📘 ইসলামে সর্বোত্তম > 📄 ধৈর্য

📄 ধৈর্য


১০৯. মহান আল্লাহ বলেন:
وَأَنْ تَصْبِرُوا خَيْرٌ لَّكُمْ وَاللَّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ
'তোমাদের জন্য এটা উত্তম যে তোমরা ধৈর্যশীল হবে, কেননা আল্লাহ অত্যন্ত ক্ষমাশীল, অত্যন্ত দয়াবান।' (সূরা আন-নিসা-৪: ২৫)

📘 ইসলামে সর্বোত্তম > 📄 সুগন্ধি

📄 সুগন্ধি


১১৩. জাবির (রা) বর্ণনা করেন, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
خَيْرُ النَّاسِ أَنْفَعُهُمْ لِلنَّاسِ .
অর্থঃ ভাল মানুষ সে মানুষের উপকারী যে।

১১৪. আবু সাঈদ খুদরী (রা) বর্ণনা করেন যে, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:
أَطْيَبُ طِيبِكُمُ الْمِسْكُ .
অর্থ : 'তোমাদের সর্বোত্তম সুগন্ধি হল মিসক।' (সুনানে আবু দাউদ, খ-২, পৃ-৮৯৭ নং ৩১৫২)

১১৫. আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত, আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ
إِنَّ خَيْرَ طِيبِ الرَّجُلِ مَا ظَهَرَ رِيحُهُ وَخَفِيَ لَوْنُهُ وَخَيْرَ طِيبِ النِّسَاءِ مَا ظَهَرَ لَوْنُهُ وَخَفِي رِيحُهُ ، وَنَهَى عَنْ مِيثَرَةِ الْأَرْجُوَانِ .
অর্থ: 'পুরুষের জন্য সর্বোত্তম সুগন্ধি হলো যার সুগন্ধি তীব্র রং হাল্কা, পক্ষান্তরে নারীর জন্য সর্বোত্তম সুগন্ধি হলো যার সুগন্ধি হাল্কা এবং রং তীব্র এবং রাসূল ﷺ গভীর লাল রং এর বিছানার চাদর ব্যবহার করতে নিষেধ করেছেন।' (সহীহ সুনানে তিরমিজী, খ-২, পৃ-৩৬৩ নং ২২৩৯)

টিকাঃ
৭৪. আবু দাউদ (র) এ হাদীসকে 'মিসক মৃতদেহের সুগন্ধি' অধ্যায়ে এনেছেন। নবী করীম ﷺ এর দ্বারা বুঝিয়েছেন যে 'মসক' মৃতদেহের জন্য উত্তম সুগন্ধি।

📘 ইসলামে সর্বোত্তম > 📄 কবিতা

📄 কবিতা


১১۶. আবু হুরাইরা (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেছেনঃ
لَأَنْ يَمْتَلِى جَوْفٌ أَحَدِكُمْ قَدْحًا يَرِيَهُ خَيْرٌ لَّهُ مِنْ أَنْ يَمْتَلِي شعرا .
অর্থঃ 'তোমার ভেতরটা (অশ্লীল) কবিতা দিয়ে পূর্ণ করার চাইতে ক্ষয়কর পুঁজ দিয়ে পূর্ণ করা অনেক ভাল।' (সহীহ আল-বুখারী, খ-৮, পৃ-১১৩, নং ১৭৫, সহীহ মুসলিম, খ-৪, পৃ-১২২০-২১, নং ৫৬০৯-১০)

টিকাঃ
৭৫. এ হলো সে সকল কবিতার কথা যা ঈমান থেকে উৎসারিত নয়। যেমন বাদ্য, সঙ্গীত, এটা হৃদয়কে দখল করে এবং বিদ্রোহের দিকে নিয়ে যায়। মূর্খরা এর মধ্যে আল্লাহকে বাদ দিয়ে পার্থিব মোহে মোহিত হয়। এছাড়াও বাদ্যযন্ত্রযুক্ত সঙ্গীত ও কলা এর অন্তর্ভুক্ত। কবিতা যদি ঈমানী স্পিরিটে হয় তাহলে তা গ্রহণযোগ্য। আবু হুরাইরা (রা) হতে বর্ণিত, নবী করীম ﷺ ইরশাদ করেন, 'একজন আরবের দ্বারা সর্ব সত্য যে কবিতাটি নবী কর্তৃক বলা হয়েছে তা হলো : انظر ما سوى الله باطل 'দেখ! আল্লাহ ছাড়া যা আছে সব বাতিল।' (সহীহ মুসলিম, খ-৪, পৃ-১২২০, নং ৫৬০৪) নবী করীম ﷺ তাঁর এক সাহাবী হাসসান বিন সাবিতকে ইসলামের পক্ষে কবিতা রচনার জন্য উৎসাহিত করেছেন।

📘 ইসলামে সর্বোত্তম > 📄 সালাত

📄 সালাত


১১৭. উম্মে ফারওয়াহ এবং ইবন মাসউদ (রা) উভয়ে রাসূল ﷺ থেকে বর্ণনা করেছেন:
أَفْضَلُ الْأَعْمَالِ الصَّلَاةُ لِوَقْتِهَا .
অর্থ : 'সর্বোত্তম কাজ হলো নির্দিষ্ট সময়ে শুরুতে সালাত আদায় করা।' (বাইহাকী ফী শুয়াবিল ঈমান, সহীহ আল-বুখারী, খ-১, পৃ-৩০০-৩০১, নং ৫০৫, সহীহ মুসলিম, খ-১, পৃ- ৪৯, ৫০ নং ১৫২ এবং সুনানে আবু দাউদ খ-১, পৃ-১১১, নং ৪২৬, আরো দেখুন মিশকাতুল মাসাবীহ, খ-১, নং ১২৪)

১১৮. ইবন উমর (রা) বলেন যে, নবী করীম ﷺ ইরশাদ করেন:
أَفْضَلُ الصَّلَوَاتِ عِنْدَ اللهِ صَلاةُ الصُّبْحِ يَوْمَ الْجُمُعَةِ فِي جَمَاعَة
অর্থ: 'আল্লাহর নিকট সর্বোত্তম সালাত হলো জুমুয়ার দিনের ফজর সালাত যা জামায়াত সহকারে আদায় করা হয়।' (বায়হাকী ফী শুয়াবিল ঈমান, আবু নুয়াইম ফিল হিলইয়াল আউলিয়া, সুনানে ইবন মাজা, খ-২, পৃ-১৫০-১৫১, নং ৪২১)

১১৯. যায়দ বিন ছাবিত বর্ণনা করেন যে, নবী করীম সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন:
أَفْضَلُ صَلَاتِكُمْ فِي بُيُوتِكُمْ إِلَّا الْمَكْتُوبَةَ .
অর্থ : 'তোমাদের সর্বোত্তম সালাত হলো যেগুলো ঘরে আদায় করা হয়, তবে ফরজ সালাত ছাড়া।' (সুনানে তিরমিযী, সহীহ আল-বুখারী, খ-১, পৃ- ৩৯১-৯২, নং ৬৯৮, সহীহ মুসলিম, খ-১, পৃ-৩৭৭, নং ১৭০৮, সুনানে আবু দাউদ, খ-১, পৃ-৩৭৯ নং ১৪৪২)

১২০. আবু হুরাইরা (রা) বর্ণনা করেন, রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন:
أفْضَلُ الصَّلَاةِ بَعْدَ الْمَكْتُوبَةِ الصَّلَاةُ فِي جَوْفِ اللَّيْلِ، وَأَفْضَلُ الصِّيَامِ بَعْدَ شَهْرِ رَمَضَانُ شَهْرُ اللَّهِ الْمُحَرَّمُ
অর্থ : 'ফরয সালাতের পর সর্বোত্তম সালাত হলো মধ্যরাতের সালাত, রমযানের সাওম, এরপর সর্বোত্তম সাওম হলো মুহাররম মাসের সাওম।' (সহীহ মুসলিম, খ-২, পৃ-৫৬৯ নং ২৬১১, সুনানে আরবায়াতে, সুনানে আবু দাউদ, উল্লেখ করেছেন। আরো দেখুন: মিশকাতুল মাসাবীহ। খ-১, নং ৪৩৩)

১২১. জাবির (রা) থেকে বর্ণিত, নবী করীম ﷺ ইরশাদ করেন:
أفضَلُ الصَّلاةَ طُولُ الْقُنوت .
'সর্বোত্তম সালাত হলো দীর্ঘক্ষণ দাঁড়ানো সালাত।' (সহীহ মুসলিম খ-১, পৃ-৩৬৪, নং-১৬৫০, তিরিমিযী, ইবন মাজা, খ-২, পৃ-১৫০-৫১ নং ৪২১, মুসনাদে আহমাদ, আবু মুসা, আমর ইবন আবামা এবং উমাইর ইবন কাতাদাহ্ থেকে তাবারানী কবীরের মধ্যে উল্লেখ করেছেন। এরূপ হাদীস সুনানে আবু দাউদ, খ-১, পৃ-৩৪৮ নং ১৩২০-এ রয়েছে।)

১২২. ইবন আব্বাস (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন,
خيَارُكُمْ أَلْيَنُكُمْ مَنَاكِبَ فِي الصَّلَاةِ .
অর্থঃ 'তোমাদের মধ্যে' তারাই সর্বোত্তম, যাদের কাঁধ সালাতের মধ্যে নরম থাকে।' (সুনানে আবু দাউদ খ-১, পৃ-১৭৪, নং ৬৭২)

১২৩. ইবন উমার (রা) আল্লাহর রাসূল ﷺ থেকে বর্ণনা করেছেন:
لا تَمْنَعُوا نِسَاءَكُمُ الْمَسَاجِدَ وَبُيُوتُهُنَّ خَيْرٌ لَّهُنَّ
অর্থ : 'তোমাদের নারীদের মসজিদে গমন থেকে বাধা দিও না, তবে ঘরই তাদের জন্য উত্তম।' (সুনানে আবু দাউদ, খ-১, পৃ-১৪৯, নং ৫৬৭)

১২৪. উম্মে সালামাহ (রা) থেকে বর্ণিত, নবী করীম ﷺ ইরশাদ করেন:
خَيْرُ صَلَاةِ النِّسَاءِ فِي قَعْرِ بُيُوتِهِنَّ .
অর্থ: 'মহিলাদের সর্বোত্তম সালাত হলো তাদের ঘরে অভ্যন্তরের কক্ষের সালাত।' (মুসনাদে আহমাদ, আততাবারানী, অনুরূপ হাদীস সুনানে আবু দাউদ, খ-১, পৃ-১৫০, নং ৫৭০)

১২৫. আব্দুল্লাহ ইবন বুরাইদা (রা) হতে বর্ণিত যে, ইমরান ইবন হুসাইন নবী করীম ﷺ-কে কোন ব্যক্তির বসে সালাত আদায় করা সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলেন। তিনি উত্তর দিলেন:
صَلَاتُهُ قَائِمًا أَفْضَلُ مِنْ صَلَاتِهِ قَاعِدًا وَصَلَاتُهُ قَاعِدًا عَلَى النصف من صَلَاتِهِ قَائِمًا ، وَصَلَاتُهُ نَائِمًا عَلَى النِّصْفِ مِنْ صَلَاتِهِ قَاعِدًا .
অর্থ: 'দাঁড়িয়ে সালাত আদায় করা বসে সালাত আদায় করার চেয়ে উত্তম। আর বসে আদায় করা সালাতের ছাওয়াব দাঁড়িয়ে আদায় করা সালাতের অর্ধেক, শুয়ে আদায় করা সালাতের সাওয়াব বসে আদায় করা সালাতের অর্ধেক। (সহীহ আল-বুখারী, খ-২, পৃ-১২০, নং ২১৬, সুনানে আবু দাউদ, খ-১, পৃ-২৪৩, নং ৯৫১)

১২৬. ইবন আমর বর্ণনা করেন, নবী করীম ﷺ ইরশাদ করেছেনঃ
أَحَبُّ الصَّلاةِ إِلَى اللهِ صَلاةُ دَاوُدَ، كَانَ يَنَامُ نِصْفَ اللَّيْلِ، وَيَقُوْمُ ثُلُثَهُ، وَيَنَامُ سُدُسَهُ
অর্থ: 'আল্লাহ রাব্বুল আলামীন যে সালাত (নফল) সর্বাধিক পছন্দ করেন তা হলো দাউদ (আ)-এর সালাত। তিনি রাতের অর্ধেক ঘুমাতেন, তিন ভাগের এক ভাগ জাগতেন এবং অবশিষ্ট ছয় ভাগের এক ভাগ পুনরায় ঘুমাতেন।' (সুনানে আহমাদ, আবু দাউদ, খ-২, পৃ-৬৭৪, নং ২৪৪২, সুনানে নাসায়ী ইবন মাজাহ। সহীহ আল-বুখারী, খ-২, পৃ-১২৯ নং ২৩১, সহীহ মুসলিম, খ-২, পৃ-৬৫৫ নং ২৫৯৫)

১২৭. আবু হুরাইরা (রা) হতে বর্ণিত যে, আল্লাহর রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন:
صَلاةُ الْجَمَاعَةِ أَفْضَلُ مِنْ صَلاةِ أَحَدِكُمْ وَحْدَهُ بِخَمْسَةِ وَعِشْرِينَ جُزْءًا
অর্থ : 'জামায়াতে সালাত আদায় করা একাকী সালাত আদায় করার চাইতে পঁচিশ গুণ সাওয়াব বেশি। (সহীহ মুসলিম খ-১, পৃ-৩১৪, নং ১৩৬০, সহীহ আল-বুখারী, খ-১, পৃ-৩৫১, নং ৬১৯, আবু সাঈদ খুদরী থেকে।)

১২৮. ইবন ওমর (রা) বর্ণনা করেন, আল্লাহর রাসূল ﷺ ইরশাদ করেনঃ
صَلَاةُ الْجَمَاعَةِ أَفْضَلُ مِنْ صَلَاةِ الْفَدِّ بِسَبْعِ وَعِشْرِينَ دَرَجَةً .
অর্থ : 'জামায়াতে সালাত আদায় করা একাকী সালাত আদায় করার চাইতে সাতাশ গুণ সাওয়াব বেশি।' (সহীহ আল-বুখারী, খ-১, পৃ-৩৫১ নং ৬১৮, সহীহ মুসলিম খ-১, পৃ-৩১৫, নং ১৩৬৫)

১২৯. আবু জুহাইম তিনি আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামকে এমন এক ব্যক্তি সম্পর্কে বলতে শুনেছেন যিনি সালাত আদায়কারীর সামনে দিয়ে অতিক্রম করছিলেন:
لَوْ يَعْلَمُ الْمَارُ بَيْنَ يَدَيِ الْمُصَلَّى مَاذَا عَلَيْهِ لَكَانَ أَنْ يَقِفَ اَرْبَعِينَ خَيْرٌ لَّهُ مِنْ أَنْ يَمُر بَيْنَ يَدَيْهِ . قَالَ أَبُو النَّضْرِ : لَا أَدْرِى قَالَ أَرْبَعِينَ يَوْمًا أَوْ شَهْرًا أَوْ سَنَةً .
অর্থ: 'সালাত আদায়কারীর সামনে দিয়ে অতিক্রমকারী ব্যক্তি যদি তার কি পরিমাণ পাপ হয় এ সম্পর্কে জানত, তাহলে সে সামনে দিয়ে অতিক্রম করার চাইতে চল্লিশ [......] পর্যন্ত অপেক্ষা করত। বর্ণনাকারী আবুন নদর বলেন: আমি নিশ্চিত নই তিনি চল্লিশ দিন, মাস বা বছর বলেছেন।' (সহীহ আল-বুখারী, খ-১, পৃ-২৯০-২৯৯, নং ৪৮৯, সহীহ মুসলিম খ-১, পৃ-২৬১ নং ১০২৭)

টিকাঃ
৭৬. অন্য বর্ণনায় হযরত যায়দ (রা) রাসূল ﷺ এর এ উক্তি উল্লেখ করেছেন: কোন ব্যক্তি তার ঘরে যে নামায আদায় করে তা আমার মসজিদে আদায় করা সালাতের চেয়ে উত্তম, তবে ফরয সালাত ব্যতীত। (সুনানে আবু দাউদ, খ-১, প-২৬৮, নং-১০৩৯। এ সব হাদীসে নফল সালাত ঘরে পড়তে উৎসাহিত করা হয়েছে।) কেননা রাসূল ﷺ ইরশাদ করেছেন যে, তাঁর মসজিদে সালাত আদায় করা অন্য স্থানের চাইতে ১০০০ গুণ সওয়াব বেশি।
৭৭. এ বর্ণনার ভিত্তিতে, পণ্ডিতগণ এ মত পোষণ করেন, নফল কম রাকআতে বেশি তিলাওয়াত বেশি রাকআতে কম তিলাওয়াতের চাইতে উত্তম। (যদিও সালাতে মনোযোগ ও আন্তরিকতাই মূল বিবেচ্য বিষয়।)
৭৮. আরবি প্রবাদ 'নরম কাঁধ' অর্থ তারা তাদের দেহকে শক্ত করে না, এমনভাবে যাতে অন্যদের কষ্ট হয় অর্থাৎ তাদের পাশে যারা সালাত আদায় করে এবং তাদের কেউ নাড়াতে চাইলে সহজে নড়ে, কাতার সোজা করার ক্ষেত্রে সহযোগিতা করে।
৭৯. এ ধরনের হাদীস বুখারী এবং মুসলিম শরীফেও পাওয়া যায়। এটাও উল্লেখ্য যে, রাসূল ﷺ এ শর্ত দিয়েছেন যে, তারা সুগন্ধি ব্যবহার করে যেন মসজিদে না যায়। (সুনানে আবু দাউদ খ-১, পৃ-১৪৯ নং ৫৬৫)
৮০. নারীদের ক্ষেত্রে, এ হাদীসের ভিত্তিতে এবং এরূপ অন্যান্য হাদীসের ভিত্তিতে, মসজিদে সালাত আদায় কোন বাড়তি ছাওয়াব নেই।
৮১. এ হাদীসে পরিষ্কারভাবে বুঝা যায় যে, কিছু সুন্নত নামায বসে আদায় করা অযৌক্তিক, যে ব্যক্তি দাঁড়িয়ে পড়তে পারে। নবী করীম ﷺ এর থেকে এ ধরনের আমল প্রমাণিত নেই, তবে তিনি পীড়িত অবস্থায় কখনো কখনো এরূপ করেছেন এবং তাঁর জীবনের শেষ সময়গুলোতে যখন ওজন কমে তিনি বৃদ্ধ বয়স অনুভব করতে পারছিলেন। এ সব আমল দ্বারা অসুস্থ ও দুর্বল লোকেরা দলিল গ্রহণ করতে পারেন। অন্যথায় স্বাভাবিক অবস্থায় এরূপ করা শুধু তার পক্ষেই সম্ভব, যিনি স্বেচ্ছায় আধা ব্যবসায় পূর্ণ পুঁজি খাটাতে চান।
৮২. ইবন হাজার এর মতে, উচ্চৈঃস্বরে আদায়কৃত সালাতে ২৭ গুণ সওয়াব এবং নিম্নস্বরে আদায়কৃত সালাতের (জোহর-আছর) সাওয়াব ২৫ গুণ (ফতহুল বারী)।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00