📘 ইসলাম ভঙ্গকারী বিষয়সমূহ > 📄 শিরক আল-আকবার এর বিধান

📄 শিরক আল-আকবার এর বিধান


আল্লাহ তা'আলা এই শিরকের গুনাহ তাওবা ছাড়া ক্ষমা করবেন না। এই শিরকে লিপ্ত ব্যক্তি চিরস্থায়ী জাহান্নামী, এই শিরক সমস্ত আমল ধ্বংস করে দেয়। এই শিরকে লিপ্ত ব্যক্তিকে হত্যা করা এবং তার সম্পদ বাজেয়াপ্ত করা বৈধ।
১-আল্লাহ তা'আলা বলেন, {إِنَّ اللَّهَ لَا يَغْفِرُ أَنْ يُشْرَكَ به وَيَغْفِرُ مَا دُونَ ذَلكَ لِمَنْ يَشَاءُ وَمَنْ يُشْرِكْ بِاللَّهِ فَقَدِ افترى إنما عظيما (٤٨)} [النساء: ٤٨] .
নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন না, যে লোক তাঁর সাথে শরীক করে। তিনি ক্ষমা করেন এর নিম্ন পর্যায়ের পাপ, যার জন্য তিনি ইচ্ছা করেন। আর যে লোক অংশীদার সাব্যস্ত করল আল্লাহর সাথে, সে যেন অপবাদ আরোপ করল। [আন নিসা: আয়াত নং ৪৮]
২-আল্লাহ তা'আলা বলেন, {وَلَقَدْ أُوحِيَ إِلَيْكَ وَإِلَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِكَ لَئِنْ أَشْرَكْتَ لَيَحْبَطَنَّ عَمَلُكَ وَلَتَكُونَنَّ مِنَ الخاسرين (٦٥)} [الزمر: ٦٥] .
আপনার প্রতি এবং আপনার পূর্ববর্তীদের পতি প্রত্যাদেশ হয়েছে, যদি আল্লাহর শরীক স্থির করেন, তবে আপনার কর্ম নিষ্ফল হবে এবং আপনি ক্ষতিগ্রস্তদের একজন হবেন। [আয-যুমার: আয়াত নং ৬৫]

📘 ইসলাম ভঙ্গকারী বিষয়সমূহ > 📄 শিরক আল-আছগার এর বিধান

📄 শিরক আল-আছগার এর বিধান


শিরক আল-আছগার দীন থেকে বহিষ্কার করে না, কিন্তু তাওহীদের মাত্রাকে কমিয়ে দেয়। এই শিরকে লিপ্ত ব্যক্তি চিরকাল জাহান্নামে অবস্থান করবে না, বরং তার অপরাধ অনুযায়ী শাস্তি প্রদান করার পর তাকে জাহান্নাম থেকে বের করে আনা হবে। আবার কখনো বা কারো ক্ষেত্রে আল্লাহ তা'আলা চাইলে পূর্ণ ক্ষমা ঘোষণা করতে পারেন, ফলে তাকে কখনোই জাহান্নামে প্রবেশ করানো হবে না।
শিরক আল-আছগার সকল আমলকে নস্যাৎ করে না, বরং নির্দিষ্টভাবে যেই আমলের সাথে তার সংমিশ্রণ ঘটে সেই আমলকেই নস্যাৎ করে। এই শিরক হত্যাকে বৈধ করে না এবং সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার অনুমতিও দেয় না, যেমনটা শিরক আল-আকবার দিয়ে থাকে। এই শিরকে লিপ্ত ব্যক্তির বিধান হল একত্ববাদে বিশ্বাসী পাপাচারদের ন্যায়। কখনো কখনো শিরক আল-আছগার শিরক আল-আকবার এর রূপ ধারণ করে এই শিরকে লিপ্ত ব্যক্তির অন্তরে বিদ্যমান নিয়্যাতের অবস্থানুযায়ী। সুতরাং একজন মুসলিমের জন্য সর্বপ্রকার শিরক থেকে সম্পূর্ণভাবে সাবধান থাকা ওয়াজিব।

📘 ইসলাম ভঙ্গকারী বিষয়সমূহ > 📄 শিরকের ভয়াবহতা

📄 শিরকের ভয়াবহতা


১-আল্লাহ তা'আলার সাথে শিরক করা মহা যুলুম। কারণ, তা আল্লাহ তা'আলার জন্য নির্দিষ্ট বৈশিষ্ট্য - তাওহীদ - এর প্রতি অবিচার অন্যায়মূলক কাজ। তাওহীদ হল- ন্যায়ের সর্বোচ্চ পর্যায়, আর শিরক হল- অন্যায়ের সর্বশেষ সীমা ও সর্বাধিক নিকৃষ্ট কর্ম। কারণ, শিরক হল সৃষ্টিজগতের রব মহান আল্লাহর শানে নিন্দা ও দুর্নাম করা, তার আনুগত্য থেকে অহংকার করে মুখ ফিরিয়ে নেয়া, তার প্রকৃত অধিকারকে অন্যের জন্য ধার্য করা এবং অন্যকে তার সমতুল্য করা, যা থেকে আল্লাহ তা'আলা অনেক অনেক উর্দ্ধে। আর শিরকের এই ভয়াবহ অন্যায়ের কারণেই যে আল্লাহ তা'আলার সাথে মুশরিক হয়ে সাক্ষাৎ করবে, আল্লাহ তা'আলা তাকে ক্ষমা করবে না। যেমনটি আল্লাহ তাআ'লা বলেন:
إِنَّ اللَّهَ لَا يَغْفِرُ أَنْ يُشْرَكَ به ويَغْفِرُ مَا دُونَ ذَلكَ لمَن يَشَاءُ وَمَنْ يُشْرِكْ بِاللَّهِ فَقَد افترى إنما عظيما (٤٨)} [النساء: ٤٨]
নিঃসন্দেহে আল্লাহ তাকে ক্ষমা করেন না, যে লোক তাঁর সাথে শরীক করে। তিনি ক্ষমা করেন এর নিম্ন পর্যায়ের পাপ, যার জন্য তিনি ইচ্ছা করেন। আর যে লোক অংশীদার সাব্যস্ত করল আল্লাহর সাথে, সে যেন অপবাদ আরোপ করল। [আন নিসা: আয়াত নং ৪৮]
২- আল্লাহ তা'আলার সাথে শিরক করা সর্বোচ্চ গুনাহ। সুতরাং যে গায়রুল্লাহের ইবাদত করল, সে ইবাদতকে তার অনুপযোগী স্থানে রাখল এবং ইবাদতকে তার অযোগ্য দাবিদারের জন্য ধার্য করল। আর এটা মহা অন্যায়।
যেমনটি আল্লাহ তাআ'লা বলেন: {وَإِذْ قَالَ لُقْمَانُ لِابْنِهِ وَهُوَ يَعِظُهُ يَا بُنَيَّ لَا تُشْرِكْ بِاللَّهِ إِنَّ الشَّرْكَ لَظُلْمٌ عَظِيمٌ (۱۳)} [ لقمان: ۱۳].
যখন লোকমান উপদেশচ্ছলে তার পুত্রকে বললঃ হে বৎস, আল্লাহর সাথে শরীক করো না। নিশ্চয় আল্লাহর সাথে শরীক করা মহা অন্যায়। [লোকমান: আয়াত নং ১৩]
৩- শিরক আল-আকবার দীন থেকে বহিষ্কার করে দেয়। সমস্ত আমল নষ্ট করে দেয়। হত্যা বৈধ ও সম্পদ বাজেয়াপ্ত করার অনুমতি দেয়। চিরস্থায়ী ধ্বংস ও বিনাশকে আবশ্যক করে। এই শিরক সবচেয়ে বড় কাবীরা গুনাহ। এই শিরকে লিপ্ত ব্যক্তি জান্নাত থেকে বঞ্চিত, চিরস্থায়ী জাহান্নামী। আর তার ধ্বংস, বিনাশ ও ব্যর্থতার জন্য এতটুকুই যথেষ্ট।
১) আল্লাহ তা'আলা বলেন: {وَلَقَدْ أُوحِيَ إِلَيْكَ وَإِلَى الَّذِينَ مِنْ قَبْلِكَ لَئِنْ أَشْرَكْتَ لَيَحْبَطَنَّ عَمَلُكَ وَلَتَكُونَنَّ مِنَ الْخَاسِرِينَ (٦٥) بَلِ اللَّهَ فَاعْبُدْ وَكُنْ مِنَ الشَّاكِرِينَ (٦٦)} [الزمر: ٦٥ - ٦٦].
আপনার প্রতি এবং আপনার পূর্ববর্তীদের পতি প্রত্যাদেশ হয়েছে, যদি আল্লাহর শরীক স্থির করেন, তবে আপনার কর্ম নিষ্ফল হবে এবং আপনি ক্ষতিগ্রস্তদের একজন হবেন। বরং আল্লাহরই এবাদত করুন এবং কৃতজ্ঞদের অন্তর্ভুক্ত থাকুন। [আয-যুমার: আয়াত নং ৬৫-৬৬]
২) আল্লাহ তা'আলা বলেন: {فَإِذَا انْسَلَخَ الْأَشْهُرُ الْحُرُمُ فَاقْتُلُوا الْمُشْرِكِينَ حَيْثُ وَجَدْتُمُوهُمْ وَخُذُوهُمْ وَاحْصُرُوهُمْ وَاقْعُدُوا لَهُمْ كُلِّ مَرْصَدٍ فَإِنْ تَابُوا وَأَقَامُوا الصَّلَاةَ وَآتُوا الزَّكَاةَ فَخَلُّوا سَبِيلَهُمْ إِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَحِيمٌ (٥)} [التوبة: ٥].
অতঃপর নিষিদ্ধ মাস অতিবাহিত হলে মুশরিকদের হত্যা কর যেখানে তাদের পাও, তাদের বন্দী কর এবং অবরোধ কর। আর প্রত্যেক ঘাঁটিতে তাদের সন্ধানে ওঁৎ পেতে বসে থাক। কিন্তু যদি তারা তওবা করে, নামায কায়েম করে, যাকাত আদায় করে, তবে তাদের পথ ছেড়ে দাও। নিশ্চয় আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। [আত তাওবাহ্: আয়াত নং-৫]
৩) আল্লাহ তা'আলা বলেন:
إِنَّهُ مَنْ يُشْرِكْ بِاللَّهِ فَقَدْ حَرَّمَ اللَّهُ عَلَيْهِ الْجَنَّةَ وَمَأْوَاهُ النَّارُ وَمَا لِلظَّالِمِينَ مِنْ أَنْصَارِ [المائدة: ٧٢].{۷۲}
নিশ্চয় যে ব্যক্তি আল্লাহর সাথে অংশীদার স্থির করে, আল্লাহ তার জন্যে জান্নাত হারাম করে দেন। এবং তার বাসস্থান হয় জাহান্নাম। অত্যাচারীদের কোন সাহায্যকারী নেই। [আল মায়িদাহ: আয়াত নং ৭২]
৪) আবু হুরায়রা ( থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: রসূল ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:
«أُمَرْتُ أَنْ أَقَاتِلَ النَّاسِ حَتَّى يَقُولُوا : لا إِلَهَ إلا اللهُ، فَمَنْ قَالَ: لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ فَقَدْ عَصَمَ مني ماله ونفسه إلا بحقه، وحسابه على الله». متفق عليه، أخرجه البخاري برقم (۱۳۹۹), ومسلم برقم (۲۰)
আমি মানব জাতির বিরুদ্ধে যুদ্ধের জন্য আদিষ্ট হয়েছি, যতক্ষণ পর্যন্ত তারা লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু-এর স্বীকৃতি না দিবে। সুতরাং যে লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু বলল, সে আমার থেকে তার জীবন ও সম্পদের নিরাপত্তা অর্জন করে নিল। তবে লা-ইলাহা ইল্লাল্লাহু এর সথে সংশ্লিষ্ট কোনো রুকন ভঙ্গ করলে এই নিরাপত্তা প্রযোজ্য নয়। আর তাদের হিসাব হবে আল্লাহ তা'আলার নিকট। মুত্তাফাকুন আলাইহি, ছুহীহ বুখারী হা/১৩৯৯, ছুহীহ মুসিলিম হা/২০।
৫) আবু বাকরাহ থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন: নাবী কারীম ছল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:
«ألا أنبئكم بأكبر الكبائر». ثلاثاً، قالوا : بَلَى يَا رَسُولَ الله، قال: «الإِشْرَاكُ بالله، وعقوق الوالدين - وجلس وكان متكئاً، فقال - ألا وقول الزور». قَالَ: فَمَا زَالَ يكررها حتى قلنا: ليته سكت. متفق عليه، أخرجه البخاري برقم (٢٦٥٤), واللفظ له، ومسلم برقم (۸۷).
আমি কি তোমাদেরকে তিনটি সর্বোচ্চ কাবীরা গুনাহ সম্পর্কে সংবাদ দিব না? সাহাবাগণ বললেন: অবশ্যই হে আল্লাহর রসূল! তিনি বললেন: আল্লাহ তা'আলার সাথে অংশীদার সাব্যস্ত করা, মা-বাবার বিরুদ্ধাচারণ করা, তিনি হেলান দিয়ে বসলেন অতঃপর বললেন: সাবধান মিথ্যা কথা থেকে। বর্ণনাকারী
বলেন: তিনি বারবার এই কথাটা বলেই যাচ্ছিলেন। অবশেষে আমরা বললাম: যদি তিনি চুপ করতেন। মুত্তাফাকুন আলাইহি, দুহীহ বুখারী হা/২৬৫৪, দুহীহ মুসিলিম হা/৮৭।

📘 ইসলাম ভঙ্গকারী বিষয়সমূহ > 📄 ত্বগূত-এর বিধান

📄 ত্বগূত-এর বিধান


ত্বগৃত-এর সংজ্ঞা: প্রত্যেক এমন উপাস্য, অনুসৃত ও মান্যবর ব্যক্তি বা বস্তু, যার দ্বারা বান্দা তার ইবাদতের ক্ষেত্রে বাড়াবাড়ি বা সীমালঙ্ঘন করে থাকে।
উপাস্য-এর উদাহরণ: মূর্তি ও প্রতিমাসমূহ।
অনুসৃত-এর উদাহরণ: জ্যোতিষীবৃন্দ ও পাপী আলেমসমাজ।
মান্যবর ব্যক্তিদের উদাহরণ: রাষ্ট্রীয় নেতৃবৃন্দ ও শাসকগোষ্ঠী, যারা আল্লাহ তা'আলার আনুগত্যের সীমা থেকে বের হয়ে গিয়েছে।
ত্বগৃতগোষ্ঠির পরিচয়: ত্বগৃতের সংখ্যা অনেক হলেও তাদের নেতৃত্বে রয়েছে পাঁচ ধরনের:
১- ইবলীস, আল্লাহ তা'আলা আমাদেরকে তার থেকে রক্ষা করুন।
২- এমন ব্যক্তি যার উপাসনা করা হয় এবং সে এই উপাসনার উপর সন্তুষ্ট থাকে।
৩- যে মানুষকে নিজের ইবাদতের দিকে আহবান করে।
৪- যে আংশিক গায়েব জানার দাবি করে।
৫- যে আল্লাহ তা'আলা কর্তৃক নাযিলকৃত বিধানের পরিবর্তে অন্য বিধান বা আইনের সাহায্যে বিচারের মীমাংসা করে।
সুতরাং একজন মুসলিমের জন্য ওয়াজিব হল- আল্লাহ তা'আলার নাযিলকৃত বিধান মেনে চলা এবং ত্বগৃতকে অস্বীকার করা।
১) আল্লাহ তা'আলা বলেন: {اللَّهُ وَلِيُّ الَّذِينَ آمَنُوا يُخْرِجُهُمْ مِنَ الظُّلُمَاتِ إِلَى النُّورِ وَالَّذِينَ كَفَرُوا أَوْلِيَاؤُهُمُ الطَّاغُوتُ يُخْرِجُونَهُمْ مِنَ النُّورِ إِلَى الظُّلُمَاتِ أُولَئِكَ أَصْحَابُ النَّارِ هُمْ فِيهَا خَالِدُونَ} [البقرة: ٢٥٧].
যারা ঈমান এনেছে, আল্লাহ তাদের অভিভাবক। তাদেরকে তিনি বের করে আনেন অন্ধকার থেকে আলোর দিকে। আর যারা কুফরী করে তাদের অভিভাবক হচ্ছে তাগুত। তারা তাদেরকে আলো থেকে বের করে অন্ধকারের দিকে নিয়ে যায়। এরাই হলো দোযখের অধিবাসী, চিরকাল তারা সেখানেই থাকবে। [আল বাকারা: আয়াত নং ২৫৭]
২) আল্লাহ তা'আলা বলেন: {وَلَقَدْ بَعَثْنَا فِي كُلِّ أُمَّةٍ رَسُولًا أَنِ اعْبُدُوا اللهَ وَاجْتَنِبُوا الطَّاغُوتَ} [النحل: ٣٦]. আমি প্রত্যেক উম্মতের মধ্যেই রাসূল প্রেরণ করেছি এই মর্মে যে, তোমরা আল্লাহর এবাদত কর এবং তাগুত বর্জন করো। [আন নাহল: আয়াত নং ৩৬]
৩) আল্লাহ তা'আলা বলেন: {وَالَّذِينَ اجْتَنِبُوا الطَّاغُوتَ أَنْ يَعْبُدُوهَا وَأَنَابُوا إِلَى اللَّه لَهُمُ الْبُشْرَى فَبَشِّرْ عِبَادِ (۱۷) الَّذِينَ يَسْتَمِعُونَ الْقَوْلَ فَيَتَّبِعُونَ أَحْسَنَهُ أُولَئِكَ الَّذِينَ هَدَاهُمُ اللَّهُ وَأُولَئِكَ هُمْ أُولُو الْأَلْبَابِ (۱۸)} [الزمر : ۱۷ - ۱۸] .
যারা শয়তানী শক্তির পূজা-অর্চনা থেকে দূরে থাকে এবং আল্লাহ অভিমুখী হয়, তাদের জন্যে রয়েছে সুসংবাদ। অতএব, সুসংবাদ দিন আমার বান্দাদেরকে, যারা মনোনিবেশ সহকারে কথা শুনে, অতঃপর যা উত্তম, তার অনুসরণ করে। তাদেরকেই আল্লাহ সৎপথ প্রদর্শন করেন এবং তারাই বুদ্ধিমান। [আয-যুমার: আয়াত নং ১৭-১৮]

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00