📘 ইসলামে সর্বোত্তম > 📄 ভ্রমণ

📄 ভ্রমণ


৮২. জাবির (রা) থেকে বর্ণিত, রাসূল ﷺ ইরশাদ করেন:
خيْرُ مَا رُكِبَتْ إِلَيْهِ الرَّوَاحِلُ مَسْجِدِى هَذَا وَالْبَيْتُ الْعَتِيقُ.
অর্থঃ "আরোহণ করার সর্বোত্তম স্থান হলো আমার এই মসজিদ এবং প্রাচীন ঘর।”

টিকাঃ
৫৯. অর্থাৎ কাবা শরীফ। হযরত ইবরাহীম এবং তদীয় পুত্র ইসমাঈল (আ) কর্তৃক ইবাদতের জন্য তৈরি প্রথম ঘর। রাসূল ﷺ তিনটি মসজিদ ছাড়া অন্য কোন স্থানে ধর্মীয় উদ্দেশ্যে সফর করতে নিষেধ করেছেন। সেগুলো হলো- ১. মসজিদে হারাম, মক্কার মসজিদ, ২. মসজিদে রাসূল, নবীর মসজিদ মদিনায়, ৩. মসজিদুল আকসা, জেরুসালেমের মসজিদ। (সহীহ আল-বুখারী, খ-২, পৃ-১৫৭ নং ২৮১)

📘 ইসলামে সর্বোত্তম > 📄 নেতৃবৃন্দ

📄 নেতৃবৃন্দ


৮৩. আওফ ইবন মালিক বর্ণনা করেন, নবী করীম ﷺ ইরশাদ করেন:
خِيَارُ أَئِمَّتِكُمُ الَّذِينَ تُحِبُّونَهُمْ وَيُحِبُّونَكُمْ، وَتُصَلُّونَ عَلَيْهِمْ وَيُصَلُّونَ عَلَيْكُمْ، وَشِرَارُ أَئِمَّتِكُمُ الَّذِينَ تُبْغِضُونَهُمْ وَيُبْغِضُونَكُمْ وَتَلْعَنُونَهُمْ وَيَلْعَنُونَكُمْ
অর্থ : 'তোমাদের মধ্যে সর্বোত্তম নেতাগণ হলেন তারা যাদের তোমরা ভালবাস, তারাও তোমাদের ভালবাসেন, তোমরা তাদের জন্য দুয়া কর তারা তোমাদের জন্য দুয়া করেন। তোমাদের মধ্যে খারাপ নেতাগণ হলো তারা যাদের প্রতি তোমরা অসন্তুষ্ট, তারাও তোমাদের প্রতি অসন্তুষ্ট, তোমরা তাদের অভিশাপ দেও এবং তারাও তোমাদের অভিশাপ দেয়।' (সহীহ মুসলিম, খ-৩, পৃ-১০৩৩, নং ৪৫৭৩, দেখুন, মিশকাতুল মাসাবীহ, খ-১, পৃ-৭৮১, ৭৮২)

📘 ইসলামে সর্বোত্তম > 📄 জীবিকা

📄 জীবিকা


৮৪. জায়েদ বিন জুবায়ের থেকে বর্ণিত যে, নবী করীম ﷺ ইরশাদ করেন:
خَيْرُ الرِّزْقِ الْكَفَافُ .
অর্থ: 'সর্বোত্তম জীবিকা হলো অল্পে তুষ্টি।' (সুনানে আহমদ)

টিকাঃ
৬০. নবী কারীম ﷺ তাঁর অনুসারীদের এ পৃথিবীতে একজন পথিক বা ভ্রমণকারী হিসেবে কাটানোর জন্য দিক নির্দেশনা দিয়েছেন। (সহীহ আল বুখারী, খ-৮, পৃ-২৮৪, নং-৪২৫)। নবী করীম ﷺ এর দৃষ্টিতে অধিক সম্পদ সঞ্চয় করা উত্তম নয়, কেননা যার বেশি আছে, তাকে বেশি দায়-দায়িত্ব বহন করতে হয়। তার লোভ ও ঝক্কি-ঝামেলাও বেশি। অতএব যার সম্পদ ন্যূনতম প্রয়োজন পূরণ করে সেই ভাল।

📘 ইসলামে সর্বোত্তম > 📄 বিবাহ

📄 বিবাহ


৮৫. উকবা ইবন আমির বর্ণনা করেন যে, নবী করীম ﷺ ইরশাদ করেন:
خَيْرُ النِّكَاحِ أَيْسَرُهُ
অর্থ: সর্বোত্তম বিবাহ, সবচেয়ে সহজ বিবাহ। (সুনানে আবু দাউদ, খ-২, পৃ. ৫৬৭, নং ২১১২)

টিকাঃ
৬১. এ বর্ণনা হয়েছিল, এরপরে নবী করীম ﷺ একটি বিয়ে দিয়েছিলেন। পুরুষ এবং মহিলাকে জিজ্ঞেস করেছিলেন যে, তারা পরস্পরকে বিয়ে করতে চায় কিনা, মাহর বা যৌতুক সম্পর্কে কোন প্রশ্ন তোলেন নি। যদিও মাহর স্ত্রীর এক বৈবাহিক চুক্তির গুরুত্বপূর্ণ অধিকার।

লিঙ্ক শেয়ার করুন
close

লিঙ্ক কপি করুন

0:00
0:00