📘 ইসলাম ও জাহেলিয়াতের দ্বন্দ্ব 📄 জানা সত্ত্বেও সত্য গোপন

📄 জানা সত্ত্বেও সত্য গোপন


যেমন ইয়াহুদী-খৃষ্টানদের আলেম বা পাদ্রী পুরোহিতদের সম্পর্কে আল্লাহ তাঁর পবিত্র কালামে বর্ণনা করেছেন। যেমন তারা মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আগমন সম্পর্কিত তাওরাত ও ইঞ্জীলের ভাষ্যসমূহ গোপন করেছে। অথচ তারা এগুলো তাদের গ্রন্থে আসার বিষয়টি নিশ্চিতভাবে জানে। শায়খুল ইসলাম ইমাম ইবনে তাইমিয়াহ প্রণীত আল-জাওয়াবুস সহীহ নামক গ্রন্থে এ বিষয়টির বিস্তারিত আলোচনা রয়েছে।

টিকাঃ
৩৪. ৩/৩২২-৩৬৮।

📘 ইসলাম ও জাহেলিয়াতের দ্বন্দ্ব 📄 না জেনে শুনে আল্লাহর সম্পর্কে কথা বলা

📄 না জেনে শুনে আল্লাহর সম্পর্কে কথা বলা


এটিই সব বিশৃঙ্খলা ও বিভ্রান্তির মূল উৎস। এ জাহেলী স্বভাবটি বেশী করে ঢুকে পড়েছে বেদআতী কালাম শাস্ত্রবিদ (মুসলিম) দার্শনিকদের মধ্যে। তারা আল্লাহর গুণাবলী সম্পর্কে এমন সব কথা বলছেন, যে সম্পর্কে আল্লাহ কোনো দলীল নাযিল করেন নি। তারা শরীয়তের নীতি নির্দেশসমূহকে নিজেদের খেয়াল খুশীমত ব্যাখ্যা করেছে। যেমন প্রখ্যাত মুফাসসির ইমাম রাযী করেছেন তার 'আসাসুত তাকদীস' নামক গ্রন্থে। আল্লাহ শায়খুল ইসলাম ইবন তাইমিয়্যাহকে উপযুক্ত প্রতিদান দিন, তিনি এর যথার্থ প্রতিবাদ করেছেন, ভিত্তি গুড়িয়ে দিয়েছেন, ভ্রান্তি ও অজ্ঞতা দূরে নিক্ষেপ করেছেন। এজন্যেই তো আল্লাহ বলেন-
‘যদি আল্লাহ একজনকে অপরজনের দ্বারা প্রতিরোধ না করতেন, তাহলে এ পৃথিবী বিশৃঙ্খলায় পূর্ণ হয়ে যেত।’ (সূরা আল-বাক্বারাহ, ২: আয়াত ২৫১)

টিকাঃ
৩৫. সেটা তার কালজয়ী "বায়ানু তালবীসিল জাহমিয়্যাহ” গ্রন্থে। যার অন্য নাম হচ্ছে, 'নাকছু তা'সীসিল জাহমিয়্যাহ।

📘 ইসলাম ও জাহেলিয়াতের দ্বন্দ্ব 📄 স্ববিরোধিতা

📄 স্ববিরোধিতা


এটাও ছিল জাহেলী যুগের একটি স্বভাব। যেমন আল্লাহ তা'আলা বলেন-
'বরং ওরা প্রকৃত সত্যকে মিথ্যা প্রতিপন্ন করছে, যখন তা তাদের নিকট উপস্থিত হয়েছে। আসলে ওরা সিদ্ধান্তহীনতার মাঝে বিরাজ করছে।’ (সূরা ক্বাফ, ৫০: আয়াত ৫)

আজকাল যারা বেদআতী, তাদের অবস্থা হয়েছে ঠিক অনুরূপ। এরা ইসলামের দাবী করে। অথচ এমন সব কার্য করে, যা ইসলামের বিরোধী।

📘 ইসলাম ও জাহেলিয়াতের দ্বন্দ্ব 📄 পাখী উড়িয়ে ভালমন্দ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা

📄 পাখী উড়িয়ে ভালমন্দ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা


জাহেলী যুগে পাখী উড়িয়ে ভালোমন্দ সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা, আঁক-জোক করে ভবিষ্যত বের করার দাবি করা, কোনো কিছুকে অশুভ ধারণা করা (যেমন- কোনো তারকা বা পাখীর ডাক কিংবা কোনো ব্যক্তিকে অশুভ মনে করা ইত্যাদি), গণকবাজি বা তার দ্বারা ভবিষ্যদ্বাণী করা এবং তাগুতের নিকট বিচার-ফয়সালা চাওয়া ও গ্রহণ করা প্রচলিত ছিল।

উপরোক্ত বিষয়গুলি সম্পর্কে আমরা আমাদের ‘বুলুগুল আরব ফী আহওয়ালিল আরব’ নামক কিতাবে আলোচনা করেছি। সেখানে আমরা ঐসব লোকদের সমস্ত জাল-জুয়াচুরি ও বিভ্রান্তিসমূহ উন্মোচিত করেছি। আজকের যুগের বহু মূর্খ মুসলিম এসবের শিকার হয়েছে। “অথচ তারা ভাবছে যে, তারা খুব পূণ্যের কাজই করছে।”

টিকাঃ
৩৬. প্রকাশ থাকে যে, মূল বইয়ের উপর ইরাকের সৈয়দ মাহমূদ শুকরী আলুসীকৃত ভাষ্যসহ অত্র পুস্তক অনুদিত হয়েছে।

ফন্ট সাইজ
15px
17px
🎤 ভাষা বেছে নিন
🇧🇩
বাংলা
Bengali
🕌
আরবি
العربية