান চর্চা এবং সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক তৎপরতার কেন্দ্রবিন্দুতে পরিণত হয়। কিন্তু দুঃখের বিষয় যে, মসজিদটি ধ্বংস হয়ে গেছে এবং এর চিহ্ন পর্যন্ত অবশিষ্ট নেই, তবে ইসলামের ইতিহাসে এতটুকু উল্লেখ আছে যে, ১৪৫ হিজরী থেকে ৭২৭ হিজরী পর্যন্ত মোট ৬শ বছর মুসলমানদের ঐ মসজিদটি বিদ্যমান ছিল।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00